Allaround Looking

Allaround Looking I hope you will stay with me
AllaroundBD loves doing charity work also

I made this Channel for a good cause, you can find all kinds of videos here,
Such as children's videos, cooking videos, fishing, charity, gaming, kids caring, music videos.

03/04/2026

তেলের জন্যে দীর্ঘ লাইন। তেলের পাম্পে তেল কই!
#তেল #তেলেরলাইন #তেলেরপাম্প ゚

ছবির এই ব্যাক্তির নাম ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবীর। বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ভূমিষ্ট এই ব্যাক্তিকে বিগ...
26/01/2026

ছবির এই ব্যাক্তির নাম ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবীর। বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চে ৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পর ভূমিষ্ট এই ব্যাক্তিকে বিগত দুঃশাসনের সময়ে কেউ কখনোই দেখেনি।

হুট করে উদ্ভব হওয়া এই লোক জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারে ইসলামের বিভিন্ন অপব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মপ্রাণ নিরীহ মানুষকে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী যে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে তার জন্যে জামায়াত কি কোন পদক্ষেপ নিয়েছে?

আমি জানি দলের প্রেমে অন্ধ হয়ে যাওয়া কিছু কথিত মুসলিম আমার এই পোস্টে এসে গালি দিবে, এবং আমি তাদের এই গালিকে আমার আল্লাহর কাছ থেকে রহমত হিসাবেই দেখি।

এই লোক, কিছুদিন আগে এক বক্তব্যে বলেছে "জামায়াত করাটা নৈতিক দায়িত্ব যদি আপনি জান্নাতে যেতে চান"।

অর্থাৎ আপনি জামায়াতে ইসলাম না করে ইসলামের ৫ টি রুকন আদায় করলেও জান্নাত লাভ হবে না। জান্নাত পেতে হলে ইসলামের নতুন রুকন (নাউযুবিল্লাহ) এই জামায়াতে ইসলাম করতে হবে আপনাকে।

আরও ভয়াবহ হল এই লোক ৭২ কাতারের প্রথম কাতার হিসাবে জামায়াতে ইসলামকে ঘোষণা করছে যেখানে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) মূলত ৭৩ ফেরকার কথা বলেছেন এবং সেই ৭৩ ফিরকার ১ম কাতার কারা হবে তার সুস্পষ্ট কোন বর্ণনা দিয়ে যাননি।

বরং রাসূল (সাঃ) নাজাতপ্রাপ্ত ফিরকার সুস্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন এইভাবে "আমি এবং আমার সাহাবীরা যার উপর আছি"।

কথিত ইসলামী দল জামায়াতের কোন নেতাই এই ভয়ংকর ঈমান বিধ্বংসী বক্তব্যের প্রতিবাদ করেনি।

যাই হোক, গত দুই দিন ধরে এবার দেখা গেল এই লোক মানুষকে কবরের ভয় দেখাচ্ছে। সে বলছে ‘অন্তত কবরে গিয়ে যেন বলতে পারেন, আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছি’ নাউযুবিল্লাহ!

মানুষের মৃত্যুর পর মাইয়্যাতকে দাফন করার পর কুরআন এবং হাদীসের আলোকে কবরে যে প্রশ্নগুলো করা হয়, তা সুস্পষ্টভাবে হাদীসে বর্ণিত।

কুরআনে সরাসরি কবরের প্রশ্নের বিস্তারিত উল্লেখ নেই, তবে কবরের আজাব বা পরীক্ষার ইঙ্গিত আছে (যেমন সুরা ইবরাহীম ১৪:২৭-এ আল্লাহর কথা অস্বীকারকারীদের অবস্থা)। প্রধানত হাদীসে (যেমন সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ইত্যাদি) এর বিবরণ পাওয়া যায়।

সহীহ বুখারী ১৩৩৮ ও সহীহ মুসলিম ২৮৭০ নং হাদীস অনুসারে, মৃত্যুর পর কবরে দুইজন ফেরেশতা (মুনকার এবং নাকীর) আসেন এবং মৃত ব্যক্তিকে জাগিয়ে তুলে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন করেন।

- "মান রাব্বুকা?" তোমার রব কে?
- "মা দীনুকা?" তোমার দ্বীন কী?
- "মান হাজা রাজুল?" এই ব্যক্তি (মুহাম্মদ ﷺ) সম্পর্কে তুমি কী বলো?

