28/04/2026
গাট হেলথ ক্ষতিকর!
হ্যাঁ, গাট হেলথ নিয়ে আমাদের ওভারথিংকিং করানোয় ক্ষতি হচ্ছে আমাদের ই।
গাট হেলথ নিয়ে যখন বিভিন্ন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিও বানানো শুরু করেন, তাদের বেশিরভাগের খাবারের রুটিন, লাইফস্টাইল হ্যাকস কোনো ভাবে বাজেট ফ্রেন্ডলি বলা যেতোনা। ভিডিওগুলো অ্যাস্থেটিক হতো, কিন্তু অনেকের মনে ভয়, কনফিউশান,আক্ষেপও আসতো… সাহস করে তারা গাট হেলথ এর কথা ভেবে নিজের রুটিন সাজাতে পারতোনা। এটা নিয়ে ওভারথিংক করা রীতিমতো স্ট্রেস, যা গাট হেলথ এর ভালো করবে কি, উলটো আরও ক্ষতি করছে। স্কিন, বডি, হেয়ার ভালো রাখতে গাট হেলথ ভালো রাখা প্রোডাক্ট ইউজের থেকেও অনেকগুণ বেশি জরুরি কিন্তু টপিকটা ক্ষতিকর হয়ে উঠছে আপনার ফিজিকাল এবং মেন্টাল হেলথ এর জন্য।
তাই, আমি ঠিক ৬ মাস আগে পূর্বের সম্পূর্ণ গাট হেলথ ফ্রেন্ডলি রুটিন ফলো করা বন্ধ করে দিই। স্টুডেন্ট, গৃহিণী কিংবা যারা ইচ্ছা থাকলেও বাজেটের ভয়ে পিছিয়ে যাচ্ছেন, তাদের জন্য গত ৬ মাস ধরে সম্পূর্ণ বাজেট ফ্রেন্ডলি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করা শুরু করি।
এতে কি আমি আদৌ গাট হেলথ ভালো রাখতে পেরেছিলাম? গত ৬ মাসের জার্নিতে কি আমি সফল হয়েছি? চলুন, দেখা যাক।
🌻
(১)
গাট হেলথ ভালো থাকা মানে স্কিন, চুল এবং ওভারঅল বডি ভালো থাকা - তার প্রমাণ সবার প্রথমে পাই আমাদের বাসার হেল্পিং হ্যান্ড নানুর কাছ থেকে।
পিউবার্টিতে আমার অনেক একনে হচ্ছিলো। ফুড হ্যাবিট হযবরল ছিল বলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিই হচ্ছিলো বলতে পারেন। তখন উনি আমাকে ভাতের মাড়ে হলুদ মেশানো এক গ্লাস জুস ডেইলি খাওয়াতেন। এটা আমার পেটের জন্য অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি হিসাবে এত ভালো কাজ করতো! একনে কন্ট্রোলে হেল্প করতো। আসলেই পেট ভালো মানে স্কিন,চুল, বডি সবকিছু ভালো। হ্যাঁ, আপনার একনে হওয়ার অন্যতম একটা কারণ বাজে ফুড হ্যাবিট।
প্রথমে বিশ্বাসযোগ্য মনে না হলেও যখন বাজেট ফ্রেন্ডলি, গাট হেলথের জন্য উপকারী ফুড হ্যাবিট নিয়ে পড়াশোনা করতে গেলাম যে উনার বলা অনেক টোটকার বৈজ্ঞানিক সমর্থন আছে।
যেমন - ভাতের মাড় প্রিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে, প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে। কাঁচা হলুদ নিজেও শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ইনফ্ল্যামেশন কমাতে হেল্পফুল। দুজন মিলে লিভারের ডিটক্সিফিকেশনে হেল্প করে। স্কিন এ ন্যাচারাল গ্লো চলে আসে একদম।
৬ মাস আগে আমি মাড়ের জুস খাওয়া আবারও শুরু করি এবং আগের মতো সেইম রেজাল্ট পাই। ওয়ান অফ দ্যা মোস্ট বাজেট ফ্রেন্ডলি, ঘরোয়া রেমিডিস! 😳
বি.দ্র : কিডনির সমস্যা, ডায়বেটিস, প্রেগ্নেন্সি.. মোট কথা মেডিকেল কন্ডিশন থাকলে ডক্টরের কাছে শুনে নিতে হবে আপনার জন্য রেমিডিটা ফলো করা ঠিক হবে কীনা। বাকিদের জন্য সেফ রেসিপি আপনারা চাইলে শেয়ার করে দেব।
(২)
চুল-স্কিন-বডি নিয়ে কে কী বললো, একদিন অনেক সাফল্য পেতে হবে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে, পড়াশোনা ভালো করে হচ্ছে কীনা, ভালো মা হচ্ছি কীনা, বিয়েশাদি, রিলেশনশিপ, সেফটি..মানে কোন জিনিসটা নিয়ে আমরা স্ট্রেসড থাকিনা বলেনতো?
