Mumu's kitchen

Mumu's kitchen Assalamu Alaikum, Well come to mumu's kitchen, This is our 1st page.

24/10/2024

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন?

মুমু'স কিচেন এর পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
16/06/2024

মুমু'স কিচেন এর পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।

16/06/2024

আসসালামু আলাইকুম, মুমু'স কিচেনে আপনাদেরকে স্বাগতম। রাত পোহালেই কোরবানির ঈদ এবং ঈদের জামাত শেষে পশু কোরবানি করতে হবে, তাই আজকে পরশু কোরবানির নিয়ম সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাবো।
পশু কোরবানি করার নিয়ম:
কোরবানিদাতা নিজের কোরবানির পশু নিজেই জবাই করবেন, যদি তিনি ভালোভাবে জবাই করতে পারেন। কেননা, রাসুলুল্লাহ (স) নিজে জবাই করেছেন। আর জবাই করা আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জনের একটি মাধ্যম
তবে কোরবানির পশু জবাই করার দায়িত্ব অন্যকে অর্পণ করা জায়েজ আছে। কেননা, সহিহ মুসলিমের হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স) ৬৩টি কোরবানির পশু নিজ হাতে জবাই করে বাকিগুলো জবাই করার দায়িত্ব আলী (রা)-কে অর্পণ করেছেন। [মুসলিম, ১২১৮]

জবাই করার সময় যেসব বিষয় লক্ষণীয় :

১। যা জবাই করা হবে, তার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করতে হবে, তাকে আরাম দিতে হবে। যাতে সে কষ্ট না পায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
২। যদি উট জবাই করতে হয়, তবে তা নহর করবে।
নহর হলো, উটটি তিন পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকবে আর সম্মুখের বাম পা বাঁধা থাকবে। তার বুকে ছুরি চালানো হবে। উট ছাড়া অন্য জন্তু হলে তা তার বাম কাতে শোয়াবে। ডান হাত দিয়ে ছুরি চালাবে। বাম হাতে জন্তুর মাথা ধরে রাখবে। মুস্তাহাব হলো, জবাইকারী তার পা জন্তুটির ঘাড়ে রাখবে।
৩। জবাই করার সময় বিসমিল্লাহ বলতে হবে।
কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন: ‘যার ওপর আল্লাহর নাম (বিসমিল্লাহ) উচ্চারণ করা হয়েছে, তা থেকে তোমরা আহার করো।’ [সুরা আনআম :১১৮] জবাই করার সময় তাকবির বলা মুস্তাহাব। যেমন হাদিসে এসেছে :জাবের (রা) থেকে বর্ণিত, একটি দুম্বা আনা হলো। রাসুলুল্লাহ (স) নিজ হাতে জবাই করলেন এবং বললেন, ‘বিসমিল্লাহ ওয়াল্লাহু আকবার, হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে। এবং আমার উম্মতের মাঝে যারা কোরবানি করতে পারেনি তাদের পক্ষ থেকে।’ [আবু দাউদ]

অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (স) দুটি শিংওয়ালা ভেড়া জবাই করলেন, তখন বিসমিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বললেন। [সুনানে দারামি, ১৯৮৮, হাদিসটি সহিহ] জবাই করার সময় বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবার পাঠের পর আল্লাহুম্মা হা-যা মিনকা ওয়া লাকা (হে আল্লাহ! এটা তোমার তরফ থেকে, তোমারই জন্য) বলা যেতে পারে। যার পক্ষ থেকে কোরবানি করা হচ্ছে, তার নাম উল্লেখ করে দোয়া করা জায়েজ আছে। এভাবে বলা, ‘হে আল্লাহ! তুমি অমুকের পক্ষ থেকে কবুল করে নাও।’
ইনশাআল্লাহ আমরা উপরোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রেখে কোরবানির পশু জবাই করব। আল্লাহ সকলকে সহি নিয়তের সহিত পশু কোরবানি করার তৌফিক দান করুক আমিন।

