DeenVerse ইসলামের জগৎ

DeenVerse ইসলামের জগৎ 🌙 চাঁদ + ⭐ স্টার + বই (Quran)

26/04/2026

📌"কুরআনে কেন বারবার বলা হয় নারীদের দুঃখিত হওয়া উচিত না?"

কেন আল্লাহ তা'য়ালা বারবার বলেন:
"দুঃখ করো না", "ভয় পেয়ো না"?

এই আয়াতগুলো ভালো করে পড়ো। কারণ এগুলো শুধু আয়াত না এগুলো যেন শব্দে মোড়ানো একেকটা সান্ত্বনার আলিঙ্গন।

মহান আল্লাহ তা'য়ালার বলেন:
"যাতে তার চোখ শীতল হয় এবং সে দুঃখ না করে।"
[সূরা আল-কাসাস, ২৮:১৩]

এবং সূরা আল-আহযাবে:
"যাতে তাদের চোখ প্রশান্ত হয় এবং তারা দুঃখ না করে।" [৩৩:৫১]

সূরা মারইয়ামে:
"তুমি দুঃখ করো না।" [১৯:২৪]

আবারও সূরা আল-কাসাসে:
"ভয় পেয়ো না এবং দুঃখ করো না।" [২৮:৭]

বারবার… একই বাক্য, একই সান্তনা!!!

কেন?

কারণ তোমার কষ্ট
তোমার রবের কাছে তুচ্ছ নয়।

একজন নারীর দুঃখ শুধু একটা অনুভূতি নয়,
এটা একটা ঝড় যা তার ভেতরটাকে নাড়িয়ে দেয়,
তার শরীরকে দুর্বল করে, ঘুম কেড়ে নেয়,
কখনও কখনও তার ভেতরের আলোটুকু নিভিয়ে দেয়।

আর আল্লাহ তা'য়ালা তা জানেন।
তাই তো কুরআনে তাঁর ভাষা এত কোমল!

তাই তো তিনি বলেন:
দুঃখ করো না।
ভয় পেয়ো না।
তোমার চোখ যেন শান্তি খুঁজে পায়।

কারণ তিনি জানেন:
একজন নারীর দুঃখ শুধু চোখের পানিতে থেমে থাকে না,
এটা ছড়িয়ে পড়ে তার হৃদস্পন্দনে,
তার ভেতরের অনুভূতিতে,
তার শরীরের গভীরে,
তার হাসির আড়ালে।

আল্লাহ শুধু তার দেহকে নয়,
তার অনুভূতিকেও হেফাজত করেন,
তার মর্যাদা, তার শান্তিকেও।

তাই মা-বাবার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন:
"তাদেরকে 'উফ' পর্যন্ত বলো না।" [১৭:২৩]

কারণ শব্দও আঘাত করে। আর তার হৃদয় কোমল কিন্তু তার মর্যাদা অমূল্য। তাই, যদি তুমি একজন নারী হও আর তোমার বুকের ভেতর ঝড় বয়ে যায়, চোখে নীরব কান্না লুকিয়ে রাখো,

তাহলে জেনে রাখো
তোমার দুঃখ আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তোমার প্রতিটি অশ্রু তিনি দেখেন।
তোমার প্রতিটি কষ্ট তার কাছে লিপিবদ্ধ।
আর তোমার সুস্থতাও ইতিমধ্যেই তাঁর কাছে নির্ধারিত।

তাইতো প্রতিবারই তিনি তোমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন: তুমি একা নও। দুঃখ করো না।

আল্লাহ তা'য়ালা যেন প্রতিটি ভাঙা হৃদয়কে আরোগ্য দান করেন। বিশেষ করে সেই হৃদয়গুলোকে, যেগুলো নীরবে ভেঙে যায়। (আমিন)

মনে রাখবে, তোমার গল্প এখানেই শেষ নয়, এটা এখনও লেখা হচ্ছে, আর সেই কলম এমন একজনের হাতে যিনি সবচেয়ে দয়ালু (عطوف), যিনি আর-রহ'মানির রহিম (الرحمن الرحيم), যিনি আহ'কামিল হাকিম (أهكاميل حكيم)।

নিঃশব্দে কষ্ট পাওয়া প্রতিটি নারীর জন্য আল্লাহ এক মুহূর্তও ভুলে যাননি।

যে নারী নীরবে কাঁদে,
হাসির আড়ালে ভেঙে পড়ে,
অদৃশ্য কষ্ট বয়ে বেড়ায়
আল্লাহ তাকে দেখেন।

তোমার প্রতিটি অশ্রু,
যা তুমি ভেবেছিলে কেউ জানে না
কখনোই হারিয়ে যায়নি।

ইসলামে তোমার কষ্ট দেখা হয়,
তোমার ধৈর্যকে মূল্য দেওয়া হয়,
আর তোমার হৃদয়কে ঘিরে রাখে এমন এক দয়া
যা তোমার কল্পনার চেয়েও গভীর।

আর হ্যাঁ, অবশ্যই—
"আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত কোমল।" [৪২:১৯]

26/04/2026
আল্লাহ তাআলা নারীকে একথা বলেননি : ‘তুমি হিজাব করো’! ‘তুমি বোরকা পরো’!‘তুমি স্কার্ফ পরো’!আল্লাহ তাআলা বলেছেন : ১. মুমিন ন...
25/04/2026

আল্লাহ তাআলা নারীকে একথা বলেননি :
‘তুমি হিজাব করো’!
‘তুমি বোরকা পরো’!
‘তুমি স্কার্ফ পরো’!

আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
১. মুমিন নারীগণ যেন বে-গা-না পুরুষের কাছে সৌন্দর্য প্রকাশ না করে!
وَلَا یُبۡدِینَ زِینَتَهُنَّ
(সূরা নুর : ৩১)

২. তোমরা আদি জা-হে-লি যুগের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না!
وَلَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ ٱلۡجَـٰهِلِیَّةِ ٱلۡأُولَىٰۖ
(সূরা আহযাব : ৩৩)

৩. মূল নিষেধাজ্ঞা সৌন্দর্য প্রকাশ করার বিষয়ে। যে বোরকা-হিজাবের মাধ্যমে সৌন্দর্য প্রকাশ পায়, বলাবাহুল্য সেটাও নি-ষি-দ্ধ। বোরকা-হিজাব এমন হওয়া জরুরী, যাতে সৌন্দর্য প্রকাশ না পায়।

বলাবাহুল্য চেহারাতেই সমস্ত সৌন্দর্য কেন্দ্রীভূত থাকে। কখনো চোখেও। এজন্য দৃষ্টিও অবনত রাখতে বলা হয়েছে।

— আতিক উল্লাহ (হাফি.)

সতর্ক হও।
25/04/2026

সতর্ক হও।

সবচেয়ে বড় শাস্তি🥺
25/04/2026

সবচেয়ে বড় শাস্তি🥺

🧡🥺
25/04/2026

🧡🥺

নবিজির আমলে এক নারীকে হাসির পাত্র বানানো হয়েছিল খোলা বাজারে।আজকের যুগে হলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতো। মিম বানানো হতো। ...
24/04/2026

নবিজির আমলে এক নারীকে হাসির পাত্র বানানো হয়েছিল খোলা বাজারে।

আজকের যুগে হলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতো। মিম বানানো হতো। হয়তো কিছু লাইক-কমেন্ট পেয়ে সবাই ভুলে যেত।

কিন্তু সেদিন ছিল ভিন্ন গল্প।

মুসলিম নারীটি এসেছিলেন কাইনুকিদের বাজারে জিনিসপত্র নিয়ে। বেচাবিক্রি শেষে জিরাবার জন্য বসেছিলেন এক ইহুদি স্বর্ণকারের দোকানে।

মশকরা করে ইহুদিরা বলছিল মহিলা যেন তার নিকাব সরান। কিন্তু তিনি একদমই রাজি হননি তাদের কথায়।

একফাঁক স্বর্ণকার চুপিচুপি ওই নারীর পোশাকের নিচের এক কোণা কৌশল করে বেঁধে দেয়।

মহিলা খেয়াল করেননি বিষয়টা। উঠতে গিয়ে তার পর্দা সরে যায়।

ইহুদিদের তখন সে কি উল্লাস।

মহিলার চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন এক মুসলিম। তিনি চোখের পলকে হামলা করে মেরে ফেলেন স্বর্ণকারকে।

সাথের ইহুদিরা তখন আবার মেরে ফেলে সেই মুসলিম পুরুষটিকে।

কাইনুকিদের এরকম খাসলত অবশ্য এবারই প্রথম ছিল না। অনেক দিন ধরে সহ্য করছিলেন নবিজি (ﷺ)।

কিন্তু এবার আর ছাড় দেয়ার উপায় নেই। তিনি সোজা ফৌজ নিয়ে ছুটলেন ওদের জবাব দিতে।

টানা ১৫ রাত ধরে কাইনুকিদের অবরোধ করে রেখেছিলেন নবিজি (ﷺ)। শেষ পর্যন্ত ওরা আত্মসমর্পণ করে দুর্গ থেকে বেরিয়ে আসে।

কাইনুকিদের মদিনার ভিটেমাটি ছেড়ে এককাপড়ে বিদায় হতে হয়েছিল সেদিন।

আজ মুসলিম নারীরা নিজেরাই নিজেদের ইজ্জত বিলিয়ে দিচ্ছেন। অন্যরা আর কী সম্মান দেবে!

সূত্র: আর-রাহিকুল-মাখতুম, সফিউর-রাহমান মুবারাকপুরি [মাসুদ শরীফ হাফি. এর টাইমলাইন থেকে]

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DeenVerse ইসলামের জগৎ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share