Innovative Engineer Architect & Interior Design

Innovative Engineer Architect & Interior Design Our work philosophy allows us to work seamlessly with our clients to be their ‘partner of choice? Innovative Architect & Interior Design

ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান, লাইট – সব একসাথে চালাতে চান? 🏠⚡এই 2KW Pure Hybrid Inverter দিচ্ছে স্মার্ট পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট + হাই ...
05/04/2026

ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান, লাইট – সব একসাথে চালাতে চান? 🏠⚡
এই 2KW Pure Hybrid Inverter দিচ্ছে স্মার্ট পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট + হাই এফিশিয়েন্সি কনভার্সন 🔄
সাথে আছে LiFePO4 Battery – 6000+ Cycle Life 🔋
01916-661000

আলাহামদুলিল্লাহ ৩.৫ কিলো ওয়াট হাইব্রিড সোলার সিস্টেম ।  সোলার পাওয়ার   ​লোডশেডিং নিয়ে দুশ্চিন্তা আর বিদ্যুৎ বিলের টেনশন—...
05/04/2026

আলাহামদুলিল্লাহ ৩.৫ কিলো ওয়াট হাইব্রিড সোলার সিস্টেম । সোলার পাওয়ার ​লোডশেডিং নিয়ে দুশ্চিন্তা আর বিদ্যুৎ বিলের টেনশন—দুটোই দূর হবে এখন এক সমাধান! ☀️🔋
​সোলার হাইব্রিড সিস্টেমের মাধ্যমে আপনি পাচ্ছেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। দিনের বেলা সরাসরি সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ চলবে এবং ব্যাটারি চার্জ হবে, আর রাতে সেই জমা হওয়া বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে। এমনকি মেইন গ্রিড বা সরকারি বিদ্যুৎ না থাকলেও আপনার ফ্যান-লাইট আর প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লায়েন্স চলবে একদম স্মুথলি।
​✅ বিদ্যুৎ বিল কমাবে ৭০-৮০% পর্যন্ত।
✅ অটোমেটিক ব্যাকআপ সিস্টেম।
✅ দীর্ঘস্থায়ী এবং পরিবেশবান্ধব।
​আপনার বাসা বা ব্যবসার জন্য আজই বেছে নিন সোলার হাইব্রিড সিস্টেম। 01916661000

24/03/2026

বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে সন্ধ্যায় দেশ ছেড়ে চলে গেলেন- দেশের জন্য নিরবে-নিভৃতে কাজ করে যাওয়া একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক!

তাঁর অপরাধ- ঈদে কমদামে পাঞ্জাবি বিক্রি করেছেন; তার এমন মানবিকতার কারণে মুনাফা খোর ব্যবসায়ীরা ৩০০ টাকার পাঞ্জাবি ৫০০০ টাকা বিক্রি করতে পারেনি!

স্রেফ এই অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু পরিচয়ের একজন ব্যবসায়ী হাতিরঝিল থানার ওসিকে দিয়ে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের নবীন ফ্যাশন নামের দোকানটি বন্ধ করে দিয়েছে; সে সঙ্গে হুমকি দিয়েছে- যদি ব্যবসা গুটিয়ে না নেয় তাহলে সন্তানদের এতিম করে দিবে! তাই প্রতিষ্ঠানটির মালিক সন্তানদের কথা ভেবে দেশ ছাড়লেন

আহ!

চারদিকে কত কত আওয়াজ, কিন্তু এই ঘটনাটি যেন নিরবে নিভৃতে ঘটেছে; কোনো মিডিয়ায় সেভাবে আলোচনায় আসেনি;

কার অভিযোগ কতটুকু সত্য কোনো কিছুই যেন মিডিয়াতে আর স্থান পায় না, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বন্ধুর পরিচয় শুনে?

এভাবেই হাসিনাকে প্রশ্নের উর্ধ্বে রেখে ফ্যাসিস্ট বানিয়েছিল এ দেশের সাংবাদিকরা! সে পথেই হাঁটছে নাতো?