৬ মাস আগে নানান ব্যস্ততায় জিম করা ছাড়তে হয় আমাকে। এতে আমার সামনে আরেকটা এক্সপেরিমেন্ট করার সুযোগ আসে। অনেক মেয়ের পক্ষেই জিমে যেয়ে ব্যায়াম করা সম্ভব না। পর্দা মেইনটেইন করার মতো পরিবেশ সব জিমে না থাকা , ফিন্যান্সিয়াল ইস্যু সহ বিভিন্ন ফ্যাক্টর এখানে জড়িত।
গাট হেলথ ভালো রাখতে হলে ব্যায়াম মাস্ট৷ ব্যায়াম স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ কমায় পাশাপাশি পেটে ভালো ভালো ব্যাক্টেরিয়া তৈরি করতে হেল্প করে - দুইটা বিষয়ই গাট হেলথের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। স্কিন ভালো রাখতে চাইলে, চুল হেলদি রাখতে চাইলে, সুস্থতা চাইলে একটু পরিশ্রম করা লাগবেই।
তো আমি প্রতিদিন মিনিমাম ৩০ মিনিট খালি হাতে এক্সারসাইজ করেছি। কোনোদিন ইয়োগা করতাম, কোনোদিন বডিওয়েট স্কোয়াট করতাম, এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দৌঁড়াতাম, জাম্পিং জ্যাকস সহ আরও কিছু এক্সারসাইজ করতা, একেকদিন একেকটা । টিউটোরিয়াল ইউটিউবে পাবেন। অনেক আপুর নাকি আমার কাছ থেকে শুনতে বেশি ভালো লাগে, আপনারা কমেন্টবক্সে জানাতে পারেন।
আমার স্ট্রেস কম থাকতো, ঘুম ভালো হতো, স্কিন এর ডালনেস একদম ই থাকতোনা৷ ঘুম থেকে উঠে স্কিনে হেলদি গ্লো দেখতে পাই রোজ। রাতের রুটিনে খুব অল্প প্রোডাক্ট থাকে আমার, তবুও গ্লো এর কমতি নেই।
(৩)
আমার জন্য প্রতিটা দিনই পহেলা বৈশাখ। সকাল সকাল মাটির পাতে পান্তা নিই ; সাথে একটু লবণ, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ। খাওয়া শেষে এক কাপ টকদই খাই…পরিমাণ ২০০-২৫০ গ্রাম আনুমানিক। এ Meal টাতে প্রোটিন অ্যাড করার জন্য থাকে ডিম সেদ্ধ অথবা এয়ার ফ্রায়ারে ভাজা চিকেন । চিকেন কারি খেলেও চলে, তেল কম লাগে সাধারণভাবে চুলায় ভাজার তুলনায়।
পান্তা ভাতে ল্যাক্টোব্যাসিলাস, পেডিওকক্কাস, ওয়েইসেলার মতো ভালো প্রোবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়া জন্মায়। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। গাট হেলথের জন্য এর চেয়ে ইজি, বেনিফিশিয়াল কম্বো আর কী হতে পারে? স্কিনে, চুলে, বডিতে পজিটিভ চেঞ্জ আসবেই৷
টকদইও প্রোবায়োটিক হিসাবে গাট হেলথের জন্য ভালো, পাশাপাশি এতে থাকা জিংক, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ডিরেক্টলি স্কিন, হেয়ারের জন্য কাজ করে।
দেখেন, দামী দামী খাবার দিয়ে কিন্তু রুটিনটা ভরে নেই। পান্তা, টকদই.. সহজ সরল খাবার।
ঘরে বানানো যায় এমন খাবার দিয়ে গাট হেলথ ভালো রাখা পসিবল, জাস্ট একটু উপকারিতা বুঝে চুজ করতে হবে, এটুকুই।
(৪)
"Early to bed and early to rise,
Makes a man healthy, wealthy, and wise."
