20/09/2026
কী ভয়ংকর!
ভাবলেই গা শিউরে ওঠে।
অপ্রতিমকে যারা বাঁ%শ দিয়ে আঘাত করেছিল, তাদের মধ্যে ফাহাদও ছিল। বয়স মাত্র ১৫ বছর। নবম শ্রেণির ছাত্র। অপ্রতিমের চেয়ে মাত্র দুই বছরের বড়। অর্থাৎ সেও নিজেই একজন শিশু।
কিন্তু এরপর যা করেছে, সেটাই সবচেয়ে বেশি ভয় ধরিয়ে দেয়।
অপ্রতিমকে হ%ত্যা%র পর সেই রাতেই নিজের ফেসবুক আইডি থেকে অপ্রতিমের ছবি দিয়ে পোস্ট করে সে লিখেছে—
“৩ টার পর থেকে ছোট ভাই অপ্রতিম রে পাওয়া যাচ্ছে না, কেউ কোথাও দেখে থাকলে জানাইও!”
একদিকে তখন অপ্রতিম আর পৃথিবীতে নেই।
অন্যদিকে তারই ছবি দিয়ে নিখোঁজের পোস্ট!
এরপর আসে আরও শিউরে ওঠার মতো ঘটনা।
পরদিন সকালে পুলিশ যখন অপ্রতিমের লা%শ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে যায়, তখন কৌতূহলী মানুষের ভিড়ের মধ্যেই ফাহাদও সেখানে উপস্থিত হয়।
শুধু উপস্থিত হওয়াই নয় সেখান থেকে ফেসবুক লাইভও করে।
আর সেই লাইভের ক্যাপশনে লেখা৷
“আইফোন?”
একবার ঠান্ডা মাথায় বিষয়টা ভাবুন। যে ছেলেটার বয়স মাত্র ১৫, যে নিজেও একজন শিশু৷ সে একজন শিশুর মৃ%ত্যু%র ঘটনায় জড়িত থাকার পর, পরদিন সেই ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে এমনভাবে লাইভ করছে, যেন সে শুধু একজন সাধারণ দর্শক!
এটা কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়। এটা বাস্তব।
সবচেয়ে ভয়ংকর প্রশ্নটা তাই শুধু অপ্রতিমকে কারা হ%ত্যা করল, তা নয়।
প্রশ্ন হলো— ১৫ বছরের একটা শিশু কীভাবে এমন নির্মমতার জায়গায় পৌঁছে গেল? ফাহাদের মতন কামরুলও সেম কাজটা করছিল৷
কীভাবে একজন মানুষের মৃ%ত্যু%র পরও তার মধ্যে এতটুকু ভয়, আতঙ্ক কিংবা অনুশোচনা কাজ করল না?
আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আসলে কোনদিকে যাচ্ছে?
এটার জন্যে আসলে কারা দায়ী?
বাবা মা নাকি ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা!!
Shemo