আলহামদুলিল্লাহ

আলহামদুলিল্লাহ Welcome to Talha & sayem mini videos ᥫ᭡page🥀
(2)

24/01/2026
❤️
23/01/2026

❤️

21/01/2026

আমার কাইল্লা 😎😎
20/01/2026

আমার কাইল্লা 😎😎

ভাপা পিঠা🫠
17/01/2026

ভাপা পিঠা🫠

আমাদের সমাজে রোল নাম্বার ১ থেকে ২ এর মধ্যে হওয়াটাকে আমরা অনেক সময় অসুখ বানিয়ে ফেলি।অথচ এই অসুখটা বেশিরভাগ সময় বাচ্চার না...
07/01/2026

আমাদের সমাজে রোল নাম্বার ১ থেকে ২ এর মধ্যে হওয়াটাকে আমরা অনেক সময় অসুখ বানিয়ে ফেলি।
অথচ এই অসুখটা বেশিরভাগ সময় বাচ্চার না—বাবা–মায়ের+আমাদের সমাজের মানুষের

আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলি—
আমার ছেলে মাশাআল্লাহ ভালো রেজাল্ট করেছে।
আর আমার বাচ্চা যদি চেষ্টা করার পরেও ভালো রেজাল্ট না করে আমার তাতে কোন আপত্তি নাই,
জীবনে বেঁচে থাকার জন্য লেখা পড়ার দরকার আছে,
কিন্তু লেখাপড়ার জন্য বাঁচতে হবে আমি এমনটা ভাবি না,

মোট ৬০০নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ৫৩১
তার ভিতরে তার লাইফে এটা তার প্রথম পরীক্ষা ফাইনাল এক্সাম এর আগে একটা পরীক্ষা আমি দিতে দেইনি কারণ সে ছোট।

যেমন ওকে প্রথম যখন মাদ্রাসায় দেই ওর টিচাররা বলা শুরু করে ও কিছুই পারে না ও একটা প্লের বাচ্চা,
ওকে আমি শুধু এক বছর লিখা শিক্ষা দিয়েছি,
যখন হুজুর আমাকে এমন কমপ্লেন করে আমি বললাম?
হুজুর প্লে মানে হচ্ছে খেলাধুলা করা , আমার বাচ্চাকে এত চাপাচাপি করতে হবে না, এবং এই বিষয় নিয়ে আমি আপনাকে কখনো কোনদিন কোন প্রশ্ন করব না ,
আস্তে আস্তে শিখবে, উনারা এমন এমন পড়া দেয় যেটা ক্লাস ওয়ানের পড়া,

হুজুর উত্তরে আমাকে বলল এখন সবকিছু আপডেট সব বাচ্চারা ট্যালেন্টেড, আপনার বাচ্চা তো অনেক পিছিয়ে যাবে আপনার বাচ্চার ভবিষ্যৎ আছে,
হুজুরের কথা শুনে বুঝলাম ,
যাক ভালই ওনার তো অনেক চিন্তা আছে, আমি মা আমিও আমার বাচ্চার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চাই,
আমার চিন্তা হচ্ছে কোথায় জানেন? কারণ আমার বাচ্চাটার বয়স তখন চার বছর ,
সে তো আর বুড়ো হয়ে যাচ্ছে না? 😊 একটা চার বছরের বাচ্চা সবকিছু লিখতে পারা ?আমি মনে করি এটাই অনেক কিছু
এই সময় ওদের খেলার বয়স, চার বছর বয়সে আমরা পড়ালেখা কি জিনিস জানতাম না,
যে বাচ্চারা অনেক আগায় যাচ্ছে তারা ভবিষ্যতে অনেক বড় কিছু হোক আমি দোয়া করি ,
আমার বাচ্চার তকদিরে আল্লাহ যেটা লিখেছে তাই হবে,
তবে তাই বলে তো আমি বসে থাকতে পারি না আমি চেষ্টা করব।
মানুষের মত মানুষ বানানোর আমার জীবনে এতটুকুই চাওয়া। আমার বাচ্চা বড় হয়ে অনেক টাকা ইনকাম করবে ভালো একটা চাকরি করবে এটা আমার চিন্তা না।