16/06/2024

আসসালামু আলাইকুম, মুমুস কিচেনে আপনাদেরকে স্বাগতম। আজ আপনাদের জন্য এমন একটা রেসিপি নিয়ে আসলাম যা বাঙালি তথাপি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার যার নাম গরুর মাংসের কালা ভুনা। এখন আপনাদেরকে জানিয়ে দিব কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গরুর মাংসের কালা ভুনা তৈরি করতে হয়।

উপকরণ :
১। গরুর মাংস ২ কেজি।
২। পেঁয়াজ কুচি এক কাপ
৩। রসুন বাটা পরিমাণ মতো
৪। এলাচি ৪থেকে ৫টা
৫। দারুচিনি দুই থেকে তিন টুকরা
৬। তেজপাতা ৩/৪ টা
৭। লবঙ্গ ৬/৭ টা
৮। গোল মরিচ ১০/১২ টা
৯। বেরেস্তা ১কাপ
১০। হলুদের গুঁড়া , পরিমাণ মতো
১২। মরিচের গুঁড়া, পরিমাণ মতো
১৩। ধনিয়ার গুড়া ২টেবিল চামচ
১৪। লবণ, পরিমাণ মতো
১৫। আদাবাটা ১ টেবিল চামচ
১৬। রসুন বাটা পরিমাণ মতো
১৭। সরিষার তেল /সয়াবিন তেল ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালী :
প্রথমে যে হাড়িতে মাংস রান্না হবে সেই হাড়িতে মাংস নিয়ে সাথে সাথে সব মসলা মিশিয়ে হাত দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে ডেকে চুলায় বসিয়ে দিতে হবে। এখন অল্প আছে ঢেকে রেখে রান্না করতে হবে ১০থেকে ১৫ মিনিট। এইবার মাংস থেকে পানি বের হবে এবং এই পানিতেই মাংস সিদ্ধ হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা সরিয়ে মাংস নেড়ে দিতে হবে। যদি মনে হয় মাংস থেকে বের হওয়া পানিতে সেদ্ধ হবে না পুরোপুরি সেদ্ধ হতে যতটুকু পানি লাগবে টুকু পানি দিতে হবে।
কালা ভুনার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রচুর পরিমান মসলা দিতে হয়। এবং অল্প আছে ডেকে কষিয়ে কষিয়ে রান্না করতে হয়। ২৫/৩০ মিনিট রান্না করার পর মাংসের কালার চেঞ্জ হয়ে যাবে এবং তেল উপরে উঠে আসবে।
তখনই ঢাকনা সরিয়ে দিতে হবে এবং এই সাথে মসলার গুঁড়া দিতে হবে-
* ভাজা জিরার গুড়া ১ চা চামচ
* জয়ত্রির গুড়ো হাফ চা চামচ
* জায় ফলের গুড়া পরিমাণ মতো
* গেলমরিচের গুঁড়া হাফ চা চামচ
* গরম মসলার গুড়া হাফ চা চামচ
* রাধুনীর গুড়া হাফ চা চামচ।
এই উপকরণ গুলো দিয়ে আবারো ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে।
মাংস বাগার দেওয়ার জন্য চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে দিতে হবে -সরিষার তেল এক কাপ, এবং তেল গরম হলে তাতে এক কাপ পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে।
পেঁয়াজ যখন বেরেস্তার মত লালচে হয়ে যাবে তখন তাতে দিতে হবে আদা কুচি, রসুন কুচি পরিমাণ মতো, এবং শুকনো মরিচ ৭/৮টা। এখন এগুলা বাদামি বর্ণের হয়ে আসলে তখন মাংসের হাড়িতে এগুলো ঢেলে দিতে হবে।
বাঘার দেওয়ার পরে অল্প আছে নেড়ে কষিয়ে নিতে হবে। এইবার এতে দিতে হবে -
*পেঁয়াজ কিউব করে কাটা এক কাপ
*গরম মসলার গুড়া হাফ চা চামচ
*রাধুনী গুড়া হাফ চা চামচ।
এগুলো ভালোভাবে নেড়ে ৫/৬ মিনিটের জন্য ঢেকে দিতে হবে এবং পেঁয়াজগুলো সিদ্ধ হয়ে কালার চেঞ্জ হয়ে গেলে মাংসের ঝোল মাখা মাখা হয়ে আসলে তখনই চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।
তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে "গরুর মাংসের কালা ভুনা "