একজন কীর্তিমান বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারকে স্মরণ করি চলুন। তাকে মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ ‘আর্কিটেক্ট অব মডিফিকেশন প্লান অব জাম...
24/03/2026

একজন কীর্তিমান বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারকে স্মরণ করি চলুন। তাকে মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ ‘আর্কিটেক্ট অব মডিফিকেশন প্লান অব জামরা’ নামে চিনলেও বাংলাদেশে তাকে নিয়ে আলোচনা খুব কম হয়।
অথচ তার ভূমিকা ও অবদানের কারণেই পবিত্র মক্কার মিনায় হজ্জের সময় পাথর মারতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পেয়েছে।

ঘটনার শুরু ১৯৯৪ সালে। সে বছর ইঞ্জিনিয়ার ইবরাহীম ও তার স্ত্রী হজ করতে যান। সেসময় তিনি লক্ষ করেন, জামরাতে শয়তানকে পাথর মারার সময় প্রচুর হট্টগোল হয় এবং হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে বহু মুসল্লি মারা যান। কেবল ১৯৯৪ সালেই অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ২৭০ জন হাজী মারা যান।

মূলত হজ্জের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে পাথর মারার জন্য প্রত্যেক হাজীকে সৌদি আরবের মিনায় সাধারণত তিনদিন অবস্থান করতে হয়। যে তিনটি স্তম্ভে পাথর মারতে হয়, তাকে বলা হয় জামরা বা পাথরের স্তূপ। এগুলো শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভ। প্রথম জামরার নাম জামরাতুল আকাবা, মধ্যেরটি উস্তা ও শেষেরটি উলা। একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব মোটামুটি ৩৩০ মিটার। ইবরাহীম সাহেব দেখলেন- পাথর মারার ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম না থাকায় যে যেদিক থেকে পারত, পাথর মারা শুরু করত এবং একপর্যায়ে বিশৃঙ্খলায় পদদলিত হয়ে প্রাণ হারাতো।

এই বিষয়টি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে অত্যন্ত ভাবিয়ে তোলে। দেশে ফিরে তিনি এই সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু করেন। অবশেষে শয়তানকে পাথর মারার একমুখী বিজ্ঞানসম্মত চারটি ধাপ সম্পন্ন একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেন। তার প্রস্তাবিত প্রকল্পটি হচ্ছে-

১. প্রতিটি জামরাকে বেড়া দিয়ে পরস্পর সংযুক্ত করা, যাতে উভয়দিকে দু’টি রাস্তার সৃষ্টি হয়।
২. জামরার দেয়াল ছয় ফুট বাই ছয় ফুট থেকে উভয়দিকে অন্তত ৩০ ফুট করে বাড়িয়ে নেয়া।
৩. একমুখী ট্রাফিক সিগনালের ব্যবস্থা করা।
৪. মিনার দিকে ‘ইন’ ও অপর প্রান্তে ‘আউট’ বসিয়ে হাজিদের চলাচল একমুখি করা। একদিক দিয়ে ঢুকে পাথর মেরে অপরদিক দিয়ে বেরিয়ে যাবেন হাজিরা কিন্তু কেউ পেছনে ফিরবেন না।

এই বিস্তারিত প্রকল্পটি প্রকৌশলী ইব্রাহীম প্রথমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ে জমা দেন। সেখান থেকে ঢাকার সৌদি দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরিকল্পনাটি এত নিখুঁত এবং বাস্তবসম্মত ছিলো যে সৌদি সরকার প্রকল্পটি গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করেন। আর এরই মধ্য দিয়ে এই মেধাবী বাংলাদেশীর উদ্যোগে আল্লাহর ইচ্ছায় হজ্জের সময় প্রতিবছর পদদলিত হয়ে মৃত্যুর মিছিল অনেকটাই কমে আসে।

