Jitecney tv

Jitecney tv Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jitecney tv, Home decor, Bangla bazar, Barisal.

15/10/2023

কম্পিউটার অনেক ধরণের হার্ডওয়্যার ডিভাইস ও প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত হয়। কম্পিউটার এর যে কোনো কার্য সম্পাদনা করার জন্য হার্ডওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া ( Operating system) ছাড়া একটি কম্পিউটার তার কাজ গুলো কখনোই কর‍তে পারেনা। কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার কে কার্যমূলক ধারায় নেয়ার জন্য অপারেটিং সিস্টেম বা OS অনেক বেশি প্রয়োজনীয়।

অপারেটিং সিস্টেমকে আমরা একটি কম্পিউটারের জীবনীশক্তির সাথে তুলনা করতে পারি। মানুষের যেমন বেচে থাকার জন্য প্রাণের প্রয়োজন তেমনি কম্পিউটার এর প্রাণ বলা হয় অপারেটিং সিস্টেম কে।

প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো অপারেটিং সিস্টেম কি, এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট ও কার্যাবলী নিয়ে। আপনি যদি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে চান তাহলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলুন।

অপারেটিং সিস্টেম কি ( What Is Operating System)
কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে আমাদের যেমন বিশেষ সফটওয়্যার প্রয়োজন হয় তেমনি পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিচালনার জন্য একটি প্রধান সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়্ যা অপারেটিং সিস্টেম নামে পরিচিত। কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে গেলে বা কোনো সফটওয়্যার কে ইন্সটল করতে গেলে পুরো প্রক্রিয়াটিকে পরিচালনা করার জন্য কাজ করে অপারেটিং সিস্টেম।

কম্পিউটার কে সহজেই অপারেট করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন। প্রতিটি ডিভাইসের জন্য আলাদা আলদা OS থাকে। অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কোনো কাজ সম্পাদনা করা এতই জটিল যে, সাধারণ কোনো মানুষের পক্ষে সেটা করা অনেকটা অসম্ভব।

অপারেটিং সিস্টেম এখানে সকল ইন্টারফেস গুলোকে ইউজার এর কাছে সহজ ভাবে প্রদর্শন করে। এটা শুধুমাত্র কম্পিউটার এর ক্ষেত্রেই নয়, যে কোনো স্মার্ট ডিভাইস এর ক্ষেত্রে একটি অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন হয়।

এক কথায় বলা যায় অপারেটিং সিস্টেম হলো অসংখ্য সফটওয়্যারের সমষ্টি যেগুলো একত্রে কাজ করে এবং হার্ডওয়্যার ও প্রোগ্রামকে কার্যকরী হতে সাহায্য করে ।

অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট
অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কয়েকটি বৈশিষ্ট রয়েছে৷ মেমরি ম্যানেজমেন্ট, সিকিউরিটি সহ প্রধান কার্যাবলী গুলো নিচে দেয়া হলো-

১- Memory Management
একটি কম্পিউটার সিস্টেমে মেইন স্টোরেজ ও প্রাইমেরি স্টোরেজ নামে দুই ধরণের মেমরি থাকে যার পরিচালনায় অপারেটিং সিস্টেম কাজ করে। অপারেটিং সিস্টেম এর মাধ্যমে জানা যায় মেমরির কত অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে কারণ মেমরির সব অংশ সবসময় কাজে ব্যবহৃত হয়না।

যখন আপনি কোনো প্রোগ্রাম কম্পিউটারে ব্যবহার করছেন তখন অপারেটিং সিস্টেম মেমরি ম্যানেজমেন্ট এর ক্ষেত্রে সেটাকে memory allocate করে দেয়। এর মাধ্যমে যখন অনেক গুলো কাজ এক সাথে করা হয় তখন মেমরি কে আলাদা আলাদা কাজের জন্য ভাগ করে দেয়া হয়।

2- Device Mannagement
ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেম বুঝতে পারে একটি কম্পিউটার এর সকল ইনপুট ও আউটপুট ড্রাইভ সম্পর্কে । যে কোনো ডিভাইস এর কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে সেটাকে বন্ধ করে দেয়া ও কাজ শুরু হলে তাকে সক্রিয় করতে অপারেটিং সিস্টেম সক্ষম।

