Henshel Samraggi হেঁশেল সাম্রাজ্ঞী

  • Home
  • India
  • Hooghly
  • Henshel Samraggi হেঁশেল সাম্রাজ্ঞী

Henshel Samraggi    হেঁশেল সাম্রাজ্ঞী Hi, myself Priyanka.

Henshel Samraggi is a delicious food destination platform.It's all about redifining 'cooking' for you..so like,comment, share & subscribe my channel and stay with me..

কলম্বিয়ার ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর গুলি পয়েন্ট আউট করে দেখানো হয়েছে মানচিত্রে।
12/08/2026

কলম্বিয়ার ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর গুলি পয়েন্ট আউট করে দেখানো হয়েছে মানচিত্রে।

📌১০ আগস্ট ২০২৬, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭:৩৪ মিনিটে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী...
12/08/2026

📌১০ আগস্ট ২০২৬, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭:৩৪ মিনিটে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এটি দেশটির চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

🎯ভূমিকম্পটির বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
♦👉১. কেন্দ্র ও তীব্রতা
উৎস ও গভীরতা:- ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) এবং কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১০.৩ কিলোমিটার (৬৮.৫ মাইল) গভীরে।
👉ভূমিকম্পের কেন্দ্র:- কলম্বিয়ার রাজধানী বগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত চোকো (Chocó) অঞ্চলের স্যান হোসে দে পামার (San José del Palmar) নামক একটি গ্রামীণ এলাকার কাছাকাছি।
👉ঝাঁকুনির স্থায়িত্ব:- তীব্র এই কম্পন প্রায় ২ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল এবং এর পর অন্তত ৫৪টিরও বেশি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

♦👉২. ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত
উদ্ধারকাজ চলার সাথে সাথে হতাহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে:
👉নিহত ও আহত:- সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ২৫৪ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং ২,৫০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
👉নিখোঁজ:- এখনও ৪,১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
👉ভবন ধস:- শক্তিশালী ঝাঁকুনিতে কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে। প্রায় ৫,০০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে শত শত ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে। এমনকি কালির একটি হাসপাতালের শিশু ও নবজাতক বিভাগ এবং ম্যানিজালেস ক্যাথেড্রালও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

♦👉৩. সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা-
📌ভূমিকম্পের প্রভাব কলম্বিয়ার ৩২টি প্রধান শহরের সবকটিতেই অনুভূত হলেও পশ্চিমাঞ্চলের শহরগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে:

👉কালি (Cali):- কলম্বিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম এই শহরে অন্তত ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু বহুতল ভবন ধসে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাতে এখানে সান্ধ্যআইন (Curfew) জারি করা হয়েছিল।

👉পেরেইরা (Pereira) ও ম্যানিজালেস (Manizales):- কলম্বিয়ার কফি উৎপাদনকারী এই পাহাড়ি অঞ্চল দুটিতে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং রাস্তাঘাট ও বিমানবন্দর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

👉চোকো (Chocó):- দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে, ফলে উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে।

♦👉৪. আন্তর্জাতিক প্রভাব
তীব্র কম্পন কলম্বিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে প্রতিবেশী দেশ পানামা, ইকুয়েডর এবং ভেনিজুয়েলাতেও অনুভূত হয়েছে। পানামা সিটিতে সতর্কতা হিসেবে মেট্রোরেল পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল এবং ইকুয়েডরে বেশ কিছু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

♦👉৫. সরকারি পদক্ষেপ ও বর্তমান পরিস্থিতি-:
কলম্বিয়ার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিলা (Abelardo De La Espriella) দেশে জাতীয় জরুরি অবস্থা ও বিপর্যয় পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন।
👉দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকাজের জন্য ১,০০০-এরও বেশি অতিরিক্ত সেনা ও উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
👉ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের জন্য "গোল্ডেন আওয়ার" (৭২ ঘণ্টার সময়সীমা)-কে মাথায় রেখে উদ্ধারকারীরা খালি হাত, বালতি ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে অবিরাম তল্লাশি চালাচ্ছেন।
♦আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফ (UNICEF) এবং বিশ্বব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পাশে দাঁড়াতে জরুরি মানবিক সহায়তা চালু করেছে।