আশা করি আপনাদের এই রেসিপিটা ভালো লাগবে, আমাদের সঙ্গেই থাকুন এবং নিত্যনতুন রান্নার কৌশল শিখুন।

16/06/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মুমুস কিচেনে আপনাদেরকে স্বাগতম। আজ আপনাদের জন্য একটি নতুন রেসিপি নিয়ে এসেছি যা সবার প্রিয়, এবং সবাই রুটির সাথে এটা খেতে খুবই পছন্দ করেন।
"গরুর নিহারি "
উপকরণ :
১। গরুর পায়া /পায়ের হাড্ডি আনুমানিক দুই থেকে আড়াই কেজি ধুয়ে পরিষ্কার করে নেবেন। (সাথে প্রেসার কুকার নিয়ে নেবেন )
২। মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ।
৩।হলুদ গুঁড়া এক চা চামচ।
৪।দুনিয়ার গুড়ো এক টেবিল চামচ।
৫। জিরার বাটা এক টেবিল চামচ।
৬। পেঁয়াজ কুচি হাফ কাপ।
৭। লবণ পরিমাণমতো।
৮। আদা বাটা এক টেবিল চামচ।
৯৷ রসুন বাটা এক টেবিল চামচ।
১০। তেজপাতা ৪/৫ টা।
১১। দারু চিনি ৩/৪টুকরা।
১২। এলাচ ৪/৫ টা
১৩। গোল মরিচ হাফ চা চামচ
১৪। পরিমাণ পাত্রে পানি।
প্রস্তুত প্রণালী :
প্রেসার কুকারে রান্না করলে পানি খুব একটা শুকাবে না। তাই 2 লিটারের মত পানি দিলেই হবে। নরমাল পাত্রে রান্না করলে পানির পরিমাণটা একটু বেশি লাগে। ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আচে রান্না করতে হবে প্রায় এক ঘন্টা। এই সময়ের মাঝে প্রেসার কুকার কয়টা সিটি বাজে সেটা কোন ব্যাপার না। এক ঘন্টা পরে ঢাকনা খুলে যদি দেখা যায় নিহারি সিদ্ধ হয়ে গেছে তখনই নেহারি বাগার দেওয়ার জন্য চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তাতে তেল দিতে হবে হাফ কাপ। তেলের মধ্যে দিতে হবে চার থেকে পাঁচটা শুকনা লাল মরিচ এবং দুই একবার নেড়ে হালকা ভেজে দিতে হবে-
* পেঁয়াজ কুচি হাফ কাপ
* রসুন কুচি 2 টেবিল চামচ।
নাড়তে নাড়তে যখন পেঁয়াজ রসুন হালকা ব্রাউন কালার হয়ে আসবে তখন দিতে হবে -
* জিরা হাফ চামচ।
দুই এক বার নেড়ে এই ভাজা পেঁয়াজ রসুন তেলসহ ঢেলে দিতে হবে পাশের চুলায় জাল হতে থাকা নেহারির মধ্যে। সাথে দিতে হবে -
* ভাজা জিরার গুড়া এক চা চামচ।
* গরম মসলার গুড়া এক চা চামচ।
এখন ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে চুলার জাল বন্ধ করে দেখে দিতে হবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। তাহলেই রান্না হয়ে যাবে আপনার মজাদার--" নেহারি".