ধরেন আমার বাচ্চাকে আমি ছোটবেলা থেকে অনেক কিছু শিক্ষা দিয়ে সবকিছুতে ফার্স্ট করে অনেক বড় একজন মানুষ বানালাম টাকাওয়ালা,
কিন্তু যদি এমন হয় সেই টাকাওয়ালা ছেলে আপনাকে বুড়ো বয়সে দেখলো না বা আপনার সাথে দুইটা সুন্দর ব্যবহার করল না,
তখন ওই লেখাপড়ার আসলে আমার কাছে কোন দাম নাই মূল্যহীন।

তাই সবসময় চেষ্টা করবেন সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ বানানোর যাতে বাবা-মা কি জিনিস
অন্তত এই জিনিসটা তাদের মাথায় থাকে।

বাচ্চার রেজাল্ট নিয়ে
অনেকে এমনভাবে কথা বলে,
যেন সে কিছুই পারে না। যেমন ক্লাসের কিছু গার্ডিয়ান তারা আমার বাচ্চাকে যখন বলে ভাবি এত দূরে চলে যাওয়ার কারণ কি? এবং কিছু কিছু গার্ডিয়ান মুখ কালো করে থাকে মানে তেমন পাত্তাই দেয় না কারণ আমার ছেলে কম পারে তাই ,
তাদের বাচ্চারা বেশি পারে তাই তাদের অহংকার একটু বেশি থাকে,
আচ্ছা আমাদের বড়দের মধ্যেই যদি এরকম থাকে তাহলে বাচ্চারা আমাদের কাছ থেকে কি শিখলো ?কি শিখবে?
একটা জিনিস খেয়াল করেছি যে বাচ্চাটা পড়ালেখা বেশি পারে তার মায়ের অহংকার থাকে
ওই বাচ্চাটার অহংকার থাকে
যদি একটা বাচ্চা কম পড়া পারে
তার কাছে কেউ বসতে চায় না , সে অন্যটাতে উঠে গিয়ে বসে,
এগুলো দেখে খুবই লজ্জা জনক লাগে, আমার তো মনে হয় না
এটা ভালো পারিবারিক শিক্ষা পেয়েছে?
আমি চাই আমার সন্তানদের ভিতরে সরিষা বিন্দু পর্যন্ত অহংকার না থাকুক।

আমার খুব অবাক লাগে ,
আমার এই রেজাল্ট নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নাই।
অথচ কেউ খেয়াল করে না—
এই নম্বর মানে পরিশ্রম, চেষ্টা আর শেখার ইচ্ছা।
একই ক্লাসে অনেক বাচ্চা থাকলে
ফার্স্ট তো একজনই হবে।
তাহলে বাকি সবাই কি ব্যর্থ?
না—তারা সবাই নিজেদের জায়গা থেকে এগোচ্ছে।
বাচ্চারা চুপচাপ এসব দেখে।
কে কাকে ছোট করছে,
কে কাকে বড় ভাবছে—
সবই তারা শিখে ফেলে।
আজ যে ফার্স্ট,
কাল সে পিছিয়েও পড়তে পারে।
আর আজ যে ১৪,
কাল সে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।
জীবন কোনোদিন শুধু রোল নাম্বার দেখে চলে না।
আমি চাই আমার সন্তান অহংকারী না হোক,
মানুষ হোক।
ভালো করলে যেন বিনয়ী থাকে,
আর খারাপ করলে যেন ভেঙে না পড়ে।
একটা কথা মনে রাখি—
রোল নাম্বার সাময়িক,
কিন্তু আচরণ আজীবন।
বাবা–মায়ের কাছে ছোট্ট অনুরোধ—
বাচ্চাকে শুধু ফার্স্ট বানাতে নয়,
মানুষ বানাতে চেষ্টা করুন।
কারণ
রোল নাম্বার ১ হওয়া বড় কথা না,
জীবনে মানুষ হয়ে টিকে থাকাটাই আসল সাফল্য।
অনেক সময় একটু পিছনের দিকে তাকিয়ে চিন্তা করে দেখবেন এমনও হয়েছে আপনার ক্লাসে যার রোল নাম্বার ১ ছিল
সে এখন খুবই নিম্নমানের একটা কাজ করতেছে
আমি এটাকে ছোট মনে করছি না এক্সাম্পল দিচ্ছি।

