31/05/2026
“বাংলাদেশ” বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এ দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে ইসলামী মূল্যবোধ, তাহজীব-তামাদ্দুন ও ধর্মীয় সংস্কৃতি লালন করে আসছেন।
বাংলাদেশের মসজিদ, মাদরাসা ও মক্তবগুলো শুধু ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং নৈতিকতা, মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগ অত্যন্ত গভীর।
তাই ধর্মীয় বিশ্বাস, ইসলামী অনুশাসন কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে কোনো অবমাননাকর, বিদ্রূপাত্মক বা বিভ্রান্তিকর মন্তব্য দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মনে কষ্টের জন্ম দেয় এবং সামাজিক সম্প্রীতির জন্যও তা অনাকাঙ্ক্ষিত।
সম্প্রতি “শরিয়াহ আইন” ও “মসজিদে বেহেশতের টিকিট বিক্রি” প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কিছু বক্তব্য জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার না করে তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল মন্তব্য করা প্রত্যেকের কর্তব্য।
মাননীয় আইনমন্ত্রীসহ সকলের প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাই, ইসলাম মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ন্যায়, মানবতা ও কল্যাণের পথে আহ্বান করে। আলেম-ওলামা, ইমাম ও দায়ীগণ কখনো জান্নাত “বিক্রি” করেন না; বরং মানুষকে সৎকর্ম, তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে আহ্বান করেন।
আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, তবে সেই স্বাধীনতা যেন কোনো ধর্ম, বিশ্বাস বা জনগোষ্ঠীর অনুভূতিতে আঘাত না হানে, সেদিকেও সমানভাবে সচেতন থাকা প্রয়োজন।
আমি ব্যক্তিগতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এবং সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন সব বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শান্তি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখাই হোক আমাদের সবার অঙ্গীকার।