Bd Sultana Bolgs

Bd Sultana Bolgs ❤️বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম❤️
"| সহজ রান্নার রেসিপি + জীবনের গল্প | ফলো করো নতুন কনটেন্টের জন্য। ”

প্রকৃতিকে যা আমরা দেই, প্রকৃতি সেটাই আমাদের ফেরত দেয়। ভালো করলে ভালো ফেরত পাবো, খারাপ করলে খারাপই ফেরত পাবো। আপনি যদি কা...
10/09/2026

প্রকৃতিকে যা আমরা দেই, প্রকৃতি সেটাই আমাদের ফেরত দেয়। ভালো করলে ভালো ফেরত পাবো, খারাপ করলে খারাপই ফেরত পাবো। আপনি যদি কারো কষ্ট দেখেও হাসেন বা তিরস্কার বা উপহাস করেন, কে জানে বা বলতে পারে আপনার কষ্ট দেখে কে হাসবে আপনার হাসি থামলে পরে। আল্লাহ সবাইকে কষ্ট শোক অসুস্থতা ছাড়া শান্তিতে রাখুক ভালো রাখুক।

আলহামদুলিল্লাহ। কিছু মানুষ বাইরে থেকে দেখে খাবারের স্বাদ মান গুন বিচার করে। আর কিছু মানুষ খাবারের আয়োজন, জিনিসের পরিমান ...
09/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ। কিছু মানুষ বাইরে থেকে দেখে খাবারের স্বাদ মান গুন বিচার করে। আর কিছু মানুষ খাবারের আয়োজন, জিনিসের পরিমান দিয়ে, তার পুষ্টিগুন যাচাই-বাছাই করে, তারপর নিজে তৈরি করে খেয়ে বিচার করে। দুইজন মানুষের বিচার এক রকম হয়না। মানুষও তাই বাইরে থেকে বিচার করা যায় না। এক ছাদের নিচে ৬০ বছর থেকেও কেউ কাউকে ভালো করে বুঝতে পারেনা। কিন্তু বিপদে পড়লে ঠিকই বুঝা যায় কে কেমন কারণ তখন ফেইসটা নিজেকেই করতে হয়। ভাই বোন কেমন তা বুঝতে হলে সম্পদ আর ক্ষমতা গুন সামনে রেখে দেখেন, মাঝখানে সাথে ৩য় ব্যক্তি (পরিবার স্বজন বন্ধুবান্ধব বা অপরিচিতজন) । স্বামী স্ত্রী কে বুঝতে হলে দারিদ্র্যতা আর অসুস্থ্যতা এবং ৩য় ব্যক্তিকে রাখেন। বাবা মাকে বুঝতে হলে দারিদ্র্যতা অসুস্থতা ও ৩য় ব্যক্তি রাখেন। সমাজকে বুঝতে হলে ধর্মের পথে চলে দেখেন। কারো মুখের কথা নয়,, মুখে রাগ অভিমান অভিযোগ প্রশংসা ভালবাসা ঘৃণার সিলেবাসের অধ্যায় থাকতে পারে কারো কম বা বেশি
কিন্তু সময় এলে বুঝা যায়, কোন সম্পর্কের স্বাদ কিভাবে কেমন পাওয়া যায় জীবনের কোন কোন স্থানে সময় তা বুঝিয়ে দেয় তাই সময় অন্তত্য গুরুত্বপূর্ণ। জীবন, ক্যারিয়ার, সম্পর্ক, সম্পদ মরণ সব কিছুই সময় ভিত্তিক। এগুলোর নেগেটিভ ইম্প্যাক্ট এবং পজেটিভ ইম্প্যাক্ট দুটোর রেজাল্ট সময় ভিত্তিক কাজেই দূরে বা কাছে বসে অন্যের বিচারক হওয়া সহজ নিজেরটাই কঠিণ। নিজেই বিচারক নিজেই উকিল আর আসামি যদি হয় অন্যরা তাহলে সেই মহল ত্যাগই ভালো। স্বাস্থ্যকর আর্গুমেন্ট করা উচিৎ অস্বাভাবিক অস্বাস্থ্যকর আগুমেন্ট ত্যাগ করা উচিৎ,, একটা মানুষের নেগেটিভ পজেটিভ দুটো সাইড থাকে, আপনাকে দুটোই বলা হলে, আপনি নেগেটিভ আর্গুমেন্ট মনে রাখছেন পজেটিভ শুনে আপনি ভুলে গিয়ে, নিজেকে পজেটিভ মাইন্ডের সেট করেন যদি, তবে স্পষ্ট হয় আপনি পজেটিভ নিতেই জানেন না। তাই নিজেকে উকিল আর বিচারক ভেবে অন্যদের আসামি করা ঠিক নয়।