তৎকালীন সৌদি বাদশা ফাহাদ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে তার এই অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘মুহিব্বুল খায়ের’ বা কল্যাণকামী উপাধিতে ভূষিত করেন। তার জন্য উপহারসামগ্রীও পাঠান। শুধু তাই নয়, পরে তাকে পবিত্র মক্কায় প্রকল্প-প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করারও সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তৎকালীন কাবা শরীফের প্রধান ঈমাম শায়খ আবদুস সুবাইল তাকে পৃথিবীর ১০ জন সেরা প্রকৌশলীর অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।। কেননা এর আগে হাজারো প্রকৌশলী হজ্ব করে গেলেও কেউ কখনো এ বিষয়টি নিয়ে ভাবেননি বা সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেননি।

মিনায় বর্ধিত প্রকল্পের পাশে রাস্তার ধারে সবুজ গালিচায় সাদা অক্ষরে ‘মোহান্দেস ইব্রাহিম মিনাল বাংলাদেশ’ ও ‘Engineer Ibrahim from Bangladesh’ লিখে টাঙিয়ে দেয়া হয়। প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম ১৯৪১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাবুপুরে জন্মগ্রহণ করেন। খ্যাতিমান এই মহান প্রকৌশলী ২০১৭ সালের ৮ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

আল্লাহ তাআলা ইঞ্জিনিয়ার ইবরাহীমকে (রাহি:) কে জান্নাত নসীব করুন। তার যে অসামান্য অবদানের কারণে লাখো কোটি হাজি সাহেবরা সুবিধা পেলেন, এবং আগের মতো প্রাণহানি ও অনাকাংখিত দুর্ঘটনার পরিমাণ কমে আসলো; আল্লাহ যেন তা কবুল করেন।

মানুষের চিন্তা যদি ভালো থাকে, আর নিয়তে যদি খুলুসিয়াত থাকে, তাহলে বাংলাদেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে থেকেও বিশ্বের জন্য, উম্মাহ’র জন্য কাজ করা যায়- ইঞ্জিনিয়ার ইবরাহীম রহ. তার প্রমাণ।

ভূমিকম্প কখনোই আগাম বলে আসে না। কিন্তু প্রস্তুতি—এটা আমরা চাইলে আগেই নিতে পারি।বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একট...
24/11/2025

ভূমিকম্প কখনোই আগাম বলে আসে না। কিন্তু প্রস্তুতি—এটা আমরা চাইলে আগেই নিতে পারি।

বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি জাপান। তবুও সেখানে বড় ধাক্কাতেও ভবন ধসে পড়ার ঘটনা খুব কম। কারণ তারা শুধু ভবন বানায় না—তারা ভবনকে বাঁচিয়ে রাখে।

এর মূল রহস্য Base Isolation Technology।

ভাবুন, একটি ভবনের নিচে এমন এক বুদ্ধিমান ব্যবস্থা লাগানো আছে যা মাটির দুলুনি নিজের মধ্যে ধরে নেয়, কিন্তু উপরের বিল্ডিংকে সেভাবে পৌঁছাতে দেয় না। ফলে ভূমিকম্প হলেও ভবন পুরোটা একসাথে কাঁপে না—বরং হালকা দুলে থেকে স্থির থাকে।

যন্ত্রপাতি পড়ে না, রোগীর অস্ত্রোপচার থামে না, লোকজন আতঙ্কে দৌড়াদৌড়ি করে না—এটাই বেস আইসোলেশনের শক্তি।

আজ বাংলাদেশও ধীরে ধীরে সেই পথেই এগোচ্ছে।
BNBC-2020 কোডে গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহারের গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে।
রূপপুর পারমানবিক কেন্দ্র, মেট্রোরেলের নির্দিষ্ট স্টেশনসহ কিছু নতুন ভবনে ইতোমধ্যেই এই প্রযুক্তি বসানো হয়েছে।

এটি কোনো বিলাসিতা নয়।
এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার বিনিয়োগ।

জাপান প্রমাণ করেছে—ভূমিকম্প থামানো যায় না, কিন্তু ক্ষতি থামানো যায়।
আমাদেরও এখন সেই জ্ঞান, সেই প্রযুক্তি গ্রহণ করার সময়।

