20/04/2026
গল্প: #রহস্যে #ঘেরা #গাছ
পর্ব -০৪
বিদ্র: এটা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। এর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই।
,,,,,,,
অয়ন আর রহিম চাচা মিলে তামার নকশাটা ইউএনওর কাছে নিয়ে যায়।
পুরনো দলিল ঘেঁটে প্রমাণ হয় –
সত্যিই ১৭৬৩ সালে জমিদার হরনাথ রায় বন্যা ঠেকাতে
১০০ বিঘা জুড়ে বট,
পাকুড় লাগিয়েছিলেন।
এই বটগাছটাই ছিল মূল
"বাঁধগাছ"।
এর শিকড় ৩ কিলোমিটার
জুড়ে
জালের মতো ছড়িয়ে রূপসার পাড় আঁকড়ে রেখেছে।
প্রশাসন থেকে ঘোষণা আসে –
"রহস্যে ঘেরা গাছ"
এখন "রক্ষাকবচ বটগাছ"।
গাছ কাটা আইনত নিষিদ্ধ।
গাছের চারপাশ বাঁধাই করে সরকারি
হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়।
সেই রাতের পর রূপসার পানি আশ্চর্যভাবে কমে যায়।
গ্রামের লোক বুঝতে পারে,
গাছটা অভিশপ্ত না,
ওটা তাদের রক্ষাকর্তা।
শেষ দৃশ্য: এক বছর পর।
অয়ন শহরে ফিরে গেছে।
কিন্তু প্রতি পূর্ণিমায় সে গ্রামে আসে।
বটগাছের নিচে দাঁড়িয়ে সে ডায়েরি লেখে।
হঠাৎ দমকা বাতাসে গাছের একটা ঝুরি তার কাঁধ ছুঁয়ে যায়। অয়নের মনে হয় গাছটা ফিসফিস করে বলল,
"শিকড়ের ঋণ শোধ করেছিস"।
এখন আর কেউ ভয় পায় না।
সন্ধ্যায় ছেলেমেয়েরা গাছের নিচে খেলা করে।
কারণ সবাই জানে –
রহস্যে ঘেরা গাছ আসলে তাদের সবচেয়ে আপন।
এরকম আরো সুন্দর গল্প পেতে আমার পেজটাকে ফলো করে দিও।😌🩵