🎯পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) উত্তর ২৪ পরগনার বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ ও হাবড়া এলাকা থেকে রানা রউফ ও...
12/08/2026

🎯পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) উত্তর ২৪ পরগনার বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ ও হাবড়া এলাকা থেকে রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলম নামে এক পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে, যে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল। এই ঘটনার সূত্র ধরে কলকাতার তপসিয়া থেকেও তার এক প্রধান সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

♦এই চাঞ্চল্যকর গ্রেপ্তারির ঘটনা ও তদন্তের মূল বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
👉ধৃতের পরিচয় ও ভারতে প্রবেশ
আসল পরিচয়: ধৃত রানা রউফ পাকিস্তানের ফয়সলাবাদের বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গেও যুক্ত ছিল।
👉অনুপ্রবেশ: সে ২০১২ সাল থেকে নেপালে ছিল। এরপর নেপাল সীমান্ত দিয়ে বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং পশ্চিমবঙ্গে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।
👉ভুয়ো পরিচয়: ভারতে নিজের আসল অস্তিত্ব লুকিয়ে সে 'ওয়াহাব আলম' নাম নেয়। কলকাতার তপসিয়ার একটি ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে জাল আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড তৈরি করে সে।
👉চরবৃত্তির লক্ষ্য ও নাশকতার ছক
তথ্য পাচার: রানা সরাসরি পাকিস্তানের ISI হ্যান্ডলারদের নির্দেশ মতো কাজ করছিল। তার মূল দায়িত্ব ছিল ভারতীয় সেনা (Eastern Command), নৌসেনা, বিএসএফ (BSF) এর গতিবিধি এবং ভারতীয় রেলের পরিকাঠামো সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপন তথ্য সংগ্রহ করে পাকিস্তানে পাঠানো।
👉সহযোগীর গ্রেপ্তার: রানাকে জেরা করে কলকাতার তপসিয়া এলাকা থেকে মহম্মদ ইজাজ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে STF। এই ইজাজই রানাকে কলকাতার ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়ো ভারতীয় নথিপত্র ও পরিচয়পত্র বানাতে সাহায্য করেছিল।

♦গ্রেপ্তারের প্রেক্ষাপট ও পালানোর চেষ্টা -:সম্প্রতি (৩১ জুলাই) বর্ধমান থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হামিম মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে STF।
👉হামিমের গ্রেপ্তারের পর পুলিশি নজরদারির কথা আঁচ করতে পেরে রানা রউফ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে।
👉সে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছানোর আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে STF অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
👉ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এবং অন্যান্য ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করে বারাসত আদালতে পেশ করা হচ্ছে।
👉রাজ্যে আর কোনও বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কি না এবং এর পেছনে কত বড় গুপ্তচর নেটওয়ার্ক সক্রিয়, তা জানতে STF জেরা প্রক্রিয়া জারি রেখেছে।

কেমন হয়েছে আঁকাটা? আমার হাজবেন্ড এঁকেছে।
12/08/2026

কেমন হয়েছে আঁকাটা? আমার হাজবেন্ড এঁকেছে।

Have a good day to everyone.
12/08/2026

Have a good day to everyone.

🙏♦শহীদ ক্ষুদিরাম বসু♦ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ও অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী ছিলেন, যিনি মাত্র ১৮ বছর ৮...
11/08/2026

🙏♦শহীদ ক্ষুদিরাম বসু♦ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ও অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী ছিলেন, যিনি মাত্র ১৮ বছর ৮ মাস ১১ দিন বয়সে দেশের জন্য ফাঁসির দড়িতে ঝুলে আত্মবলিদান দেন। তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবে অংশ নিয়ে ভারতীয়দের মনে গভীর দেশপ্রেম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রেরণা জুগিয়েছিলেন।

♦নিচে ক্ষুদিরাম বসুর জীবন ও দেশের প্রতি তাঁর সংক্ষিপ্ত কার্যকারিতা তুলে ধরা হলো:
♦সংক্ষিপ্ত পরিচিতি-
👉জন্ম: ৩ ডিসেম্বর, ১৮৮৯ সাল (গ্রাম: মৌবনী, মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ)।
👉পিতা ও মাতা: ত্রৈলোক্যনাথ বসু এবং লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী।
👉বিপ্লবী অনুপ্রেরণা: ভগিনী নিবেদিতা ও অরবিন্দ ঘোষের বক্তৃতা এবং মেদিনীপুরে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নেতৃত্ব।
👉মহাপ্রয়াণ: ১১ আগস্ট, ১৯০৮ সাল (মুজাফফরপুর জেল, বিহার)।