দুর্ঘটনার পরে নয়—দুর্ঘটনার আগেই শেখা উচিত।

#নিরাপদ_বাংলাদেশ
#ভবিষ্যতের_ভূমিকম্প

ছবিতে যে যন্ত্র/স্ট্রাকচার দেখা যাচ্ছে তা Seismic Base Isolation System বা জাপানি ভাষায়: Base-Isolated Building Support...
24/11/2025

ছবিতে যে যন্ত্র/স্ট্রাকচার দেখা যাচ্ছে তা Seismic Base Isolation System বা জাপানি ভাষায়: Base-Isolated Building Support Mechanism—বিশেষভাবে Laminated Rubber Bearing + Hydraulic Damper + Sliding Bearing System এর সমন্বয়ে তৈরি Earthquake Protection System।

এটি সাধারণত জাপান, তাইওয়ান, চিলি প্রভৃতি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশে উচ্চ ভবন বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহৃত হয় যাতে বড় ভূমিকম্পেও ভবন ভেঙে না পড়ে।

🔶 এটা কী? (What is it?)

এটি একটি বড় বিল্ডিং-এর বেজ আইসোলেশন বেয়ারিং সাপোর্ট—যা ভবনটিকে মাটি থেকে আলাদা করে দেয়। ভূমিকম্পের সময় ভূমির কম্পন ভবনের ওপর সরাসরি ট্রান্সফার হয় না।
দেখা যাওয়া অংশগুলো হলো:

✔ 1) High-Damping Rubber Bearings (HDRB)

কালো রাবার + স্টিল ল্যামিনেটেড ডিস্ক, যা অনুভূমিক দিকে ভবনকে দুলতে দেয় কিন্তু উল্লম্ব লোড বহন করে।

✔ 2) Lead Core বা Steel Core

মাঝখানে সিলিন্ডার থাকে যেটা শক্তি শোষণ করে (Energy Dissipation)।

✔ 3) Sliding Mechanism / Glide Bearings

স্টিল রড বা পিস্টনের মতো অংশটি ভবনকে স্লাইড হতে দেয়, যাতে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি বিল্ডিং না পায়।

✔ 4) Hydraulic Dampers (Shock Absorbers)

ভিব্রেশন কমিয়ে ভবনকে স্থিতিশীল করে।

🔶 এটি কিভাবে কাজ করে? (How does it work?)

ভূমিকম্প হলে:

1. মাটি দুলবে

2. এই বেয়ারিং ভবনকে “ফ্লোটিং” অবস্থায় রাখবে

3. ভবন দুলবে কিন্তু পড়ে যাবে না

4. ভূমিকম্পের শক্তির 60–90% শোষণ হয়ে যাবে

🔶 ব্যবহার কোথায়?

এধরনের সিস্টেম সাধারণত দেখা যায়:

হাসপাতাল

ডাটা সেন্টার

৩০–৬০ তলা ভবন

জাপানের স্কুল ও সরকারি ভবন

নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট

রেলওয়ে ও মেট্রোর ভূমিকম্প প্রতিরোধ সাপোর্ট

🔶 এধরনের যন্ত্র ব্যবহার করলে ভবন কী সুবিধা পায়?

✔ 8-10 Richter স্কেলের ভূমিকম্পেও ভবন টিকে থাকে

✔ দুলুনি কমে ৪০–৮০%

✔ ভবনে ক্র্যাক পড়ে না

✔ ইন্টারনাল ফিনিশিং (টাইলস, গ্লাস, বাথরুম) ভাঙ্গে না

✔ যন্ত্রপাতি নিরাপদ থাকে

🚫🚫 নিচে Base Isolation System–এর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা, কাজের প্রক্রিয়া, ধরণ, ব্যবহার, ব্যয়, এবং বাংলাদেশের জন্য feasibility সবকিছু সহজভাবে তুলে দিলাম—

🧭 ১) Base Isolation System কী?

Base Isolation হলো ভূমিকম্প প্রতিরোধী প্রযুক্তি যেখানে ভবনটিকে মাটি থেকে রাবার/স্লাইডিং বেয়ারিং-এর মাধ্যমে "আলাদা" করে দেয়া হয়।
ভূমিকম্প হলে মাটি নড়বে, কিন্তু ভবন সরাসরি সেই কম্পন পায় না, তাই ভবন ভেঙে পড়ে না বা বড় ক্ষতি হয় না।

🧭 ২) ছবির সিস্টেমটি কোন ধরনের?

