কামিনীকাঞ্চন কল্পনা

কামিনীকাঞ্চন কল্পনা 🌸যেখানে কেউ পৌঁছায় না, সেখানে আমার গল্প শুরু হয়।🌿

আমার কল্পিত কল্পনারা, আমার কাল্পনিক কল্পনাতেই সীমাবদ্ধ 😥😅🥀                                #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️
21/07/2026

আমার কল্পিত কল্পনারা,
আমার কাল্পনিক কল্পনাতেই সীমাবদ্ধ 😥😅🥀
#কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️

20/07/2026

✍️যে সত্যি নিজের ঘরকে ভালোবাসে,
সে পথ ভুললেও একদিন ফিরে আসে🌸
#উপন্যাস #শেষকাপেচা #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা

20/07/2026

🥀"পরিবারকে ভয় দেখিয়ে যে সত্য বদলাতে চায়, সে নিজের মিথ্যাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়"
#উপন্যাস #শেষকাপেচা #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা

🌸🥀 জানেন মানুষ,আমার না নিজেকে মাঝেমধ্যে পাহাড় মনে হয়। কেনো জানেন? কারণ পাহাড়ের বুকে যেমন সবুজের হাজারও গল্প ও কল্পকাহ...
18/07/2026

🌸🥀 জানেন মানুষ,

আমার না নিজেকে মাঝেমধ্যে পাহাড় মনে হয়।
কেনো জানেন?
কারণ পাহাড়ের বুকে যেমন সবুজের হাজারও গল্প ও কল্পকাহিনী লুকিয়ে থাকে,
তেমনি আমার হৃদয়েও
হাজারও কল্পনা লুকিয়ে আছে।

🌿 #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍🏻
কপি❌❌

শেষ কাপে চা #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️পর্বসংখ্যা ১২সরকারি হাসপাতালের করিডোরে সময়ের গতি অন্যরকম।সেখানে ঘড়ির কাঁটা চলে, কিন্ত...
18/07/2026

শেষ কাপে চা
#কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️
পর্বসংখ্যা ১২

সরকারি হাসপাতালের করিডোরে সময়ের গতি অন্যরকম।
সেখানে ঘড়ির কাঁটা চলে, কিন্তু মানুষের অপেক্ষা থেমে থাকে।

সকালের আলো জানালার কাঁচ ভেদ করে সাদা মেঝেতে পড়েছে। বাতাসে ফিনাইলের গন্ধ। কোথাও শিশুর কান্না, কোথাও স্ট্রেচারের চাকা, কোথাও ডাক্তারদের দ্রুত পায়ের শব্দ। প্রতিটি মুখে এক একটি গল্প, প্রতিটি চোখে এক একটি প্রার্থনা।

হামিদ রউফ চুপচাপ করিডোরের কাঠের বেঞ্চে বসে ছিলেন।

আজ তিনি রিকশা নিয়ে বের হননি।

দুর্ঘটনার পর থেকে তাঁর মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে—

ছেলেটা কি বেঁচে আছে?

---

রিসেপশনে গিয়ে তিনি নাম বললেন না।

শুধু বললেন,

— "কয়েকদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় যে ছোট্ট ছেলেটাকে আনা হয়েছিল..."

নার্স খাতা দেখে উত্তর দিলেন,

— "নাম—আলী হুসাইন। অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। আজ জ্ঞান ফিরেছে।"

হামিদ অজান্তেই "আলহামদুলিল্লাহ" বলে ফেললেন।

নার্স অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

— "আপনি আত্মীয়?"