15/06/2024

আসসালামু আলাইকুম মুমু'স কিচেনে আপনাদেরকে স্বাগতম। অনেকদিন পর আপনাদের মাঝে আবার ফিরে আসলাম, মাঝখানে কিছুদিন অসুস্থতার কারণে পেজে নিয়মিত আপডেট দিতে পারি নাই। ইনশাআল্লাহ এখন থেকে নিয়মিত আপডেট পাবেন।
তো আজকে আপনাদেরকে কোরবানির পশু ক্রয় সম্পর্কে ধারণা দেব।
আসছে কুরবানীর ঈদ। উদ্দেশ্য একটাই কুরবানীর জন্য পশু হাটে বা খামারে গিয়ে ভালো দেখে একটি পশু ক্রয় করা। তবে হাটে যাওয়ার আগে সঠিক এবং সুস্থ কুরবানির গরু কিনতে আপনার অবশ্যই কিছু বিষয়ে জেনে রাখা উচিত। আজকের এই আলোচনায় কুরবানীর পশু ক্রয় করার আগে করণীয় সম্পর্কে জানবো।

কুরবানির পশু কেনার আগে করণীয় বিষয় সমূহ :

১। কুরবানীর জন্য পশু কিনতে যাওয়ার সময় এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কাউকে সঙ্গে নিয়ে যান, যিনি পশু বিষয়ে ভালো ধারনা রাখেন। পাশাপাশি শক্তি সামর্থ্যবান একজনকে নিয়ে যান এতে করে গরু নিয়ে আসতে সাহায্য পাবেন।
২। হাতে সময় বেশি নিয়ে পশুর হাটে যান, ধীরেসুস্থে দেখেশুনে পশু কিনুন।
৩। খাজনা কমাতে হাটের বাইরে থেকে পশু কিনবেন না, এতে চোরাই পশু কেনার আশঙ্কা থাকে।
৪। পশুর বয়স সম্পর্কে ভাল করে জেনে নিন, কেননা গরু দুই বছর এবং ছাগলের ন্যূনতম বয়স ছয় মাস না হলে কোরবানি আদায় হবে না।
৫। দেখতে সুস্থ-সবল-সুন্দর পশু কিনুন। রোগ আছে কি না ভালভাবে জেনে নিন।
৬। চামড়ায় কাটা ক্ষত, কান কাটা, শিং ভাঙা, লেজ কাটা, খুরে ক্ষত বা জিহ্বায় ঘা আছে কি না ভাল করে দেখে নিন।
৭। পশুর মুখের সামনে খাবার নিলে যদি জিহ্বা দিয়ে টেনে নেয় এবং নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে তাহলে বুঝতে হবে পশু সুস্থ। কেননা অসুস্থ পশু খাবার খেতে চায় না।
৮। হাট থেকে পশু আনার সময় পশুর গলায় বাঁধা দড়িটি যথেষ্ট শক্ত কিনা পরিক্ষা করে নিন যাতে করে রাস্তায় কোনোরকম ঝামেলার সৃষ্টি না হয়।
৯। হাটের খাজনা সঠিক নিয়মে পরিশোদ করুন এবং খাজনার রশিদ সাথে রাখুন।
১০। পশু কেনার সাথে সাথে হাট থেকে পশুর খাবারও কিনে ফেলুন।
১১। বাড়ীতে পশু নেওয়ার আগে বাহিরে থেকে পশুকে ভালো ভাবে গোসল দিয়ে নিতে হবে।

07/01/2024

আসসালামু আলাইকুম, মুমুস কিচেনে আপনাদেরকে স্বাগতম। মাঝখানে কিছুদিন অসুস্থ থাকার পর আবার ও ফিরে আসলাম আপনাদের জন্য কিছু লিখব বলে।
আজ আপনাদেরকে শীতকালে খেজুরের রসের স্বাস্থ্যের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে কিছু জানাবো:
শীতকালের হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডার মধ্যে কাঁচা খেজুরের রস খেতে পছন্দ করেন অনেকে। কেউ আবার এ রসকে প্রক্রিয়াজাত করে পিঠা-পুলি, পায়েস, গুড় তৈরি করে খেয়ে থাকেন। সারা বছর খেজুরের রস সংগ্রহ করা যায়। তবে শীতকালের খেজুরের রসই বেশি সুস্বাদু। শীত কমার সঙ্গে সঙ্গে রসের পরিমাণ ও মানও কমতে থাকে।
খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে যে খেজুর হয় তাতে যথেষ্ট শাঁস থাকে না বলে অনেকেই এটা খেতে খুব একটা পছন্দ করেন না। তাই খেজুরের রসই আসল আকর্ষণ। খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেজুরের গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে আনতে খেজুরের রস দারুণ উপকারী।

