18/10/2025
এখন খুব করে মন চায়
কেউ একজন একটু আমার যত্ন করুক।
কেউ একটু আমার খোঁজ নেইক।
কেউ একটু ফোন করে জিজ্ঞেস করে বলুক, কি খাবে বলো?
বা সন্ধ্যা বেলায় বলুক চলো শহীদমিনারে যাই।
ঐখানে গরম গরম লুচি আর কলিজা ভুনা খাওয়াবো।
আর খাওয়া শেষে তেঁতুল চা
খাওয়াবো।
তারপর রিকশা করে কিছুক্ষন মুক্ত বাতাসে
ঘুরে বেড়াবো তোমাকে নিয়ে
তুমি শ্বাস নিবে খোলা বাতাসে!!
তোমার আটপৌরে জীবনে তো
চারদেয়াল ভেদ করে, খোলা বাতাস যেতে পারে না।
কেউ এসে বলুক
আজকে পাবদা মাছ চচ্চড়ি করো আজকে আমার জন্য
আলু টমেটো দিয়ে।
আর বেশি করে ধনে পাতা দিও কিন্তু!কবে থেকে তোমার হাতের রান্না খাইনা।
এতোটুকু আদিখ্যেতা দেখাক, আমার সাথে।
এইটুকু আদিখ্যেতার ভার আমি এখনো বইতে পারবো।
প্রচন্ড ব্যাস্ত শহরে
প্রচুর ভিড়ের মাঝে আজ একা লাগে,বড্ড একা!!
চারজনের হাঁড়িতে এখন দুজনের রান্না চড়ে।
কোন রকম হয় সে রান্না!
পাশের মানুষটি খেয়ে নেয় কোন মতে
আমি পারিনা খেতে।
ভীষণ রকম কষ্ট হয়।
তারপরেও খাই,খেতে হয়।
অথচ ঐ মানুষ টা কোন এক সময় আমার করা রান্না ছাড়া খেতেই পারতোনা।
এখন অভস্ত্য হয়ে গেছে, অন্যর করা রান্নায়।
যে রান্নায় মায়া নাই, আবেগ নাই, অনুভূতি নাই প্রিয়জনদের জন্য,
ভীষন রকম ছন্নছাড়া!
যেমন আমাদের সম্পর্ক গুলো!!
রসকষহীন নীরেট সমান্তরাল।
সময় গুলো শুধু ছুটেই চলেছে তার নিজের গতিতে।
শুধু ফোনকল আর রিচার্জই
যেখানে দায়িত্বের শেষ!!
আহা....
জীবন, বার্ধক্য!!
লেখা - নাজিয়া সাবরীন
#নাজিয়াসাবরীন