08/06/2026
ছোটবেলায় দাদু আমাদের ভোরে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে মাটির রান্নাঘরে পাটি বিছিয়ে থালা পেতে বসিয়ে দিতেন। আর তার পাশেই মাটির চুলার গনগনে আগুনে মাটির খোলায় এই পিঠা বানানো হতো।
চুলা থেকে একেকটা পিঠা নামিয়ে ধোঁয়া উঠা অবস্থাতেই আমরা টপাটপ গিলতে থাকতাম। সেই স্বাদ যেন এখনো ভুলতে পারি না! বিশেষ করে হাঁসের ডিম মাখানো ডো যখন চুলায় ফুলে উঠতো ঐ পিঠাটা নেবার জন্য আমরা সব ভাই-বোনেরা কাড়াকাড়ি করতাম।
নারিকেল চিনি অথবা রাব (জ্বাল দেয়া গাঢ় খয়েরী রঙের ঘন খেজুর রস)দিয়ে এই পিঠা মূলত শীতকালে সকালের নাস্তায় খাওয়া হয়। যদিও আমরা সারা বছরই এই পিঠা কম-বেশি খাই। বিশেষ করে কুরবানির ঈদ যেমন চালের রুটি ছাড়া কেউ ভাবতেই পারে না, ঠিক তেমনি এই পিঠা দিয়ে গরু গোস্তের ঝোল খাবার জন্য আমরা এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করে থাকি। এই এখন যেমন খাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ!
এখন যখন গ্যাসের চুলায় এই পিঠা রান্না করতে গিয়ে মা-খালাদের আফসোস করতে দেখি যে কার পিঠা কতটা নরম তুলতুলে হয়েছে কি হয়নি কিংবা পিঠায় অসংখ্য ছিদ্র ছিদ্র জালি ফুটেনি, তখন মনে হয় এই পিঠা বানানোটাও আসলে একটা শিল্প। চাপড়ির মতো সহজ মনে হলেও সঠিকভাবে একে বানানো ততোটাই কঠিন!
বলুন তো ফেনী এবং নোয়াখালি জেলায় বিখ্যাত এই পিঠার নামটা কি❓