06/08/2023

আসসালামু আলাইকুম মুমুস কিচেন আপনাদেরকে স্বাগতম। আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিছু টিপস।
☕চায়ের কাপের দাগ কিভাবে দূর করবেন ☕

☕ বেকিং সোডা চায়ের কাপের এসব দাগ সহজে তুলতে সাহায্য করে। চায়ের কাপে ভালো করে বেকিং সোডা লাগিয়ে এক ঘন্টা রেখে ভালো করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন
☕ভীম সাবান অথবা লিকুইড কাপের দাগ হয়ে যাওয়া অংশে লাগিয়ে রাখুন। এভাবে আধা ঘন্টার মত রেখে দেন এবার স্ক্রাবার দিয়ে কাফের গায়ে একটু জোরে ঘষা দিলেই কাফের দাগ উদয় হয়ে যাবে।
☕আপেল সাইডার ভিনেগার কাপ এর দাগ তুলতে দারুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আধা কাপ গরম পানিতে দুই চামচ ভিনেগার মিশিয়ে ৩০ মিনিট দাগ যুক্ত কাপটি ডুবিয়ে রাখুন এরপর ঘষে নিয়ে কাপ ধুয়ে ফেলুন।
☕আধা চামচ লেবুর রস এবং লবন একসাথে মিশিয়ে ভালো করে কাফের গায়ে লাগিয়ে নিন। এক ঘন্টা পর হালকা গরম পানিতে কাপ ধুয়ে ফেলুন।

এইভাবে আপনারা আপনাদের চায়ের কাপগুলো পরিষ্কার করলে একদম নতুনের মত উজ্জ্বল দেখাবে।

ধন্যবাদ সবাইকে আমাদের সাথেই থাকুন এবং নিত্যনতুন আপডেট পেতে পেজটিকে লাইক কমেন্টস ও শেয়ার করুন।

30/07/2023

আসসালামু আলাইকুম, মুমুস কিচেনে আপনাদেরকে স্বাগতম। আজকে আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি বিকালের হালকা নাস্তার জন্য ছোট্ট একটা রেসিপি যার নাম: প্যানকেক।

উপকরণ :
১। ময়দা/ আটা হাফ কাপ।
২। ডিম দুইটা
৩। সয়াবিন তেল হাফ কাপ
৪। গুড়ো দুধ দুই চা চামচ
৫। বেকিং পাউডার হাফ চা চামচ
৬। কাস্টার্ড পাউডার হাফ চা চামচ
৭। চিনি তিন চা চামচ
৮। লবণ পরিমাণ মতো
৯। খাবার সোডা পরিমাণ মতো
১০। ওরেঞ্জ ফ্লেভার বা ভেনিলা এসেন্স এক চা চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী :
প্রথমে ডিম ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর একটা কাটা চামচ দিয়ে সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে। সব উপকরণ মিশানো হয়ে গেলে প্যান এর মধ্যে তেল ব্রাশ করে নিতে হবে। প্যানটা একটু গরম হয়ে গেলে চামচ দিয়ে পরিমাণ মত বেটার প্যানে দিতে হবে, এখন তাকে এক মিনিট ঢেকে রাখতে হবে এবং চুলার আঁচ লো হিটে রাখতে হবে। এভাবেই সবগুলো প্যানকেক তৈরি করতে পারবেন, এবং তৈরি হয়ে যাওয়ার পরে যার যেরকম ইচ্ছে পরিবেশন করবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে আমাদের সাথেই থাকুন আরো মজার মজার রেসিপি পাবেন ইনশাআল্লাহ।

Address

126/3, Wapda Road, West Rampura
Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mumu's kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mumu's kitchen:

Share