Vlogs & Blogs

Vlogs & Blogs Travelling is the best way to get chilled in life. Hotels and foods are two of the main commodities of travelling.
(4)

Let's mix all these three together and surf the world !!!

16/04/2026

Oil update from Jolshiri Trust Filling Station

13/04/2026

হাম-রুবেলা টিকা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ জানেন? 💉

হাম (Measles) আর রুবেলা (Rubella) শুধু সাধারণ রোগ না—এগুলো শিশুদের জন্য হতে পারে মারাত্মক! 😔
ঠিক সময়ে টিকা না দিলে হতে পারে—

❌ মারাত্মক জ্বর ও ফুসকুড়ি
❌ নিউমোনিয়া
❌ মস্তিষ্কে সংক্রমণ
❌ এমনকি মৃত্যুও 😢

আর রুবেলা হলে গর্ভবতী মায়েদের জন্য ঝুঁকি আরও বেশি—
শিশুর জন্মগত সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে!

👉 তাই একটাই সমাধান — সময়মতো হাম-রুবেলা টিকা নিশ্চিত করুন।

💚 আপনার একটি সচেতন সিদ্ধান্তই বাঁচাতে পারে আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ।

হাম-রুবেলা টিকা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ জানেন? 💉হাম (Measles) আর রুবেলা (Rubella) শুধু সাধারণ রোগ না—এগুলো শিশুদের জন্য হতে ...
13/04/2026

হাম-রুবেলা টিকা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ জানেন? 💉

হাম (Measles) আর রুবেলা (Rubella) শুধু সাধারণ রোগ না—এগুলো শিশুদের জন্য হতে পারে মারাত্মক! 😔
ঠিক সময়ে টিকা না দিলে হতে পারে—

❌ মারাত্মক জ্বর ও ফুসকুড়ি
❌ নিউমোনিয়া
❌ মস্তিষ্কে সংক্রমণ
❌ এমনকি মৃত্যুও 😢

আর রুবেলা হলে গর্ভবতী মায়েদের জন্য ঝুঁকি আরও বেশি—
শিশুর জন্মগত সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে!

👉 তাই একটাই সমাধান — সময়মতো হাম-রুবেলা টিকা নিশ্চিত করুন।

💚 আপনার একটি সচেতন সিদ্ধান্তই বাঁচাতে পারে আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ।

👉 আপনার বাচ্চার কি হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হয়েছে? কমেন্টে জানান ✔️
👉 এই পোস্টটা শেয়ার করুন—আরও একজন মা-বাবাকে সচেতন করুন 🙏

🎒 বেশিরভাগ স্কুল খুলছে। এই সময় বাংলাদেশে আবার **Measles (হাম)** বাড়ছে—তাই আগে থেকেই সচেতন থাকা খুব জরুরি, বিশেষ করে শিশু...
29/03/2026

🎒 বেশিরভাগ স্কুল খুলছে।
এই সময় বাংলাদেশে আবার **Measles (হাম)** বাড়ছে—তাই আগে থেকেই সচেতন থাকা খুব জরুরি, বিশেষ করে শিশুদের জন্য।

🔍 হাম (Measles) কী?

হাম একটি খুব সহজে ছড়ানো ভাইরাসজনিত রোগ। এটি শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে, তবে বড়রাও আক্রান্ত হতে পারে।

---

# # ⚠️ লক্ষণগুলো কী কী?

হাম হলে সাধারণত এই লক্ষণগুলো দেখা যায়ঃ

* 🤒 **উচ্চ জ্বর** (অনেক সময় ১০২–১০৪°F পর্যন্ত)
* 🤧 **নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি**
* 👀 **চোখ লাল হয়ে যাওয়া** (conjunctivitis)
* 🔴 **৩–৫ দিনের মধ্যে শরীরে লাল ফুসকুড়ি (rash)** — প্রথমে মুখে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে

---

# # 🦠 কিভাবে ছড়ায়?

হাম খুব দ্রুত ছড়ায়।

* আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে
* আশেপাশের মানুষ সহজেই সংক্রমিত হতে পারে
* একই ক্লাসরুম, বাসা বা ভিড়ের জায়গায় ঝুঁকি বেশি

---

# # 🚫 কতদিন আলাদা থাকতে হবে?

* শরীরে র‍্যাশ ওঠার পর **কমপক্ষে ৪ দিন** আলাদা থাকতে হবে
* এই সময় স্কুল, ডে-কেয়ার বা ভিড় এড়িয়ে চলা জরুরি
* এতে অন্যদের সংক্রমণ থেকে বাঁচানো যায়

---

# # 💉 প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়

* **MMR vaccine (MMR টিকা)** হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর
* শিশুদের **EPI (Expanded Program on Immunization)** শিডিউল অনুযায়ী সব টিকা সময়মতো দিতে হবে
* কোনো টিকা মিস করা যাবে না

---

# # ⚡ কেন হাম বিপজ্জনক?

অনেকে মনে করে হাম সাধারণ রোগ—কিন্তু এটি মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে।
বিশেষ করে:

* 🫁 **নিউমোনিয়া (Pneumonia)** — হাম পরবর্তী সবচেয়ে বড় ঝুঁকি
* এটি শিশুর মৃত্যুর কারণও হতে পারে

---

# # 🏥 কখন ডাক্তার দেখাবেন?

* জ্বরের সাথে র‍্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান
* শিশুর শ্বাসকষ্ট, খাওয়ায় অনীহা বা খুব দুর্বল লাগলে জরুরি চিকিৎসা নিন

---

হামকে হালকা করে নেওয়ার সুযোগ নেই—বিশেষ করে ছোট শিশুদের জন্য এটি খুব ঝুঁকিপূর্ণ।
সচেতন থাকুন, টিকা নিশ্চিত করুন, আর লক্ষণ দেখলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

fans


10/03/2026

লাইলাতুল কদরের রাতে আমল করতে এই গাইডলাইনটা দেখতে পারেন।

সর্বপ্রথম চেষ্টা করবেন দুপুরের দিকে একটু বিশ্রাম করে নিতে, যেন রাত জেগে ইবাদত করার এনার্জি পাওয়া যায় ইন শা আল্লাহ। গোসল থেকে শুরু করে সকল ধরনের বড় কাজ আগেভাগেই সেরে রাখুন যাতে মাগরিবের পর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করতে হয়।

১। মাগরিবের পর থেকে অহেতুক স্ক্রিন টাইম, আনমনে স্ক্রল করে যাওয়া, টিভি দেখা থেকে একদম বিরত থাকুন। হাতের কোন কাজ থাকলেও মুখে দোয়া জিকির করতেই থাকুন।

২। মাগরিবের পর থেকেই কিন্তু কদরের রাতের শুরু, তাই ইফতারের পরে আপনি কোন ধরনের কথা উচ্চারণ করছেন খেয়াল রাখবেন। গীবত, পরনিন্দা হয়ে গেলে এ সমস্ত গুনাহের প্রভাবে যেন আপনার কদরের রাত যেন নষ্ট না হয়ে যায়।

৩| মাগরিবের নামাজের পর সন্ধ্যার দোয়া জিকির গুলো বই দেখে ভালোভাবে সবগুলো শেষ করুন। এগুলো আপনার পুরো রাতের ইবাদতকে সহজ করে তুলবে, শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা করবে ইনশাআল্লাহ।

৪। এশার নামাজ ভাইরা তো মসজিদে পড়বেন আর বোনেরা যারা ঘরে থাকবেন একই সময়ে নামাজ শুরু করে দিবেন যাতে সম্পূর্ণ এনার্জি নিয়ে লম্বা সময় ধরে নামাজ পড়তে পারেন।

৫। এরপর কিছুটা বিশ্রাম নিন, কুরআন পড়তে পারলে রাত ১২টা ১টা পর্যন্ত কুরআন পড়ুন।

৬। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন।

যেমনঃ-

🔸 কদরের রাতে সর্বশ্রেষ্ঠ দুয়াটি বেশি বেশি পড়তে থাকুন— "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি!"