হামিদ হালকা হেসে বললেন,

— "না... শুধু একজন মানুষ।"

---

করিডোরের শেষ মাথায় একটি বেঞ্চে বসে ছিলেন মধ্যবয়সি এক নারী।

চোখ দুটো লাল।

হাতে তসবিহ।

প্রতিটি দানায় আঙুল ছুঁইয়ে তিনি নীরবে দোয়া পড়ছিলেন।

হামিদ বুঝলেন—

এই নিশ্চয়ই আলীর মা।

তিনি এগিয়ে গিয়েও থেমে গেলেন।

কিছু দুঃখ আছে, যেখানে অচেনা মানুষের সান্ত্বনাও বাড়তি মনে হয়।

ঠিক তখন একজন ডাক্তার বেরিয়ে এসে বললেন,

— "মুবারক হোক। ছেলেটা বিপদমুক্ত।"

মহিলার মুখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।

তিনি সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন।

হামিদ দূর থেকে দাঁড়িয়ে দৃশ্যটা দেখলেন।

অদ্ভুত এক স্বস্তি নেমে এলো তাঁর ভেতরে।

মনে হলো—

আজকের রোদটা একটু উজ্জ্বল।

---

বেরিয়ে আসার সময় হাসপাতালের গেটে তাঁর সঙ্গে দেখা হলো এক চা-ওয়ালার।

বৃদ্ধ লোকটি ছোট্ট কেতলি থেকে কাগজের কাপে চা ঢালছিল।

হামিদ একটি কাপ নিলেন।

টাকা দিতে গেলে বৃদ্ধ মাথা নাড়লেন।

— "আজ আপনার কাছ থেকে টাকা নেব না।"

হামিদ বিস্মিত।

— "কেন?"

বৃদ্ধ মৃদু হেসে বললেন,

— "সেদিন যে ছেলেটাকে রক্তমাখা অবস্থায় আপনি নিয়ে এসেছিলেন, আমি দেখেছিলাম। সবাই দাঁড়িয়ে ছিল, আপনি দৌড়েছিলেন।"

এক মুহূর্তের জন্য হামিদ কিছু বলতে পারলেন না।

তিনি শুধু কাপটা হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে চুমুক দিলেন।

চায়ের স্বাদ আজ অন্যরকম।

হয়তো কৃতজ্ঞতারও একটা স্বাদ আছে।

---

এদিকে মোচি গেটে দুপুর গড়িয়েছে।

শবনম খালার উঠোনে আজ মহল্লার কয়েকজন নারী বসে আচার রোদে দিচ্ছেন।

গল্প চলছে।

হাসি চলছে।

কথার ফাঁকে একজন বলল,

— "শুনেছ? হামিদ ভাই নাকি বড়লোকদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়েছে।"

আরেকজন ফিসফিস করে বলল,

— "আল্লাহ ওনাকে হেফাজত করুন।"

শবনম খালা হাতের কাজ থামিয়ে বললেন,

— "যে মানুষ অন্যের সন্তানের জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে, তার জন্য শুধু কথা বললেই হবে? প্রয়োজনে আমরা ওদের পাশে দাঁড়াব।"

উঠোনে হঠাৎ নীরবতা নেমে এল।

---

বিকেলে সাইফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিরছিল।

গলির মুখে সে দেখল, ছোট্ট হিবা দেওয়ালে রঙিন চক দিয়ে লিখছে—

"সত্য।"

সাইফ হেসে বলল,

— "এটা কে শিখিয়েছে?"

হিবা গর্ব করে বলল,

— "হামিদ চাচা। উনি বলেছে, এই শব্দটা ছোট হলেও ভাঙে না।"

সাইফ কিছু বলল না।

দূরে দাঁড়িয়ে থাকা নিজের বাবার দিকে তাকাল।

প্রথমবার তার মনে হলো—

তার বাবা শুধু তার বাবা নন।

এই মহল্লারও একজন ভরসার মানুষ।

---

সন্ধ্যায় হাজি ইদরিসের দোকানে আজ ভিড় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।

কেউ ক্রিকেট নিয়ে তর্ক করছে।

কেউ পেঁয়াজের দাম নিয়ে বিরক্ত।

কেউ আবার হাসপাতালে আহত ছেলেটার খবর জিজ্ঞেস করছে।

হাজি ইদরিস চা বাড়িয়ে দিয়ে বললেন,

— "একজন মানুষকে চিনতে হলে, সে একা থাকলে কী করে সেটা দেখো। লোক দেখানো ভালো মানুষ হওয়া সহজ। অদৃশ্য ভালো মানুষ হওয়াই কঠিন।"

হামিদ মৃদু হেসে বললেন,

— "ভালো মানুষ হতে পারিনি, হাজি সাহেব। চেষ্টা করছি শুধু মানুষ থাকতে।"

---

রাত নামার পর সাকেরা দেখলেন, হামিদ বারান্দায় বসে পুরোনো একটি খাতা খুলেছেন।

তিনি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,

— "এটা কী?"