এর বাইরে কোনো প্রশ্ন যোগ করা বা ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করা হাদীসের অর্থকে বিকৃত করা, যা রাসূল (সা.)-এর উপর মিথ্যা আরোপের শামিল।

যে ব্যক্তি বলে “অমুক মার্কায় ভোট না দিলে কবরে কী জবাব দিবে?” সে আসলে আল্লাহর নামে কথা বলার সীমা লঙ্ঘন করছে।

আল্লাহ কুরআনের সুরা আল-বাকারাহতে (২:৪১) বলেন, "আমার আয়াতগুলোকে সামান্য মূল্যে (দুনিয়াবী লাভের জন্য) বিক্রি করো না।"

ধর্মকে ভোট বা ক্ষমতা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা এই নিষেধের অন্তর্ভুক্ত। অনেক ইসলামী স্কলারের মতে, এটি ধর্মের বিকৃতি ঘটায় এবং মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

রাসূল (সা.) বলেছেন: "যে কেউ আমার উপর ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা আরোপ করে, সে তার আসন জাহান্নামে নির্ধারণ করুক।" (সহীহ বুখারী)। রাজনৈতিক লাভের জন্য এটি করলে পাপ আরও বড় হয়, কারণ এতে ধর্মের পবিত্রতা নষ্ট হয় এবং মানুষকে ধর্ম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হয়।

শাহরিয়ার কবীর এই দাবিগুলো শরীয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ভয় দেখিয়ে দ্বীনকে রাজনৈতিক অস্ত্র বানানোর শামিল। ইসলাম রাজনীতিকে ধর্ম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে না, কিন্তু ধর্মকে অপব্যবহার করে মানুষকে ভয় দেখানো বা প্রলোভিত করা নিষিদ্ধ।

এই কথাগুলো বলে সে দ্বীনের আকীদাকে বিকৃত করে রাজনৈতিক মতকে ঈমানের মাপকাঠি হিসাবে উপস্থাপন করছে এবং মানুষকে আল্লাহর বদলে দলের কাছে জবাবদিহির শিরকি ধারনা দিচ্ছে। যা খারেজি (আমরাই হক, বাকিরা বিপদে) মানসিকতার স্পষ্ট উদাহরন।

আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদায় কবরের প্রশ্নের ব্যাপারে ইজমা (সর্বসম্মত মত) আছে, এখানে রাজনৈতিক ব্যাখ্যার কোনো অবকাশ নেই।

জামায়াতের কোন নেতা দম্ভ করে গলা উঁচিয়ে এখনো বলেনি, 'জান্নাত কবর নির্ধারণে নতুন ব্যারিস্টার মুফতি এসেছে'। কারন এদের কাছে ধর্ম একটা অস্ত্র, মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট পাওয়ার অস্ত্র। যে ধর্মকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে তার কাছে বাংলাদেশের মানুষ ও ইসলাম কতটা নিরাপদ হবে তা আপনারা ভেবে দেখবেন।

বিঃদ্রঃ এই লেখার এগেইন্সটে জাশি বয়ানটা উল্লেখ করে যাই। ‘উনি দলের কেউ না, দলে ওনার কোন পদ নাই তাই ওনার বক্তব্যের দায় ওনার’। নির্বাচনী মঞ্চে দলের পক্ষে কথা বলা ব্যক্তি “পদধারী না” এই অজুহাতে দল দায়মুক্ত হতে পারে না; এটি রাজনৈতিক ও নৈতিক উভয় দায়ের প্রশ্ন।
(কপি)

গাধা যখন নিজেকে সিংহ ভাবে...কিছু সিংহ মিলে একটি গাধাকে বন্দী করল। বুদ্ধিমান একটি সিংহ বলল, "একে মেরো না। আমার কাছে একে ন...
11/01/2026