নিজে ডায়েট করি কিন্তু আমি আমার উনিকে ডায়েট করাই না। তার সুস্থ্যতা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব রাখে কারণ একজন স্ত্রীর ক...
07/09/2026

নিজে ডায়েট করি কিন্তু আমি আমার উনিকে ডায়েট করাই না। তার সুস্থ্যতা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব রাখে কারণ একজন স্ত্রীর কাছে তার দুনিয়া দুজন পুরুষকে দিয়ে,, একজন বাবা তারপর স্বামী, যার এই দুটোই নেই পুরুষশাষিত এই ভুবনে সেই নারীর কোনো সম্মান নেই,, তারপর আমার জন্য দুনিয়া আমার সন্তান এবং আমাকে যারা ভালবাসেন তারাও আমার দুনিয়া। সন্তান ছেলে বা মেয়ে সে সন্তানই। যার যাদের কারণে আমি বা আমরা সবাই দুনিয়া দেখার সুযোগ পাই, বিশেষ করে যে মা গর্ভে ধারণ করে, আমাকে দিয়েছেন আমার দেয়া শত কষ্ট সহ্য করেছে সেও আমার কাছে সমান গুরুত্ব পায়। আর আমার আব্বু আমার দুনিয়া যিনি আমার জম্মদাতা আমারই এক দৃশ্য অদৃশ্য ছাড়া তাকে ছাড়া আমি অপূর্ণ। আমি আমার প্রতিটি সম্পর্কের ব্যালেন্স বুঝি এবং জানি। কিন্তু আমি এটা মানিনা যা আমার ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক তা আমি কখনোই কোন দিন মানিনা। একটা নিদৃষ্ট পবিত্র সম্পর্কের জন্য সব সম্পর্ক ত্যাগ করতে হবে তা আমি মানিনা এটা ধর্মেও নেই । নিজের জন্য এই নিয়ম কাউকে করতে দেইনি,দেবো না কোনদিনই,, তেমনি অন্যের জন্য এই নিয়ম গড়িনি। সব মা বাবারা ভালো থাকুক সুস্থ্য ভালো থাকুক এবং সবাই যেনো নিজের মা বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করে,, স্বামীকে দিয়ে বা স্ত্রীকে দিয়ে সে দায়িত্ব চাপিয়ে না দিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করা শেষ, এভাবে যেনো কোন সন্তানেরা না ভাবে,স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা প্রতিটি ঘরে ঘরে থাকুক সেখানে যেনো ৩য় ব্যক্তি (পরিবার স্বজন বন্ধুবান্ধব) এর দোয়া থাকে কিন্তু কুপরামর্শ না থাকে এবং তাদের উস্কানিতে কারো ঘর না ভাঙ্গে। আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুর জন্য এই খাবারের জন্য সবার ভালবাসা পাবার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ আমি মুসলিম আমি নবীর উম্মত, আলহামদুলিল্লাহ স্বামী বাবা মা ভাই আত্তীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব এর ভালবাসা মানুষ হবার জন্য।।

05/09/2026

অনলাইনে পেইজ দিয়ে শান্তি নাই ইনকাম করা এতোটাও সহজ নয় যতটা অন্যদের আমরা দেখি।করতে গেলে বুঝা যায় কত ধানে কত চাল৷ স্টাইক পড়বে, হ্যাক হবে ইস্যু আসবে। কখন কিভাবে কেউই বুঝতে পারেনা। একটু পেইজের ফলোয়ার হইছে আপনি খুশিতে আছেন স্বচ্ছল হচ্ছেন দেখবেন আপনি আছেন আপনার পেইজ আর স্বচ্ছলতা গায়েব। তাই কাজ করা উচিৎ ইনকাম এর উদ্দেশ্যে নয় বিনোদন এর উদ্দেশ্যে তাতে ডিপ্রেশনে কাদাঁর বা রাতের ঘুম মনের আঘাতে শেষ হবার চিন্তা নেই।

