Saraa Trendy Craft

Saraa Trendy Craft I want to work with honesty and dedication

গরম তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে, আমার চেহারা.... ভোটার আইডি কার্ডের সাথে মেলানোর🥵😁🤥
25/04/2026

গরম তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে, আমার চেহারা.... ভোটার আইডি কার্ডের সাথে মেলানোর🥵😁🤥

আমাদের সময়  দরিদ্র পরিবারের আত্মীয়রা মোটামুটি দরিদ্রই হতো। তারা বেড়াতে আসার সময় পাইনঅ্যাপেল বিস্কুটের প্যাকেট আনতো বেশির...
17/09/2025

আমাদের সময় দরিদ্র পরিবারের আত্মীয়রা মোটামুটি দরিদ্রই হতো।
তারা বেড়াতে আসার সময় পাইনঅ্যাপেল বিস্কুটের প্যাকেট আনতো বেশিরভাগ সময়।
কাগজের চৌকো প্যাকেটে বিস্কুট। সেই বিস্কুট যেন ঝাঁকুনিতে ভেঙে না যায় সেজন্য প্যাকেটের ভেতর লম্বা লম্বা করে কাটা পাতলা কাগজের অজস্র ফালি থাকতো।
সেই ঝুড়ি কাগজেও বিস্কুটের ঘ্রাণ।
হুট করে সেই ঘ্রাণ আজ নাকে এলো।
আত্মীয়রা এলে বা স্বল্প সময়ে কোনো মেহমান এলে বিস্কুট দেওয়া হতো। সেই বিস্কুট আবার ঘরে থাকতো না।
কোনো এক বাচ্চাকে ডেকে ফিসফিস করে বলা হতো দোকানে যাওয়ার জন্য।
মেহমান ফিসফাস দেখেই বুঝে ফেলতো।
শুরু হতো- "কিছু আইনেন না কিন্তু।
মাত্র খায়া আসলাম", আরো কত কথা।
তবুও দৌড়ে দোকানে চলে যেতো কেউ।
দোকানদার মুড়ি, চানাচুর বা বিস্কুট নেওয়া দেখেই বুঝে ফেলতো মেহমান আসছে।
মুড়ি চানাচুর ছিলো সবচেয়ে কমদামের সবচেয়ে ভদ্র আপ্যায়ন।
কখনও শুধু মুড়ি চানাচুর আউলায়ে দেওয়া হতো।
আবার কখনও মরিচ, পেঁয়াজ, তেল দিয়ে মেখে।
মেহমানকে একবেলা খাওয়াতে হবে।
তখন ব্রয়লার মুরগির এত প্রচলন নাই।
পোষা মুরগি থেকে একটা বাছাই করা হতো ধরার জন্য। সেই বাছাই করা মুরগি ধরার জন্য আবার একদল নেমে পড়তো।
মুরগিটাকে ক্লান্ত করার পর খুব সহজে ধরা যেতো। যে ধরতে পারতো তার আলাদা মনে আলাদা একটা তৃপ্তি কাজ করতো।
পোলাও আর ভাত দুটার রঙই সাদা।
তবুও ভাতকে বলা হতো সাদা ভাত।
কেউ কেউ সাদা ভাতেই চালাতো।
কেউ আবার পোলাও দিয়ে।
মুরগিতে আলু অবশ্যই দেওয়া হতো। আর ঝোল ছিলো বাধ্যতামূলক।
যাদের মুরগি জবাইয়ের সামর্থ্য নাই, বা মেহমানের গুরুত্ব অত্যধিক নয়, তারা ডিম ভুনা বা ডিম ঝোল দিয়ে চালাতো।
সাথে অন্যান্য ভাজিভুজি।
ডিম সেদ্ধ করে, ভেজে তারপর ভুনা। পাটায় মাংসের মশলার প্রায় সবকিছুই বাটা হতো।
মশলার ঘ্রাণেই বোঝা যেতো যে স্পেশালি রান্না হচ্ছে৷ এ রান্না দৈনন্দিন রান্না নয়।
রান্নার শব্দই যেন কেমন মেহমান মেহমান আবহে ভরা।
চিতই পিঠা ছিলো কমখরচে বেশি কষ্টে দারুণ এক আপ্যায়ন। সাথে সেই মুরগির ঝোল-মাংস।
মেহমান বিদায় নেওয়ার সময় বাড়ির বাচ্চাদের হাতে দশটাকা-বিশটাকা দিয়ে যেতো।
কী খুশি হতো বাচ্চারা৷ ঈদ ছাড়া সেই প্রথম তারা একবারে দশটাকা পেতো হাতের মুঠোয়।
সেই টাকা দিয়ে আট আনা, একটাকা, দুইটাকা দিয়ে দোকানের "হাবিজাবি" খেয়ে বাকি টাকা হাতের মুঠোয় নিয়ে সবাইকে দেখানো "এই দেখো আমার 'অমুক' আমারে টাকা দিছে"।
মেহমান যাওয়ার সময় রাস্তায় মোটামুটি ভীড় জমে যেতো। আশপাশের বাড়ির লোকও আসতো। রিকশায় তুলে দেওয়ার আগে বলা হতো, কী দিয়ে কী খাওয়ালাম মনে কিছু নিয়েন না।
মেহমান বলতো, কষ্ট দিয়ে গেলাম।
রিকশা চলা শুরু হওয়া পর্যন্ত দুপক্ষ থেকে বলা হতো- আসবেন কিন্তু বেড়াইতে।
যখন মন চাইবে চলে আসবেন।
বিদায় নেওয়ার পর মেহমানের খাওয়ার পর বেচে যাওয়া খাবার ঠিকঠাক করা হতো রাতে খাওয়ার জন্য।
আহারে! সেইসব দিনগুলি।
তখন অভাব ছিলো। অসুখ ছিলো না। সুখ ছিলো বেশ।