আমরা এখন উপরে বলা কথাগুলোর ঠিক উলটোপথে হাঁটি। রাতে দেরিতে ঘুমাই, সকালে দেরি করে ঘুম থেকে উঠি। খাবার খাইনা, বেলা গড়িয়ে যায়। ফোন দেখতে দেখতে খাওয়া হয়ে গিয়েছে নেশার মতো, ঠিকমতো চিবানো হয় না খাবার। অথচ চিবানো থেকে শুরু হয় হজমের কাজ, হজম ঠিকভাবে হওয়া গাট হেলথের জন্য জরুরি। পানি কম খেলেও কিন্তু হজম এ সমস্যা হয়, অন্ত্রের ভালো ব্যাক্টেরিয়া কমে।
এভাবেই নষ্ট হচ্ছে আমাদের সার্কাডিয়ান রিদম, সরল বাংলায় আমাদের শরীরের জৈবিক ঘড়ি। অন্ত্রের বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া বিভিন্ন সময়ে কাজ করে। আমরা যখন অনিয়ম করি, এরা কনফিউজড হয়ে যায় আর সার্কাডিয়ান রিদম নষ্ট হয়ে খারাপ ব্যাক্টেরিয়া বেড়ে যায়। গাট হেলথ এর বারোটা বেজে গেলো! স্কিন, চুল,বডিতে প্রভাব পড়া শুরু করবে।
আমি সবসময় সঠিক সময়ে খাওয়া আর ঘুম মেইনটেইন করি৷ শুরুতে আমারও কষ্ট হয়েছিল। মনযোগ দিয়ে, পুরো খাবার চিবিয়ে খাই । এসব নিয়ম মানতে টাকা লাগেনা, ইচ্ছাশক্তি লাগে। কীভাবে জীবন রুটিনে বাঁধলাম সেটাও লিখব আপনারা বললে।
(৫)
আমি নিজে নিজে বাজারে ঘুরে শাকসবজি, ফল কেনা শুরু করেছিলাম। আম্মু আচার বানিয়ে পাঠাতো । আমিও বানাতাম। এটা কিন্তু একটা ভালো আইডিয়া, নিজে নিজে রান্না করলে, কিনলে শুধু খাওয়ার থেকে অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং লাগে প্রসেসটা।
লাউ, পেঁপে, কাঁচকলা, আলু, করলা, ঢেঁড়স, মিষ্টিকুমড়া.. দাম অল্প কিন্তু গাট হেলথ ভালো রাখায় ভীষণ কাজের। পালং, পুঁই, লাল শাক, কলমি শাক… মোটকথা শাক পেলেই নিয়ে আসি, সবজিগুলো বিভিন্ন রেসিপিতে রাঁধি। তেল কম দেয়ার চেষ্টা করি।
রসুনের আচার, আমের আচার, জলপাই এর আচার বয়ামে বয়ামে রাখা। খাবারে রুচি আসে আচার দিয়ে খেলে । যেকোনো ফার্মেন্টেড ফুডে গুড ব্যাক্টেরিয়া থাকে, হজমে হেল্প করে। আচারের মতো টেস্টি একটা খাবার গাট হেলথের জন্য ভালো, জেনেই খুশি হয়ে গিয়েছিলাম। তবে ভিনেগার ইউজ করা যাবেনা, প্রোবায়োটিক কম থাকে ভিনেগারযুক্ত আচারে। পরিমাণে অল্প খেতে হবে, চামচের পর চামচ নিয়েই গেলাম এমন করা যাবেনা। আমরা প্রচুর তেল, লবণ দিয়ে আচার বানাই তাই এটুকু সতর্ক হতে হবে। পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর ওয়েতে আচার কীভাবে বানানো যায় তা নিয়ে পোস্ট আসছে সামনে, ইনশাআল্লাহ।
যেদিন সকালে পান্তা খেতে ইচ্ছে করেনা, টকদই, কলা, আর চিড়া মিক্স করে খেয়ে নিই। যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার পেয়ে যাই, গাট হেলথের ভালোর জন্য ফাইবার দরকারী।
ভালো কথা, কলা আর পেয়ারা খাবেন সবাই। বাজেটের মধ্যে পাওয়া আমার ফেভরিট ফল ; ফাইবার, এনার্জি, অসাধারণ হজমশক্তি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রোটিন সবকিছু আছে। আপনার পছন্দের ফলও খেতে পারেন।
ফুচকা, চটপটি বাসায় বানিয়ে খাচ্ছি। I know, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে টং এর ফুচকা, চটপটি খাওয়ার ভাইব বাসায় খেয়ে পাওয়া যায় না 😑 রাস্তার খাবারে কোটি কোটি খারাপ ব্যাক্টেরিয়া থাকায় বুকে পাথর বেঁধেছি।
(৬)
যাদের মেডিকেল কন্ডিশন নেই, BMI ঠিক আছে, তারা ফাস্টিং বা রোজা করতে পারেন। এই ৬ মাসে আমি প্রতি সপ্তাহে ২-৩ দিন নফল রোজা রেখেছি। অন্যান্য ধর্মেও উপবাসের টার্ম আছে।
সেহরির সময় পুষ্টিকর খাবার খেতাম, কখনো না খেয়ে রোজা রাখিনি।
ফাস্টিং মূলত করা হয় অন্ত্রের খারাপ ব্যাক্টেরিয়াগুলো কমে আসা, নতুন ভালো ব্যাক্টেরিয়ার জন্ম নেয়ার জন্য। আমাদের সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক করতেও এটা হেল্প করে। গাট হেলথের জন্য ফাস্টিং কি চমৎকার, বেনিফিশিয়াল একটা প্রসেস!