3- Processor Management
প্রসেসর কে সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম কাজ করে। কোন প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কোন প্রসেসর টি ব্যবহার করা হবে, কতটুকু কাজ বন্টন হবে, এক কথায় প্রসেসরের সমস্ত কন্ট্রোল অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় থাকে।

4- Security
অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার এর সর্বোচ্চ সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। আমরা যদি না চাই আমরা বাদে অন্য কেউ আমাদের কম্পিউটার টি ব্যবহার করবেনা তাহলে সেটাকে পাসওয়ার্ড মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখতে পারি। আলাদা আলদা ব্যবহারকারী তৈরি করার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু কে আমরা সহজেই অন্যের থেকে গোপনীয় রাখতে পারি।

5– Corruption Solve
কম্পিউটারে যখন আপনি কাজ করতে যাবেন তখন অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ত্রুটির সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু এই ত্রুটি গুলোকে খুজে বের করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম কাজ করে থাকে। শুধুমাত্র খুজে বের করাই নয় বরং সেগুলোকে সমাধান ও করে দেয় OS.

অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকার ও কি কি? ( Types of Operating system)
অন্যান্য সফটওয়্যারের মত অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রেও ভিন্নতা লক্ষ্যনীয়। আমরা যেধরণের সফটওয়্যারগুলো সচরাচর দেখি তা নিয়ে নিচে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলোঃ

1- Batch Operating system
এধরণের অপারেটিং সিস্টেমের একই সময় একাধিক নির্দেশনা গ্রহণ ও কাজ সম্পাদনের ক্ষমতা রয়েছে। যেমন ধরুন, এক দিকে আপনি ভিডিও এডিটিং করার পরে সেটা সেভ করতে দিলেন অন্যদিকে ইউটিউবে কোনো ভিডিও আপলোড করতে দিলেন। ঠিক একই সময়ে প্রতিটি কাজ কিন্তু আপনার চলছে। মূলত এই সিস্টেম কে ব্যাচ অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

2- Multiuser operating system
এই সিস্টেম এর মাধ্যমে একাধিক ইউজার কে এক সাথে কাজ করার সুবিধা দিয়ে থাকে। এ ধরণের সিস্টেম গুলোকে একাধিক প্রোগ্রামের সাথে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে যুক্ত থাকে যেখান থেকে একাধিক ইউজার এর সম্পাদন করা কাজ গুলোকে একত্রিত করতে পারে।

3- personal operating system
পার্সোনাল অপারেটিং সিস্টেম এর মাধ্যমে মাত্র একজন ইউজার সিস্টেমটি ব্যবহার করতে পারে। ব্যাক্তিগত কম্পিউটার এর ক্ষেত্রে পার্সোনাল অপারেটিং সিস্টেম গুলোকেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই সিস্টেমে আপনি একাধিক ইউজার কে কানেক্ট করতে পারবেন না৷

4- Distributed operating system
ডিস্ট্রিবিউট সিস্টেমে ব্যবহারকারীর ডাটা গুলো সংরক্ষিত করে রাখে। সিপিউ বা মেমরির নিজস্ব একটি সংস্থান থাকে। যখন, আপনি কোনো প্রোগ্রাম এর কাজ বন্ধ করে দিবেন সেটার ডাটা গুলোকে স্টোর করে রাখবে। পরবর্তী সময়ে যখন আবার সেটি খোলা হবে সেখান থেকে ডেটা গুলো কে ডিস্ট্রিবিউট করে দিবে।

5- Network operating system
নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম বিশেষভাবে তৈরি যা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অন্য সিস্টেমকে নিজের আওতাভুক্ত করতে পারে। যখন আপনি অন্য কোনো সিস্টেম কে যুক্ত করতে যাবেন তখন নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম সহজেই অন্য ডিভাইস গুলোকে যুক্ত করে দিতে সক্ষম।

অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধা কি – Benefits of Operating system
অপারেটিং সিস্টেম এর ইন্টারফেস ইউজার ফ্রেন্ডলি যা যে কেউ ব্যবহার করতে সক্ষম।
অপারেটিং সিস্টেম এর মাধ্যমে সহজেই নিজস্ব ডেটা গুলো কে শেয়ার করতে পারি।
সহজেই আপডেট করা যায়।
পর্যাপ্ত পরিমানে সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে থাকে।
কম্পিউটার এর যাবতীয় সকল সফটওয়্যার, গেমস কে উপভোগ করা যায়।
অপারেটিং সিস্টেমের অসুবিধা
সাধারণত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের দাম অনেকটা বেশি।
লিনাক্স ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়।
হার্ডওয়্যার অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হয় যা একটি বড় সীমাবদ্ধতা।
সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন – FAQ
অপারেটিং সিস্টেম কি?

অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার ও প্রোগ্রাম কে পরিচালনার জন্য সিস্টেম সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।

অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ কি?

অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ হলো – Windows, Android, Apple IOS, Linux, MacOS ইত্যাদি।

OS এর পূর্ণরুপ কি?

OS এর পূর্ণরুপ হলো – Operating system

আমাদের শেষ কথা
অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কোনো ভাবেই কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন কাজ করতে পারেনা। কম্পিউটার এর সকল সুবিধা উপভোগ করতে অবশ্যই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার কর‍তে হবে। একটি সাধারণ ইউজার যদি সম্পুর্ণ সুবিধা নিতে চায় তবে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা ছাড়া তার বিকল্প কোনো পথ নেই।

15/10/2023

অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে ? অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকার ও কি কি ? (Operating system in Bengali)

আমরা কিন্তু প্রায় প্রত্যেকেই operating system এই নামটা শুনেছি । প্রত্যেকটি কম্পিউটারে বা মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম অতি আবশ্যক। কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম না থাকলে সেই কম্পিউটার আমরা ব্যবহার করতে পারি না।

আমাদের কম্পিউটারে যত ধরনের হার্ডওয়ার রয়েছে যত ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে অর্থাৎ এক কথায় বলা যেতে পারে কখন কোন হার্ডওয়ার কে বা কখন কোন সফটওয়্যার কে কিভাবে কেন কিসের জন্য run করাতে হবে এই সমস্ত কাজটাই করে থাকে OS বা অপারেটিং সিস্টেম।

তো আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে এবং এর কাজ কি (operating system ki bangla), অপারেটিং সিস্টেম এর উদাহরণ ইত্যাদি বিষয়। আপনি যদি এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়েন তাহলে OS সম্পর্কে আপনারা বিস্তারিত ধারণা পেয়ে যাবেন। চলুন তাহলে জেনে নেই অপারেটিং সিস্টেম বলতে কি বুঝায়।

অপারেটিং সিস্টেম কি (what is operating system in Bengali)
অপারেটিং সিস্টেম হল এমন এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়ার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে ইন্টারফেস (interface) হিসেবে কাজ করে। operating system পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিচালনা করে অর্থাৎ operate করে। এর জন্য অপারেটিং সিস্টেম কি কম্পিউটারের আত্মা বলা হয় ইংরেজিতে soul of the computer system বলা হয়।

অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে (operating system meaning in Bengali)

অপারেটিং সিস্টেম সংজ্ঞা : যে সিস্টেম সফটওয়্যার (system software) হার্ডওয়ার সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগসূত্র তৈরি এবং কম্পিউটারের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।

অপারেটিং সিস্টেম এর উদাহরণ

কিছু জনপ্রিয় operating system এর উদাহরণ হল

• Microsoft windows

• Linux

• MacOS

• IOS

• Android ইত্যাদি।

অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য

অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো

• অপারেটিং সিস্টেম বা OS তাহলে একটা সিস্টেম সফটওয়্যার।

• কম্পিউটার সিস্টেমের সমস্ত কাজ কিভাবে পরিচালনা করতে হবে তা অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামে করা থাকে।

• Operating System কম্পিউটার হার্ডওয়ার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করে।

• প্রত্যেকটি কম্পিউটারে প্রথমে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে হয় কারণ OS ছাড়া কম্পিউটারে কাজ করা সম্ভব নয়।

• OS কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের resource এবং information কে সুরক্ষা প্রদান করে।

• সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ক চালানোর দায়িত্ব operating system এর।

অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ (function of operating system in Bengali)

চলুন অপারেটিং সিস্টেমের কাজ কি এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।