🔸‌ আপনার জান্নাতে একটা একটা করে গাছ লাগাতে থাকুন লাইলাতুল কদরের রাতে " সুবহানাল্লাহিল আ'যিম ওয়া বিহামদিহ" এই জিকিরের মাধ্যমে।

আরো জিকির করুন ~
🔸 সুবহান আল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার।
(১০০+ বার করে)
🔸 লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (১০০+ বার)
🔸আস্তাগফিরুল্লহ ( ১০০+ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
🔸বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
🔸 সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)

🔸 "লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)

🔸 দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)

🔸 "সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।

🌹"লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।

🌹 সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।

🌹স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।

🌹সুরাহ মুলক পাঠ করা।

🌹সুরাহ বাকারাহ এর শেষ দুই আয়াত পাঠ করা।

🌹 কুরআনে উল্লেখিত দুআগুলো পাঠ করা।

🌹জান্নাত প্রার্থনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা ~
"আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতাল ফিরদাউস
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার "

রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত আবার নামাজ পড়ুন। (তারাবির নামাজ) এবার ধীরে-সুস্থে রুকুতে এবং সিজদায় অনেকক্ষণ সময় দিবেন। বিশেষ করে সিজদায় অসম্ভব সময় নিয়ে দুয়া করবেন। সিজদায় বেশী বেশী সময় ব্যয় করুন।

৭।তারপর বিতরের নামাজ পরুন।

৮। শেষ রাতে অবশ্যই হাত তুলুন মালিকের কাছে।
আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন. চোখের পানি ফেলে বলুন, "হে আমার মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...।
৯। সাহরি খান।

১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।
***
*রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন রাত শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, দশ রাতেই আমল করুন। ***

আল্লাহ আমাদেরকে লাইলাতুল কদর পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

(মূল লেখা লিখেছে: Baseera
বেশ কিছু পরিমার্জনা করা হয়েছে)
©





fans

10/03/2026

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফু'উন তুহিব্বুল আফ্বওয়া ফা'আফু আন্নী

08/03/2026

সালাতুত তাসবিহ নামাজ।

সালাতুত তাসবিহ ৪ রাকাতে সর্বমোট ৩০০ বার নিম্নের দোয়াটি পড়তে হয়।

(سبحان الله، والحمدُ لله، ولا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَالله أكبر)

উচ্চারণঃ- সুবহানাল্লাহ, ওয়াল'হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার।

- এই নামাজ যেকোনো সময় পড়া যায়, তবে জুম্মার রাত (শুক্রবার রাত) ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোতে পড়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)।

- সামনে রমজান আসতেছে রমজান মাসে এই নামাজ কেউ মিস করবেন না।

সালাতুত তাসবিহ হলো ৪ রাকাত সুন্নত নামাজঃ-যেখানে প্রতি রাকাতে বিশেষ একটি তাসবিহ পড়া প্রয়োজন।

(সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার)

মোট ৭৫ বার পড়া হয়, যার ফলে ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হয়ে থাকে; এটি সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পাঠের পর এবং রুকু, সিজদাসহ বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়তে হয়।

নামাজের নিয়ম:-

★ নিয়ত: ৪ রাকাত সালাতুত তাসবিহের নিয়ত করুন।

প্রথম রাকাত:- 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করুন।

প্রথমে 'ছানা' পড়ুন (সুবহানা...)-এর পর, সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ুন, এরপর ১৫ বার তাসবিহ পড়ুন:

◆ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার (15 বার)।

◇রুকুর তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার)

'সামিআল্লাহ লিমান হামিদাহ' বলার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।