গাধা যখন নিজেকে সিংহ ভাবে...
কিছু সিংহ মিলে একটি গাধাকে বন্দী করল। বুদ্ধিমান একটি সিংহ বলল, "একে মেরো না। আমার কাছে একে নিয়ে একটি পরিকল্পনা আছে।"

এরপর গাধাটিকে সিংহরা তাদের সাথে রেখে দিল। তাকে খাতির যত্ন করে তারা তার বিশ্বাসও জিতে নিল।

সিংহদের কাছে গুরুত্ব পেয়ে গাধাটি নিজেকে অনেক ক্ষমতাবান ভাবা শুরু করল। তখন একদিন সিংহরা তাকে গাধাদের সমাজে ছেড়ে দিল।

কিন্তু গাধাটি এবার আর গাধার মতো নয়, বরং সিংহের মতো আচরণ করা শুরু করল। যেহেতু তার সাথে সিংহদের বন্ধুত্ব ছিল, তাই অন্য গাধারা তাকে সমঝে চলতে লাগল। তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতেও ভয় পেত।

সিংহরা যখন গাধাটির সাথে দেখা করতে আসত, তখন গাধাটি রাজার মতো তার পিছনে একটি গাধার দল নিয়ে সিংহদের সাথে দেখা করত। আর ফিরে যাওয়ার সময় তাদেরকে একটি গাধা উপহার দিত খাওয়ার জন্য।

এভাবে গাধাটি অনেক ক্ষমতাধর হয়ে গেলেও, সিংহের কাছে সে কিন্তু সেই গাধাই রয়ে গেল রয়ে গেল। সে গাধা সমাজে রাজা হয়ে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য শত শত নিরপরাধ গাধাকে বলি দিয়েছিল।

অচিরেই এমন একদিন এল যখন সমস্ত গাধা একজোট হয়ে সেই স্বার্থপর গাধার অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল। তারা সিদ্ধান্ত নিল এরপর যখন সিংহের দল আসবে তখন তাদের কেউ গাধাটির সাথে যাবে না, তা এর পরিণাম যতই খারাপ হোক না কেন।

পরের বার যখন সিংহরা এল, তখন সেই গাধাটি একাই তাদের সাথে দেখা করতে গেল। গাধাটি সিংহদেরকে অনুযোগের সুরে বলল যে, তাকে এখন আর কেউ ভয় পায় না। তার কথাও কেউ শোনে না।

এই কথা শুনে সিংহরা সিদ্ধান্ত নিল, এই গাধা এখন আর কোনো কাজে আসবে না। তাই তারা ওই গাধাটিকে সাথে নিয়ে গেল তাকে খাওয়ার জন্য। এইভাবে শেষ পর্যন্ত সেই গাধাটিরও শিকারে পরিণত হল।

এই গল্পটি মানুষের জন্যও প্রযোজ্য। আমাদের চারপাশেও এমন অনেক গাধা আছে যারা স্বার্থসিদ্ধির জন্য বা ক্ষমতা দেখানোর জন্য, নিজের সমাজকেই বিপদে ফেলে দেয়।

আপনি হয়তো ভাবছেন পৃথিবী চালায় আমেরিকা, ইউরোপ বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা। অথবা ভাবছেন যে ইলন মাস্ক, ট্রাম্প বা Xi Jinping ব...
10/01/2026

আপনি হয়তো ভাবছেন পৃথিবী চালায় আমেরিকা, ইউরোপ বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা। অথবা ভাবছেন যে ইলন মাস্ক, ট্রাম্প বা Xi Jinping বা পুতিন-ই বুঝি সব।

ভুল।

পর্দার আড়ালে এমন কিছু খেলা চলে, যা আপনার কল্পনারও বাইরে। আর এই খেলার মূল অস্ত্র হলো—টাকা এবং সুদ।