1. Memory Management

মেমোরি মানেজমেন্ট হল operating system একটি function যা primary memory কে পরিচালনা করে। মেমোরি মানেজমেন্ট প্রতিটি মেমোরির অবস্থান ট্র্যাক করে এবং কোন প্রক্রিয়ার জন্য কত মেমোরি consume হবে তা operating system সিদ্ধান্ত নেই।

2. Process Management

প্রসেসর ম্যানেজমেন্ট হল কম্পিউটারে প্রসেস কি ম্যানেজ করো। যখন কম্পিউটারে আপনি একাধিক কাজ করবেন যেমন ব্রাউজারে আপনি কোন কাজ করছেন এবং সেই সাথে আপনি টাইপিং করার জন্য ওয়ার্ড প্যাডে কাজ করছেন ,গান শোনার জন্য আপনি ভিডিও প্লেয়ার ওপেন করেছেন তো এই এই কাজ গুলো সঠিকভাবে করে প্রসেসর ম্যানেজমেন্ট। কম্পিউটারে কোন কাজের জন্য প্রসেসর কতক্ষণ কাজ করবে এ সমস্ত কাজগুলো করে থেকে OS ।

3.Device Management

আপনার কম্পিউটারে যে external device গুলো আছে যেমন কিবোর্ড, মাউস, স্পিকার, প্রিন্টার এই ডিভাইস গুলোকে ম্যানেজ করার কাজ হল অপারেটিং সিস্টেমের। অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমের যতগুলো ইনপুট আউটপুট ডিভাইস রয়েছে তাদের সাথে communication কাজ করে OS ।

4. File Management

কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর যতগুলো ফাইল সেভ রয়েছে , যত ডাটা রয়েছে এছাড়া ফাইল সেভ করা, কপি করা সমস্ত কাজ এই অপারেটিং সিস্টেম থেকে হয়।

5. Security

অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের সুরক্ষা প্রদানের সাহায্য করে। কম্পিউটারের যেকোন ধরণর Virus, Malware , Hacker এর হাত থেকে রক্ষা করে অপারেটিং সিস্টেম। আপনার কম্পিউটারে যদি অটোমেটিক ভাইরাস চলে আসে অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু সেটি কি রুখে দেই।

অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকার ও কি কি (Types of operating system in Bengali)

চলুন তাহলে অপারেটিং সিস্টেম এর প্রকারভেদ গুলো বিস্তারিত আলোচনা করি।



1. Batch Operating System

এই অপারেটিং সিস্টেমটি বর্তমানে আর ব্যবহার হয় না অনেক আগেই এই OS টি ব্যবহার করা হতো । বিশেষ করে মেইনফ্রেম কম্পিউটার এ এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হতো। এই operating system গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ইউজার এবং কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি কোন যোগাযোগ ছিল না।

2. Multiprogramming Operating System

অনেক প্রোগ্রাম যখন একসাথে CPU দ্বারা execute হয় তখন তাকে মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেম বলে। অর্থাৎ multiprogramming operating system এর কাজ হল একটি কম্পিউটারে একসাথে অনেক প্রোগ্রাম পরিচালনা করা।

3. Multiprocessing Operating system

Multiprocessing নাম শুনে হয়তো আপনারা বুঝতে পারছেন এর মানে কি এর অর্থ হলো অনেকগুলো প্রসেসর। অর্থাৎ একাধিক প্রসেসর ব্যবহার করে কম্পিউটারে কাজ দ্রুত করার জন্য এ ধরনের প্রসেসর গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এবং এক বা একাধিক central Processing unit (CPU) নাকি কম্পিউটার সিস্টেমে অবস্থান করে।

4. Real Time Operating System

real-time অপারেটিং সিস্টেম খুব অল্প সময়ের মধ্যে ইনপুট গুলোকে Process process প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ আবশ্যক না হলে এই সিস্টেম ব্যর্থ হবে। রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম এর উদাহরণ হল Airline traffic control systems, Network multimedia system, Robot ইত্যাদি।

5. Distributed Operating System

যে অপারেটিং সিস্টেম একাধিক কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে Communication অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম বলে। এক বা একাধিক কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে একটি টি অপারেটিং সিস্টেম কাজ করে এবং তাদের মধ্যে communities করে। কম খরচে এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।

6. Time Sharing Operating System

Time Sharing মানে হচ্ছে টাইম শেয়ার করা। তো এই ধরণের অপারেটিং সিস্টেমের কাজ হল CPU প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে টাইম নির্ধারণ করা।

FAQ :

1. ৩ টি অপারেটিং সিস্টেমের নাম ?