♦দেশের প্রতি প্রধান কার্যকারিতা ও অবদান -:
👉গুপ্ত সমিতিতে যোগদান:- কিশোর বয়সেই তিনি ব্রিটিশবিরোধী গুপ্ত সংগঠন 'অনূশীলন সমিতি' এবং মেদিনীপুরের 'যুগান্তর' দলের সঙ্গে যুক্ত হন।
👉স্বদেশী আন্দোলন ও ইশতেহার বিলি:- ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ইশতেহার 'সোনার বাংলা' বিতরণের সময় তিনি প্রথম গ্রেফতার হন।
👉সশস্ত্র প্রতিরোধ:- তিনি ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তাদের ওপর হামলার জন্য বোমা তৈরি ও অস্ত্র চালনা শেখেন এবং সাহসিকতার সাথে বিভিন্ন রাজকীয় ডাকের ব্যাগ ও অর্থ লুট করে বিপ্লবী তহবিলে জমা দেন।
👉কিংসফোর্ড হত্যা প্রচেষ্টা:- কলকাতার অত্যাচারী ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে শাস্তি দেওয়ার দায়িত্ব পান ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকী। ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল বিহারের মুজাফফরপুরে তাঁরা কিংসফোর্ডের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়েন (যদিও ভুলবশত অন্য দু'জন ইউরোপীয় নারী মারা যান)।
👉হাসিমুখে ফাঁসি বরণ:- গ্রেফতার হওয়ার পর বিচারে তাঁর ফাঁসির আদেশ হয়। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মুজাফফরপুর জেলে ফাঁসির দড়িতে ওঠার সময় তাঁর মুখে কোনো ভয় ছিল না, বরং তিনি হাসিমুখে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেন।

♦ক্ষুদিরাম বসুর এই বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ তৎকালীন যুবসমাজকে এতটাই উদ্বুদ্ধ করেছিল যে, বাংলার তাঁতিরা তাঁর স্মরণে ধতির পাড়ে 'ক্ষুদিরাম' নাম বুনেছিলেন, যা পরে বাঙালির ঘরে ঘরে দেশপ্রেমের এক প্রতীক হয়ে উঠেছিল।

11/08/2026
👉📌মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন (মহারাষ্ট্র ধর্মের স্বাধীনতা আইন, ২০২৬ / Maharashtra Freedom of Religion Act, 2026) স...
11/08/2026

👉📌মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন (মহারাষ্ট্র ধর্মের স্বাধীনতা আইন, ২০২৬ / Maharashtra Freedom of Religion Act, 2026) সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সম্মতি পাওয়ার পর এবং সরকারি গেজেটে বিজ্ঞাপিত হওয়ার মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে কার্যকর হয়েছে। বলপ্রয়োগ, প্রতারণা, প্রলোভন, জবরদস্তি বা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ রোধ করতে দেবেন্দ্র ফড়নভিসের নেতৃত্বাধীন মহায়ুতি সরকার এই আইনটি নিয়ে এসেছে। ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোর পর মহারাষ্ট্র হলো ভারতের ১৩তম রাজ্য যেখানে এই ধরণের কড়া আইন চালু করা হলো।

