20/08/2026
অনেক বছর আগের কথা। তখন আমি সম্ভবত ক্লাস ফাইভে পড়ি। আজও সেই রাতের কথা মনে পড়লে কেমন যেন অস্বস্তি হয়। ঘটনাটি এতটাই অদ্ভুত ছিল যে, তখন হয়তো পুরো বিষয়টা বুঝতে পারিনি, কিন্তু বড় হওয়ার পরও সেই রাতের স্মৃতি মাথা থেকে মুছে যায়নি।
আগেই বলে রাখি—এটি নিছক কোনো বানানো ভৌতিক গল্প নয়। ঘটনাটি আমার নিজের সঙ্গে ঘটেছিল। তাই যারা ভয় পান, তারা নিজের দায়িত্বে পড়বেন!
আমাদের বাড়ির কাছে তখন দুটি পুকুর ছিল। পুকুর দুটো লিজ নিয়ে মাছ চাষ করা হতো। নিয়মিত পোনা ছাড়া হতো সেখানে। বর্ষাকালে অবশ্য পুকুরের পানি বেড়ে গেলে অন্য একটি পদ্ধতিতে আশপাশের জমি থেকেও দেশীয় মাছ পুকুরে চলে আসত।
গ্রামের অনেক পুকুরেই এমন ব্যবস্থা থাকে। পুকুরের পাড়ের একটি অংশ নিচু বা কেটে রাখা হয়, যাতে বৃষ্টির পানি জমিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সেই পানির সঙ্গে জমির বিভিন্ন দেশীয় মাছও ধীরে ধীরে পুকুরের দিকে চলে আসে। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সেই পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
আমাদের পুকুরের দক্ষিণ দিকে ছিল একটি জমি। পুকুর আর জমির মাঝখানে প্রায় ১০-১২ ফুটের মতো জায়গা। জায়গাটি দিনের বেলাতেই খুব একটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। পাশে ঘন বাঁশঝাড়, তার একটু পূর্বদিকে কবরস্থান। আর মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে ছিল বিশাল এক তেঁতুলগাছ।
সব মিলিয়ে জায়গাটার পরিবেশ এমনিতেই কেমন গা ছমছমে ছিল। দিনের আলো কমে গেলে সেখানে দাঁড়ালেই অন্যরকম অনুভূতি হতো। রাতের বেলায় তো কথাই নেই। দক্ষিণ দিক থেকে বাতাস এলেও কেন জানি মনে হতো, সেই বাতাসের মধ্যে একটা ভারী ভাব আছে।
পুকুর ও জমির মাঝ বরাবর লম্বা করে নালা বা ড্রেনের মতো একটি অংশ কাটা ছিল। বৃষ্টির অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার পাশাপাশি ওই পথ দিয়েই জমির মাছ পুকুরে ঢুকত। আবার প্রয়োজন হলে পথ বন্ধ করার ব্যবস্থাও ছিল।
সেদিন সন্ধ্যার দিকে হালকা বৃষ্টি হয়েছিল। তাই আব্বু আর আমার এক কাকা মিলে পুকুরের সেই পথ খুলে দিয়েছিলেন, যাতে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যেতে পারে।
রাত তখন প্রায় ১১টা।
বাকি অংশ : কমেন্ট
🥰প্লিজ চেক কমেন্ট🥰
#গল্প #ভৌতিক #ভূতের