উত্তর : Linux OS, windows OS, MacOS

2. অপারেটিং সিস্টেম কোন ড্রাইভে থাকে ?

উত্তর : Operating system সি ড্রাইভে থাকে।

3.প্রথম অপারেটিং সিস্টেমের নাম কি ?

উত্তর : UNIX

4. পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম কোনটি ?

উত্তর : Windows 95

আশা করি আপনারা অপারেটিং সিস্টেম বলতে কি বুঝায় এই বিষয়টি বুঝতে পারলেন।

তো আমরা আজকের আর্টিকেল থেকে জানলাম অপারেটিং সিস্টেম কি | কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক ধারণা। বিভিন্ন প্রকার অপারেটিং সিস্টেমের তালিকা তৈরি কর ও OS সম্পর্কে বিস্তারিত খুঁটিনাটি বিষয়।

তো বন্ধুরা operating system ki নিয়ে এই আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদেরকে শেয়ার করতে পারেন এবং আপনারা কোন ধরনের আর্টিকেল চান সেটা আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন ধন্যবাদ।

কম্পিউটার সিস্টেম কি :-কম্পিউটার কতগুলো উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি। এ ধরনের উপাদানগুলো একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। এই উপাদানসম...
15/10/2023

কম্পিউটার সিস্টেম কি :-
কম্পিউটার কতগুলো উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি। এ ধরনের উপাদানগুলো একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। এই উপাদানসমূহের একত্রে গঠিত সিস্টেমকেই কম্পিউটার সিস্টেম বলে।

কম্পিউটার সিস্টেমের উপাদান :-
কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান উপাদানগুলো নিম্নরূপ-
হার্ডওয়্যার (Hardware)
সফটওয়্যার (Software)
ফার্মওয়্যার (Farmware)
ডেটা (Data)
হিউম্যানওয়্যার (Humanware) ব্যবহারকারি (User)
হার্ডওয়্যার (Hardware) :-
কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।

কম্পিউটার ব্যবস্থায় হার্ডওয়্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।

সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিঙ্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।
সফটওয়্যার (Software) :-
কম্পিউটার হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা মূলত ডেটা গ্রহণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং ফলাফল প্রদান করে। কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধি নেই বা নিজ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো কাজ করতে পারে না। কম্পিউটার কাজ করে ব্যবহারকারী প্রদত্ত নির্দেশ বা নির্দেশাবলি অনুযায়ী। এ ধরনের নির্দেশাবলির সমষ্টিই হলো সফটওয়্যার, যা সম্পন্ন কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে।

অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।

হার্ডওয়ার সত্যিকার অর্থে কম্পিউটিং কাজ করে এবং সফটওয়্যার কম্পিউটার পরিচালনা করে। সফটওয়্যার ছাড়া হার্ডওয়্যার অর্থহীন। সফটওয়্যার ব্যবহারকারী এবং হার্ডওয়্যারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। সফটওয়্যারকে স্পর্শ করা যায় না তবে মানুষের ব্রেইনের সাথে তুলনা করা যায়।
DOS Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Video Player, Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

হোমComputerঅপারেটিং সিস্টেম কি বা কাকে বলে? অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব
অপারেটিং সিস্টেম কি বা কাকে বলে? অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব

৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়। এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত।

১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M। কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো- MS DOS or PC-DOS, WINDOWS 95/98/2000/XP/7, OS/2, UNIX, LINUX, MAC OS, XENIX, WINDOWS NT ইত্যাদি।

একজন প্রতিষ্ঠানপ্রধানই পারে একটি প্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতে। তেমনি কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।

অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে :-
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।

আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিউটের(American National Standard Institute-ANSI) মতে, 'যে সফটওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, অ্যাকাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজসমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।'

আরও পড়ুন :- কম্পিউটার সিস্টেম কাকে বলে?

