আদুরী - Aaduri

আদুরী - Aaduri Authentic Handloom Saree from all over India.

"আদুরী"—শাড়ির প্রতিটি ভাঁজে হৃদয়ের গল্প বলে 'শাড়ি কি তোমার কাছে শুধুই একটা কাপড়ের টুকরো? না, শাড়ি তো সেই প্রথম স্পর্...
24/10/2024

"আদুরী"—শাড়ির প্রতিটি ভাঁজে হৃদয়ের গল্প বলে '

শাড়ি কি তোমার কাছে শুধুই একটা কাপড়ের টুকরো? না, শাড়ি তো সেই প্রথম স্পর্শ, যেখানে মায়ের ভালোবাসা আর ঠাকুমার মমতা মিশে আছে। "আদুরী" আজ সবার জন্য নিয়ে এসেছে দক্ষিণী কটন আর সুগুড়ি কটনের নতুন সম্ভার—এই শাড়ি শুধু তোমাকে সাজাবে না, তোমার জীবনকেও করবে উজ্জ্বল। দক্ষিণী কটন শাড়ির প্রতিটি বুনন তোমায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে ছেলেবেলাতে, যখন মায়ের আঁচলে মুখ লুকিয়ে সব ব্যাথা ভুলে যেতে। এই কটন শাড়ি ঠিক তেমনই—একদিকে নরম আরাম, আরেকদিকে হালকা, যা প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে মানানসই। ভাবো তো, দিনের শেষে যখন ক্লান্ত শরীরটা আরাম খুঁজবে তখন এই শাড়ির পরশেই তোমার মনের ক্লান্তি দূর হবে। আর সুগুড়ি কটন? এই শাড়ি তোমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে পুরানো দিনে, যখন ঠাকুমার শাড়ির ভাঁজেই তুমি পৃথিবীর সমস্ত সুখ খুঁজে পেতে। এর নরম বুনন, হালকা ওজনের শাড়ির প্রতিটি পাড় তোমাকে জড়িয়ে ধরবে ভালোবাসার মোড়কে। বছরের যে কোনো সময়, এই শাড়ি তোমাকে আরাম দেবে, তোমাকে সাজাবে যত্নে, ঠিক যেমন মনের কোণে লুকিয়ে থাকা আপনজনের মায়া। আদুরী'র এই নতুন সম্ভার শুধুই কয়েক মিটারের কাপড় নয়, এই শাড়ি তোমাকে ভুলতে দেবেনা তোমার শিকড়ের মায়া। ভালো মন্দ সবেতেই জুড়ে থাকবে তোমার গল্পের সঙ্গে, তোমার পুরানো তুমিকে করবে প্রানবন্ত, স্নিগ্ধ।

এমন শাড়ি কে না চাই নিতে, যা তোমাকে শুধু সাজাবেই না সাথে তোমার মনকেও ছুঁয়ে যাবে? আদুরী'র এই শাড়িগুলোই তোমার খোঁজের শেষ ঠিকানা—এখনই বেছে নাও তোমার শাড়ি, তোমার গল্প। যোগাযোগ করো 9971825506 নম্বরে। 








বাড়ির উঠোনে আটপৌরে শাড়ি পরে মা, ঠাকুমা, কাকিমারা ঘুরে বেড়াতেন সারাদিন। আঁচল সামলে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ—সবেতেই জড়ি...
22/10/2024