একজন নারী কখনোই পুরুষকে সঠিক পথে আনতে পারে না কিন্তু সমাজের ধারণা একজন নারীই পারে পুরুষকে সঠিক পথে আনতে।। একজন নেশাখোর ছ...
04/09/2026

একজন নারী কখনোই পুরুষকে সঠিক পথে আনতে পারে না কিন্তু সমাজের ধারণা একজন নারীই পারে পুরুষকে সঠিক পথে আনতে।। একজন নেশাখোর ছেলেকে মা পারেনা সঠিক পথে আনতে বোন পারেনা সঠিক পথে আনতে। পরিবার যখন পারে না এই সমাজ উঠে পড়ে নতুন জীবন নষ্ট করার জন্য। বুদ্ধি দেয় বিয়ে করানোর জন্য, বিয়ে করলে ছেলে ঘরে থাকবে, স্ত্রী ভালবাসা দিয়ে ছেলেকে ভালো করে তুলবে,, বিয়ে করেও যদি স্ত্রী থাকা স্বত্তেও ভালো না হয়, তখন চিন্তা করে বাচ্চা নিলেই বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে ভালো হয়ে যাবে। বাচ্চা নিলে ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়, স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া এবং মারপিট দেখে বাচ্চা বড়ো হয়ে মানুষিক বিকাশে অসুবিধা হয় সামাজিক এবং পারিবারিক ভাবে অপদস্ত ও হেয় প্রতিপন্ন হয়৷ সমাজ কিন্তু সেই স্ত্রীর দায়িত্ব নেয় না, বাচ্চারো দায়িত্ব নেয়না কিন্তু কিছু ফালতু সস্তা পরামর্শ দেয়, কেউ কেউ তো পুরুষদের আরও বেশি উৎসাহিত করে স্বামীকেই বুঝাতে থাকে যার বউ ভালো হয়না তার কিছুই ভালো থাকে না। নেশাখোর ব্যক্তির এক স্ত্রী তো ভালো দশ স্ত্রী মিলেও স্বামীকে উল্টো ঠিক করতে পারে না উল্টো সেই সব নারীর জীবন শেষ হয়, এমন কলঙ্কিত উপহাসের বিয়ের জন্য তেমনি সেই নারীর পরিবার ক্ষতবিক্ষত হয় মেয়ের কষ্ট দেখে,, সামাজিক ভাবেও লাঞ্চিত হয় সেই পুরুষের কারণে। তালাকের দেনমোহর পরিশোধ হলেও একটা লাল সিল সারা জীবনভর বয়ে বেড়াতে হয় চোখের পানিতে গোপনে সেই নারীকে,, অথবা স্বামীর ঘরের এক কোনায় রাত জেগে নিজের কষ্ট ভুলতে চেষ্টা করে অন্যের ভিডিও দেখে স্বামী সংসারে কোনো মতো থেকেও না থাকার মতো করে,, অথবা কেউ কেউ শাবানার মতো এক সমুদ্র লোনা পানিতে বালিশ ভিজায় চোখের পানিতে আর তাহাজ্জুদ নামাজে স্বামীর জন্য দোয়া করতে করতে একটা জীবন পার করে কোনো মতে ৷ কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করতে গিয়ে কিংবা বাহিরে আড্ডা দিয়ে মনের কষ্ট ভুলতে গিয়ে পরকিয়ার পথও বেছে নেয়। তাও কি সংশোধন হয় সেই সব পুরুষেরা?? যারা বলেন স্ত্রীর ভালবাসা পেলে খারাপ পুরুষও ভালো হয়ে যায় তাদের উদ্দেশ্যে এই আয়াত,,
আল্লাহ বলেন, “তাদের হেদায়েত দেওয়ার দায়িত্ব তোমার নয়; বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন।”
সূরা আল-বাকারা ২:২৭২

“নিশ্চয়ই তুমি যাকে ভালোবাস তাকে হেদায়েত দিতে পারবে না; বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন। আর কে হেদায়েতপ্রাপ্ত হবে, সে সম্পর্কে তিনিই সর্বাধিক জ্ঞাত।”
— সূরা আল-কাসাস, ২৮:৫৬

“নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন।”–সুরা ফাতির ৩৫:৮

“তাদের হেদায়েত দেওয়ার দায়িত্ব তোমার নয়; বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন।”
সূরা আল-বাকারা ২:২৭২

আমাদের একটাই নিয়ম তা হচ্ছে আল্লাহর নিয়ম পালন করা, কিন্তু আমরা সমাজে বসবাস করি তাই আল্লাহর নিয়ম পালন না করে নিজেরাই সমাজের নিয়মে চলি। সমাজ হচ্ছে, পরিবার স্বজন বন্ধুবান্ধব পরিচিত অপরিচিতজন। এই সমাজের নিয়মে চলার কারণে একটা নারীর জীবন নারীর সাথে থাকা তার পরিবারের জীবন এমন কি একটা সন্তানের ভবিষ্যৎ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। কারণ সমাজের ধারণা বা একজন পুরুষ মানুষের পরিবারের ধারণা বিয়ে করালে বউ এর ভালবাসা পেলে সেই পুরুষটি স্বাভাবিক জীবনে আসবে। আসেনা কিন্তু সেই পরিবার ঐ নারীর জীবন নষ্ট করার জন্য ক্ষতিপূরণ তো দেয় না উল্টো বলে, আগে তো এমন ছিলো তাদের ছেলে বা ভাই, আগে কেমন ছিলো তা কি সেই নারী বিয়ের আগে দেখা সম্ভব? প্রেম করলেও সম্ভব হয়না কারণ সময় লিমিটেড এর প্রেমের জন্য। একজন মানুষকে পারিবার কাছে থেকেও সংশোধন করতে পারেনা যখন দূর হতে প্রেমিকা কি আলাউদ্দিন এর জীন নিয়ে সংশোধন করতে পারে, আচ্ছা বিয়ে করলে কি তবে সেই জিন পালিয়ে যাবে?? পরিবারের সাপোর্ট পায় বিধায় নেশায় আরও বেশি আসক্ত হয়৷ পরিবার যখন দেখে প্রথম তখনই যদি কঠিণ সিদ্ধান্ত অল্প বয়স থেকে নেয় তবে আর ভুল পথে যেতে পারে না কিন্তু পরিবার অপেক্ষা করে অটোমেটিক হেদায়েত এর,, কেউ কেউ তো কবিরাজ বাবার বা মাজারের অলি আউলিয়ার কাছে গিয়ে সাহায্য চায় ইল্লাহ হিসেবে, যা আরও বেশি ভয়ঙ্কর কেননা আল্লাহর ছাড়া কোনো ইল্লাহ নেই৷ কবিরাজ বা আউলিয়ার কাছে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে নিজের ঈমান আমল শেষ করা, শিরকের গুনাহ। যার কোনো ক্ষমা নেই। সুতরাং একজন মানুষের হেদায়েতের জন্য একের পর এক গুনাহের পথে বেছে নেয় সমাজ এবং পরিবার, কেননা একটা মানুষের জীবন নষ্ট করাও কম গুনাহের কাজ নয় কুফরির সমান পাপ, ভালবাসা একজন কলস ভরে দিলো অন্যজনকে,, কিন্তু সে খালি কলসি দিলো, লাভ কি তাতে,,? উভয়ের সত্যিকারের ভালবাসা আর নিজের ইচ্ছে শক্তিতে হাজারো খারাপ মানুষ ভালো হতে পারে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে। ইচ্ছে না থাকলে ইচ্ছার কোন ঔষধ দুনিয়ায় নেই। সুতরাং আল্লাহর যাকে হেদায়েত দিবেন বিয়ে না করলেও সংশোধন হতে পারে, আর যাকে দিবেন না তাকে হাজারটা বিয়ে দিয়ে কাবা ঘরের সামনে গিয়ে প্রতিজ্ঞা করানো হয়ও যদি তবুও সে হেদায়েত প্রাপ্ত হবে না। নেশা অনেক রকম, মাদকের নেশা, নারীর নেশা, জিদের নেশা, ভিজাইজের বা ইলেক্ট্রনিক নেশা, প্রতারণার নেশা ইত্যাদি। যা নিজের এবং অন্যের ক্ষতি করে অভ্যাসে পরিণত করে রক্তে মাংসে মিশে যায় সেটাই নেশা।