(Software which controls the ex*****on of computer programs and which may provide scheduling, debugging, input/output control, accounting, compilation, storage assignment, data management and related services.)

আরো সহজভাবে অপারেটিং সিস্টেম কি এর উত্তরে বলা যায়, অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব সময় নির্বাহ হয় এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের নির্বাহের পরিবেশ তৈরি করে।
অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকার :-
অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার। একে অনেক সময় মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রামও বলা হয়। কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা

১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System) ও

২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating System )

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম :-
এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।

তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেকগুলো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। Linux, Unix. MS-DOS / PC DOS, CP/Mi ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য :-
বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো

১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার জন্য Root Prompt বা Command Prompt (C:/>) ব্যবহৃত হয়।

২. ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম, নতুন ডিভাইস শনাক্তকরণ সকল পর্যায়ের কাজই কমান্ড দিয়ে করতে হয়।

৩. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে সকল কাজের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।

৪. নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটারকে বলে দিতে হয় কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।

৫. নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থা কার্যকর নয়। তবে ইউনিক্স বা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থা কার্যকর হয়।

৬. অল্প কিছু কমান্ড মুখস্থ করেই কম্পিউটার পরিচালনা করা যায়।

৭. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত কাজ করতে পারে।

৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর নয়।

৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে কম মেমরির প্রয়োজন হয়।

আরও পড়ুন :- কম্পিউটার কাকে বলে?

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম :-
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।

এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়। তবে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না।

Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য :-
অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো

১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।

২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।

৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।

৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।

৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।

৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।

৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।

৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধা :-
১. অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারকে সচল ও ব্যবহারপোযোগী করে তোলে।

২. প্রসেসর পরিচালনা ম্যানেজমেন্ট করে।

৩. মেমরি পরিচালনা করে, অর্থাৎ প্রধান মেমরিতে ডেটা, প্রোগ্রাম নিয়ে আসে এবং কার্যকরী করে।

৪. ইনপুট/আউটপুট যন্ত্রগুলো পরিচালনা করে, অর্থাৎ প্রিন্টার, ফ্লপি ডিস্ক, হার্ডডিস্ক, মাউস, কি-বোর্ড, মনিটর প্রভৃতির নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে।

৫. ফাইল পরিচালনা করে, অর্থাৎ মেমরিতে রক্ষিত বিভিন্ন ফাইল এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসে পাঠাতে এবং পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।

৬. অপারেটিং সিস্টেম নির্ধারণ করে কম্পিউটারের কোন কাজটি আগে কার্যকর হবে ইত্যাদি।

আরও পড়ুন :- ইন্টারনেট কাকে বলে?

অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব :-
অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের ন্যায় অপারেটিং সিস্টেমও এক ধরনের সফটওয়্যার। কম্পিউটার সিস্টেম জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব রয়েছে।

কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন সাধারণ মানুষের পক্ষেও কম্পিউটার ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের কারণেই তা সম্ভব হচ্ছে।

অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে। হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।

কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না। কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বণ্টন, তত্ত্বাবধান, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগ্রাম পরিচালনা- সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তাই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের প্রয়োজন অনস্বীকার্য।

অপারেটিং সিস্টেমের কার্যাবলি :-
কম্পিউটারের মূল অবকাঠামো হলো হার্ডওয়্যার। সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদনের হাতিয়ার। ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন হার্ডওয়্যার দিয়ে সফটওয়্যারের সাহায্যে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব পালন করে অপারেটিং সিস্টেম।

অপারেটিং সিস্টেম অনেকগুলো প্রোগ্রাম নিয়ে গঠিত একটি সমন্বিত সফটওয়্যার। অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরণের কাজ সম্পূর্ণ করে। নিম্নে অপারেটিং সিস্টেমের কাজগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো

ইউজার ইন্টারফেস :-

অপারেটিং সিস্টেম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যারের সংযোগ, সমন্বয় সাধন, পরিচালনা ও নির্দেশ গ্রহণে সাহায্যে করে। অপারেটিং সিস্টেমে সাধারণত তিন ধরনের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়। যথা- কমান্ডচালিত, মেনুচালিত ও গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।

ইউজার ম্যানেজমেন্ট :-

অপারেটিং সিস্টেম নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার সাহায্যে এক বা একাধিক ব্যবহারকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ডেটা বা প্রোগ্রামে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারীদের ফাইল পড়া এবং তাতে লেখার সুযোগ দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীদের আলাদা আলাদা অ্যাকসেস বা প্রবেশাধিকার দিতে পারে।

আরও পড়ুন :- ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাকে বলে?

