ZT Love

ZT Love Entertainment,- cooking--Motivation and Lifestyle. Tafriha's Mummy and Daddy.
(1)

We are very simple.
সব সময় হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করি।
আমাদের সুন্দর সুন্দর মুহুর্তগুলো আর রান্না শেয়ার করব। আপনারা আমাদেরকে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন।

শুভরাত্রি গাইস। আগামী দিনের নতুন সূর্য কল্যাণ বয়ে আনুক।
04/06/2026

শুভরাত্রি গাইস।
আগামী দিনের নতুন সূর্য কল্যাণ বয়ে আনুক।

শুভ সন্ধ্যা। ❤️
04/06/2026

শুভ সন্ধ্যা। ❤️

মধু মাস। ❤️
04/06/2026

মধু মাস। ❤️

04/06/2026

সাদামাটা জীবন।

এমন উচ্চশিক্ষিত সন্তান যেন কারও না হয় যার কাছে জন্মদাত্রী মায়ের কোনো মূল্য নেই। টাকা! টাকা!  টাকা!  আর আভিজাত্য পিতামাতা...
03/06/2026

এমন উচ্চশিক্ষিত সন্তান যেন কারও না হয় যার কাছে জন্মদাত্রী মায়ের কোনো মূল্য নেই।
টাকা! টাকা! টাকা! আর আভিজাত্য পিতামাতার প্রতি কি অবহেলা বাড়িয়ে দেয়???
fans
মারা যাবার পরেও দেখতে আসার সময় হয়নি এই ছেলেদের! আহারে মা জননী! আশেপাশের সবাই ঈর্ষান্বিত চোখে দেখত নুরজাহান বেগম কে। সবাই বলত রত্ন ধরেছ পেটে। প্রত্যেকটি ছেলে মেয়ে তুখোড় মেধাবী। স্বামী ছিলেন শিক্ষক। মেয়েকেও ভালো পাত্রের সাথে বিয়ে দিয়েছেন। নুরজাহান বেগমকে তিনি বলতেন, তার সন্তানরা দেশসেরা হবে। অথচ আজ সেই সন্তানরা ই দেশ সেরা কুলাঙ্গার। নুরজাহান বেগম কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিল। মনে রাখতে পারতেন না ঠিকঠাক। ছেলেরা কেউ নেয়নি নুরজাহান বেগমের দায়ভার। তারা প্রত্যেকে ব্যস্ত, তাই মায়ের সমস্ত ভার পরে মেয়ের কাধে। নুরজাহান বেগম মেয়ের কাছেই পরে থাকে স্টোর রুমে। যেখানে কয়েক বছর ধরে ময়লা জমে আছে, পরিত্যক্ত জিনিসপত্রে স্তুপ। কেউ ঢোকে না এই রুমে। নুরজাহান বেগমকে তাদের স্টাটাস অনুযায়ী মানিয়ে নিতে পারছিল না। তাই তাকে ও ডাস্টবিনে ফেলে রাখা হয় কোনমতে। কুরবানির আনন্দে সবাই যখন আনন্দ করছে, ভালোমন্দ রান্না হচ্ছে ঠিক তখনি শেষ দিন গুনছিল নুরজাহান বেগম। কেউ খোঁজ নেয়নি মায়ের। না খেয়ে, বিনা চিকিৎসায় নিঃশব্দে চলে গেল। এমনকি মারা যাবার পরেও তাদের সময় হয়নি দেখতে আসার। প্রিয় সন্তানদের ছোট ছোট হাত, চোখ টিপটিপ করে খিলখিল করে হেসে গড়াগড়ি খাওয়া কি মনে পরেছিল মৃত্যুর সময়? তখনকি পানি খেতে চেয়েছিল এই দুঃখিনী মা? প্রিয়তম স্বামী কি সেই ছোট্ট পরিবারের ঈদের আনন্দ টুকু মনে করিয়ে দিতে এসেছিল নুরজাহানকে? বিদায়বেলা কি এই মা জননী কেঁদেছিল প্রথম সন্তান ভূমিষ্ট হবার মত? সৃষ্টিকর্তা যেদিন বিচারের খাতা খুলবে, সেদিন ও মা তুমি হয়ত কেঁদে ভাসাবে সন্তানের ক্ষমার দাবি নিয়ে, তিনি কি তাদের ক্ষমা করে দিবেন? কখনো ই না মা! আমরাও যে ক্ষমা করতে পারিনা তোমার এই কুলাঙ্গার দের!
(শেয়ার অনলি)