আজ আপনাকে এমন এক পরিবারের গল্প বলব, যারা দেখিয়েছে কীভাবে 'সুদ' নামক অস্ত্র দিয়ে রাজা, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট বা পুরো একটা দেশ বা মহাদেশকেও গোলাম বানিয়ে রাখা যায়।

পরিবারটির নাম, রথচাইল্ড (Rothschild)।

গল্পটা ১৮শ শতকের।

শুরু হয়েছিল জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের এক নোংরা বস্তিতে।

মায়ার আমশেল রথচাইল্ড নামের এক লোক। ইহুদিদের জন্য নির্দিষ্ট একটা ছোট্ট এলাকায় গাদাগাদি করে থাকতেন। পেশা ছিল পুরোনো কয়েন কেনাবেচা করা। অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, মানুষ ভাবত এই লোকটা কোনোমতে খেয়েপরে বাঁচলেই অনেক। কিন্তু মায়ারের মাথায় ছিল অন্য প্ল্যান। তিনি শুধু বড়লোক হতে চাননি, তিনি চেয়েছিলেন এমন এক রাজত্ব বানাতে, যেখানে সূর্য কখনো ডুববে না।

এখানেই গল্পের প্রথম টুইস্ট। মায়ার আমশেল তার পাঁচ ছেলেকে কাছে ডাকলেন। আমরা হলে কী করতাম? বলতাম, "বাবা, তোমরা সবাই মিলেমিশে একসাথেই থাকো।" কিন্তু মায়ার করলেন উল্টোটা। তিনি তার পাঁচ ছেলেকে ইউরোপের প্রধান পাঁচটি শহরে পাঠিয়ে দিলেন। নাথান গেল লন্ডনে, জেমস গেল প্যারিসে, সলোমন ভিয়েনায়, কার্ল নেপলসে আর আমশেল থাকলেন ফ্রাঙ্কফুর্টে।

সবাই ভাবল, পরিবারটা বুঝি ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। কিন্তু মায়ার আসলে তৈরি করেছিলেন পৃথিবীর প্রথম "হিউম্যান ইন্টারনেট"। সেই যুগে যখন ফোন বা টেলিগ্রাম ছিল না, তখন এই পাঁচ ভাই পাঁচ দেশ থেকে নিজস্ব ঘোড়সওয়ার আর কবুতর দিয়ে খবরাখবর আদান-প্রদান করত। ফলে প্যারিসে কী ঘটছে, তা সবার আগে জানত লন্ডনে বসে থাকা ভাই। আর ভিয়েনার খবর জানত প্যারিসের ভাই।

সবচেয়ে বড় খেলাটা তারা খেলল ১৮১৫ সালে। নেপোলিয়ন বোনাপার্ট তখন ইউরোপ কাঁপাচ্ছেন। ওয়াটারলু-তে চূড়ান্ত যুদ্ধ হবে। পুরো ব্রিটেন টেনশনে, নেপোলিয়ন জিতলে ব্রিটেনের অর্থনীতি শেষ, আর হারলে ব্রিটেন সুপারপাওয়ার। লন্ডনের স্টক মার্কেটে সবাই ভয়ে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে।

ঠিক এই সময়ে লন্ডনে বসে থাকা ভাই, নাথান রথচাইল্ড, একটা খবর পেলেন। তার নিজস্ব গুপ্তচর ঝড়ের বেগে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে খবর এনেছে যে নেপোলিয়ন হেরে গেছে। তখনো ব্রিটিশ সরকারও এই খবর জানে না! সাধারণ মানুষ হলে কী করত? খুশিতে নাচত। কিন্তু নাথান করলেন এক অদ্ভুত কাজ। তিনি গোমড়া মুখে স্টক মার্কেটে গিয়ে নিজের শেয়ার বিক্রি করতে শুরু করলেন।

তাকে দেখে বাকিরা ভাবল, "সর্বনাশ! নাথান বিক্রি করছে মানে নিশ্চয়ই নেপোলিয়ন জিতে গেছে!" হুজুগে পড়ে সবাই তাদের সব শেয়ার পানির দরে বিক্রি করে দিল।

