14/07/2021
রঙ পরিবেশ পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।আমরা অনেক সময়ই আমাদের বাড়ী-ঘর রঙ করা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে থাকি। কোন ধরনের ঘরে কি ধরনের রঙ করতে হবে সেই বিষয়ে আমাদের সঠিক ধারনা না থাকার কারনে সাধারণত এমন হয়ে থাকে। এর পাশাপাশি রঙ করার সঠিক পদ্ধতি না জানা থাকার কারনেও আমরা অনেক সময় মিস্ত্রী দের উপর নির্ভর করে আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকি।
আমাদের আবেগ ও অনুভূতির সঙ্গে রঙের সম্পৃক্ততা রয়েছে। আবার একজন মানুষের মানসিক ও শারীরিক অবস্থার ওপরেও রঙের প্রভাব লক্ষ করা যায়।।ঘরের দেয়ালের জন্য যদি গাঢ় রং নির্বাচন করেন, উজ্জ্বল আলোর ব্যবহার করা ভালো। আর আলো যদি কম থাকে, তাহলে হালকা রং নির্বাচন করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
বাড়ীর লিভিং রুম বা বসার ঘর হচ্ছে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত একটি স্থান। লিভিং রুমে নান্দনিকতার ছাপ আনতে হালকা গোলাপী, হালকা সবুজ, হালকা হলুদ, লাইট পারপেল, মিন্ট অথবা ক্রিম রঙ ভালো।
বেড রুম হচ্ছে আমাদের বিশ্রামের স্থান। এই ঘরের রং এমন হওয়া উচিত যা সতেজ, শান্তিপূর্ণ এবং মনোরম পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে হোয়াইট, অফ হোয়াইট, লাইট ভায়োলেট, গ্রীন, লেমন ইয়েলো, ফ্রেঞ্চ গ্রে, ক্রিম ইত্যাদি রং দেওয়া যায়। ঘরের ভেতর ফ্লোর, জানালা, দরজা, পর্দা, দেয়াল, বেড কাভার, ফার্নিচার সব কিছুর জন্য রং হতে পারে ভিন্ন ভিন্ন। তবে বেডরুমে গাঢ় রং ব্যব্যবহার না করাই ভালো।
ডাইনিং রুম বা খাবার ঘরে সবুজের বা হলুদের ছোঁয়া রাখতে পারেন। খাবারের জায়গা বড় হয়ে থাকলে দেয়ালে হালকা নীল/আকাশী রঙের প্রলেপ দিতে পারেন।
বাচ্চাদের ঘরে রং করার আগে তার সঙ্গে কথা বলে তার পছন্দ বুঝে নেওয়া যেতে পারে। শিশুর পছন্দের কোনো চরিত্র থাকলে সেটা আঁকিয়ে নিতে পারেন দেয়ালে। তবে এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে যে বাচ্চাদের ঘর যেহেতু ছোট হয়ে থাকে তাই গাঢ় রং ব্যব্যবহার না করাই ভালো।