একটা পাখিকে সোনায় খাচাঁয় বন্দী করে সস্তা বা দামী খাবার দিয়ে অন্ধকার চার দেয়ালে আটকে রাখা যায় না। হয় সে খাচাঁ কেটে উড়ে যা...
03/09/2026

একটা পাখিকে সোনায় খাচাঁয় বন্দী করে সস্তা বা দামী খাবার দিয়ে অন্ধকার চার দেয়ালে আটকে রাখা যায় না। হয় সে খাচাঁ কেটে উড়ে যায় দূর আকাশে অজানা গন্তব্যে নিজের পরিচয় ও পরিজন খুজতে। অথবা দম বন্ধ করে মরে যায় নিরব অভিমানে কষ্টে তিলেতিলে। কারণ পাখির পরিবার থেকে ছিনিয়ে আনা হলে নিজের বিনোদন উপভোগ করার লক্ষ্যে, সেই বিনোদনের অংশ হতেই যদি সেই খাচাঁয় সঙ্গী না থাকে, যদি পাখির বাচ্চাও না থাকে।শুধু অন্ধকার ঘরের কোনে একা থাকতে হয়। পাখির মালিক সেও যদি না থাকে, শুধু খাবার খেয়ে বন্দী সোনার খাচাঁয় কে বন্দী থাকে? পাখি তো ভালো রক্তে মাংসে গড়া মানুষ কি সারাজীবন এক অন্ধাকারে পোষ মানাতে পারে, সোনার খাচায় আছে খাবার খাচ্ছে বলে?? প্রশ্ন আমার শত বিবেকেবান বুদ্ধিমানদের কাছে।

একজন বিবাহিত পুরুষের জীবন নষ্ট হয় কয়েকটি কারণে ১। স্ত্রীর পরকিয়া। ২। স্ত্রীর শারীরিক ও বাহ্যিক চাহিদা। ৩। স্বামী ঘরে ঢুক...
02/09/2026

একজন বিবাহিত পুরুষের জীবন নষ্ট হয় কয়েকটি কারণে
১। স্ত্রীর পরকিয়া।
২। স্ত্রীর শারীরিক ও বাহ্যিক চাহিদা।
৩। স্বামী ঘরে ঢুকার সাথে সাথেই স্বামীর পরিবারকে ৫৭০ সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলা।
৪। স্ত্রী মাদকাসক্ত হলে।
৫। স্ত্রী vs পরিবারের মাঝখানে থাকলে।
৬। আর্থিক অস্বচ্ছলতার জন্য স্ত্রীর পরিবারের কাছে নিয়মিত বা অনিয়মিত অপমান এবং স্ত্রীও যদি তাতে সায় দিয়ে অপমানিত করতে থাকে তার স্বামীকে।
৭। পরিবার যদি হয় তাকে স্বার্থের জন্য ব্যবহার করে। এবং পারিবারিক ইতিহাস যদি খারাপ থাকে।
৮। একজন স্ত্রী যদি তার স্বামীকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, অসম্মান করে সবার সামনে এবং পিছনে এবং গায়ে হাত তুলে।
৯। স্ত্রীকে বাদ দিয়ে শুধু মাত্র পরিবারকে সাপোর্ট করলে।
১০। যে স্বামী স্বার্থ বুঝে কথা বলে, অর্থাৎ নিজের প্রয়োজনে স্ত্রীর কথা পরিবারকে, পরিবারের কথা স্ত্রীকে বলে নিজেকে পারফেক্ট মানুষ কিছু সময় বানানোর চেষ্টা করে। সত্য গোপন করে। অন্যায়ের পক্ষে থাকে।

একজন পুরুষ এর জীবন ঠিক যে কারণে নষ্ট হয় ঠিক হবহু একই কারণে নারী জীবনও নষ্ট হয়।

যে মানুষ (খারাপ নারী / পুরুষের) সম্পদ, নেশা, ক্ষমতা, খারাপ পরিবার, খারাপ সঙ্গতার পিছনে ছুটে তার জীবন আল্লাহ না চাইলে কে সুন্দর করতে পেরেছে। ,

