Bengli Recipe

Bengli Recipe Get Recipe Idea
(5)

11/10/2026

*মাত্র ১৭ দিনের পরিচয়! এইটুকুর ওপর ভরসা করে কক্সবাজার চলে গেল একটা মেয়ে! কি সাংঘাতিক!*কক্সবাজারের একটা হোটেলের বয় রাজ...
11/10/2026

*মাত্র ১৭ দিনের পরিচয়! এইটুকুর ওপর ভরসা করে কক্সবাজার চলে গেল একটা মেয়ে! কি সাংঘাতিক!*

কক্সবাজারের একটা হোটেলের বয় রাজুর সাথে তাজমিনের পরিচয় ইনস্টাগ্রামে/ফেসবুকে। তাও মাত্র কয়েকদিনের!

একটা ঘড়ি বান্ধবীকে দেওয়া নিয়ে মা একটু বকাবকি করেছে, আর তাতেই রাগ করে ১৫ বছরের মেয়েটা ঘর ছেড়ে সোজা কক্সবাজার! সেখানে রাজুর সাথে হোটেলেও থাকলো। সেখানে সে নাম দিয়েছিল তানজু আক্তার। এরপর রাজু তাকে বাসে তুলে দেয়, সে কুমিল্লা নামে নূরজাহান হোটেলের সামনে, আর তারপরই সেই সিএনজি চালকের হাতে নির্মমতার শিকার হয়ে দুনিয়াটাই ছেড়ে চলে গেল... 🙂

অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি তো হতেই হবে, এটা নিয়ে কোনো ডাউট নাই। কিন্তু আমার খটকাটা লাগছে অন্য জায়গায়... তাজমিনের ফ্যামিলির রোলটা নিয়ে!

আমাদের নিজেদের স্কুল লাইফের কথা একটু মনে করে দেখেন তো? প্রাইভেট বা স্কুল থেকে ফিরতে আধা ঘণ্টা দেরি হলে মায়ের কী অবস্থা হতো? কলিজা শুকিয়ে যেত। বাসায় ঢুকলেই জেরার মুখে পড়তে হতো। সেই ভয়েই তো আমরা তটস্থ থাকতাম যে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে হবে!

অথচ তাজমিনের ক্ষেত্রে দেখেন। মেয়েটা ঘর থেকে উধাও হয়ে গেল, কুমিল্লা থেকে কক্সবাজার চলে গেল, ফ্যামিলির কেউ একটা জিডি পর্যন্ত করলো না থানায় গিয়ে! সন্তান নিখোঁজ হলে সাধারণ মা-বাবার যে পাগলের মতো অবস্থা হয়, সেটা কোথায় ছিল? পুরো ব্যাপারটাই কেমন যেন তাদের কাছে নরমাল!

সিসিটিভি বা হোটেলের ফুটেজে তাজমিনকে দেখে কিন্তু মোটেও ভীতু বা অবুঝ মনে হয়নি, বেশ কনফিডেন্টলি মুভ করছিল। তার মা মিডিয়াতে এসে বলছেন, বান্ধবীর স্বভাব খারাপ ছিল তাই তাকে স্কুলে যেতে দিতেন না। যদি এতই নজরদারি থাকতো, তাহলে আপনার মেয়ে ঘর ছেড়ে কক্সবাজার চলে গেল আর আপনারা টেরই পেলেন না?

সোজা বাংলায় বললে, তাজমিনের উপর তার মা-বাবার কোনো নিয়ন্ত্রণই ছিল না।

সন্তানদের সাথে আমাদের মা-বাবাদের এই যে একটা বিশাল গ্যাপ তৈরি হচ্ছে, অনলাইন দুনিয়ার মাত্র কয়েকদিনের একটা ফেক মোহের টানে একটা মেয়ে ঘর ছেড়ে দিচ্ছে... এইটার দায় কে নেবে?