আবার এমনও দেখবেন চিন্তা করে
যে কিছুই পারতো না লেখাপড়া, সবার নিচে পড়ে থাকত
অথচ সে এখন ভালো অবস্থায় আছে
বা ভালো মানুষ হয়েছে।

আমি চাই আমার সন্তানরা ভালো মানুষ হোক
আর অবশ্যই একটা উপদেশ দিব বাচ্চাকে শিখাবেন
না পারলে সাহস দিবেন। আপনার গার্ডিয়ান হিসেবে এতটুকু বুঝলে হবে..

সঙ্গ যদি স্বস্তি না দেয়, তাহলে সঙ্গীহীন থাকাই ভালো। কারণ সম্পর্কের নাম করে প্রতিদিন দম আটকে বাঁচা ভালোবাসা নয়। যেখানে ...
07/01/2026

সঙ্গ যদি স্বস্তি না দেয়,
তাহলে সঙ্গীহীন থাকাই ভালো।
কারণ সম্পর্কের নাম করে
প্রতিদিন দম আটকে বাঁচা ভালোবাসা নয়।
যেখানে পাশে থেকেও নিজেকে একা লাগে,
সেখানে থাকা মানে নিজের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। একাকীত্ব কষ্ট দেয় ঠিকই,
কিন্তু ভিড়ের মধ্যে অবহেলায় বাঁচার চেয়ে
এই কষ্ট অনেক বেশি সৎ।
স্বস্তি যেখানেই নেই,
সেখান থেকে সরে আসাই
নিজের প্রতি সবচেয়ে বড় যত্ন।

22/12/2025

লোকের ভাগ্য বদলায়, আমার বদলায় শুধু ধৈর্যের পাতা। এক পৃষ্ঠা থেকে আরেক পৃষ্ঠা

22/12/2025

এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুন্দর প্রতিশোধ হলো, নিজেকে দোষী বানিয়ে চুপচাপ সরে যাওয়া।

#জীবন

13/12/2025

নারী চলে যায় অযত্নে
অবহেলায়
আর দোষ হয় নারীর চরিত্রের😊

10/12/2025

"ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"
এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। শায়খ আবু ইমাদ ঘটনাটি বর্ণনা করছিলেন এভাবে:

আমার এক বন্ধু বলল, 'গতকাল আমার পাশের গলির একজন মারা গেছেন। নাম আবু নাসের, বেশ বয়স্ক মানুষ ছিলেন। আল্লাহ ওনাকে জান্নাত নসিব করুন। তো, জানাজা আর দাফন শেষে খাটিয়াটা (মৃতদেহ বহনের খাট) যখন ফেরত আনা হলো, তখন বেশ রাত। এশার নামাজ শেষ, মসজিদও বন্ধ। তাই লোকেরা খাটিয়াটা মসজিদের দরজার বাইরের উঠোনে রেখে দিল, যাতে সকালে মুয়াজ্জিন বা খাদেম এসে সেটা জায়গামতো রেখে দেয়।

রাত তখন প্রায় সাড়ে ৩টা। এক লোক মসজিদে আসল। দেখল উঠোন খোলা কিন্তু মসজিদের মেইন দরজা তালাবদ্ধ। সে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল, কিন্তু কেউ খুলল না। ওদিকে হাড় কাঁপানো শীত। হঠাৎ তার নজর পড়ল ওই খাটিয়াটার দিকে। ওটার ওপর আবার একটা চাদর বিছানো ছিল। ব্যাস! সে আর দেরি না করে খাটিয়ার ঢাকনা সরাল, ভেতরে মোটা কাপড় পাতা ছিল, আরামসে ওটার ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল। আর সাথে সাথেই গভীর ঘুম!