প্রখম সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দুই সিজদার মাঝে বসে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সেজদার তাজবীদ শেষ করে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাত: একই নিয়মে প্রত্যেক রাকাতে এভাবে ৭৫ বার করে তাসবিহ পাঠ করুন।

* মোট তাসবিহ: ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হবে (৭৫ বার × ৪ রাকাত)।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:- গণনা: জোরে জোরে বা আঙুল গুনে তাসবিহ পড়া অনুচিত; মনে মনে বা আঙুল চেপে গণনা করতে পারেন।

ভুলে গেলে: কোনো ধাপে তাসবিহ পড়া বাদ গেলে, পরের ধাপে সেই সংখ্যা যোগ করে নিন অথবা পরের রাকাতের শুরুতে তা পরণ করে নিন।

ফজিলত:- এই নামাজে জীবনে সব গুনাহ মাফের বড় ফজিলত রয়েছে, নেক আশা পূরণের ফজিলত রয়েছে এবং এটি প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে বা জীবনে অন্তত একবার পড়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।


fans

Barisha Haque ❤️দয়া করে ইরার জন্য কিছু করেন যে ইচ্ছআ করে মারা যায় তার জন্য কিছু করার থাকে না কিন্তু ইরা বাঁচতে চেয়ে ও...
05/03/2026

Barisha Haque ❤️

দয়া করে ইরার জন্য কিছু করেন যে ইচ্ছআ করে মারা যায় তার জন্য কিছু করার থাকে না কিন্তু ইরা বাঁচতে চেয়ে ও পারে নাই কারণ তার শাসনালি কাটা ছিলো আমি স্টেপ নিতাম যদি ফেস ভ্যালু থাকতো আপনার মন মানসিকতা খুব ভালো তাই খুব করে চাই আপনি আওয়াজ তুলুন ইরার জন্য 🙏🏻 আর কত সন্তান হারাবে এই ভাবে আমরা মেয়েরা কোথায় সেফ? কেউ এটা নিয়ে কোনো কোথা কথা এখনও বলছে না বলে না কেনো? ইরার জন্য কিছু করুন আপু😞

fansTravel with ChinaDhrubo'r MaMd Shorif HassanSanjidA Rahman BivA



**st



Kotha gulo valo lagse, jai hok, the punishment must be only FASHi🫡মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, ...
03/03/2026

Kotha gulo valo lagse, jai hok, the punishment must be only FASHi
🫡
মৃত্যুর আগে ইরা 'পানি' খাওয়ার জন্য অনেক ছটফট করেছিলো, বারবার পানির জন্য আকুতি জানিয়েছিলো। কিন্তু শ্বাসনালী কাটার সার্জারির জন্য পানি দেওয়া নিষেধ ছিলো - সাংবাদিককে আফসোস করে জানাচ্ছিলো ইরার চাচা। ওর পরিবারের এই আফসোসে বুকটা ফেটে যাচ্ছে যে, শেষ মূহুর্তে মেয়েটিকে পানি খাওয়াতে পারেনি।

ওর চাচা দাবী করে , যে পাষণ্ড শিশুটিকে এত কষ্ট দিয়ে ইরাকে মেরেছে। পানি পর্যন্ত খেতে পারেনি। তাঁর ফাঁসি চাই।

রবিবার যা ঘটেছিলো ইরার ভাগ্যেঃ
কুমিরায় দাদার বাড়িতেই ইরার জন্ম। কিন্তু এই ভিটেতে জায়গা স্বল্পতার কারণে ভাড়া বাড়িতে থাকতো ইরারা। বেশী দূরে নয়। কাছাকাছিই। হেঁটেই আসা যায়। পেশায় ইরার বাবা একজন রিক্সাচালক।