প্রবেশাধিকারে বিভিন্ন স্তর রয়েছে এবং প্রতিটি স্তর ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে। আর এ সবই সম্পাদিত হয় অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায়।

ইনপুট-আউটপুট ম্যানেজমেন্ট :-

অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ইনপুট, আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা। বিভিন্ন প্রোগ্রাম কীভাবে কি বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ও অন্যান্য হার্ডওয়্যারের সাথে এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের সাথে কাজ করবে তার সমন্বয় সাধন করে। এটি ইনপুট আউটপুট ও অন্য হার্ডওয়্যারগুলোর নিয়ন্ত্রণ, অবস্থা পর্যবেক্ষণ ত্রুটি নির্ণয়করণ এবং সমন্বয় সাধন করে।

টাস্ক ম্যানেজমেন্ট :-

অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর নির্দেশ গ্রহণ, বিশ্লেষণ ও কার্যকর করে এবং সঠিকভাবে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদনে যাতে কোনো প্রকার সমস্যার সৃষ্টি না হয় সেজন্য অপারেটিং সিস্টেম সিপিইউয়ের টাইম প্লাইসকে বিভিন্ন টাস্কের মধ্যে বণ্টন করে এবং ইন্টারাপ্ট কন্ট্রোল করে যাতে সকল টাস্কই সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়।

রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট :-

কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন কাজসমূহকে সহজ করার জন্যই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। রিসোর্স শেয়ার বলতে এখানে তথ্য সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার শেয়ারিং বোঝায়।

এক কম্পিউটারে রক্ষিত ডেটা বা তথ্য অন্য কম্পিউটার দেখা যেতে পারে যদি সেই তথ্য শেয়ার করা থাকে এবং উপযুক্ত পারমিশন দেওয়া হয়। তেমনি এক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন- প্রিন্টার, সিডিরম ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক স্পেস, স্ক্যানার ইত্যাদি অন্য কম্পিউটারের সাথে শেয়ার করা যেতে পারে। আর এ সবই সঠিকভাবে হয়ে থাকে অপারেটিং সিস্টেমের রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সাহায্যে।

মেমরি ম্যানেজমেন্ট :-

অপারেটিং সিস্টেম সঠিকভাবে মেমরি ম্যানেজমেন্ট করে কম্পিউটারের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কমান্ডসমূহ প্রধান মেমরিতে সংরক্ষণ এবং নির্দেশ অনুযায়ী কার্যাবলি সম্পাদন করে।

অর্থাৎ তথ্য কীভাবে মেমরিতে সংরক্ষিত হবে বা মেমরি হতে কীভাবে উত্তোলিত হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রয়োজনে তথ্যসমূহ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক মেমরি ব্যবহার করে।

ফাইল ম্যানেজমেন্ট :-

অপারেটিং সিস্টেম ফাইল তৈরি, ডিলেট, অ্যাকসেস, কপি, মুভ, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে। তাছাড়া ফাইলের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজও করে থাকে।

কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট :-

দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে আঃসংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। অপারেটিং সিস্টেম নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারসমূহের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার ও রিসোর্স যাতে নিরাপদে কাজ করতে পারে অপারেটিং সিস্টেম তার ব্যবস্থাপনাও করে থাকে।

ইউটিলিটিস :-

অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের ইউটিলিটিস সুবিধা প্রদান করে থাকে। যেমন- ফাইল ডিফ্রাগমেন্টেশন, ডেটা কম্প্রেশন, ব্যাক আপ ডেটা রিকভারি, অ্যান্টিভাইরাস ইত্যাদি।

সিকিউরিটি :-

কম্পিউটারের ডেটা বা তথ্যসমূহ নিরাপদে সংরক্ষিত থাকলে অবাঞ্ছিত ব্যবহার হয় না কিংবা ডেটা চুরি বা নষ্ট হয় না। অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের রিসোর্সকে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম ধারাবাহিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ এবং নেটওয়ার্কের অন্যান্য সুবিধা প্রদান ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

