Aura & Align

Aura & Align Creating a visual diary of my life
Vibe creator & eternal optimist

17/07/2026

সব কিছু হারাম না, অনেক কিছু জায়েজই। এই যেমন ঘর সাজানো, এস্থেটিক জিনিসপত্র। সুন্দর করে ডেকোর করা৷ খারাপ না, মন ভালোই লাগে। ইনফেক্ট আমারও অনেক পছন্দ। একঘেয়েমি জীবনে ভালো একটা কোয়ালিটি টাইম কাটানো যায়। আমারও ভালো লাগে।

এইসবের মধ্যে একটা কিন্তু রয়ে যায়। সবকিছুকে আমি বিলাসিতা বলছি না। হারাম না, সবকিছু রুটিন মাফিক হচ্ছে। কিন্তু রূহানিয়্যাতটা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। নাফসের লাগাম যেন কোনোভাবেই টানা যাচ্ছে না। শোকেসে জরুরতের চেয়ে বেশি থাকার পরও, কয়দিন পর পর এই সেই এস্থেটিক মগ, তার্কিস সার্ভার কিনতে মন চায়।রান্না ইজিলি হয়ে যাওয়ার পরেও কিচেনের জন্য এটা লাগবে ওটা লাগবে।

হেদায়েতের পর ভাবতাম জীবনটা যতটুকু পারা যায় খেজুরের চাটাই, বকরির দুধের কাছাকাছি রাখবো। এখন দেখা যায় হারাম না, জরুরতের নামে আমাদের প্রয়োজনই শেষ হচ্ছে না। পিন্টারেস্ট ইন্সপায়ার্ড, ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্লগ, বাসায় গেস্ট আসলে একটু পশ ভাইব দিবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় পিক শেয়ার করব এই সবগুলো একটা ফাঁদ। আমাদের সেই কোমলতা গুলো কোথায় হারিয়ে গেছে। মাটির সাথে ওই কানেক্টেড থাকতে পারছি না। যে স্বপ্ন পূরণের জন্য তাহাজ্জুদে আমরা চেয়ে গিয়েছি, তা এখন দোয়ায় প্রেজেন্ট নেই।

আমি আসলে বিষয়টা বুঝাতে পারছিনা, ভোগবাদী দুনিয়া আমাদের ভেতরটাকে কতটুকু ফাঁকা করে দিয়েছে। একসময় সিরাত পড়লে, শোনলে কেমন যে ফিল হতো। নবিজির (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকালের দিনের ঘটনা তখন কেউ পড়েছে, শোনেছে কান্না করেনি খুব কম। এখন সেই কোমল হৃদয়টা নেই।
এখনো মানুষ দ্বীনে ফিরছে, দ্বীনের খেদমত করছে, ইলম অর্জন করছে। সবকিছুই হচ্ছে, কিন্তু সিনার সাথে দ্বীনের কানেকশনের বিষয়টা হারিয়ে গিয়েছে।কিন্তু সবকিছু যেন বস্তুবাদী দুনিয়ার সাথে বেশি কানেক্টেড।


আজকে এই নতুন ডিশ ট্রাই করি, কালকে সেটা। আজকে এটা ট্রেন্ডিংয়ে আছে, এটা দেখতে পুকি কিনে ফেলি। এগুলো কোনো কিছুই নাজায়েজ না। কিন্তু এসবের মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে আমাদের নাফস কোনো লিমিটেশনের মধ্যে নেই। এর একটা কারণ হচ্ছে আমরা নজরের হেফাজত করি না। যা জরুরত না, এই ব্লগ, সেই ব্লগ সোশ্যাল মিডিয়ার এটা সেটা দেখতে দেখতে আমাদের নাফসও কেমন জানি দুনিয়াদার হয়ে গেছে।

এগুলো সব পুরানো কথা। এক কথার একশবার রিপিট হয়েছে এই পোস্টে। কি যে বুঝাতে চাইলাম, আর কি লিখলাম জানিও না। আমি নিজেই এর মধ্যে এক পারসেন্ট মানতে পারি কিনা সন্দেহ।