কল্পনার চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কোথাও নেই, যেখানে সবাই সুখী 🖤
08/09/2025

কল্পনার চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কোথাও নেই,
যেখানে সবাই সুখী 🖤

10/05/2024

ভুলে না যাওয়া তারিখ টা 💔😦

06/08/2023

দিন যাচ্ছে বয়স বাড়ছে সময় পরিবর্তন হচ্ছে! ইচ্ছে গুলা অবসরে পরিনত হচ্ছে,ফ্রেন্ড সার্কেল ডার্ক সার্কেল হয়ে যাচ্ছে, একাকীত্ব আপন হচ্ছে এভাবেই চলছে জীবন বেশ।🙂

চিংড়ি দিয়ে বেগুন রান্না করতেছি,৩ জগ মতো পানি দিছি তাও বেগুন ডুবে না....এখন কি করবো?🤔
08/05/2023

চিংড়ি দিয়ে বেগুন রান্না করতেছি,৩ জগ মতো পানি দিছি তাও বেগুন ডুবে না....

এখন কি করবো?🤔

08/05/2023

"যে অনলাইনে যত বেশি -Active

বাস্তব জীবনে সে তত বেশি একা..!'🙂💔🥀

07/05/2023

প্রশ্ন : কবরবাসীকে সালাম দিলে তারা কিভাবে উত্তর দিয়ে থাকে?

▪️উত্তর: কবর দিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় মাইয়েত যেমন তার স্বজনদের জুতার আওয়াজ শুনতে পায়’[1] তেমনি কবরবাসীর উদ্দেশ্যে সালাম দিলে ফেরেশতাগণ তাদের রূহে সালাম পৌঁছে দেন এবং তারাও সালামের জবাব দেন। রাসুল ﷺ বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন পরিচিত কোন কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে সালাম দিলে সেও তাকে চিনে এবং তার সালামের জবাব দেয়। আর যখন কোন অপরিচিত কবরের পাশ দিয়ে সালাম দিয়ে অতিক্রম করে, তখন সেও তার সালামের জবাব দেয়’[2] রূহ ফিরিয়ে দেওয়া ও সালামের জওয়াব দেওয়া বিষয়গুলি বরযখী জীবনের বিষয়। তার আকৃতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করা কারু পক্ষে সম্ভব নয়। অতএব জীবিতদের জন্য করণীয় হ’ল রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশ মোতাবেক কবরবাসীকে সালাম দেওয়া’[3]

--------------------------------------------------
[1]বুখারী হা/১৩৩৮; মুসলিম হা/২৮৭০; মিশকাত হা/১২৬।
[2]বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান হা/৯২৯৬; ইবনু আব্দিল বার্র, আল-ইস্তিযকার ১/১৮৫; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৪/২৯৭; ইবনুল ক্বাইয়িম, আর-রূহ, পৃ. ৫; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া, ক্রমিক ৩০৭, ২/২৪৪ পৃ.। ইরাক্বী, ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনু আব্দিল বার্র, শাওকানী প্রমুখ বিদ্বানগণ হাদীছটি ছহীহ বলেছেন। তবে আলবানী একে যঈফ বলেছেন (সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৪৯৩।
[3]মুসলিম হা/২৪৯; ইবনু মাজাহ হা/৪৩০৬; মিশকাত হা/২৯৮।
সোর্স: মাসিক আত তাহরীক ফতোয়া বোর্ড

Address

Dhaka
1203

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801709399131

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saraa Trendy Craft posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share