02/04/2023

২০ রাকাত তারাবির নামাজের পক্ষে 11টি সহীহ হাদিস পেশ করলাম সকলের খেদমতে ,সবগুলো হাদিসের সনদ সহকারে উল্লেখ করা হয়েছে.পড়ে নিতে পারেন আশা করি ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ ।
(١)حدثنا علي أنا ابن ابي ذئب ،عن يزيد بنخصيفه ،اغاني عن السائب بن يزيد( رضي الله عنه) قال: كانوا يقومون على عهد عمر في شهر رمضان بعشرين ركعة
(মুসনাদে ইবনে জাদ হাদিস নং ২৮২৫ )
(٢) عبد الرزاق،عن اﻷسلامي، عنالحارث بن عبد الرحمن بن أبي ذباب،عن السائب بن يزيد(رضي الله عنه) قال: كنا ننصرف من القيام على عهدعمر(رضي الله عنه )و قد دنا فروع الفخر،وكان القيام على عهد عمر (رضي الله عنه)ثلاثه و عشرين ركعة
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদিস নং ৭৭৩৩ )
(٣)عبد الرزاق ،عن داود ابن قيس، وغيره،عن محمد بن يوسف،عن السائب بن يزيد، ان عمر جمع الناس في رمضان على ابي بن كعب،وعلى تعميم الدري على إحدى وعشرين ركعة
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদিস নং ৭ হাজার (৭৭৩০ )
(٤)حدثنا أبو بكر قال، ثنا وكيع,عن سفيان، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن قيس، عن شتير بن شكل: أنه كان يصلي في رمضان عشرين ركعة و الوتر
(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ হাদিস নং ৭৬৮০ )
(٥)حدثنا إسحاق بن إبراهيم،عن عبد الرزاق،عن الثوري،عن اﻷعمش، عن زيد بن وهب، قال: كان عبد الله بن مسعود يصلي بنا في شهر رمضان فننصرف بليل قال اﻷعمش:كان يصلي عشرين ركعة و يوتر بثلاث
(তাবারানি মুজামুল কবির হাদিস নং ৯৫৮৮)
(٦)حدثنا ابن النمير،عن عبد الملك، عن عطاء،قال: ادركت الناس وهم يصلون ثلاثاو عشرين ركعة بالوتر
(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ হাদিস নং ৭৬৮৮ )
(٧)حدثنا وكيع ،عن نافع بن عمر، قال: كان ابن أبي مليكة يصلي بنا في رمضان عشرين ركعة
(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ২য় খন্ড ২৮৫ পৃষ্ঠা )
(٩)حدثنا الفضل بن دكين، عن سعيد بن عبيد، أن علي بن ربيعةكان يصلي بهم في رمضان خمس ترويحتات و يوتر بثلاث
(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা হাদীস নং ৭৬৯০ )
(١٠)مالك عن يزيد بن رومان أنه قال: كان الناس يقومون في زمان عمر بن الخطاب (رضي الله عنه) في رمضان بثلاث وعشرين ركعة
(ফাতহুল বারী শরহে বুখারী ৪র্থ খন্ড ৩১৬ পৃষ্ঠা )
(١١)حدثنا وكيع ،عن مالك بن أنس ،عن يحيى بن سعيد،ان عمر بن الخطاب (رضي الله عنه)امر رجلا يصلي بهم عشرين ركعة

দুই মামা ও ভাগিনা ভ্রমন( চায়না ‍প্রকল্প পাশে, শিবপুর শান্তির হাট) ভোলা
23/03/2023

দুই মামা ও ভাগিনা ভ্রমন( চায়না ‍প্রকল্প পাশে, শিবপুর শান্তির হাট) ভোলা

মরুর দেশের মতো করতেছে চায়নাদের প্রকল্প
18/03/2023

মরুর দেশের মতো করতেছে চায়নাদের প্রকল্প

Address

Bangla Bazar
Barisal
BHOLA

Telephone

+8801516734158

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jitecney tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jitecney tv:

Share

Category

Nearby interior services


Other Home decor in Barisal

Show All

You may also like