ছবির যন্ত্রটি High-End Hybrid Base Isolation System:

✔ Laminated Rubber Bearing (HDRB / LRB)

স্টিল–রাবার লেয়ার যার কাজ ভবনকে অনুভূমিক দিকে দুলতে দেওয়া এবং শক্তি শোষণ।

✔ Sliding Bearing / Friction Pendulum System

স্টিল পিস্টন/রড যা ভবনকে স্লাইড করতে সাহায্য করে, কম friction দিয়ে।

✔ Hydraulic Dampers

ঝাঁকুনি কমানো (Shock Absorption)।

এটি জাপানের Skybuilding ও Tokyo Disaster Prevention Buildings–এ ব্যবহার করা হয়।

🧭 ৩) এটি কিভাবে কাজ করে? (Step-by-step)

ধাপ–১: ভূমিকম্প শুরু

মাটি দ্রুত বাম-ডান দিকে কাঁপে।

ধাপ–২: বেয়ারিং কম্পন শোষণ করে

রাবার লেয়ার + লিড/স্টিল কোর ভূমিকম্পের শক্তি শোষণ করে।

ধাপ–৩: ভবন স্লাইড বা দুলে ঝাঁকি কমায়

Sliding bearing ভবনকে কয়েক সেন্টিমিটার থেকে কয়েক ইঞ্চি পর্যন্ত স্লাইড হতে দেয়।

ধাপ–৪: Dampers দুলুনি থামিয়ে দেয়

ভূমিকম্প থামলে ভবন আবার কেন্দ্রে ফিরে আসে।

👉 এতে ভূমিকম্পের ৫০–৯০% শক্তি কমে যায়।

🧭 ৪) কোন ধরনের Base Isolation ব্যবহৃত হয়?

(১) Lead Rubber Bearing (LRB) – সবচেয়ে জনপ্রিয়

উচ্চ শক্তি শোষণ

হাসপাতাল, অফিস, স্কুলে ব্যবহৃত

সস্তা

(২) High Damping Rubber Bearing (HDRB)

বড় ভবনের জন্য

উচ্চতর স্প্রিং অ্যাকশন

(৩) Friction Pendulum System (FPS)

ছবির সিস্টেমের মতো

খুব বড় ও ভারী ভবনে

দুলুনি কমাতে অসাধারণ

(৪) Hybrid Isolator (LRB + Slider + Damper)

জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুরে ব্যবহার

খুব উন্নত প্রযুক্তি

🧭 ৫) কোন ভবনে ব্যবহার করা হয়?

✔ ২৫–৫০ তলা ভবন

✔ হাসপাতাল

✔ ডেটা সেন্টার

✔ মেট্রো স্টেশন ও টানেল

✔ সেতুর পিয়ার

✔ সরকারি ভবন

✔ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প কারখানা

🧭 ৬) Base Isolation ব্যবহারের সুবিধা

১) ভবন ভেঙে পড়ার ঝুঁকি ৮০% কমে

২) কাঠামোতে ফাটল না পড়ার সম্ভাবনা

৩) অভ্যন্তরীণ অংশ (টাইলস, গ্লাস, লিফট) সুরক্ষিত

৪) যন্ত্রপাতি ও ICU / সার্ভার রুম রক্ষা

৫) বড় ভূমিকম্পেও ভবন টিকে থাকে

জাপানে 8.9 magnitude ভূমিকম্পেও base-isolated বিল্ডিং ঠিক থাকে।

🧭 ৭) বাংলাদেশের জন্য কি এটা সম্ভব?

✔ সম্পূর্ণ সম্ভব

বাংলাদেশ ভূমিকম্প জোন–২ এবং জোন–৩ এ পড়ে, বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট।

✔ কোন ধরনের ভবনে ব্যবহার করা উচিত?

