ঘরকন্না Ghorkonna

ঘরকন্না Ghorkonna আমার এই পেইজে হরেক রকম রান্না আর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও ও ছবি আপলোড করা হয়
(3)

20/09/2025

ভাতের মাড় ফেলবেন কিন্তু লুছনী খুঁজে পাচ্ছেন না, গোসলে যাবেন গামছা খুঁজে পাচ্ছেন না সাথে সাথে আল্লাহকে বলবেন যে, আল্লাহ খুঁজে পাচ্ছিনা পাইয়ে দাও। যদিও এগুলো জিনিস হাতের কাছেই থাকে একটু খুঁজলেই পাওয়া যায় তবুও আগে আল্লাহকে বলবেন।

ছেল ঘুমের মধ্যে পুরো বিছানা গড়াগড়ি করে, খাটের মাথায় গিয়ে বাড়ি খায় নয়তো নিচে পড়ে যায় এইজন্য দুই পাশে কোল বালিশ দিয়ে রাখি। রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ হাত দিয়ে দেখি এক পাশে বালিশ নাই। ঘুমের মধ্যেই উঠে বিছানার চারপাশে খুঁজলাম পেলাম না পরে বিরক্ত হয়ে শুয়ে পড়লাম। তখনই মনে খেয়াল আসলো, আল্লাহ তো জুতার ফিতাও চাইতে বলছেন আচ্ছা আল্লাহকেই বলি। বলে আবার খুঁজা শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ পেয়ে গেলাম অথচ সেই একই জায়গায় মাত্রই দেখেছি কিন্তু পাইনি।

বড় বড় বিপদ ছাড়া আল্লাহকে বলার অভ্যাস নাই আমাদের কিন্তু বলা উচিত তাহলে জীবন সহজ হয়ে যায়। কারণ লুছনী বলেন বা গামছা প্রত্যেকটা জিনিসের মালিক আল্লাহ। এই ছোট্ট জিনিসটাও আল্লাহর ইচ্ছে ছাড়া ফিরে পাওয়া সম্ভব না। যতই নাগালে থাকুক, চোখের সামনে থাকুক। তাই খুঁজবেন কিন্তু আল্লাহকে বলে নিবেন।

একটা আইসক্রিম খেতে চাইলেও হাজব্যান্ড বা বাবাকে বলার আগে আল্লাহকে বলবেন। এই ছোট্ট জিনিসটা কিনে দিতে কোনো বাবা বা হাজব্যান্ডই না করবেন না। কিন্তু এমন হতে পারে যে, তাদের আনার কথা মনে থাকলোনা কিংবা আনার পথে হারিয়ে গেলো বা কোনোভাবে নষ্ট হয়ে গেলো। কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছে করলে যেভাবেই হোক আপনার হাতে পৌঁছে যাবে।

সবচেয়ে বড় ফায়দা হলো, এই ধরনের ছোট ছোট বিষয়ে বলার অভ্যাস থাকলে আল্লাহর সাথে স্ট্রং একটা কানেকশন তৈরি হয়ে যায় তখন বড় বড় বিপদে মাথা ঠান্ডা থাকে। নয়তো আমরা প্যানিক করে ফেলি, হসপিটালে দৌড়াই টাকা ঢালতে থাকি, এর কাছে বলি ওর কাছে দৌড়াই, এই সেক্টরে পরিচিত উচ্চপদস্থ কে আছে খুঁজতে থাকি। সবশেষে যখন কোন কাজ হয়না তখন আল্লাহকে বলি অথচ শুরুতেই আল্লাহকে বললে আল্লাহ বিষয়টা সহজ করে দিতেন।

কালেক্টেড

15/09/2025

কঠিন সময়ে টিকে থাকুন!

জীবনের প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনো সময় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। কখনও প্রিয়জনের দূরত্ব, কখনও চাকরির অনিশ্চয়তা, স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট, কখনও নিজের ভিতরের একাকীত্ব, এইসব কষ্ট যেন আমাদের ভেঙে দেয়ার জন্য আসে।
কিন্তু মনে রাখুন, সবচেয়ে অন্ধকার সময়টাই নতুন ভোরের ঠিক আগে আসে।

কঠিন সময় মানেই শেষ না, বরং এটাই আপনার ভিতরের শক্তিকে আবিষ্কার করার সেরা সুযোগ।

আপনার কান্না, হতাশা, ভেঙে পড়া, সব কিছুই স্বাভাবিক।

তবে সেই কষ্টের মাঝেও প্রতিটি মুহূর্তে আপনি বেঁচে আছেন, হাঁটছেন, লড়ছেন, এই টিকে থাকাটাই আপনার সাহসের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আপনার কষ্টের মূল্য আছে। আপনার চেষ্টার গুরুত্ব আছে।