♦এই নতুন আইন সংক্রান্ত মূল তথ্য ও প্রধান বিধানগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
👉১. কঠোর শাস্তির বিধানসমূহ
আইনে অপরাধের ধরণ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে জেল এবং জরিমানার কথা বলা হয়েছে:-
♦সাধারণ অপরাধ: সাধারণ ক্ষেত্রে জোরপূর্বক বা অবৈধ ধর্মান্তরের জন্য ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
♦সংবেদনশীল গোষ্ঠী: কোনো নাবালক, নারী, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি অথবা তফশিলি জাতি (SC) ও তফশিলি উপজাতির (ST) অন্তর্গত কাউকে বেআইনিভাবে ধর্মান্তরিত করলে শাস্তি বেড়ে ৭ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে।
♦গণ ধর্মান্তর (Mass Conversion): একসঙ্গে বহু মানুষকে ধর্মান্তরিত করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে ৭ বছরের জেল এবং ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হবে।
♦পুনরাবৃত্ত অপরাধী: একই অপরাধ দ্বিতীয়বার বা বারবার করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৭ লক্ষ টাকা জরিমানার কড়া বিধান রাখা হয়েছে।
👉২. আইনি প্রক্রিয়া এবং বাধ্যবাধকতা-
♦আগে থেকে নোটিশ প্রদান:- কোনো ব্যক্তি যদি স্বেচ্ছায় অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে চান, তবে তাকে রূপান্তরের অন্তত ৬০ দিন আগে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকের (District Magistrate) কাছে লিখিতভাবে আবেদন বা ঘোষণা জমা দিতে হবে।
♦ধর্মান্তর-পরবর্তী নথিভুক্তি:- ধর্মান্তর সম্পন্ন হওয়ার পর ২১ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে পুনরায় আরেকটি ঘোষণার মাধ্যমে তা সরকারিভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। এই নিয়ম না মানলে ওই ধর্মান্তরকে আইনিভাবে অবৈধ (Null and Void) বলে গণ্য করা হবে।
♦অভিযোগ দায়েরের অধিকার:- রূপান্তরিত ব্যক্তির বাবা-মা, ভাই-বোন বা রক্তের সম্পর্কের কোনো আত্মীয় যদি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে ধর্মান্তরটি জোরপূর্বক করা হয়েছে, তবে পুলিশ অবিলম্বে FIR দায়ের করে তদন্ত শুরু করতে বাধ্য থাকবে।
♦প্রমাণের দায় (Burden of Proof): - ধর্মান্তরটি জোর করে করা হয়নি এবং এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় হয়েছে—তা প্রমাণ করার মূল দায় থাকবে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং যিনি ধর্মান্তর প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছেন তার ওপর।
** জামিন অযোগ্য অপরাধ:** এই আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধকে আমলযোগ্য (Cognisable) এবং জামিন অযোগ্য (Non-Bailable) করা হয়েছে।
👉৩. বিবাহ এবং সন্তানের অধিকার সংক্রান্ত নিয়ম
বিয়ে বাতিল ঘোষণা: ♦শুধুমাত্র ধর্মান্তরের উদ্দেশ্যে বা প্রতারণামূলক বিয়ের মাধ্যমে ধর্মান্তর করা হলে আদালতের নির্দেশে সেই বিয়ে সম্পূর্ণ বাতিল বা অবৈধ ঘোষণা করা যাবে।
♦সন্তানের ধর্ম ও অধিকার: এই ধরণের সম্পর্ক বা বিয়ে থেকে জন্ম নেওয়া সন্তান আইনিভাবে মায়ের বিয়ের আগের ধর্ম লাভ করবে। তবে সন্তান তার বাবা-মা উভয়ের সম্পত্তির ওপরই সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার বজায় রাখতে পারবে। সন্তানের হেফাজত (Custody) সাধারণত মায়ের কাছেই থাকবে।
👉৪. রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক-
♦সরকারের যুক্তি: - সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নভিসের বক্তব্য অনুযায়ী, এই আইনটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের বিরুদ্ধে নয়। সমাজের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে দুর্বল অংশকে প্রতারণামূলক ধর্মান্তর থেকে রক্ষা করতেই এটি আনা হয়েছে।

♦বিরোধীদের সমালোচনা:- কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি এবং বিভিন্ন নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির মতে, এই আইনটি নাগরিকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে সংখ্যালঘু খ্রিষ্টান ও মুসলিম সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এর ফলে বিভিন্ন ধর্মীয় বা সামাজিক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান এবং আন্তঃধর্মীয় দম্পতিরা হেনস্থার শিকার হতে পারেন।

10/08/2026

মা দূর্গা দূর্গতিনাশিনী 🙏শুভ রাত্রি।

Good morning to everyone. Flower in our garden.
10/08/2026

Good morning to everyone. Flower in our garden.

Address

Serampore
Hooghly

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Henshel Samraggi হেঁশেল সাম্রাজ্ঞী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share