আইন অপরাধীদের সাজা দেবে ঠিকই, কিন্তু সমাজ আর পরিবার হিসেবে আমাদের কি একটুও হুঁশ ফিরবে না? সন্তানদের সাথে ফ্রেন্ডলি হওয়া ভালো, কিন্তু তাদের উপর কোনো হোল্ড বা শাসন না থাকাটা যে কতটা ডেঞ্জারাস হতে পারে, তাজমিনের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেল।

আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে জানান।

ওহে নারী, তুমি ছোটবেলা থেকে যার বই, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং গান শুনে বড় হয়েছো — সেগুলো মন থেকে মুছবে কিভাবে?পাঠ্যপ...
11/10/2026

ওহে নারী, তুমি ছোটবেলা থেকে যার বই, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং গান শুনে বড় হয়েছো — সেগুলো মন থেকে মুছবে কিভাবে?

পাঠ্যপুস্তকে এখনো রবীন্দ্রনাথ।
স্কুলে পিটি শুরু হয় রবীন্দ্রনাথের গান দিয়ে — "আমার সোনার বাংলা"।

আরে উন্মাদ, পারলে সেগুলো আগে মুছে দে। পারবি? পারবি না।

রবীন্দ্রনাথ কারো শত্রু হতে পারে — এটা আসলে জানা ছিল না। মাথা ভর্তি সব গোবর...

*প্রসঙ্গত:* আজ ঢাকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালিমা দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন এই নারী।

কুমিল্লায় অপ্রতীম আর তাজমিনের হ*ত্যাকাণ্ডের প্যাটার্ন আমার কাছে অনেকটা একই রকম মনে হয়!অপ্রতিম ছিল ধনী বাবা-মায়ের আদরের স...
10/10/2026

কুমিল্লায় অপ্রতীম আর তাজমিনের হ*ত্যাকাণ্ডের প্যাটার্ন আমার কাছে অনেকটা একই রকম মনে হয়!

অপ্রতিম ছিল ধনী বাবা-মায়ের আদরের সন্তান। মায়ের আইফোন ব্যবহার করত, বাসায় ছিল আরও দামি দামি ডিভাইস।

তাজমিনও ছিল উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। তার কাছেও ছিল আইফোন।

দুজনের বয়সই কম ছিল। হয়তো তারা সবসময় বাবা-মায়ের কথা শুনত না, কিংবা বাবা-মা সন্তানদের যথেষ্ট সময় দিতে পারতেন না। তবে আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা হলো, সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের নজরদারি ও দায়িত্ববোধ কি যথেষ্ট ছিল?

তাজমিনের বাবা কাজের প্রয়োজনে দিনের বেশির ভাগ সময় বাইরে থাকতেন। সন্তানকে দেওয়ার মতো সময় হয়তো তাঁরও কম ছিল। অপ্রতিমের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই রকম ছিলো৷

তাজমিন তার মা-বাবাকে মিথ্যা বলে মাত্র ১৭ দিনের পরিচয়ের একটি ছেলের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল। আর অপ্রতিম নিজের চেয়ে বয়সে বড় ছেলেদের সঙ্গে আড্ডা দিত, বাইকে ঘুরে বেড়াত।

একবার ভাবুন তো, এত অল্প বয়সে তাদের এই সাহসটা কোথা থেকে এল?

ছোটবেলায় আমাদের মায়েরা হয়তো এ কারণেই বারবার বলতেন, "সারাদিন যা-ই করো, সন্ধ্যার পর যেন বাসায় থাকো!"

আমি এই লেখাটা দুটো শিশুর দোষ খুঁজতে লিখছি না। কেউ ভুল বুঝবেন না। দুটো প্রাণ আর এই পৃথিবীতে নেই—এটা ভাবলেই খারাপ লাগে। এত অল্প বয়সে তারা এমন ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হলো, যার পরিণতিতে তাদের জীবনটাই শেষ হয়ে গেল!

আমার কষ্টটা অন্য জায়গায়।

সন্তান জন্ম দিলেই কি বাবা-মায়ের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়?

নিজের সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে, কখন বাসায় ফিরছে! এসব বিষয়ে খোঁজ রাখা কি জরুরি নয়? সন্তানকে শুধু দামি ফোন, ভালো পোশাক আর আরাম-আয়েশ দিলেই কি দায়িত্ব শেষ? নাকি তাকে সময় দেওয়া, তার বন্ধুদের চেনা, তার চলাফেরা সম্পর্কে জানা এবং বিপদ সম্পর্কে সচেতন করাটাও সমান জরুরি?