সংক্ষিপ্ত করে বলি যদি, পৃথিবী সৃষ্টি হবার পরে প্রথম সংঘাত বা দ্বন্দ্ব বিভেদ এর কারণ একটাই ছিলো তা হচ্ছে নারী,,,, হ্যাঁ আল্লাহর বিধান অনুযায়ী হযরত আদম (আ.)-এর দুই ছেলে হাবিল ও কাবিল-এর মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল কারণ ছিল বিয়ে ও আল্লাহর হুকুম নিয়ে বিরোধ। প্রচলিত তাফসিরি বর্ণনায় বলা হয়, আদম (আ.)-এর সন্তানদের মধ্যে তৎকালীন বিধান অনুযায়ী এক গর্ভের ছেলে অন্য গর্ভের মেয়েকে বিয়ে করত। কাবিল তার জন্য নির্ধারিত বোনকে বিয়ে করতে আপত্তি করে এবং হাবিলের নির্ধারিত বোনকে নিজের জন্য চাইতে থাকে। বিরোধ মেটাতে দুজনেই আল্লাহর উদ্দেশ্যে কুরবানি দেয়। হাবিলের কুরবানি কবুল হয়, কিন্তু কাবিলের কুরবানি কবুল হয় না। এতে কাবিলের হিংসা আরও বেড়ে যায়। বাকিটা সবাই জানি। সুতরাং যে নারী বা পুরুষের মধ্যে উপরোক্ত বৈশিষ্ট্য যদি নাই থাকে তবে তাকে অভিযোগ না করে তাকে দোষারোপ না করে বরং নিজেকে নিজের পরিবেশকে দেখা উচিৎ এবং ব্যালেন্স করা উচিৎ। কারণ জীবন কিংবা বিয়ে কোনো তাশের খেলা নয়। যখন ইচ্ছে গড়লাম যখন ইচ্ছে ভাঙ্গলাম। উপরে অন্তত একজন আছেন যার কাছে মজলুমের দোয়া বাবা মা স্ত্রীর আগে কবুল হয়। কাজেই ন্যায়ের পথ সত্যের পথে চলতে গেলে পরিবার বা জীবনসঙ্গী যে কোনো একজনকে বেছে নেয়া মানে অগ্নিপরীক্ষা। আর এই পরীক্ষা মানেই নিজের সাথে নিজের যুদ্ধ করা এবং অন্যায়ের সাথে আপোষ না করা। ঘরে ঘরে বউ শাশুড়ির যুদ্ধে পরাজিত হয় স্বামীরাই। কিন্তু মায়ের দোষ খুজা বারণ বউকে করতে হয় শাসন এমন বিধানও ধর্মে নাই। মায়ের যদি অন্যায় থাকে তবে মাকে থেকে দূরত্ব রাখা। স্ত্রীর যদি দোষ থাকে তবে স্ত্রীর থেকে দূরত্ব করা কিন্তু উভয়ের কারো সাথেই সম্পর্ক শেষ করা যাবেনা। মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত আর স্ত্রীই হবে রোজ হাশরে একমাত্র সাক্ষী স্বামী পৃথিবীতে ভালো ছিলো নাকি খারাপ। আবার মাকে খুশি করতে গিয়ে বা পরিবারকে খুশি করতে গিয়ে স্ত্রীকে তালাক দিলে সেই স্ত্রী হয়ে যায় মজলুম, যে মজলুমের অভিযোগ আল্লাহ সবার আগে গ্রহণ করে। জীবন মানেই ব্যালেন্স সুতরাং ব্যালেন্স করে চলে উচিৎ আমাদের।

বাংলাদেশের অধিকাংশ (সবাই নয়) বউরা জামাইর পকেট চেক করে,  একমাত্র আমিই এই বিদ্যা শিখতে পারিনি 😔। আমার এইজন্য নিজেকে মনে হয়...
01/09/2026

বাংলাদেশের অধিকাংশ (সবাই নয়) বউরা জামাইর পকেট চেক করে, একমাত্র আমিই এই বিদ্যা শিখতে পারিনি 😔। আমার এইজন্য নিজেকে মনে হয় আমি ভালো আর্দশ বউ হতে পারিনি। ভালো বউ হবার আর্দশ ক্ষমতা হচ্ছে স্বামীর পকেট–কে নিজের পকেট ভাবা।।

বাংলাদেশের অধিকাংশ পুরুষদের কাছে,, নারীরা এই ফুলদানির মতো, ঘরের এক কোনায় তাদের সাজিয়ে রাখা হয়। তারা মনে করে নারীরা ঘর সা...
31/08/2026

বাংলাদেশের অধিকাংশ পুরুষদের কাছে,, নারীরা এই ফুলদানির মতো, ঘরের এক কোনায় তাদের সাজিয়ে রাখা হয়। তারা মনে করে নারীরা ঘর সামলাবে, তাদের যা কিছু প্রয়োজন পুরুষরা এনে দিবে।। পুরুষরা বাইরের দুনিয়াদারি জানবে বুঝবে। ওই পুরুষ পটল তুললে নারীর অভিভাবক বদলাবে, কিন্তু নারী ঘরেই পচেঁ মরবে। পুরুষ ভুল হলেও সঠিক, সে রাজনীতি অর্থনীতি সামাজিক পরিবার সব বুঝে নারীরা খুন্তি আর বটি আর পাটা পুতার ব্যবহার বুঝবে। নারীদের অধিক শিক্ষা মানেই নারীর ধংস, সমাজ ও পরিবারের ধংস, অনেক নারী তো নিজে স্বাধীন ভাবে মতামত দিতে পারেনা তার পরিবারে,,, জ্ঞানীর কথা যদি বলেন আয়েশা (রাঃ) তালা ছিলেন অধিক বেশি হাদিস সংরক্ষণকারী নারী, তিনি যুদ্ধক্ষেত্রেও যেতেন। বাইরেএ দুনিয়ার কথা বলেন যদি তবে খাদিজাতুল কোবরা ছিলেন মক্কার অন্যতম বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, যিনি বিয়ের পরেও নবীজির জন্য ঘরের বাইরে যেতেন নবীজিকে খুজতে অনেক সময় বান্ধুবীদের ঘরে যেতেন বেড়াতে আত্তীয়দের বাড়িতে যেতেন এবং ব্যবসার খোজ খবর রাখতেন। এই যদি মরিয়ম (আঃ) আসতো চিন্তা করেন কি হতো তার এই দেশে এসে,, আসলে নারীর সবচেয়ে বড়ো শত্রু নারী, নারী নিজেকে যেভাবে চলাতে চায় পুরুষ তার রিমোট কন্ট্রোল হয়,, কিন্তু সেই পুরুষ যদি মরে যায় তখন ওই নারী অন্ধত্ব বরণ করে। টাক খায় প্রতি দুয়ারে। কখনো সন্তানের কাছেই অসহায়ের জীবন যাপন করে কোন মতে টিকে থাকে ঘরের এক কোনে। আমি সকল নারীদের উদ্দেশ্যে একটা কথাই বলবো পড়াশোনা করেন, আড্ডাবাজি অন্যের সমালোচনা চায়ের কাপে ধোয়া উড়িয়ে, এবং অন্যের ঘরের গোয়েন্দা না হয়ে নিজেকে জানুন, সময় এর মূল্য বুঝুন, জীবনকে উপভোগ করুন, নয়ত আর কি এক হাতে খুন্তি অন্য হাতে বাথরুমের ব্যাশ নিয়ে থাকেন, খাবেন আর ধুবেন এই আপনার কাজ। এই দেশে নারীর সম্মান অধিকার সব কিছুর আশা ভুলে যান বর্তমান পেক্ষাপট দেখে।

বর্তমানে দেখা যায়,,, কি নারী, কি পুরুষ,, বিয়ে করে ডিফোর্স করে একাধিক বার,, একটা দুইটা এক্সিডেন্ট হতে পারে,, তাই বলে একাধ...
30/08/2026

