10/12/2021
🌹🌹 একবার হযরত খাজা (মঈনুদ্দিন )
চিশতী আজমেরী (রহঃ)🌹🌹
সফর করতে করতে এক জঙ্গলের কাছে পৌছালেন।
হটাৎ তিনি দেখতে পেলেন সেখানে কিছু মানুষ।
অগ্নি কে পুজা করছে ।
আর ঐ পূজার পন্ডিত দের মোজাহেদা এত বেশি ছিল যে, তারা ছয় মাস পর্যন্ত কিছু না খেয়ে থাকতে পারতো।
তাহাদের এই অবস্থা দেখে প্রায় লোকেরাই তাহাদের দিকে ধাবিত হইতেছিল।
হযরত খাজা বাবা তাহাদের এই অবস্থা দেখিয়া তাহাদের বলিলেন।
হে পথভ্রষ্ট লোকেরা তোমরা খোদাকে ছাড়িয়া এই অগ্নিকে কেন পুজা করিতেছ।
উত্তরে অগ্নি পূজারীরা জবাব দিল যে।
আমরা আগুণ কে এই জন্য পুজা করতেছি।
যেন দোজখের মধ্যে এই আগুন আমাদিগকে কষ্ট না দেয়। একথা শুনিয়া হযরত মঈনুদ্দিন চিশতী (রহঃ)
বলিলেন ' এই কার্য দোজখ হইতে বাচিবার নহে।
আর আগুন, তোমাদের রক্ষা করিতে পারিবে না।
কারণ আগুনের মালিক আছে ঐ মালিক তোমাদের ও মালিক।
আফসোস তোমরা আসল মালিক কে রেখে সামান্য আগুনের পুজা করছো। যে কিনা তার মালিকের গোলামের কথা শোনে। তার মালিক খোদা তোমরা খোদার উপাসনা করো কারণ আগুন খোদার উপাসনা কারীদের পোড়ায় না।
আচ্ছা তোমরা তো অনেক দিন ধরে আগুন কে পুজা করিতেছো। একটু আগুন হাতে লইয়া দেখ।
তাহা হইলে বুঝিতে পারিবে।
তাহারা বলিল " আগুন হাতে নিলে নিশ্চয়ই এই আগুন আমাদের হাতকে পোড়াইয়া দিবে, কারন আগুনের কাজ পুড়ানো। কিন্তু আমরা কি রূপে বিশ্বাস করিব যে, আগুন খোদার উপাসনা কারীদের পোড়াইবে না।
যদি আপনি আগুন হাতে উঠাইয়া লইতে পারেন।
তবে আমাদের বিশ্বাস হইবে।
তখন খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহঃ) বলিয়া উঠিলেন, আমাকে তো দূরের কথা, এই আগুন আমার সামান্য জুতাকেও পোড়াইতে পারবে না
এই কথা বলিয়া তিনি নিজের জুতা আগুনে নিক্ষেপ করিয়া দিলেন এবং আগুন কে লক্ষ্য করিয়া বলিলেন
হে আগুন, যদি এই জুতা খোদার কোন নেক বান্দার হইয়া থাকে তবে ইহাকে স্পর্শ করিও না। "
এই কথা বলা মাত্রই আগুন ঠান্ডা হইয়া গেল।
এই দৃশ্য দেখিয়া অগ্নি পুজারিরা সকলেই মুসলমান হইয়া গেল। পড়িয়া নিলো "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ " (সাঃ)
""" সুবাহানআল্লাহ """"