21/07/2026
ফুটবলের কালো অধ্যায় — ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল
@একটি ফাইনাল,অসংখ্য বিতর্ক..একটি লাল কার্ড, অসংখ্য প্রশ্ন।একটি পুরস্কার,অসংখ্য বিস্ময়।
এটাই কি ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রকৃত গল্প?
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর ফকল্যান্ড দ্বীপ ইস্যু নিয়ে আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম ও ফুটবল সংশ্লিষ্টদের উচ্ছ্বাস ইংল্যান্ড ভালোভাবে নেয়নি...এরপর ইংল্যান্ডের সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি দেশ ট্রাম্প সহ একজোট হয়ে ফিফা সভাপতির পরবর্তী নির্বাচনে সমর্থনের বিষয়টি সামনে
রেখে চাপ প্রয়োগ করে,যাতে আর্জেন্টিনা টানা বিশ্বকাপ জিততে না পারে।
ফাইনালের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় সেই বিতর্কিত রেফারিকে,যিনি ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা–সৌদি আরব ম্যাচেও বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন..এত আন্তর্জাতিক মানের রেফারি থাকা সত্ত্বেও আবারও একজন মাদকাসক্ত মাদকে গ্রেফতার হওয়া তাকেই ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের দায়িত্ব দেওয়া কেন—এই প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে।
ম্যাচ জুড়ে তার প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই ছিল আর্জেন্টিনার বিপক্ষে..স্পেনকে গোলপোস্টের কাছাকাছি একের পর এক ফ্রি-কিক দেওয়া হয়েছে,আর আর্জেন্টিনার খেলার ছন্দ নষ্ট করতে কথায় কথায় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে...রেফারির একটি সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে এনজো শুধু হাত নেড়ে প্রতিক্রিয়া জানান
এর জেরে তাকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হয়..এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়া করা হয়। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক,স্পেনের মতো বিশ্বমানের দলের বিপক্ষে ১০ জন নিয়ে লড়াই করা কার্যত অসম্ভব,আর এই লাল কার্ডই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়,সেইটা পরিকল্পিত ভাবে করা হয়ছে।
ম্যাচের বিভিন্ন মুহূর্তে রেফারির পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত স্পষ্ট ছিল...আর সবকিছুর চূড়ান্ত উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায় ব্যক্তিগত পুরস্কার। গোল,অ্যাসিস্ট,ম্যাচে প্রভাব এবং নেতৃত্ব—সব দিক থেকেই মেসি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকার পরও রদ্রিকে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে স্পষ্ট,ইউরোপ একজোট হয়ে টানা বিশ্বকাপ জয় থেকে আর্জেন্টিনাকে বঞ্চিত করেছে।
ফুটবলের সঙ্গে রাজনীতির অভিযোগ নতুন নয়,অতীতেও নানা বিতর্ক ও সিদ্ধান্ত প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ২০২৬ সালের এই ফাইনালও সেই আলোচনার অংশ হয়ে থাকবে।