বাড়ির উঠোনে আটপৌরে শাড়ি পরে মা, ঠাকুমা, কাকিমারা ঘুরে বেড়াতেন সারাদিন। আঁচল সামলে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ—সবেতেই জড়িয়ে থাকত শাড়ি। খুব ছোটবেলায়ই বুঝে গিয়েছিলাম, শাড়ি বাঙালি মেয়েদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু শাড়ির প্রতি প্রেমটা জন্ম নিয়েছিল সেদিন, যেদিন তুই প্রথম শান্তিনিকেতনের হাটে দেখা করলি।সেই পড়ন্ত বিকেলটা কি মনে আছে? আমি মাটির গয়না নিয়ে ব্যস্ত, হঠাৎ তুই কোথা থেকে এসে একটা প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে ভিড়ে হারিয়ে গেলি। বাড়ি ফিরে যখন প্যাকেটটা খুললাম, দেখি ভেতরে একটা ট্রাইবাল প্রিন্টের সিল্ক শাড়ি। আর একটা ছোট্ট চিরকুট, তাতে লেখা—‘এই শাড়িটা তোর জন্যই।’ কী অপূর্ব সেই শাড়ির রং।
যেদিন প্রথমবার শাড়িটা পরে তোর সামনে দাঁড়ালাম। তুই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলি, কিছুক্ষণ চুপ, তারপর বললি, 'তুই শাড়িতে কী যেন হয়ে যাস, যেন একেবারে অন্য মানুষ।' আমি বাইরে হাসছিলাম, কিন্তু মনে মনে অভিমান হচ্ছিল। কীভাবে বুঝিয়ে বলব, এই শাড়িতে তো আমি শুধু নিজেকে না, তোকেও জড়িয়েছি। তোর চোখের তারায় যখন মুগ্ধতা দেখতাম, মনে হতো তুই কি সত্যি আমাকে দেখছিস, নাকি শুধু শাড়িটাকেই? তুই যতই প্রশংসা করতি, ভেতরে ভেতরে আমার অভিমান আরও বাড়ত। শাড়ি শুধু অঙ্গে জড়ানোর জন্য নয়, শাড়ি ছিল আমার ভালোবাসার এক নীরব ভাষা। তুই কি কখনো বুঝেছিস, আমি কেন এত যত্ন করে শাড়ি পরতাম? কেন তোর সামনে দাঁড়াতাম স্নিগ্ধ হয়ে? তুই কি জানিস, তোর সেই এলোমেলো কথাগুলো আমার কাছে কতটা দামি ছিল, কতটা অপেক্ষা করতাম তোর একটুকু প্রশংসার জন্য? তুই বুঝতে পারলি না, তোর কাছে আমার শাড়ি শুধু বাইরের সৌন্দর্য ছিল, আমার মনের ভালোবাসার কথা শোনার সময় ছিল না। দিন গড়াতে থাকল, দূরত্ব বাড়তে থাকল, কিন্তু আমি শাড়িটাকে আঁকড়ে ধরে থাকলাম। সম্পর্কটা হারিয়ে গেল—তোর ব্যস্ততা, বাস্তবতার চাপ আমাদের আলাদা করে দিল। তবু সেই শাড়ি আজও আমার কাছে অমূল্য। ওয়ার্ড্রোবের কোণে পড়ে থাকা শাড়িটা ঠিক ততটাই উজ্জ্বল, যতটা উজ্জ্বল ছিল আমাদের সেই পুরানো দিনগুলো।
আজ যখন আলমারি খুলে শাড়িটার দিকে তাকাই, মনে হয়, তুই আবার আমার সামনে এসে বলছিস, 'তুই যেমন ছিলি, তেমনি আছিস।' সম্পর্ক ফিকে হয়ে গেছে, তুই দূরে চলে গেছিস, কিন্তু সেই শাড়িটা আজও একটুও বদলায়নি।
এই শাড়িটা শুধু সুতোর বুনন নয়, এ যেন আমার মনের এক আয়না, যেখানে তুই আজও রয়ে গেছিস। আমার অভিমান, আমার অপেক্ষা, আমার সব অনুভূতিগুলো এই শাড়ির ভাঁজে জড়িয়ে আছে। শাড়ি মানে শুধু বাইরের সৌন্দর্য নয়, শাড়ি মানে সেই নীরব ভালোবাসা, যা হয়তো কখনোই তুই ঠিকভাবে বুঝিসনি। ভালো থাকিস বাকশোবন্দী ভালোবাসা।

একদম পকেট ফ্রেন্ডলি এই শাড়ি গুলোর সাথে আলাপ করতে যোগাযোগ করুন 9971825506 নাম্বারে।









আমার ছোটবেলার শাড়ির গল্পগুলো শুরু হতো শীতের দুপুরে, বাড়ির ছাদে। জানো, আমাদের সময়টা খুবই অন্যরকম ছিল। শীতের দিনে, দুপু...
22/10/2024