জন্ম ভিটা হওয়ায় দাদুর বাড়ির প্রতি টান থেকেই প্রায়ই সে দাদুর বাসায় ছুটে আসতো। রবিবার সকাল ৯টায় সে দাদুর বাসায় যাওয়ার বায়না ধরলে, ওর মা নিষেধ করে। ছোট আরেকটি বোন ছিলো। তাকে কোলে নিয়ে খেলতে বলে। কিন্তু ইরা দাদু বাড়ি থেকে ফিরে এসে বোনকে কোলে নিয়ে খেলবে বলে, বের হয়ে যায়।

ইরার আরেকজন বড় বোন আছে। সম্ভবত ওরা মোট ৩ বোন।

ইরার মা জানে, মেয়ে তো দাদুর বাড়িতেই আছে। কিন্তু দুপুর ২টার দিকে ইরার স্বজনেরা ফেসবুকের মাধ্যমে ইকোপার্কে ইরার গলাকাটা ছবি দেখে চিনতে পারে, এটাই তাদের মেয়ে। স্থানীয় সড়ক নির্মান শ্রমিকরা ইরাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে ওর পরিবার পৌঁছালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানেই পরবর্তীতে ইরার মৃত্যু ঘটে।

খুনি কে? খুনি ইরাদের মতোই পাশের ঘরের ভাড়াটিয়া। যার সাথে ইরাদের পরিবারের প্রায়শই তর্ক-বিতর্ক, ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই ইরার বাবাকে শায়েস্তা করার জন্য খুনি - ইরাকে বেছে নেয়।

দাদুর বাসায় যাওয়ার পথে ইরাকে খুনি একা পেয়ে চকলেট খাওয়ার লোভ দেখায় এবং কুমিরা বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে করে নিয়ে আসে সীতাকুণ্ড ইকো পার্কের গহিন জঙ্গলে। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আদৌ করেছে কীনা সেটা ফরেনসিক রিপোর্টে জানা যাবে।

এক পর্যায়ে ইরা ওর বাবাকে বলে দিবে বলে হুমকি দিলে, কোমরে থাকা ছুরি দিয়ে ইরাকে জবাই দেয় এবং মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। কিন্তু মেয়েটি তখনও জীবিত এবং বেঁচে থাকার আকুল ইচ্ছেশক্তি নিয়ে সে রক্তাক্ত গলাকাটা শরীর নিয়ে জঙ্গল থেকে সড়কের দিকে এগিয়ে আসে।

সড়ক নির্মান কাজে থাকা লোকগুলো শিশুটিকে দেখতে পেয়ে দ্রুত গলায় কাপড় পেঁচিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং প্রায় দুইদিন মৃত্যু যন্ত্রনা সহ্য করে ইরা ইন্তেকাল করে। শুধু গলার ক্ষতই শিশুটিকে কাবু করেনি। ডাক্তার জানায়, অভ্যন্তণীন অংশে আঘাতের মাত্রা ছিলো বেশী। শরীরের বিভিন্ন অংশে কাঁটাছেঁড়া, আঘাতের চিহ্ন ছিলো।

প্রিয় ভাই-বোনেরা -
আসামী গ্রেফতার হয়েছে। আসামী অপরাধ স্বীকার করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ফুটেজ রয়েছে। তাহলে কেন প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় এই বিচারকে বছরের পর বছর আদালতে ঝুলিয়ে রাখবে? এরপর হয়তো যাবজ্জীবন কিংবা মৃত্যুদণ্ড রায় দিবে। কিন্তু কনডেম সেলে এই আসামী যুগের পর যুগ এই রাষ্ট্রের দেওয়া টাকায় তিনবেলা খাবে। অতঃপর কোন একদিন ছাড়াও পেতে পারে।

কেন এই আসামীকে আজকেই কিংবা এক সপ্তাহের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলানো হবে না? কেন একজন আসামীকে কঠিন শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে ২০ কোটি মানুষ তথা অপরাধীদেরকে সতর্ক করা হবে না?