হয়তো আজ কেউ বুঝবে না, কিন্তু আপনি নিজেই নিজের গল্পের নায়ক।

নিজেকে ভালোবাসুন। সময় দিন। নিজের যত্ন নিন। প্রয়োজন মনে হলে সাহায্য নিন।

একটা সময় আসবে, আপনি পেছনে তাকিয়ে দেখবেন, এই কঠিন সময়টাই আপনাকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছে।

হাল ছাড়বেন না। কঠিন সময়েও টিকে থাকুন।

ডা.মুনমুন জাহান

13/08/2025

সিলেটের সাদা পাথর আর দেখা হলো না আমার 😪😪

08/08/2025

জুমার দিন সূরা কাহ্ফ পড়লে দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহ রক্ষা করবেন। এই দিন আসরের সময় থেকে মাগরিবের সময় বেশি বেশি দুরুদপাঠ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে আল্লাহ খুশি হয়ে সেই দোয়া কবুল করবেন।

07/08/2025

নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ১৫ টি কৌশল :
১. ফজরের পরে না ঘুমানোর অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে কাইলুলা (দুপুরের হালকা ঘুম) করা যাবে।
২. দিনে ম্যক্সিমাম তিনবার খাবার অভ্যাস করুন। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝখানে হাবিজাবি খাবার- যেমন ফাস্টফুড, স্ট্রিটফুড খাওয়া যাবে না। ক্ষুধা লাগলে খেজুর, আপেল এগুলো খাওয়া যায়।
৩. প্রতিবেলা খাবার সময় যেটুকু খাবার যথেষ্ট বলে মনে হবে তার থেকে একটু কম খাবেন।
৪. অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন মন্তব্য করার আগে একবার চিন্তা করুন এই কথাটা আপনি না বললে কি কোন লস আছে? বলা কি আবশ্যক? উত্তর না হলে; ওই কথা বলার দরকার নাই।
৫. সকাল সন্ধ্যার জিকির-আযকার পাঠ করুন।
৬. ইশরাকের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন।
৭. প্রতিদিন নিয়মত কুরআন পড়ার অভ্যাস করুন। হতে পারে ১ রুকু থেকে ১ পারা - যেকোন পরিমাণ।
৮. ঘুমের পরিমাণ কমাতে হবে।
৯. ফজরের পরে কিছুক্ষণ ব্যায়ামের অভ্যাস করুন। আর কিছু না পারলে ১৫-২০ মিনিট জগিং করে এসে গোসল করে ইশরাকের সালাত পড়ার অভ্যাস করা।
১০. দৃষ্টি অবনত রাখুন। না পারলে ওইসব জায়গা এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।
১১. ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার (সোশ্যাল মিডিয়া) কম ব্যবহার করা।
১২. প্রতিদিন হিফজের একটা টার্গেট নেয়া। এটা প্রতিদিন এক আয়াতও হতে পারে৷ কিন্তু টার্গেট পুরা করতে হবে। এটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ।
১৩. বিশেষকরে রাতে ভরপেট খাওয়া পরিহার করতে হবে৷
১৪. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অযু করে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করে নিন এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আসতাগফিরুল্লাহ পড়তে থাকুন।
১৫. নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায়ের অভ্যাস করুন। ইনশাআল্লাহ, রাব্বে কারিম আপনার অন্তরকে প্রশান্ত করে দিবেন।
মহান আল্লাহ তা‘আলা লেখার প্রতিটি কথার উপর আমাদের সবাইকে এবং সাথে আমাকেও আমল করার তাওফিক দান করুক।
আমিন

(Collected)

06/08/2025

প্রতিদিন ১০০০ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করে আল্লাহ কে খুশি করতে পারি।আল্লাহ চাইলে আমাদের জীবন সহজ হবে, টেনশন দূর হবে।

সহজে কিভাবে ১০০০ বার দরূদ পাঠ করবো-----
প্রত্যেক নামাজে ২০০ বার করে দরূদ পাঠ করলেই ৫ ওয়াক্ত নামাজে ১০০০ বার হয়ে যাবে

19/07/2025

ভাবছি ইন্ডিয়া থেকে ঘুরে আসবো
কার কি লাগবে বলেন শুধু

25/06/2025

আমি ভাবছি আর ভাবছি

19/03/2025

বুঝলাম না সবার ঈদের বাজেট জেনে কিছু পাবলিক করবেটা কি🤔

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঘরকন্না Ghorkonna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share