মার্কেট ক্রাশ করল।

আর ঠিক তখন, একদম শেষ মুহূর্তে, নাথান চোখের পলকে সেই পানির দরের সব শেয়ার একাই কিনে নিলেন।

পরদিন যখন সরকারিভাবে খবর এল যে নেপোলিয়ন আসলে হেরে গেছে, তখন শেয়ারের দাম রকেটের গতিতে বাড়ল। মাত্র একদিনে রথচাইল্ড পরিবার এতটাই ধনী হয়ে গেল যে, তারা চাইলেই পুরো ব্রিটেন-সহ এমন আরও কয়েকটা দেশ কিনে ফেলতে পারত।

তারা শুধু টাকাই কামায়নি, তারা রাজাদের ব্যাংক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

সুয়েজ খাল খনন হবে? রথচাইল্ডদের টাকা লাগবে।
রেললাইন বসবে? রথচাইল্ডদের লোন লাগবে।
এমনকি ব্রাজিল যখন পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা চাইল, সেই স্বাধীনতার ফি-টাও রথচাইল্ডরা দিয়ে দিয়েছিল!

কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়টা এখনো শুনেন নাই...

গল্পের আসল টুইস্টটা হলো তাদের সিকিউরিটিতে।

মায়ার আমশেল মৃত্যুর আগে একটা উইল করে গিয়েছিলেন। তিনি বলে গিয়েছিলেন, এই ব্যবসার যাবতীয় হিসাব শুধু পরিবারের ভেতরেই থাকবে।

বাইরের কেউ - এমনকি মেয়েদের জামাইরাও; ব্যবসার মেইন খবর জানতে পারবে না। তারা নিজেদের মধ্যে এক অদ্ভুত কোড ল্যাঙ্গুয়েজে চিঠি লিখত, যা সিআইএ বা এফবিআই-এর বাপেরও সাধ্য ছিল না ডিকোড করার।

আজ ২০০ বছর পর, আপনি হয়তো ফোর্বস ম্যাগাজিনে তাদের নাম দেখবেন না। কারণ তারা এখন আর ফ্রন্টলাইনে খেলে না। তারা আছে ব্যাংকের পেছনে, ওয়াইন ব্যবসায়, রিয়েল এস্টেটে, পলিটিক্যাল ডিলিংস আর বড় বড় সব ইনভেস্টমেন্টে।

ভেবে দেখুন, একটা মিথ্যে খবর আর সুদের টাকা দিয়ে কীভাবে একটা সুপারপাওয়ার দেশকে পকেটে পোরা যায়!

ইসলাম ১৪০০ বছর আগেই বলেছিল - "আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম।"

কারণ ব্যবসা মানে পরিশ্রম, ঝুঁকি আর বরকত।

আর সুদ মানে হলো অন্যের বিপদের সুযোগ নিয়ে বিনা পরিশ্রমে টাকা কামানো।

রথচাইল্ডরা ঠিক এই সিস্টেমটাই দাঁড় করিয়েছে। তারা নিজেরা কোনো পণ্য বানায়নি, কোনো ফ্যাক্টরি দেয়নি। তারা শুধু টাকার ব্যবসা করেছে। টাকা দিয়ে টাকা বানিয়েছে।

আজকের মডার্ন ব্যাংকিং সিস্টেম, যেখানে গরিব মানুষ লোন নিয়ে সারা জীবন কিস্তি টানতে টানতে মরে যায়, আর ব্যাংকের মালিকরা এসি রুমে বসে থাকে - এই সিস্টেমের গডফাদার কিন্তু ওরাই।

সুয়েজ খাল খনন থেকে শুরু করে বড় বড় দেশের রেললাইন—সব তাদের ঋণের টাকায়।

এমনকি শোনা যায়, ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পেছনেও তাদের ফিন্যান্সিয়াল হাত ছিল অনেক বড়।

