13/09/2026
৮০-র দশকে যাদের বাপ-মা র বিয়ে হয় নি তারাও ৮০-র দশকে নিজেকে দেখতে কেমন লাগত, সেটা দেখার আগ্রহে অনেকেই AI দিয়ে ছবি বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করছেন। দেখতে দেখতে বিষয়টি একটা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। বুড়ো-জোয়ান, দ্বীনদার-বেদ্বীন, নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে প্রায় সবাই পাগলের মতো এই ট্রেন্ডে অংশগ্রহণ করছেন।
অথচ একটু খেয়াল করলে দেখবেন, একজন মানুষ নিজেকে ৮০-এর দশকে কেমন দেখতে চাইছে, সেটার মধ্যেও তার ব্যক্তিত্ব, রুচি ও মানসিকতার কিছুটা পরিচয় ফুটে ওঠে।
-কেউ নিজেকে সিনেমার ভিলেনের রূপে ফুটিয়ে তুলছে।
-কেউ তথাকথিত সিনেমার অশ্লীল নায়ক-নায়িকাদের ভঙ্গিমায় নিজেকে উপস্থাপন করতে পছন্দ করছে। আবার,
-কেউ নিজের চেহারা ও শরীরকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করতেও দ্বিধা করছে না।
-আর নারীদের বেপর্দা ও অশ্লীলতাতো আছেই...।
বিষয়টি এমন নয় যে শুধু বেদ্বীন মানুষরাই এসব করছে। বরং অনেক দ্বীনদার মানুষকেও দেখছি, শুধু স্রোতের সঙ্গে গা ভাসিয়ে এসব করছেন।
কোনো মন্দ কাজ বা অনর্থক বিষয়কে নিছক "ফান" বা মজা হিসেবে নেওয়া শয়তানের একটি বড় ধোঁকা।
মানুষ অনেক সময় মজা করে বা ঠাট্টাচ্ছলে এমন অনেক কাজ করে ফেলে যা ইসলামে নিষিদ্ধ, গোনাহের কাজ কিংবা অন্যের মনে কষ্ট দেয়।
কেন এটি শয়তানের ধোঁকা?
ছোট গোনাহ থেকে শুরু: শয়তান মানুষকে সরাসরি বড় পাপের দিকে ডাকে না। সে প্রথমে "ফান" বা হালকা বিনোদনের ছলে ছোটখাটো গোনাহ বা অনর্থক কাজে অভ্যস্ত করে তোলে।
সীমা লঙ্ঘন: মজার ছলে মানুষ অনেক সময় মিথ্যা কথা বলে, কাউকে নিয়ে উপহাস করে বা কটুক্তি করে, যা শয়তানের প্ররোচনাতেই হয়ে থাকে।
গাম্ভীর্য নষ্ট করা: জীবন ও ইবাদতের গুরুত্ব কমিয়ে দিয়ে মানুষকে উদাসীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন করে তোলা শয়তানের অন্যতম কৌশল।
ইসলামে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর বিনোদন থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই যেকোনো কাজ করার আগে তা সঠিক কি না, তা ভেবে দেখা উচিৎ।
ভাই, একটু থামুন তো। নিজেকে একবার প্রশ্ন করুন, এই অপ্রয়োজনীয় কাজটি করে আপনার কী উপকার হলো?
পাগল-ছাগল কি মানুষের গায়ে লেখা থাকে? নাকি কাজে প্রমাণ হয়?
প্রযুক্তিকে ভালো কাজে লাগান, নিজে এগিয়ে যান - দেশ ও মানুষের কল্যানে সময় দেই।
পৃথিবী যেখানে আগায় আমরা বাঙালী পিছাই!!!