আমার ছোটবেলার শাড়ির গল্পগুলো শুরু হতো শীতের দুপুরে, বাড়ির ছাদে। জানো, আমাদের সময়টা খুবই অন্যরকম ছিল। শীতের দিনে, দুপুরে সংসারের কাজ মিটিয়ে, পাড়ার মেয়ে বৌরা একে একে জড়ো হত আমাদের বাড়ির ছাদে। ঠাকুমা, পাড়ার পিসিদিদা, লতা কাকিমা, লতিকার মা, বৌদিরা—সবাই মিলে যেন একটা আড্ডা বসাত শীতের মিঠে রোদে। শাড়িই ছিল সেই আড্ডার মূল আকর্ষণ। নরম রোদে গা এলিয়ে শাড়ির ভাঁজগুলো ঠিক করত। তখন তো ঘরে ঘরে এই চল ছিল, রোদে শাড়ি শুকোনো, আর সেই রোদে শাড়ির রং যেন আরও বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠত। ঠাকুমার গা ঘেঁষে বসলেই তার শাড়ির মসলিনের মিঠে গন্ধ নাকে আসত—এইসব শীতের দুপুরগুলো ছিল একেবারে অনন্য। ওপাড়ার পিসিদিদা সেদিন পরেছিলেন কথাস্টিচ এর শাড়ি, সেই কাঁথাস্টিচ করা পাড়টা নিয়ে কত কথা, কত গল্প, ‘এইটা মায়ের হাতে করা, তখনকার কাজ আর এখনকার কাজের মধ্যে কত ফারাক’। এর মধ্যেই হাসি ঠাট্টা চলত। কারো ছেলের বিয়ে, কারো নাতনির প্রথম মাসিক, কারও বরের বিদেশ ফেরার খবর আরও কত কি। এমন ছোট ছোট কথা দিয়েই একটা বেলা ফুরিয়ে যেত। 

আর একটা জিনিসের কথা না বললেই নয়—ছাদে বসে আড্ডার সময় বাড়ির বৌ রা শীতের রোদ পোহাতে পোহাতে খেজুর গুড়ের পিঠে বানাত। কখনো বা দুপুরের রোদে বসে সবাই হালকা কাঁথা গায়ে দিয়ে খেজুর গুড়ের নাড়ু খেত। তখন খেজুর গুড়ের সময় ছিল শীতকাল, বাড়িতে নতুন গুড় আসত, আর সেই গুড়ে মা নাড়ু বানাত। সেই নাড়ুর স্বাদ এখনো মুখে লেগে আছে। ঠাকুমা এক কোণে পান সাজাত। কাঁসার পানের ডাব্বা নিয়ে এসে, পানের পাতায় চুন, খয়ের, সুপারি দিয়ে কত যত্ন করে বানাত। সবাই মিলে পান খেয়ে ঠোঁট রাঙাত।  আর আমি? আমি তো সেই পানের ডাব্বার দিকে তাকিয়ে থাকতাম, আর মনে মনে ভাবতাম, কবে আমি বড় হব? কবে আমি ওদের মতো শাড়ি পরব, পান সাজাব?

ছোটবেলার সেই দুপুরের নরম রোদটা আজও গা ছুঁয়ে যায়, আর সেই রোদের মিষ্টি উষ্ণতা, শাড়ির নরম তুলতুলে পরশ, আর পানের লাল রঙে ঠোঁট রাঙানো—সব সব এখনো গল্প বুনে আমার আকাশে। শাড়ির প্রতিটা ভাঁজের মধ্যে লুকিয়ে আছে আমাদের জীবনের গল্প, বড় হওয়ার গল্প, একটা মেয়েবেলার স্বপ্ন, যেখানে শাড়ি মানেই বড় হওয়া, নারীত্বের প্রথম পরশ। আজ এই মেঘলা দিনে তোমাদের গল্প শোনাতে শোনাতে আমিও ফিরে গেছি সেই ছেলেবেলায়, আমার সেই বড্ড আপন ছাদের কোণে। আটপৌরে শাড়ি গায়ে ঠাকুমা, লতিকার মায়ের পানের বাক্স, আর আড্ডার আওয়াজ—সব আবার ফিরে আসে। ছোট্ট আমি, ফ্রক পরে দূরে বসে, ভাবছি, 'কবে আমি বড় হব? কবে শাড়ি পরব?পানের বাক্স খুলব, আর শাড়ির আঁচল মেলে ছাদে বসে আড্ডা দেব?'