উফ উফ..! এই গোছানো সংসার যেন দুনিয়ার জীবনের ফাঁদ। আবার শুরুর দিকের ইমান ফিরে পেতাম। 🥀

~ Arifa Apu

মেছতার দাগ দূর করতে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের আয়ুর্বেদিক বিভাগের ডাক্তার আমাকে নিয়মিত কাঁচা পেঁপে, কাঁচা হলুদ এবং গোলমর...
16/07/2026

মেছতার দাগ দূর করতে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের আয়ুর্বেদিক বিভাগের ডাক্তার আমাকে নিয়মিত কাঁচা পেঁপে, কাঁচা হলুদ এবং গোলমরিচ খেতে বলেছেন।

দাগ দূর করার এই মহৌষধ নিয়মিত খাচ্ছি, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমাচ্ছি আর সকাল হলেই চাপ অনুভব করছি।চিন্তালয়ে (টয়লেট) গিয়ে চিন্তা আসার আগেই পেট খালি হয়ে যাচ্ছে!

পেঁপের গুণগত মান সম্পর্কে AI কে জিজ্ঞেস করলাম, AI আমাকে বেশ কয়েকজন পুষ্টিবিদের আর্টিকেল সাজেস্ট করলো। একে একে সবগুলো পড়লাম। দেখলাম পেঁপে শুধু মুখের দাগই দূর করে না; এর আরও বহুবিধ গুণ রয়েছে।

কাঁচা পেঁপে একটি সুপার ফুড, যাতে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার। এটি হজমশক্তি বাড়ায়, মেদ কমায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
এক পেঁপের কতো গুণ!

আমি খাচ্ছিলাম দাগ দূর করার জন্য, অধ্যয়ন করে দেখলাম এতে থাকা Papain নামক এনজাইম হজম প্রকৃয়াকে সহজ করে, অ্যাসিডিটি দূর করে।

যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। এর ক্যালরি কম, ফাইবার বেশি, যা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

পেঁপে রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে মানে ডায়াবেটিস আপনার হাতের মুঠোয়!

কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার থাকে যা ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পাইলসের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে আমার এক চাচার পাইলসের অপারেশন করাই। ডাক্তার চাচাকে টানা ১ মাস পেঁপের তরকারি খেতে বলেছিলেন।

পেঁপেতে রয়েছে পটাসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। মানে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে। আল্লাহ এক পেঁপের ভিতর কতো উপকার দিয়েছেন।

বাবা-মাকে ডেকে বললাম, তোমরা গ্যাসের জন্য কোন ঔষধ খাও?
মা বললো, প্যারিসেল-২০
বাবা বললো, পেন্টোনিক্স-৪০
আমি বললাম, দেখো মা তোমার প্যারিসেলের পে এবং আব্বার প্যান্টোনিক্সের পে মিলে হয়েছে পেপে। গ্যাসের সমস্যা দূর করতে আর ঔষধ নয়, আজ থেকে তোমরা পেঁপে খাবা।

মা রাজি হয়েছে। বাবা এখনো রাজি হননি। চিংড়ি অথবা বাইন মাছ দিয়ে লাউয়ের মতো রান্না করে দিলে হয়তো বাবা পেঁপে খেতে রাজি হবেন।

বহুগুণে গুণান্বিত এই পেঁপে উৎপাদনে কীটনাশক প্রয়োগ করা লাগে না।

বাড়ির পাশে দুইটা পেঁপে গাছ লাগিয়ে দিলে সারা বছর কাঁচাপাকা পেঁপে খেতে পারবেন। যাদের গাছ লাগানোর সুযোগ নাই, তারা বাজার থেকে কিনে খেতে পারেন। দাম অন্য সবজির তুলনায় অনেক কম।

কাঁচা পেঁপেতে Latex থাকে যা গর্ভপাত ঘটাতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়েরা কাঁচা পেঁপে খাবেন না।

#পেঁপে #সুপারফুড

রাগ কি শুধুই একটা emotion, নাকি এর পেছনে আরও কিছু লুকিয়ে থাকে?ছোট একটা কথায় হঠাৎ রেগে যান।পরে নিজেই অবাক হন —"এত সামান...
16/07/2026

রাগ কি শুধুই একটা emotion, নাকি এর পেছনে আরও কিছু লুকিয়ে থাকে?