হামিদ বললেন,

— "আজ হাসপাতালে ছেলেটার নাম জানলাম—আলী হুসাইন।"

তিনি খাতার প্রথম পাতায় ধীরে ধীরে লিখলেন—

'যাদের জন্য আল্লাহ আমাকে কোনো না কোনো দিনে মাধ্যম বানিয়েছেন।'

প্রথম নাম—

আলী হুসাইন।

তারপর খাতা বন্ধ করে দীর্ঘক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলেন....

চলবে.........
(কপি করা নিষেধ ❌❌)

শেষ কাপে চা #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️পর্বসংখ্যা ১১সেই রাতে মোচি গেটে বৃষ্টি হয়েছিল, খুব বেশি নয়।এমন এক বৃষ্টি, যা ধুলো ধুয...
18/07/2026

শেষ কাপে চা
#কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️
পর্বসংখ্যা ১১

সেই রাতে মোচি গেটে বৃষ্টি হয়েছিল, খুব বেশি নয়।
এমন এক বৃষ্টি, যা ধুলো ধুয়ে দেয়, কিন্তু মানুষের ভেতরের অস্বস্তি ধুয়ে দিতে পারে না।

ভোরে গলির ইটগুলো বৃষ্টির পানিতে চকচক করছিল। ছাদের কার্নিশ থেকে টুপটাপ করে পানি পড়ছিল। রেহমান নানওয়ালার তন্দুরে আগুন ধরতেই ভেজা কাঠের গন্ধ পুরো গলিতে ছড়িয়ে পড়ল।

হামিদ রউফ রিকশা বের করার আগে দরজার চৌকাঠে এক মুহূর্ত দাঁড়ালেন।

এই অভ্যাসটা তাঁর বহু বছরের।

বের হওয়ার আগে একবার ঘরটার দিকে তাকান—সাকেরা রান্নাঘরে, সাইফ বই হাতে, রুমাইসা জানালার পাশে। যেন প্রতিদিন নিজের পৃথিবীটাকে চোখে ভরে নিয়ে তবেই রাস্তায় নামেন।

---

সকাল গড়িয়ে দুপুর।

আনারকলি বাজারে যাত্রী নামিয়ে হামিদ যখন রিকশা ঘুরিয়ে ফিরছিলেন, তখন একটি সাদা গাড়ি তাঁর সামনে এসে ধীরে থামল।

গাড়ি থেকে নেমে এলেন মাঝবয়সি এক ভদ্রলোক।

পরিপাটি শাল, হাতে দামি ঘড়ি।

মুখে হাসি, কিন্তু সেই হাসিতে উষ্ণতা নেই।

তিনি বললেন,

— "আপনি হামিদ সাহেব?"

হামিদ মাথা নাড়লেন।

— "জি।"

— "চলুন, সামনের চায়ের দোকানে বসি। পাঁচ মিনিটের কথা।"

হামিদ চারপাশে তাকিয়ে বললেন,

— "কথা থাকলে এখানেই বলুন।"

লোকটি মৃদু হেসে বলল,

— "আপনি খুব সতর্ক মানুষ।"

— "জীবন শিখিয়েছে।"

লোকটি পকেট থেকে একটি ভিজিটিং কার্ড বের করে এগিয়ে দিল।

কার্ডে লেখা—

ফারুক মাহমুদ
আইন উপদেষ্টা

হামিদ কার্ডটা হাতে নিলেন, কিন্তু পকেটে রাখলেন না।

ফারুক ধীরে বললেন,

— "যে দুর্ঘটনার সাক্ষী আপনি, সেটি আদালত পর্যন্ত গেলে অনেক ঝামেলা হবে।"

— "ঝামেলা যার, সে সামলাবে।"

— "আপনারও হবে।"

— "সত্য বলার জন্য?"