জানি না, মর্ডান পরিবারগুলোতে এসব বিষয় কতটা গুরুত্ব পায়।

কারণ, সন্তানের হাতে আইফোন তুলে দেওয়া আধুনিকতা হতে পারে, কিন্তু তার জীবনে কী ঘটছে, তা জানার চেষ্টা করাটাই দায়িত্বশীল অভিভাবকত্ব।

আর আমাদের দেশের বাস্তবতায়, যেখানে অপরাধের শিকার হওয়ার পরও অনেক পরিবারকে বিচার পাওয়ার জন্য দীর্ঘ লড়াই করতে হয়, সেখানে সন্তানদের নিরাপত্তার বিষয়ে বাবা-মাকে আরও সচেতন হতে হবে।

তবে মনে রাখতে হবে, কোনো শিশুর সঙ্গে অপরাধ ঘটলে দায় অপরাধীরই। বাবা-মায়ের কোনো অবহেলা থাকলেও তা কখনোই অপরাধীর দায় কমায় না।

আপনার সন্তানকে শুধু বড় করে তোলা মানে দায়ীত্ব শেষ না৷ তাকে সময় দিন, তার খোঁজ রাখুন, তার বন্ধু হয়ে উঠুন। কারণ, আপনার সন্তানের জীবনে আপনার একটু বাড়তি মনোযোগ হয়তো অনেক বড় বিপদ থেকে তাকে রক্ষা করতে পারে।

*মৃত ছেলের জন্য রাতের আঁধারে মায়ের মন আনচান... সকালে কবরে গিয়ে যা দেখলেন, তাতে গোটা গ্রাম স্তব্ধ!*পটুয়াখালী সদর উপজেল...
10/10/2026

*মৃত ছেলের জন্য রাতের আঁধারে মায়ের মন আনচান... সকালে কবরে গিয়ে যা দেখলেন, তাতে গোটা গ্রাম স্তব্ধ!*

পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বোতলবুনিয়া গ্রামে ঘটেছে এক লোমহর্ষক ঘটনা।

প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে পেটে তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে মারা যায় ওই এলাকার সবুজ-সানজিদা দম্পতির শিশু সন্তান আবির। তাকে দাফন করা হয়েছিল গ্রামের এক নির্জন বাগানের পারিবারিক গোরস্থানে।

বুধবার সকালে সানজিদা বেগম তার সন্তানের কবর দেখতে গিয়ে দেখেন কবরের ওপরের অংশ ভাঙা ও লণ্ডভণ্ড অবস্থায় পড়ে আছে। সন্দেহ হওয়ায় তিনি কবরটি পরিষ্কার করতে গিয়ে ভেতরে হাত দিতেই আঁতকে ওঠেন!

কবরের ভেতর থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসে —
🔸 মাটি দিয়ে তৈরি মানুষ আকৃতির ছোট ছোট মূর্তি / পুতুল
🔸 প্রায় ১৮ থেকে ১৯টি তাবিজ
🔸 রঙিন কালিতে লেখা অসংখ্য তন্ত্র-মন্ত্রের কাগজ

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, ওই কাগজগুলোতে মানুষের ক্ষতি করা বা মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে কুফরি কালাম লেখা ছিল এবং সেখানে ওই এলাকার ৭ থেকে ৮ জন মানুষের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল!

পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা এসে এসব উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে কোনো কুচক্রী মহল এমন জঘন্য কাণ্ড ঘটিয়েছে।

এমন ভয়ংকর জাদুটোনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী।

#কুফরি

*দুর্নীতিবাজদের কাছে “আজরাইল”, আর সাধারণ মানুষের কাছে “সুপারহিরো”!*মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও কে এম নওশাদ খান — দুইজন সাহ...
10/10/2026

*দুর্নীতিবাজদের কাছে “আজরাইল”, আর সাধারণ মানুষের কাছে “সুপারহিরো”!*

মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল ও কে এম নওশাদ খান — দুইজন সাহসী সরকারি কর্মকর্তা, যারা প্রমাণ করেছেন সততা, সাহস ও সদিচ্ছা থাকলে ভাঙাচোরা সিস্টেমের ভেতর থেকেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়া যায়।

*মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল* ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অসাধু ব্যবসায়ী, সিন্ডিকেট ও ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত। বাজারে ন্যায্য মূল্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তাঁর অভিযানগুলো সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়েছে।