রাজনীতিবিদরা ভাষণ দেয় স্টেজে, কিন্তু স্ক্রিপ্ট লেখা হয় ব্যাংকের বোর্ডরুমে।

আপনি হয়তো ভাবছেন, "আমি তো ছোট মানুষ, এসব জেনে কী করব?"
জানতে হবে। কারণ আপনি যদি সিস্টেমটা না বোঝেন, তবে আপনিও এই সিস্টেমের দাবার গুটি হয়েই থাকবেন।

কোরআনে সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, কারণ সুদ একটা জাতিকে পঙ্গু করে দেয়। রথচাইল্ডদের ইতিহাস তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

টাকা কামানো খারাপ না। ইসলামে ধনী হওয়া দোষের কিছু না। হযরত উসমান (রা.) বা আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) অনেক ধনী ছিলেন। কিন্তু তারা ধনী হয়েছিলেন হালাল ব্যবসায়, মানুষের উপকার করে। মানুষকে ঋণের ফাঁদে ফেলে নয়।

নোটঃ এই গল্পটার সাথে টাকা কিভাবে তৈরি হয়, সেটার একটা কানেকশন আছে - সেই গল্পটা না হয় আরেকদিন করবো, আপাতত পেইজটা ফলো + শেয়ার দিয়ে রাখুন যাতে করে ওই গল্পটাও আপনার ফিডে আসে :)

❤️🫰

বেগম খালেদা জিয়া
31/12/2025

বেগম খালেদা জিয়া

গনতন্ত্রের মা 'কে আল্লাহ বেহেশত নসীব করুক  আমীন। ❤️ #খালেদা  #খালেদাজিয়া  #বেগমখালেদাজিয়া
30/12/2025

গনতন্ত্রের মা 'কে আল্লাহ বেহেশত নসীব করুক আমীন। ❤️

#খালেদা
#খালেদাজিয়া
#বেগমখালেদাজিয়া


" মাত্র ১২ ইঞ্চি চওড়া অ্যাপার্টমেন্ট "চীনে একটি অ্যাপার্টমেন্টের চওড়া মাত্র ১১.৮ ইঞ্চি। তবুও সেখানে থাকার জন্য মানুষ ল...
23/12/2025

" মাত্র ১২ ইঞ্চি চওড়া অ্যাপার্টমেন্ট "

চীনে একটি অ্যাপার্টমেন্টের চওড়া মাত্র ১১.৮ ইঞ্চি। তবুও সেখানে থাকার জন্য মানুষ লাইন দিয়েছিল। এই অ্যাপার্টমেন্টটি পেতে প্রতিযোগিতা ছিল তীব্র। ২৭ বছর বয়সী ইউইইং শেষ পর্যন্ত এটি পেতে সক্ষম হন। এখানে তার রান্নার বড় হাঁড়িটাও ভেতরে ঢোকানো যায়না।

অ্যাপার্টমেন্টটি এতটাই ছোট যে কোনো আসবাবপত্র রাখা সম্ভব নয়—এমনকি একটি বিছানাও না। ইউইইং একটি পিৎজার বাক্সও উল্টে না রাখলে ভেতরে ঢোকাতে পারেন না। কিন্তু চীনে এ ধরনের অ্যাপার্টমেন্ট দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কেন? কারণ এর ভাড়া দিনে মাত্র ১.১২ ডলার—অর্থাৎ মাসে প্রায় ৩৫ ডলার। শিক্ষার্থী, অভিবাসী শ্রমিক এবং স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এটুকুই তাদের সাধ্যের মধ্যে। ইউইইংয়ের মতো অনেকের কাছেই এই অ্যাপার্টমেন্ট ফুটপাতে ঘুমানোর তুলনায় বিলাসিতা।






22/12/2025

৩ বোবার আলাপ | আল্লাহর সৃষ্টি, নিজেরাও কত সুন্দর করে নিজেদের মত কথা বলছে

#৩বোবা #বোবা

20/12/2025

পরীক্ষার্থীর চেয়ে অভিভাবক বেশি😅

#রেসিডেন্সিয়াল #ঢাকারেসিডেন্সিয়াল #ভর্তিপরীক্ষা

Address

Dhaka
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Allaround Looking posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share