ফারুক কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলল,

— "আপনার পরিবারের কথা ভেবে দেখুন।"

এই প্রথম হামিদের মুখের রেখা বদলে গেল।

নিজের জন্য হুমকি তিনি বহুবার শুনেছেন।

কিন্তু পরিবার...

সেটা অন্য কথা।

তিনি ধীরে উত্তর দিলেন,

— "পরিবারকে ভয় দেখিয়ে যে সত্য বদলাতে চায়, সে নিজের মিথ্যাকেই সবচেয়ে বেশি ভয় পায়।"

ফারুক আর কথা বাড়াল না।

গাড়িতে উঠে চলে গেল।

---

বিকেলে বাড়ি ফিরে হামিদ ঘটনাটা কাউকে বললেন না।

কিন্তু সাকেরা বুঝলেন কিছুএকটা হয়েছে

খাওয়ার সময়ও যেন হামিদ অন্য কোথাও তাকিয়ে আছেন।

রাতে তিনি জিজ্ঞেস করলেন,

— "কিছু লুকাচ্ছ?"

হামিদ একটু হেসে বললেন,

— "সব কথার উওর জানতে নেই।"

সাকেরা উত্তর দিলেন,

— "সব কথা, সুখ,দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার নামই তো সংসার।"

হামিদ স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে রইলেন।

এত বছর পরেও এই নারী তাঁর মনের ভেতরটা পড়ে ফেলতে পারেন।

শেষ পর্যন্ত তিনি সব খুলে বললেন।

সাকেরা দীর্ঘক্ষণ চুপ রইলেন।

তারপর বললেন,

— "আমি ভয় পাই।"

হামিদ স্ত্রীর হাতটা নিজের হাতে নিয়ে বললেন,

— "আমিও পাই। সাহস মানে ভয় না পাওয়া নয়। ভয়কে সঙ্গে নিয়েও ঠিক কাজটা করা।"

---

ওদিকে রুমাইসা স্কুল থেকে ফিরে দেখল, পাশের বাড়ির হিবা কাঁদছে।

তার পোষা কবুতরটা উড়ে গেছে।

হিবা ফুঁপিয়ে বলল,

— "ও আর ফিরবে না, আপু?"

রুমাইসা ছাদের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বলল,

— "যে সত্যি নিজের ঘরকে ভালোবাসে, সে পথ ভুললেও একদিন ফিরে আসে।"

কথাটা বলতে গিয়েই সে নিজে থেমে গেল।

নিজের অজান্তেই যেন নিজের জন্যই কথা বলে ফেলেছে।

---

সন্ধ্যায় হাজি ইদরিসের দোকানে আজ ভিড় একটু বেশি।

বিদ্যুৎ চলে গেছে।

হারিকেনের হলুদ আলোয় সবাই চা খাচ্ছে।

রাজনীতি, ক্রিকেট, বাজারদর—সব বিষয় নিয়ে তর্ক চলছে।

হাজি ইদরিস একসময় হেসে বললেন,

— "এই দোকানে চা ঠান্ডা হয়, কিন্তু তর্ক কখনো ঠান্ডা হয় না।"

সবাই হেসে উঠল।

ঠিক তখন মাওলানা ইউসুফ সাহেব হামিদের পাশে এসে বসলেন।

ধীরে বললেন,

— "একটা কথা মনে রেখো। সত্যের পথে হাঁটলে মানুষ কমে যায়। কিন্তু যারা থাকে, তারাই আসল মানুষ।"

হামিদ কোনো উত্তর দিলেন না।

শুধু চায়ের কাপটা হাতে তুলে নিলেন।

কাপ থেকে ধোঁয়া উঠছে।

তিনি তাকিয়ে রইলেন।

মনে হলো—

জীবনও বোধহয় এমনই।

ধোঁয়ার মতোই ক্ষণস্থায়ী।

কিন্তু সেই অল্প সময়েও উষ্ণতা ছড়িয়ে দেওয়াটাই মানুষের সবচেয়ে বড় কাজ।

---

রাত গভীর।

মহল্লার সব আলো নিভে গেছে।

হঠাৎ হামিদদের বাড়ির দরজায় তিনবার কড়া নাড়ার শব্দ হলো।

ঠক...