আধঘণ্টা পর মসজিদের খাদেম এলেন দরজা খুলতে। তিনি খাটিয়াটা দেখে ভাবলেন, হয়তো ফজরের পর জানাজা হবে, তাই লাশসহ কেউ রেখে গেছে। মুসল্লিরা আসতে শুরু করল, কেউ অজু করতে গেল, কেউ সালাম বিনিময় করল। খাদেম আর কয়েকজন মিলে খাটিয়াটা ধরাধরি করে একেবারে মেহরাবের পাশে নিয়ে রেখে দিল। সবাই ভাবছে ভেতরে লাশ আছে, তাই কেউ আর ওটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনি। তাছাড়া ভোরের বেলা সবার চোখে তখনও ঘুমের রেশ।

ফজরের আজান হয়ে গেল। মসজিদে প্রায় ৫০ জনের মতো লোক। আমরা কাতার সোজা করে নামাজে দাঁড়ালাম। আমি ছিলাম একদম প্রথম কাতারে। দ্বিতীয় রাকাতেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ দেখলাম খাটিয়াটা নড়ছে! ভাবলাম, এ কী! চোখের ভুল নাকি? চোখ কচলে আবার তাকালাম। না! স্বপ্ন না! ইমাম সাহেবের ঠিক পেছনে রাখা খাটিয়াটা সবার চোখের সামনে সত্যিই নড়ছে! আমার তো ভয়ে কলিজা শুকিয়ে গেল, পুরো কাতারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।

ঠিক তখনই খাটিয়ার ভেতর থেকে লোকটা ঘুম ভেঙে ঢাকনাটা সরাল। মাথা বের করে সোজা জিজ্ঞেস করল, 'ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?'

ওরে ভাই! এরপরের দৃশ্য আর কী বলব! আল্লাহর কসম, সেই দৃশ্য দেখার মতো ছিল। আমি জুতো ফুতোর কথা ভুলে জান নিয়ে দে দৌড়! এক দৌড়ে মনে হয় এক কিলোমিটার পার হয়ে গেছি, তাও খালি পায়ে! ওদিকে ইমাম সাহেব তো বেহুঁশ হয়ে ফ্লোরে পড়ে গেলেন। ভয়ে কেউ কেউ দেয়ালে গিয়ে মাথা ঠুকল। কেউ কেউ আমার মতো খালি পায়েই ভোঁ দৌড়। একজন তো ভয়ে অজুখানার হাউজেই পড়ে গেল। সোজা কথায়, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো মসজিদ ফাঁকা!

কিন্তু হাসির ব্যাপার হলো, ওই খাটিয়ার লোকটাও আমাদের সাথে সাথে দৌড়াতে শুরু করল! সে দৌড়াচ্ছে আর সবার পিছু পিছু চিৎকার করছে:

'ও ভাই! কী হয়েছে? কেয়ামত হয়ে গেল নাকি? আপনারা দৌড়াচ্ছেন কেন?'

আর পেছনের লোকজন যতবার দেখছে যে 'লাশ' তাদের পেছনে দৌড়াচ্ছে, তাদের দৌড়ানোর গতি তত বাড়ছে! বেচারা লোকটা তখনও চিল্লাচ্ছে, 'আমাকে ফজরের জন্য ডাক দিলেন না কেন? আল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন!' আসলে সে বুঝতেই পারছিল না যে এই লঙ্কাকাণ্ডের মূল হোতা আসলে সে নিজেই!

25/11/2025

এক ছিল কাঠবিড়াল, সে খুব চুরি করত। একদিন সে এক রাজার বাড়িতে খাবার চুরি করতে গেল। রাজার পোষা কুকুর তাকে দেখে ফেলল। কাঠবিড়াল বলল, "আমি রাজার বিশেষ লোক, তোর গায়ে কী আছে দেখতে এসেছি!" কুকুর বিশ্বাস করল আর কিছু বলল না। কাঠবিড়াল খাবার চুরি করে পালাল! 😂

কেমন লাগল?

Address

Cumilla
8082

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলহামদুলিল্লাহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share