🌻
গাট হেলথকে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিয়ে, কম বাজেটের রুটিন মেইনটেইন করে আমার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? কী কী বেনিফিট পেলাম?
আগের রুটিনের এক্সপেন্সিভ খাবারগুলো টোটালি বাদ দিয়েছি, লাইফস্টাইলে অনেক চেঞ্জ এসেছে… কিন্তু তার কোনো নেগেটিভ প্রভাব আমার চুল, স্কিন কিংবা শরীরের কোনো অর্গানে পড়েনি। কিছুদিন আগে ফুল বডি হেলথ চেকাপ করালাম। আমার শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ আছে, আলহামদুলিল্লাহ।
চুল ন্যাচারালি শাইন করছে। স্কিন এর গ্লো বজায় আছে। আমি এ টাইমটায় খুব কম স্কিন কেয়ার, হেয়ার কেয়ার প্রোডাক্ট নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছি। মিনিমাল রুটিন ফলো করেছি। গ্লো যদি কমার হতো, স্কিন ইনফ্ল্যামেটেড হওয়া থেকে বাঁচাতে যদি অনেক প্রোডাক্ট ই ইউজ করতে হতো বা এক্সপেন্সিভ লাইফস্টাইল দরকার হতো, তাহলে নিশ্চয়ই ডাউনফল দেখতাম এতদিনে।
কম বাজেটের খাবার খেয়েছি, কিন্তু ক্যালরি মেপে, পুষ্টি উপাদানের যেন ঘাটতি না হয় এভাবে খেয়েছি। সবসময় এনার্জেটিক ফিল করেছি। কম বাজেটের ফুড হ্যাবিট এর জন্য আমাকে কোনো অসুস্থতা ফেস করতে হচ্ছেনা, মাশাআল্লাহ ।
স্কিন ব্যারিয়ার ভালো আছে, চুল পড়া- ভেঙে যাওয়া- আগা ফাটার প্রব্লেম শুরু হয়নি। শরীরে ইমব্যালেন্সের লক্ষণ এগুলো। বাজেটের কারণে কি ব্যালেন্স নষ্ট হয়েছে? হয়নি।
বরং, কিছু খাবার খেয়ে এবং হ্যাবিটস গ্রো করে মনে হচ্ছে বর্তমানে আমার স্কিনে নিউ প্রোডাক্টগুলো খুব ভালো ওয়ার্ক করছে, আগের চেয়েও ফাস্ট।
ঘুম ঠিক হয়ে যাওয়ায় ডার্ক সার্কেলের সমস্যা কমেছে ( আইক্রিমও যেটা কমাতে পারেনি🙃)। আগে হেলদি ফুড হ্যাবিট মেইনটেইন করলেও এভাবে পানি ঠিকঠাক খাওয়ার মতো স্টেপগুলো মিস করতাম বলে ব্রণ দেখা দিতো হুটহাট। এখন সমস্যাটা নাই।
অর্থাৎ, টাকা কম ইনভেস্ট করতে পারায় কোনো সমস্যা নেই। শুধু জানতে হবে কীভাবে নিজেকে সুস্থ রেখে রুটিন মেক করতে হয়, নিয়ম অনুযায়ী মেইনটেইন করতে হয়।
আপনার অ্যাস্থেটিক কাপ, প্লেট ,খাবার না থাকলেও চলবে। একটা অ্যাস্থেটিক মন থাকতে হবে যে নিজের প্রতি যত্নশীল আর কোনো লেখা পড়ে ভালো লাগলে টুক করে শেয়ার করে দেয় 😁 আচ্ছা, পার্ট ২ কি আনব?
ফলো করতে ভুলবেননা-
*কপি করা নিষেধ, শেয়ার করলে খুশি হবো
যার যা প্রশ্ন আছে, কমেন্টবক্সে করে ফেলুন দেখি আপুরা।