বর্ষার প্রথম কদম ফুলের শুভেচ্ছা।
03/06/2026

বর্ষার প্রথম কদম ফুলের শুভেচ্ছা।

 #কপি সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়। 🥲দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে মায়া, মমতা ও ভালবাসা। টাকা আর অট্টালিকার বাঁধনে হারিয়ে যাচ্ছে ম...
02/06/2026

#কপি
সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়। 🥲
দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে মায়া, মমতা ও ভালবাসা।
টাকা আর অট্টালিকার বাঁধনে হারিয়ে যাচ্ছে মায়ের ভালবাসা...
ছেলে সচিব, মেয়ে ডাক্তার, ছেলে জজ, মেয়ে বুয়েট থেকে পাশ করা, ছেলে বিদেশে থাকে এগুলো নিয়ে বড়াই করার আর কিছু নেই। যত বেশি সার্টিফিকেট তত বেশি মনুষ্যত্বহারা।

বহু দেখেছি। যত হাইপ্রোফাইল তত বউয়ের আরাম আর শালা, শালীর সুদিন।

ছেলে মেয়ের অট্টালিকা যত প্রসস্থ হয় বাবা মায়ের থাকার জায়গা ততবেশি সংকুচিত হয় এটাই নির্মম বাস্তবতা।

ছেলে মেয়ে অনেক লেখা পড়া শিখেছে এটা নিয়ে গৌরব করার কিছু নেই বরং ছেলে মেয়ে মানবিক হয়েছে কিংবা মানবিক করতে পেরেছি বিষয়টি তখন গৌরবের।

আমরা আসলে আমাদের সন্তানদের নিয়ে একা বাস করা, ভোগ করায় বেশি অভ্যস্হ। রুম আটকিয়ে ছেলে মেয়েকে বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করার নেশায় বিভোর। যার কারণে এ পরিনতি।

নিজেদের দাদা দাদী, ফুফু, চাচা, চাচীদের আমাদের সন্তানদের চিনতে দেইনা। আমরা শুধু বড়লোকস্স খালা খালু, মামা, মামী আর নানাবাড়ি ঘেষা রাখা পছন্দ করি।

সন্তান অমানুষ হওয়ার পিছনে একজন নারী সবচেয়ে বড় দায়ী। কারণ আমরা বড় পদধারী স্বামী পেলে , টাকা ওয়ালা স্বামী পেলে, "স্বামীর মায়ের গা থেকে ঘামের গন্ধ পাই। '

আর ঘরের স্বামী নামক পুরুষটা বউয়ের মন যোগাতে বউয়ের সামনে বৃদ্ধ মা, বাবাকে হেয় প্রতিপন্ন করি।

এটাই অধিকাংশ শিক্ষিত পরিবারের বাস্তব চিত্র। একজন বৃদ্ধা মা ঘরে ধুঁকে ধুঁকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে এবং পচে গলে নিঃশেষ হয়েছে এরচেয়ে বরং বৃদ্ধাশ্রম এ মায়ের জন্য অনেক সুখের ছিল।

অন্তত খোলা আকাশে নিঃশ্বাস নেয়ার সুযোগ পেতো।

এমন মৃত্যু আর এমন সার্টিফিকেটধারী সন্তান যেনো আর উদাহরণ না হয়। এ দৃশ্য দেখে সবার কলিজায় যেনো চোট লাগে, সমাজ যেনো পরিবর্তন হয়।

নিজের সন্তান কে আর দরজা বন্ধ করে না রেখে পরিবারের সবার সাথে মিলে মিশে চলার সুযোগ করে দিন। নিজের সন্তানের মূল্যবোধ তৈরিতে সচেষ্ট হোন।

এ লেখা গুলো প্রকাশের দুঃসাহস আমার রয়েছে কারণ আমার কাছে আমার নিজ পরিবার যেমন তারচে বেশি অধিক গুরুত্বপূর্ণ আমার শ্বশুরবাড়ি।

Address

Habiganj
3331

Telephone

+8801518730433

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ZT Love posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ZT Love:

Share