বর্তমানে দেখা যায়,,, কি নারী, কি পুরুষ,, বিয়ে করে ডিফোর্স করে একাধিক বার,, একটা দুইটা এক্সিডেন্ট হতে পারে,, তাই বলে একাধিক বার, বার বার ৩ বার যদি বিয়ে হয় বুঝতে হয় সেই মানুষের মধ্যেই ঝামেলা আছে। আজকাল সামাজিক মাধ্যমে সেই ব্যবসায়ীদের দেখা যায় যারা একাধিকবার বিয়েও করে আবার ডিফোর্সও করে এবং তারা সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে এমন ভাবে উপস্থাপন করে,, বিয়েই তো করেছি কোনো পাপ তো করিনি। পাপ তো অবশ্যই হচ্ছে,, নিজের মধ্যে থাকা সমস্যা খুজে তা সমাধান না করে বারবার অন্য মানুষের জীবনের সাথে জড়িয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া তার পরিবার ও তার জীবনকে নষ্ট করা কোনো সভ্য সুস্থ্য মানুষের কাজ হতে পারে না। নিজের সমস্যা থাকলে আগে নিজেকে সংশোধন করা উচিৎ, সংশোধন না করতে পারলে নিজের মতো করে একা থাকা উচিৎ,, অথবা ভাগ্যই যদি হবে তবে তা ভাগ্য হিসেবে দেখা উচিৎ। এভাবে একটা ধরা আবার ছাড়া একের পর এক এটা ব্যবসা ছাড়া অন্য কিছুই নাহ। আর এমন ব্যবসায়ীরা সমাজকে ভুল মেসেজ দিচ্ছে ধর্মকে ধংসের দিকেই নিয়ে যাচ্ছে। কারণ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দের কাজ হচ্ছে তালাক,, একবার হতে পারে তাই বলে বারবার বিয়ে এবং তালাক এটা আল্লাহর কাছে কি করে পছন্দের কাজ হতে পারে। আবার কিছু মানুষ আছে সুগার বাবা সুগার মা বানাচ্ছে শুধু মাত্র অর্থের লোভে পড়ে নিজের চেয়ে বয়সে বড়ো তাদেরকে বিয়ে করে। আবার কেউ কেউ তো সামাজিক মাধ্যমে অনলাইনে দেখাচ্ছে কিভাবে বন্ধুত্বের নামে বা পার্টনার হিসেবে লিভটুগেদার থাকতে হয়। মানুষ বিয়ে সম্পর্ক যখন হাল্কা ভাবে দেখে ধরে আর ছাড়ে লোভে পড়ে বা স্বার্থের কারণে সেটাই যদি পরিবার ও সমাজ সাপোর্ট করে বুঝতে হবে সেই পরিবার বা সেই সমাজ এবং সেই মানুষ ধংসের দাড় গোড়ায় কারণ বিয়ে একটা পবিত্র সম্পর্ক সেই সম্পর্ককে হাল্কা ভাবে দেখার ধর্মে কোনো সুযোগ নাই। একজন মানুষ যখন বিয়েটা ব্যবসায় রূপান্তর করে তাহলে খুবই স্বাভাবিক ব্যবসা বা ব্যক্তিগত জীবনে এবং পারিবারিক জীবনে ধংস চূড়ান্ত আল্লাহ হেদায়েত দিক আমাদের সবাইকে। কেননা পৃথিবী থেকে যখন গণহারে লজ্জা ভয় উঠে যায় তখনই যুক্তি অযুক্তির মধ্যে দিয়ে চলে নানান অপকর্ম যার একটা হচ্ছে বারবার বিয়ে করা এবং বারবার তালাক দেয়া। যার মধ্যে আল্লাহর ভয় থাকে এবং নিজের প্রতি লজ্জা থাকে সে কখনোই বারবার বিয়ে করে বারবার তালাক দিতেও পারে না। বরং নিজ কর্মের জন্য অনুশোচনা করে। যারা এমন কাজ করে তারা আসলে পোশাকের মতো মানুষ কিনে এবং ছাড়ে। যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো তারা এসব করে অনেক বেশি নিলজ্জতার সাথে। তারা আসলে একক ভাবে বেশিদিন কারো সাথে বিবাহিত সম্পর্কের মধ্যে থাকতে পারে না। তারা নিজেদের ভালবাসে অন্যকে ব্যবহার করে টিস্যু পেপারের মতো করে। যার ২য় বিয়ে টিকেনি তার একা থাকাই উচিৎ বাকিটা জীবন, পোশাকের মতো সঙ্গী বদল করলে শারীরিক মানুষিক এবং অর্থনৈতিক ও পারিবারিক সমস্যা নিশ্চিত ভাবে হয়ে যায়,, কেউ তা প্রকাশ করে কেউ বা গোপন রাখে। কিন্তু তা দেখার সময় কারোরই হবে না কারণ মানুষ গোবরের দুগর্ন্ধ পেলে নাকে হাত দেয় এবং দেখে কিন্তু ঘেটে কেউ দেখেনা গোবর।

#বিয়ে #ডিফোর্স #তালাক

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bd Sultana Bolgs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share