সামনেই দীপাবলি। এই দীপাবলিতে সাজুন ঐতিহ্য, শৈল্পিকতার মায়াজালে, যেখানে প্রতিটি শাড়ি এক নতুন গল্প শোনাবে! "আদুরী" নিয়ে এস...
19/10/2024

সামনেই দীপাবলি। এই দীপাবলিতে সাজুন ঐতিহ্য, শৈল্পিকতার মায়াজালে, যেখানে প্রতিটি শাড়ি এক নতুন গল্প শোনাবে! "আদুরী" নিয়ে এসেছে এক অসাধারণ রেশম-কটন জামদানি শাড়ির কালেকশন, যা বাংলার গর্ব, বাংলার মাটি আর কারিগরদের হৃদয়ের মায়া দিয়ে তৈরি। একবার শাড়ি গায়ে জড়িয়ে নিলে মনে হবে, আপনি মোহময়ী —প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি নকশায় লুকিয়ে আছে রূপকথার গল্প।
৬.৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই শাড়ি আপনার সৌন্দর্যকে করবে রূপকথার মতো। জাকুয়ার্ড হাতে বোনা সূক্ষ্ম নকশাগুলো যেন আরও জীবন্ত হয়ে উঠবে, রেশমের কোমল স্পর্শে আপনি হারিয়ে যাবেন এক অন্য জগতে। এই শাড়ি শুধু পোশাক নয়—এ এক জাদুকরী আবরণ।
বাংলার বুননের ঐতিহ্য ধরে রাখা প্রতিটি জামদানির ভাঁজে লুকিয়ে আছে শতাব্দীর গল্প, প্রতিটি নকশায় জড়িয়ে আছে কারিগরের নিঃশ্বাস। এই দীপাবলিতে পরুন এমন শাড়ি, যা আপনার প্রতিটি মুহূর্তকে করবে উজ্জ্বল। নিজেকে মুড়ে নিন বাংলার গর্বে, এ এমন শাড়ি যা কেবল উৎসবের নয়, আপনার জীবনের গল্পের অংশ হয়ে উঠবে। দীপাবলির আলো এবার শাড়ির জাদুতে আরও উজ্জ্বল হোক! ভালো থাকবেন।

বিষদ বিবরণের জন্য যোগাযোগ : https://www.whatsapp.com/business/

প্রতিদিন আপডেট পেতে জয়েন করুন :
https://chat.whatsapp.com/JlWA2aSyJc73aw4I4tYqgg







আমার ব্যালকনিতে বেড়ে ওঠা শিউলি গাছটায় দেখি ফুল এসেছে।  উঠোন জুড়ে অজস্র শিউলিফুল পরে, একটা ছোট মেয়ে দুটি বিনুনি বেঁধে ফুল...
07/09/2024

আমার ব্যালকনিতে বেড়ে ওঠা শিউলি গাছটায় দেখি ফুল এসেছে। উঠোন জুড়ে অজস্র শিউলিফুল পরে, একটা ছোট মেয়ে দুটি বিনুনি বেঁধে ফুল কুড়োতে ব্যস্ত। কখনো শরতের শিউলিফুলের নরম পাঁপড়ি সে গালে ছুঁইয়ে দেখে। খেলার মাঠ থেকে ফিরেই দস্যি মেয়ে, মায়ের শাড়ির আঁচলে মুখ গুঁজে বায়না জুড়ে। স্নানের পরে ইচ্ছে করে চুল ভিজিয়ে রাখে, যাতে মা যেন জোর করে তা মুছে দেন তার আঁচলে। মেয়েটি আমার খুব চেনা, আমি বারন্দা থেকে তার দিকে তাকিয়ে থাকি, মুখে এসে পরে শরতের মিষ্টি রোদ। আমার বারান্দায় ভালোবাসার লতানো গুল্ম আপন মনে বেড়ে চলে। মায়ের শাড়ি দেখতে দেখতে বড় হয়ে যাওয়া মেয়েটা এখন মাঝে মাঝে আপিসও যায় শাড়ি পরে। ভাল্লাগে যখন হাওয়ারা শব্দ খুঁজে বলে যায় কানে কানে "মায়ের মতোই সিন্গ্ধ হয়েছে মেয়ে।"