ছোট একটা কথায় হঠাৎ রেগে যান।
পরে নিজেই অবাক হন —
"এত সামান্য বিষয়ে এত রাগ কেন হলো?"

কেউ বলে, "রাগ তো স্বাভাবিক আবেগ,
মানুষ মাত্রই রাগ করে।"

এটা সত্যি।
কিন্তু পুরো সত্যি না।

কারণ রাগ কখনো কখনো
নিজে একটা emotion হয়ে থাকে না —
এটা হয়ে ওঠে অন্য কিছু লুকানোর
একটা উপরের আবরণ।

রাগের নিচে আসলে কী থাকতে পারে

মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয়
secondary emotion —
রাগ প্রায়ই একটা "মুখোশ" আবেগ,
যেটার নিচে আরেকটা,
বেশি অস্বস্তিকর অনুভূতি লুকিয়ে থাকে।

কষ্ট —
কেউ আঘাত দিলে
সরাসরি "আমি কষ্ট পেয়েছি" বলাটা
নিজেকে দুর্বল দেখানোর মতো মনে হয়।
তার চেয়ে রাগ করাটা
অনেক বেশি "নিরাপদ" মনে হয়।

ভয় —
নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়, ব্যর্থতার ভয়,
বা কাউকে হারানোর ভয় থেকেও
রাগ বেরিয়ে আসতে পারে।
ভয় স্বীকার করা কঠিন,
কিন্তু রাগ প্রকাশ করা সহজ।

Overwhelm —
একসাথে অনেক দায়িত্ব, অনেক চাপ
সামলাতে না পারলে,
সেই ক্লান্তিটাই
ছোট একটা ঘটনায়
বিস্ফোরণের মতো বেরিয়ে আসে।

Unmet needs —
নিজের প্রয়োজন, নিজের চাহিদা
বারবার উপেক্ষিত হলে,
সেই না বলা অভিযোগগুলো
জমতে জমতে রাগ হয়ে বেরিয়ে আসে।

কেন রাগকেই বেছে নেয় মন

দুর্বলতা প্রকাশ করার চেয়ে
রাগ দেখানো অনেক সহজ।

কষ্ট বা ভয় দেখালে
মনে হয়, কেউ সেটাকে
অবহেলা করতে পারে,
বা judge করতে পারে।

কিন্তু রাগ দেখালে
একটা শক্তির অনুভূতি হয় —
"আমি দুর্বল না, আমি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি।"

তাই মন সচেতনভাবে না হলেও
রাগকেই বেছে নেয়,
কারণ এটা সেই মুহূর্তে
সবচেয়ে "নিরাপদ" প্রকাশ মনে হয়।

রাগ কখন একটা উপসর্গ হয়ে ওঠে

সব রাগই কোনো "সমস্যা" না।

রাগ একটা উপসর্গ হয়ে ওঠে তখন,
যখন —

এটা ঘন ঘন, তুচ্ছ কারণেও আসে।

রাগ হওয়ার পর
স্বস্তি না এসে
অপরাধবোধ বা ক্লান্তি আসে।

ঘুমের সমস্যা, উদ্বেগ,
বা মন খারাপের সাথে
এই রাগ একসাথে চলতে থাকে।

সম্পর্কে, কাজে
বারবার ক্ষতি করছে,
কিন্তু থামানো যাচ্ছে না।

এই ধরনের রাগ প্রায়ই
depression, anxiety,
বা অসমাপ্ত পুরনো কষ্টের
একটা বহিঃপ্রকাশ হতে পারে —
নিজে থেকে আলাদা কোনো সমস্যা না,
বরং অন্য কিছুর লক্ষণ।

ইসলাম কী বলে

রাসূল ﷺ বলেছেন —
"শক্তিশালী সে না, যে কুস্তিতে জেতে।
শক্তিশালী সে, যে রাগের মুহূর্তে
নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।" (বুখারী, মুসলিম)