ঠক...

ঠক...

সাইফ দরজা খুলতে এগোতেই হামিদ হাত তুলে থামালেন।

তিনি নিজেই দরজার কাছে গেলেন।

ধীরে কপাট খুললেন।

বাইরে কেউ নেই।

শুধু চৌকাঠের ওপর একটি সাদা খাম।

খামের ভেতরে মাত্র একটি কাগজ।

তাতে কালো কালি দিয়ে লেখা—

"শেষ সুযোগ। আদালতে মুখ খুলবেন না।"

হামিদ কাগজটা ভাঁজ করলেন।

এক মুহূর্তের জন্য তাঁর চোখে উদ্বেগের ছায়া ফুটে উঠল।

তারপর তিনি কাগজটা হারিকেনের আগুনে ধরিয়ে দিলেন।

কাগজটা পুড়ে ছাই হয়ে গেল।

কিন্তু তিনি জানতেন—

হুমকি পুড়ে যায়,

হুমকিদাতারা নয়।

চলবে.................
(কপি করা নিষেধ❌❌)

18/07/2026

কাল্পনিক মানুষ

18/07/2026

#কামিনীকাঞ্চনকল্পনা উপন্যাস #শেষকাপেচা

ঝড়ের সঙ্গে পরিচয় আছে বলেই হয়তো _বাতাসে ভয় লাগেনা😅🥀                          #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️
15/07/2026

ঝড়ের সঙ্গে পরিচয় আছে বলেই হয়তো _
বাতাসে ভয় লাগেনা😅🥀
#কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️

১৫-০৭-২০২৬প্রিয় মেয়ে,শুনছো?বিষাদ এ ভরাক্রান্ত দিনগুলোতে তোমার তুৃমিটাকে যত্নে রেখো অবহেলা করোনা যেনো,তোমার তুমিটার  তুমি...
14/07/2026

১৫-০৭-২০২৬
প্রিয় মেয়ে,

শুনছো?
বিষাদ এ ভরাক্রান্ত দিনগুলোতে তোমার তুৃমিটাকে যত্নে রেখো অবহেলা করোনা যেনো,তোমার তুমিটার তুমি ছাড়া কেউ নেই, আর যারা আছে তারা কচু পাতার উপর জমে থাকা জলকণার মতোই ক্ষণস্থায়ী। দিনশেষে তুমিই তোমার আপন,তোমার তুমিটাকে গুছিয়ে রেখো,কোনো সুপুরুষ এর মায়ায় পড়ে তোমার যত্নে গড়া তুমিটাকে এলোমেলো করে দিওনা মেয়ে।নিজেকে গোলাপের মতো সুন্দর,পাথরের মতো কঠোর আর পাহাড়ের মতো অটুট করে তৈরি করো যেনো কেউ তোমার দিকে আঙুল তোলার সাহস না পায়।

আজ এতটুকুই,কোন এক মেঘলা বিকালে নিজের প্রতি বিতৃষ্ণা আসলে ফিরে এসো মেয়ে,নিজেকে একটুখানি সাজিয়েগুছিয়ে নিয়ো। দিনশেষে তুমিই তোমার প্রেম,তুমিই তোমার ভালোবাসা।

ইতি তোমার,
অপ্রিয় শুভাকাঙ্ক্ষী

--------------------------------------------
কলমে: #কামিনীকাঞ্চনকল্পনা✍️
(কপি করা নিষেধ ❌❌)

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কামিনীকাঞ্চন কল্পনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share