1. হাসপাতাল

2. বিত্তবানদের অ্যাপার্টমেন্ট

3. ডেটা সেন্টার

4. টেলিকম ভবন

5. সরকারি দপ্তর

6. স্কুল, কলেজ

🧭 ৮) ব্যয় (Cost Estimation)

বাংলাদেশে সম্ভাব্য ব্যায়:

● LRB / HDRB: প্রতি বেয়ারিং ৩–৮ লাখ টাকা

● FPS / Hybrid: ৮–১৫ লাখ+ টাকা

● ১০–২০ তলা ভবন: ৫০–৭০ লাখ অতিরিক্ত

● ২৫–৪০ তলা ভবন: ১ থেকে ২ কোটি অতিরিক্ত

কিন্তু ভূমিকম্পে ভবন বাঁচালে টাকার মূল্য অসীম।

ArchVista DesignConsultant

খুলে যাচ্ছে ফল্ট লাইনের প্লেট উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে দেশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা অনুযায়ী, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অ...
23/11/2025

খুলে যাচ্ছে ফল্ট লাইনের প্লেট উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে দেশ

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা অনুযায়ী, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় একটি গোপন ফল্ট রয়েছে, যা বাংলাদেশে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে পারে। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত, ইউরেশিয়া ও বার্মা-মোট তিনটি দৈত্যাকৃতির টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ। প্লেটগুলো এখন আটকানো অবস্থা থেকে খুলে যাচ্ছে। ফলে যেকোনো সময় আরো উচ্চমাত্রার ঝুঁকিতে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

এ প্রসঙ্গে গতকাল শনিবার ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদি আহমেদ আনসারী আমার দেশকে বলেন, দুদিনে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর চেয়েও বড় কথা হলো, এক সপ্তাহের মধ্যে আরো ২০ বার এমনটি হতে পারে। ধীরে ধীরে ভূমিকম্পের মাত্রা বাড়তেও পারে। এখনো সবকিছু বলার সময় হয়নি। আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। এ কয়েক দিনের মধ্যে যদি ৫ দশমিক ৭ মাত্রার চেয়েও বড় কোনো ভূমিকম্প হয়; তাহলে স্বল্প সময়ের মধ্যে ভয়াবহ দুর্যোগ হতে পারে।

23/11/2025
23/11/2025

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
22/11/2025

আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিং...
22/11/2025

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিংয়ে “বেস আইসোলেশন” ছিল – সেগুলোর ভেতরে একটা কাচের গ্লাসও ভেঙে পড়েনি।

এই বেস আইসোলেশন আসলে কী?

সহজ কথায়: বিল্ডিংকে মাটির সাথে শক্ত করে না বাঁধা, তার নিচে শত শত বিশেষ রাবার-লেডের বেয়ারিং বসানো হয়। ভূমিকম্প এলে মাটি যত জোরে কাঁপে, উপরের বিল্ডিংটা ততটা কাঁপে না – শুধু ধীরে ধীরে দোলে। ফলে ভেতরের মানুষ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি – সবই প্রায় অক্ষত থাকে।

আজ জাপানের প্রতিটি নতুন টাওয়ার, বিল্ডিং , হাসপাতাল, স্কুল, ডেটা সেন্টারে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক। এমনকি ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ভবনগুলোকেও কেটে-কেটে এই সিস্টেম বসিয়ে নতুন করে বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আমাদের বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটছে।

BNBC-2020 কোড অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহার শুরু হয়েছে। রূপপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট, মেট্রোরেলের কিছু স্টেশন, কয়েকটা নতুন টাওয়ারে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

এটা বিলাসিতা নয় – এটা আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।

জাপান দেখিয়েছে, ভূমিকম্পের দেশেও নিরাপদে উঁচু ভবন বানানো যায় – যদি আমরা সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

আমদের যেন কখনো শিখতে না হয় দুর্ঘটনা থেকে।
শিখি জাপানের মত উন্নত দেশের প্রযুক্তি থেকে।

#নিরাপদ_বাংলাদেশ #ভূমিকম্প_প্রতিরোধী_ভবন

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Innovative Engineer Architect & Interior Design posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share