এই হাদিসে রাগকে
সম্পূর্ণ দমন করতে বলা হয়নি।
বরং রাগের মুহূর্তে
নিজেকে সামলানোর কথা বলা হয়েছে —
যেটা সম্ভব হয়
রাগের আসল কারণটা বুঝলে।

তিনি আরও বলেছেন —
রাগ এলে বসে পড়তে,
পানি পান করতে,
বা জায়গা বদলাতে —
এই ছোট ছোট পরামর্শগুলো
আসলে রাগের তীব্র মুহূর্তে
একটু থেমে
নিজের ভেতরটা বোঝার একটা সুযোগ তৈরি করে।

তাহলে কী করবেন

রাগ হলে সাথে সাথে react না করে,
নিজেকে প্রশ্ন করুন —
"আমি আসলে কষ্ট পেয়েছি,
নাকি ভয় পেয়েছি,
নাকি ক্লান্ত হয়ে গেছি?"

রাগের মূল অনুভূতিটা চিনতে পারলে,
সেটা প্রকাশ করার ভাষাও বদলে যায় —
"আমি রেগে গেছি" এর বদলে
"আমি কষ্ট পেয়েছি" বলাটা
সম্পর্কে অনেক বেশি বোঝাপড়া তৈরি করে।

যদি রাগ ঘন ঘন আসে,
নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়,
বা অন্য কোনো মানসিক কষ্টের
লক্ষণের সাথে জড়িয়ে থাকে —
তাহলে একজন মনোবিজ্ঞানীর
সাহায্য নেওয়াটা জরুরি।

কারণ তখন সমস্যাটা
শুধু "রাগ" না,
এটা তার পেছনের কারণটার
একটা signal।

শেষ কথা

রাগ সবসময় শুধু রাগ না।

কখনো এটা কষ্টের ভাষা,
কখনো ভয়ের, কখনো ক্লান্তির।

রাগকে থামানোর আগে
তার নিচে কী লুকিয়ে আছে,
সেটা বোঝাটাই
আসল কাজের শুরু।

15/07/2026

কারো প্রতি ক্ষোভ জমিয়ে রাখা কিংবা কাউকে ঘৃণা করার মতো মানসিক শক্তি অথবা অতিরিক্ত সময়, কোনোটাই আমার কাছে নেই। নিজের মনের শান্তিটুকু বজায় রাখাটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় priority. তাই অহেতুক রাগ, অভিমান বা নেতিবাচক অনুভূতি বুকে নিয়ে নিজের সুন্দর দিনগুলোকে বিষণ্ণ করতে আমি একদমই রাজি নই।

আমার চিন্তা আর অনুভূতির পরিধি এখন খুব স্পষ্ট এবং
নিয়মতান্ত্রিক। আমি হয় আপনাকে মন থেকে শ্রদ্ধা করব ও ভালোবাসব, অথবা দূর থেকেই I will wish you well, আর যদি এই দুটির কোনোটিই সম্ভব না হয়, তবে ধরে নেবেন আমার জীবনে আপনার আর কোনো প্রাসঙ্গিকতা বা গুরুত্ব নেই। নিজের চারপাশটাকে জটিলতামুক্ত রাখতে আমি অহেতুক তিক্ততা বাড়ানোর চেয়ে সুন্দরভাবে দূরত্ব বজায় রাখাটাকেই শ্রেয় মনে করি।

Live and let live!

゚viralシ

13/07/2026

゚viralシ ゚viralシ

10/07/2026

゚viralシ ゚

10/07/2026

゚viralシ ゚ ゚viralシ ゚

With Noetic Nest  – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
01/07/2026

With Noetic Nest – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

30/06/2026

Time and age wait for none
Please care yourself at First
Love yourself at first
Then everyone will care for you
゚viralシ ゚ ゚viralシ

মানুষের চোখে নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে সুন্দর হওয়ার চেষ্টা করুন
30/06/2026

মানুষের চোখে নয়, সৃষ্টিকর্তার কাছে সুন্দর হওয়ার চেষ্টা করুন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aura & Align posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category