কেন ভিক্টিমের পরিবারের মনকে অন্তত এই শান্তিটুকু দেওয়া হবে না? যে এই দেশ তোমার মেয়ের খুনিকে ক্ষমা করেনি।

তোমার মেয়ের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হয়েছে। ইরার খুনিকে জাহান্নামে পাঠানো হয়েছে? আমাদের বিচার ব্যবস্থা কবে বদলাবে?

যেই পুলিশ ভাইয়েরা এত কষ্ট করে আসামীকে ধরে, তাদের দায়িত্ব তো এখানেই শেষ। কিন্তু যেই শুয়োর, চাড়াল বিচারকেরা বছরের পর বছর আসামীকে পাপ্য সাজাটুকু দেয় না। যে উকিল এসব অপরাধীর পক্ষে জেনে শুনে লড়াই করে, যেই বিচারক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কম সাজা কিংবা তাদেরকে ছেড়ে দেয়। যেই চেয়ারম্যান-মেম্বার-প্রভাবশালীরা ধর্ষককে বাঁচাতে লবিং করে, মীমাংসা, সমঝোতা করানোর চেষ্টা করে, এদের কী পরিবারে মা-বোন-কন্যা নেই? কোন পরিবারটা পৃথিবীতে রয়েছে নারী ছাড়া? এই সমস্ত মানুষগুলোর বুক কাঁপে না? এই বিচার ব্যবস্থা বদলানোর ইচ্ছে হয় না?

একটি গ্রামে যখন আপনি একটি অপরাধ চোখের সামনে হতে দেখেও চুপ থাকবেন। প্রাপ্য বিচার করবেন না। তখন ঐ গ্রামে আরেকটি অপরাধ ঘটবে। তারপর আরেকটা...আর একদিন ঐ বিচারকের পরিবারের সাথেই ঘটে যাবে ভয়াবহ কোন অবিচার। আর ঠিক এভাবেই - গ্রাম থেকে জেলা, জেলা থেকে শহর। শহর থেকে বিভাগ। বিভাগ থেকে পুরো রাষ্ট্রই আজ অপরাধীদের অভয়ারাণ্য। শুধুমাত্র ভঙ্গুর বিচার ব্যবস্থার জন্য।

এই প্রকৃতি কিংবা পৃথিবী এক অদৃশ্য শৃঙ্খলার মধ্যে চলে। এই শৃঙ্খলা একটু এদিক সেদিক হলেই নেমে আসে প্রাকৃতিক দূর্যোগ। যার ভয়াবহতা কখনও দেখে না, আপনি কে? আপনার সামাজিক পরিচয় কী? আপনি কত অর্থের মালিক। সামাজিক শৃঙ্খলাও ঠিক তেমনই। এর ভয়াবহতা থেকে কেউই রক্ষা পাবে না। কেউ না।

নারী-শিশুর নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সরকারকে কঠোর হতে হবে। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। অপরাধী যদি কনফেস করে/ ভিডিও প্রমাণ থাকলে ৭দিনের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে। যদি প্রমাণের ইস্যু থাকে তাহলে ৯০দিনের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন ও রায় কার্যকর করতে হবে।

আল্লাহ্‌ আমাদের সন্তানদেরকে হেফাজত করুন। ইরার হত্যার বিচার চাই। ইরার খুনির ফাঁ///সি চাই।

- অন্তর মাশঊদ

**st

Salina Akter Travel with China Mar Asuncion Jesmin Jessy মোঃ আতিকুর রহমান Shereyoshi Sherya Sampa Tania Md Shorif Hassan Dhrubo'r Ma Marjiyar Lifestyle SA Rimon

01/03/2026

মোরে গিয়ে কি লাভ হলো? না আসমান পেলেন না জমিন মা বাপ সন্তান সব আপনি শেষ করে দিলেন এক নিমেষে আপনার হাসব্যান্ড থেকে ও আপনি আরও বড় স্বার্থপর ছিলেন আপু যেটা আপনার করাটা ঠিক হয়নি🙂❤️‍🩹💔

#এই

fans

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vlogs & Blogs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share