02/11/2025
🌑 “চাঁদহীন রাতের কান্না”
রাজনপুর গ্রামের শেষ প্রান্তে একটা পুরনো বাড়ি ছিল—“দত্তবাড়ি।”
লোকজন বলে, ওখানে রাতে কারো যাওয়া মানে, সকালে আর ফেরত আসা যায় না।
দশ বছর আগে, দত্তবাড়ির একমাত্র মেয়ে “মেঘলা” পুকুরে ডুবে মারা যায়। কারো কারো মতে, সে নিজে ডুবেছিল না—তাকে কেউ ঠেলে দিয়েছিল। তারপর থেকেই বাড়িটার চারপাশে অদ্ভুত শব্দ শোনা যেত। রাতে হঠাৎ মেয়ের কান্না, জানালার ধারে দাঁড়িয়ে সাদা পোশাকের ছায়া, আর হাওয়ার সঙ্গে ভেসে আসা ফুলের গন্ধ।
একদিন তিনজন বন্ধু—রবি, তানিম আর শুভ—চ্যালেঞ্জ নিল, ওই বাড়িতে এক রাত কাটাবে।
রাত বারোটা বাজতেই দরজাটা “চিঁইইইই” করে খুলে গেল, যেন কেউ তাদের অপেক্ষা করছিল।
ঘরের ভেতর ধুলো, জাল আর একটা পুরনো আয়না।
রবি মজা করে বলল,
— “এই আয়নায় ভূত দেখলে কিন্তু সেলফি তুলে দেব!”
তখনই আয়নায় তিনজনের প্রতিচ্ছবি দেখা গেল, কিন্তু…
একটা বাড়তি মুখও ছিল!
ফ্যাকাশে, লম্বা চুলে ঢাকা মুখ, চোখ দুটো রক্তলাল, আর ঠোঁটে হালকা হাসি।
তারা চিৎকার করতে না করতেই বাতি নিভে গেল।
অন্ধকারে শুধু একটাই আওয়াজ —
“আমাকে কে ঠেলেছিল…?”
তিনজনের মধ্যে শুধু রবি বাইরে দৌড়ে বেরোতে পেরেছিল।
পরদিন সকালে গ্রামের লোকজন তানিম আর শুভকে দত্তবাড়ির পুকুরে ভেসে থাকতে দেখল।
রবির জ্ঞান ফেরে হাসপাতালে, কিন্তু সে কিছুই মনে করতে পারে না।
শুধু রাতে ঘুমাতে গেলে আয়নায় নিজের মুখের পেছনে সাদা পোশাকের মেয়েটার প্রতিচ্ছবি দেখে চিৎকার করে ওঠে—
“আমি তাকে ঠেলিনি!”
চাও কি আমি এই গল্পটার পরের অংশ লিখি? যেখানে জানা যাবে, আসলে কে মেঘলাকে ঠেলে দিয়েছিল? 😈