*আর এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট কে এম নওশাদ খান* বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি, অনিয়ম ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিচ্ছেন দৃঢ় পদক্ষেপ। ট্রলি সংকট থেকে শুরু করে লাগেজ চুরি — প্রতিটি অনিয়মের বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতি প্রবাসীদের মনে স্বস্তি এনেছে।

তাঁরা শুধু দায়িত্ব পালন করেননি — দেখিয়েছেন একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তা চাইলে জনস্বার্থে কতটা পরিবর্তন আনতে পারেন।

দেশের প্রতিটি সেক্টরে এমন গেম চেঞ্জার তৈরি হোক! স্যালুট আপনাদের সততা ও অদম্য স্পিরিটকে!

সিনেমার কাল্পনিক নায়কদের আমরা যতটা মূল্য দিই, বাস্তব জীবনের এই নীরব নায়কদের কি ততটাই মূল্যায়ন করি? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

ফাটাকেষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আবারো অ্যাকশনে! একদিনেই ১,৯৫,০০০ টাকা জরিমানা*গত ৭ অক্টোবর বিমানবন্দর এলাকায় সিরিজ অভিযান...
10/10/2026

ফাটাকেষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আবারো অ্যাকশনে! একদিনেই ১,৯৫,০০০ টাকা জরিমানা*

গত ৭ অক্টোবর বিমানবন্দর এলাকায় সিরিজ অভিযান পরিচালনা করেন আলোচিত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ।

অভিযানে যা পাওয়া যায়:
🔸 যাত্রীদের ট্রলি অপব্যবহার
🔸 পার্কিং ও পাবলিক টয়লেটে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ
🔸 নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য রাখা

এই সব অপরাধে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে মোট *১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা* জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, অভিযানের আগে গোপনে লোক পাঠিয়ে যাচাই করা হয়, এরপর হাতেনাতে ধরে সাক্ষী ও দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়।

*ট্রলি সংকট নিয়ে আপডেট:*
কর্তৃপক্ষ অন্য বিমানবন্দর থেকে এনে ও মেরামত করে প্রায় ৫০০ ট্রলি বাড়িয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরও ১,০০০ ট্রলির সুপারিশ করা হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতি শিফটে ট্রলি মনিটর করা হচ্ছে।

*যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:*
লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারবেন।
লাগেজ চুরি বা হয়রানির অভিযোগ জানাতে পারবেন - ১ নং টার্মিনালের দোতলায়, ১ নং গেটের পাশে এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। সেখানে সপ্তাহে ৭ দিন, ২৪ ঘণ্টা ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকেন।

বিগত ১ বছরে ৪ জন এয়ারপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট মোট ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ৫২৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

এই গুলুমুলু বাচ্চাটার নাম আয়াত! 😢অথচ একজন শিক্ষকের কারণে তার ছোট্ট জীবনটাই এখন ভয় আর ট্রমায় ভরে গেছে!আয়াত ঢাকার নারি...
10/10/2026

এই গুলুমুলু বাচ্চাটার নাম আয়াত! 😢

অথচ একজন শিক্ষকের কারণে তার ছোট্ট জীবনটাই এখন ভয় আর ট্রমায় ভরে গেছে!

আয়াত ঢাকার নারিন্দার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। পড়াশোনায়ও বেশ ভালো। অথচ তারই ক্লাস টিচার সুপ্তির আচরণে এই ছোট্ট শিশুটি এখন স্কুলে যেতেই ভয় পাচ্ছে!

*ঘটনাটা শুনলে আপনারও খারাপ লাগবে!*

ক্লাসের পড়া খাতায় লিখতে যাওয়ার সময় কোনো কারণ ছাড়াই আয়াতের খাতা ছিঁড়ে ফেলেন ওই শিক্ষিকা। আয়াতের চিন্তা ছিল, বাসায় মাকে ক্লাসের পড়া দেখাতে হবে। তাই সে অন্য একটি কাগজে আবারও লিখতে শুরু করে। কিন্তু এবারও তার খাতা ছিঁড়ে ফেলা হয়!

এরপর ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে আয়াতকে একা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ওই অবস্থায় তার পায়ের ওপর পা দিয়ে জোরে চাপ দেন শিক্ষিকা। ব্যথায় কান্না করতে করতে একপর্যায়ে ভয়ে ক্লাসেই প্রস্রাব করে ফেলে ছোট্ট আয়াত!

কোনো রকমে সেখান থেকে বের হয়ে আয়াত স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপালকে বিষয়টি জানায়। কিন্তু অভিযোগ, তিনি বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি!

আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, এর আগেও ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আয়াতের চোখের নিচে পেন্সিল দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে!

*এখন এই ঘটনার পর আয়াতের মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছে জানেন?*

সে মাঝরাতে হঠাৎ চিৎকার করে জেগে ওঠে। ঘুমের মধ্যেও ভয় পায়। নিজের মাকে বলে, “মা, স্কুলে গেলে ওরা আমাকে মে_রে ফেলবে!” 💔

একবার ভাবুন তো, মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া একটা শিশুর মনে কতটা ভয় ঢুকলে সে নিজের স্কুলকেই মৃ_ত্যুভয়ের জায়গা মনে করতে শুরু করে!

শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেন। তাঁদের কাছেই শিশুরা নিরাপদ বোধ করবে, ভালোবাসা পাবে, ভুল করলে শিখবে। অথচ সেই শিক্ষকই যদি শিশুর মনে আতঙ্ক তৈরি করেন, তাহলে সেই শিশুটি নিরাপত্তা খুঁজবে কোথায়?

এমন শিক্ষকের বিচার চান কি না? মতামত জানান।

#উমেদ

10/10/2026
*ফাটাকেষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আবারো পুরোদমে কাজ শুরু!*গত ৭ অক্টোবর শুধু একদিনেই ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা।সামাজিক মা...
10/10/2026

*ফাটাকেষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ আবারো পুরোদমে কাজ শুরু!*

গত ৭ অক্টোবর শুধু একদিনেই ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা।

সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেন —

বিমানবন্দর এলাকায় সিরিজ অভিযানে যাত্রীদের ট্রলি অপব্যবহার, পার্কিং ও পাবলিক টয়লেটে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য রাখার অপরাধে একাধিক প্রতিষ্ঠানকে আজ মোট ১,৯৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।

অভিযানের আগে গোপনে লোক পাঠিয়ে যাচাই করে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। এরপর সাক্ষী ও দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়।

*ট্রলি সংকট নিয়ে যা বললেন:*

ট্রলি সংকট কমাতে কর্তৃপক্ষ অন্য বিমানবন্দর থেকে আনিয়ে ও মেরামত করে প্রায় ৫০০ ট্রলি বাড়িয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আরও ১,০০০ ট্রলির সুপারিশ করা হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতি শিফটে ট্রলির সংখ্যা মনিটর করা হচ্ছে। রানওয়ে মেরামতের কারণে রাতে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় পিক আওয়ারে যাত্রীর সংখ্যা ট্রলির চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে। আশা করছি কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ট্রলি সরবরাহ করবে।

বছরে ৮০ লাখ যাত্রীর সক্ষমতার এই বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন ১ কোটি ৩০ লাখ যাত্রী ও তাদের সঙ্গে আসা প্রায় ২ কোটি মানুষ। ফলে নানা অপরাধের সুযোগ তৈরি হয়।

*লাগেজ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:*

অনেক দেশে যাত্রীর অনুপস্থিতিতে লাগেজ চেক করা হয় এবং টিপ তালা বা মাস্টার কি দিয়ে না খোলা তালা খুলে নিষিদ্ধ জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়। নোটিস না দেয়ায় অস্পষ্টতা তৈরি হয়, এজন্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে উদ্যোগ নিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়া যায়। লাগেজ থেকে চুরি বা হয়রানির অভিযোগ দোতলায় ১ নং টার্মিনালের ১ নং গেটের পাশে এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেয়া যাবে। সেখানে সপ্তাহে ৭ দিন, ২৪ ঘণ্টা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকেন।

বডি ওর্ন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা যাচাই করে চুরিতে জড়িত প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগেও একাধিক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিগত ০১ বছরে ০৪ জন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড ও ৫২৪ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

যাত্রী ও প্রবাসীদের প্রয়োজনে আমরা পাশে আছি। এখানে কোনো ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো সমস্যা জানা, সমব্যথী হওয়া এবং সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bengli Recipe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bengli Recipe:

Shortcuts

Share