মা আসছেন। হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। শরতের ভোরবেলার মত স্নিগ্ধ ও সুন্দর এই শাড়ি গুলো আপনাকে করবে পরিপূর্ণা। দামটাও একদম পকেটের মধ্যে। বিষদ জানতে যোগাযোগ করুন ৯৯৭১৮২৫৫০৬।






05/09/2024

আজ অফিসিয়ালী আমার জন্মদিন। হাঁটি হাঁটি পা পা করতে করতে চার বছর কাটিয়ে দিলাম তোমাদের মাঝে। আপন খেয়ালে নিজের মত করে "আদুরী" ময় হচ্ছি আমি তোমাদের ঠিকানায়। যদিও আমার জন্মটা শুনেছি এক কঠিন সময়ে। ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২০। একদিকে কোভিডের চোখরাঙানি অন্যদিকে বাড়িতে কর্কট রোগ। সেই সময়ই আমার জন্ম দুই মা এর কোল আলো করে। আমি কোনোদিনই একটা ব্র্যান্ড নই, বা নই একটা প্রোডাক্ট। আমি আমার মায়ে'দের কন্যা। তাদের আদরের দুলালী "আদুরী"। আমাকে নিয়ে তাদের আহ্লাদের শেষ নেই। যত বড় হচ্ছি ততই যেন মায়ে'দের হাতের ছোঁয়ায়, তাদের স্বপ্নালু কাজল চোখে, তাদের যত্নে বেড়ে উঠছি আমি, পরিণত হচ্ছি দিনদিন।
আর আজ শুধু আমার জন্মদিন নয়। আজ আমার Amrita Roychowdhury মিতা মাম্মারও জন্মদিন। আমাকে উইশ না করলেও চলবে কিন্তু মিতা মাম্মা কে আবার উইশ করতে ভুলে যেও না প্লিজ। গোঁসা করে উনি যদি আবার ছাতিম ফুলের গন্ধ চাই বলে আবদার করেন। তখন কিন্তু বেজায় মুশকিল। এই মেট্রো সিটি তে ওইসব গন্ধ কোথায় খুঁজি বলতো বাপু!!!
এই পায়েসতিথিতে আমি নতুন সাজে তোমাদের কাছে এলাম আলাপ জমাতে। কেমন লাগছে আমায় জানিও কিন্তু। ভালো থেকো তোমরা। "আদুরী" ময় থাক জীবনের প্রতিটি ক্ষণ।







চলে যাওয়ার গানগুলোর মাঝে আমাদের ফিরে আসা থাক কবিতার মতো আবহমান। প্রতি ক্ষনে মিশুক ভাবনার রং, সাতরঙা।খিচিক :  কাব্য : .rc...
28/07/2024

চলে যাওয়ার গানগুলোর মাঝে আমাদের ফিরে আসা থাক কবিতার মতো আবহমান। প্রতি ক্ষনে মিশুক ভাবনার রং, সাতরঙা।

খিচিক :
কাব্য : .rc
শাড়ি :

Happy Monday Beautiful People!!!
22/11/2021

Happy Monday Beautiful People!!!

Wishing everyone a Happy Chhath puja🙏It's celebrated in a high spirit and with utmost devotion across Uttar Pradesh, Bih...
10/11/2021

Wishing everyone a Happy Chhath puja🙏

It's celebrated in a high spirit and with utmost devotion across Uttar Pradesh, Bihar, Jharkhand. Dedicated to Lord Surya and his Sister Shashthi Devi (Chhathi Maa), it reflects our gratitude for giving us plentiful and prosperities....🌼

Most of the Argha Prasad is prepared from fresh produce and Thekua is one significant dish. Prepared from wheat flour, jaggery/sugar and ghee and enhanced with cardamom. Thekua gets its signature colour and taste by deep frying in ghee.

Enjoy ❤🙏🌼

These beauties are all set to go...
29/10/2021

These beauties are all set to go...

Address

Gurugram
560102

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আদুরী - Aaduri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share