24/02/2026
রোজায় ইফতার ও সেহরিতে ফল খাওয়া পানিশূন্যতা দূর করে, দ্রুত শক্তি জোগায়, হজমে সহায়তা করে এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে। তরমুজ, বেল, কলা, আপেল ও খেজুরের মতো ফল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ক্লান্তি কমায় এবং পেশির দুর্বলতা হ্রাস করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
রোজায় ফল খাওয়ার প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
পানিশূন্যতা দূর ও সতেজতা: সারাদিন রোজা রাখার পর শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তরমুজ, শসা, কমলা ও বেলে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীরে পানির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে এবং তাৎক্ষণিক সতেজতা দেয়।
দ্রুত শক্তি সরবরাহ: ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা (গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ) শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়, যা রোজার ক্লান্তি দূর করে।
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: ফলে থাকা আঁশ (fiber) হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ: ফল ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চমৎকার উৎস, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ক্যালোরি ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: ভাজাপোড়া খাবারের বদলে ফল খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের ঝুঁকি কমে, যা ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
পরামর্শ:
ইফতারের শুরুতে ১-২ টুকরো খেজুর বা তরমুজ খাওয়া ভালো।
ফলের জুস করার চেয়ে চিবিয়ে খাওয়া বেশি উপকারী, কারণ এতে আঁশ বজায় থাকে।
ডায়াবেটিস রোগীদের আম, কলা বা পাকা ফলের পরিমাণ মেপে খাওয়া উচিত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো রোগ বা সমস্যা থাকে, তবে ফল খাওয়ার আগে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।