14/02/2026
না মফিজ!মেয়েরা হিজাব-বোরকা থেকে বাঁচার জন্য জামায়াতের বিপক্ষে যায় নাই।
মেয়েরা জামায়াতের বিপক্ষে গেছে কারণ তারা গত দেড়বছর ধরে নানা ভাবে নারীদের বিপক্ষে কাজ করে গেছে।
ইভটিজারকে শাহবাগ ব্লক করে জেল থেকে ছাড়িয়ে এনেছে, ইভটিজিং কে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেছে, কোনো মেয়ে কোথাও হ্যারাসড হলে তারা উল্টা ভিক্টিম ব্লেমিং করে বেড়িয়েছে।পর্দা না করে রেইপ, ইভটিজিং হবেই বলে প্রীচ করেছে-যেখানে এই দেশে তিনবছরের বাচ্চা কিংবা হিজাব পরা তনুও রেইপড হয়!
ইনারা নানা ভাবে কর্মজীবী নারীদের নিচু করার চেষ্টা করেছে। কর্মজীবী নারীরা ভালো মা হতে পারেনা, এইসব নারীরা বেশ্যা- এই ধরনের জঘন্য কথাও বলেছে!
এবং সাথে ইনারা নারীদের পড়ালেখা নিয়েও নানা সময়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সর্বপরি ইনারা নারীদের পড়ালেখা -চাকরি সব বাদ দিয়ে রান্নাঘরের রাণী বানাতে চেয়েছিলেন।সাথে যেখানেসেখানে স্লাটশেমিং, ভিক্টিম ব্লেমিং তো আছেই!
নারীরা সমাজে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার্থে ই জামায়াতের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে।এমন ভাবে ভোট দিয়েছে যাতে জামায়াত না জিততে পারে। It was a do or die situation for us!
জামায়াতের বিপক্ষে কলাগাছ দাঁড়ালে এইদেশের শিক্ষিত সচেতন নারীরা সেই কলাগাছকেই চুজ করবে কারণ কলাগাছ আর যাই করুক না কেন!নারীদের এক্সজিসটেন্সকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলবেনা!