Kamrun's Crafts

Kamrun's Crafts আপনার স্বপ্ন কল্পনাকে শৌখিনতার রঙে রাঙাই আমরা।
's Crafts

পেজের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন। ❤

বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমরা সবাই এমন এক প্ল্যাটফর্মে আছি, যেখানে সময়ের মূল্য অনেক। এখনকার ব্যস্ত জীবনে মানুষ অনেক সময়ই বাজারে গিয়ে ৩/৪ ঘণ্টা খরচ করে কেনাকাটা করতে পারছে না, এবং সঠিক মানের পণ্য খুঁজে পাওয়া আরও কঠিন।

এই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা শুরু করেছি আমাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আপনি পাবেন সঠিক পণ্য সহজে এবং দ্রুত।

আমর

া প্রতিটি পণ্যের গুণগত মান কঠোরভাবে যাচাই করে, শুধুমাত্র নিশ্চিত হওয়ার পরই তা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেই। আমাদের মূল লক্ষ্য—আপনার পছন্দের পণ্যটি সহজেই ও দ্রুত আপনার কাছে পৌঁছে দেওয়া, যা আমরা প্রতিনিয়ত পালন করি এবং ভবিষ্যতেও করব, ইনশাআল্লাহ।

আমাদের ব্যবসার মূলনীতি: প্রোডাক্ট, কোয়ালিটি, এবং সার্ভিস।

তাহলে, আমাদের পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং ক্রয় করতে, পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে।
's Crafts

একটা সময় এসে অনুভব করবেন, নামী দামী রেস্টুরেন্টে প্লেট ভরা খাবার নয়, শাড়ি-গয়না, দামী মোবাইল ঘড়ি বা গাড়ি-বাড়ি নয়; অনেক ব্...
17/08/2026

একটা সময় এসে অনুভব করবেন, নামী দামী রেস্টুরেন্টে প্লেট ভরা খাবার নয়, শাড়ি-গয়না, দামী মোবাইল ঘড়ি বা গাড়ি-বাড়ি নয়; অনেক ব্যাংক ব্যালেন্স ও নয়.... একটু নিশ্চিন্ত মনে... একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ,একটু বিশ্রাম , একটা দীর্ঘ আরামদায়ক ঘুম-ই জীবনের পরম আরাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।
যার জন্য অনেক কিছু তখন ছেড়ে দিতেও দ্বিধাবোধ করে না।





Pinterest collected pic.

ছবির ছোট্ট মেয়েটি আমি প্রথম দেখেছিলাম ৪/৫ বয়সে। কাঁথা কাপড়ে পেঁচানো চালের বস্তার উপর শোয়ানো। মাটির উপর। পাশেই ওর নানা না...
15/08/2026

ছবির ছোট্ট মেয়েটি আমি প্রথম দেখেছিলাম ৪/৫ বয়সে। কাঁথা কাপড়ে পেঁচানো চালের বস্তার উপর শোয়ানো। মাটির উপর। পাশেই ওর নানা নানী দুজনই মাছ কুটছিলো। আমিসহ অনেকেই অবাক হয়ে জানতে চেয়েছিলাম, এই দুধের শিশুকে এভাবে মাটিতে রেখে মাছ কাটার কারণ কি? ওর মা কোথায়? বাসায় কেউ নেই?
আহা, কি সেই হৃদয় বিদারক কাহিনী..!
বাচ্চাটার মা খুব অল্প বয়সে নিজের পছন্দে বিয়ে করে ঢাকায় চলে আসে। শশুড়বাড়ীতে চলতো নির্যাতন। বাবা মা কে বলতে সাহস পেতো না। গুমড়ে গুমড়ে মরত।
কনসিভ করার পরে যখন আর্ট্রা সাউন্ড করে জানতে পারলো মেয়ে বাবু হবে, তখন নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে গেলো। এই মেয়ে বাচ্চা তারা রাখবে না। পারেনা তো শিশুটাকে মায়ের গর্ভেই মেরে ফেলে! মেয়েটার মা স্বান্তনা দিয়ে বলতো ওরা কেউ বাচ্চা না নিলে আমিই মেযেটাকে নিয়ে পালবো। তবুও তুই মানিয়ে নে!সেই মানিয়ে নিলো জীবন দিয়ে।
কষ্ট-যন্ত্রনা নিরবে চেপে রাখতে রাখতে বাচ্চাটা জন্মের পরপরই মা স্ট্রোক করে মারা যায়। ছোট্ট এক মা। অল্প বয়সী এক মা। যে কি না নিজেই তখন এক শিশু।
মারা গেলো মেয়েটা। আর সেই নরপিশাচটা কিছু দিন পরেই নাচতে নাচতে আরেকটা বিয়ে করে নিলো।
দুধের বাচ্চাটার ঠাঁই হলো নানা নানীর কাছে। গরীব মানুষ। মাছ কেটে জীবিকা চলে। বাচ্চাটাকে রাখারও কেউ নেই। তা-ই পাশে রেখেই কাজ চালাচ্ছে। আহারে জীবন।
ঐ জায়গা ছেড়ে এসেছি আরও প্রায় ৩ বছর আগে।
আজকে আবার দেখা হলো। বড় হয়ে গেছে। এখনও ৫ বছর হয়নি। নানা নানীর সাথে থেকে থেকে এই বয়সেই মাছ কুঁটা শিখে গেছে। আমি গেলে আদর করে দিয়ে আসি। বাচ্চাটার মাথায় হাত রাখলে আমার খুব শান্তি লাগে। মন থেকে দোয়া করি ওর জন্য। সাথে ওর নানা নানীর জন্যেও। বাচ্চার দুনিয়াটা তো ওনারাই!


পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুল...
14/08/2026

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা।

তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই।

একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।

এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে।

উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই।

এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন।

সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।"

এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না।

এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে।

তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে।

শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন।

এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব।

তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন—

প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

৭ বার সূরা ফাতিহা

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

১ বার ইসমে আজম

আয়াতে শিফা

এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত।

এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি।

আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি।

শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।"

যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে।

ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ।

আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।"

তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?"

কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি।

এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।

ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে।

সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ।

অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি।

আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে।

অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই।

আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।"

আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম।

তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah."

এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah."

"আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।"

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।

(এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।)

আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য—

মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো।

সংগৃহীত

আজ পবিত্র জুমাবার । অবশ্যই অবশ্যই বেশী বেশী দুরূদ শরীফ পাঠ করবেন ইংশাআল্লাহ্ ।


কোন এক শবেবরাতে জুমার পবিত্রতম দিনে, উত্তরার কোন এক ভাড়া বাসায়, খুব অনাড়ম্বর ভাবে অল্প সংখ্যক কিছু মানুষের উপস্হিতিতে আম...
07/08/2026

কোন এক শবেবরাতে জুমার পবিত্রতম দিনে,
উত্তরার কোন এক ভাড়া বাসায়, খুব অনাড়ম্বর ভাবে অল্প সংখ্যক কিছু মানুষের উপস্হিতিতে আমার আর রানা সাহেবের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়।
ইংরেজী মাসে ০৭/০৮/০৯ .
দারুণ না তারিখ আর সালটা!?
এরপরে একে একে কেটে গেলো ১৬ টি বছর। আলহামদুলিল্লাহ্ । দিনটি কবে আসে কবে যায় টেরই পাইনা।সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে বিকেলে চা নিয়ে বসলাম। মেয়ে এসে বলে বাবা -মামণি চোখ বন্ধ করে হাত পাতো প্লিজ!
আমরা দুজন-ই চোখ বন্ধ করে হাত পাতলাম।
মেয়েটা আমাদের ১৭তম বিবাহবার্ষিকী তে উপহার দিয়ে আমাদের স্তব্দ করে দিলো। একটু একটু করে টাক্ জমিয়ে এই উপহার কেনা। কবে এত বড় হয়ে গেলো মেয়েটা! এত বুঝদার। মাশাআল্লাহ্ ।
ছোট ছেলেটা এঁকে দিলো ওর ছোট্ট হাতের আঁকা কাবা শরীফ । মাশাআল্লাহ্ । ছেলেটার খুব ইচ্ছে আমরা সবাই মিলে ঐ পবিত্রতম ঘরটা তে যাবো। ওর ধারণা ওখানে গেলে-ই ও আল্লাহ্ কে দেখতে পাবে। সুবহানাল্লহ্ ।

আমার আর চাওয়ার কিছুই নেই। ছোট ছোট প্রাপ্তিই বড় বেশি তৃপ্তিদায়ক। আলহামদুলিল্লাহ্।


আমার কাছে "প্রিয়জন" থেকে "প্রয়োজন" হওয়াটা খুব বেশি স্বস্তিদায়ক লাগে!খুব-ই সিম্পল ব্যপারটা। আমি যখন জানি, আমি কারও "প্রয়ো...
07/08/2026

আমার কাছে "প্রিয়জন" থেকে "প্রয়োজন" হওয়াটা খুব বেশি স্বস্তিদায়ক লাগে!
খুব-ই সিম্পল ব্যপারটা। আমি যখন জানি, আমি কারও "প্রয়োজন" তখন সেই সম্পর্কটাতে আমার কোন দায় থাকে না। আর না থাকে কোন কমিটমেন্ট। প্রয়োজন ফুরালে সেও ভুলে যাবে আর আমিও ভুলে যাবো। ব্যস, তখনকার মত চ্যাপ্টার ক্লোজ।

কিন্তু প্রিয়জন হবার ম্যালা হ্যাপা। অনেক দায়। এর দায় চুকাতে আত্না লাগে। অনেক এফোর্ট দেয়া লাগে সেই সম্পর্কটাকে চিরতরুণ আর সজীব রাখতে। এখানে প্রয়োজনে কোন কিছুই বিকিকিনি হয় না। যা হয় সবই আত্নার আত্নীয়তায়। হৃদ্যতায়। ভালোবাসায় । মায়া-মমতায়।
বর্তমানের এই লাভ-লোকসান, হিসেব নিকেশে যুগে কে-ই বা যাবে সেই আত্নার প্রিয়জন হতে! তারচেয়ে ঢের ভালো প্রয়োজন হয়ে থাকাতে।

ভালো থাকুন আর ভালো রাখুন নিজের কাছের মানুষদের।
এর সাথেই থাকুন। প্রিয়জন বা প্রয়োজন হয়ে।



05/08/2026

Water glass painting .

Inbox for order .



(পড়ুন এক ঈমানজাগানীয়া গল্প। মুস্তফা লুতফির লেখা বিখ্যাত গল্প "প্রতিদান"।)*মিশরের কায়রো শহরের এক কোণে ছোট একটি জীর্ণ ঘরে ...
05/08/2026

(পড়ুন এক ঈমানজাগানীয়া গল্প। মুস্তফা লুতফির লেখা বিখ্যাত গল্প "প্রতিদান"।)
*

মিশরের কায়রো শহরের এক কোণে ছোট একটি জীর্ণ ঘরে বাস করত আহমদ। পেশায় সে ছিল একজন অতি সাধারণ লিপিকার, যে আদালতে মানুষের দরকারি কাগজপত্র লিখে দিত। সততা আর খোদাভীতি ছিল আহমদের জীবনের মূল চালিকাশক্তি। সে তার স্ত্রী এবং তিন বছরের একমাত্র কন্যাসন্তান ফাতেমাকে নিয়ে কোনোমতে দিনাতিপাত করত। তার জীবনে প্রাচুর্য ছিল না, কিন্তু আল্লাহর প্রতি ছিল অটুট ভরসা।

হঠাৎ একদিন এক প্রচণ্ড ঝড় আহমদের জীবনে সবকিছু ওলটপালট করে দিল। মিশরে মহামারী এবং মন্দা দেখা দেওয়ায় আদালতের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। টানা কয়েক সপ্তাহ আহমদের কোনো আয় হলো না। ঘরের জমানো সামান্য খাবার আর সঞ্চয় একে একে শেষ হয়ে গেল।

সেদিন ছিল এক মেঘাচ্ছন্ন রাত। ঘরে এক ফোঁটা তেল কিংবা এক দানা চালও অবশিষ্ট নেই। ক্ষুধার তীব্র যন্ত্রণায় ছোট্ট ফাতেমা কাঁদছিল। মেয়ের কান্না আহমদের বুকে তীরের মতো বিঁধছিল। তার স্ত্রী চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন, "হে আহমদ! আমাদের যা হয় হোক, কিন্তু এই নিষ্পাপ শিশুটিকে তো আর না খাইয়ে রাখা যায় না। বাইরে যান, পরিচিত কারো কাছ থেকে অন্তত এক বেলার খাবারের জন্য কিছু টাকা ধার চেয়ে আনুন।"

আহমদ গভীর এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, "আমি সারাজীবন শুধু সেই এক সত্তার কাছেই হাত পেতেছি, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। মানুষের কাছে হাত পেতে আমি আমার এই অভাবী জীবনেও ঈমানকে ছোট করতে পারব না। তুমি ধৈর্য ধরো, নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে।"

আহমদ অযু করে ঘরের অন্ধকার কোণে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজে দাঁড়াল। সে দীর্ঘ সিজদায় গিয়ে আল্লাহর কাছে আকুল হয়ে কাঁদতে লাগল, "হে পরম দয়ালু রিজিকদাতা! আমার চারপাশের সব দরজা আজ বন্ধ, কিন্তু তোমার রহমতের দরজা তো কখনোই বন্ধ হয় না। তুমি আমার এই অবুজ সন্তানের মুখের দিকে তাকাও।"
*
নামাজ শেষ করে আহমদ যখন জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল, তখন বাইরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। ঠিক তখনই এক অলৌকিক ঘটনা ঘটল। হঠাৎ একটি বড় কালো রঙের শিকারি পাখি জানালার কার্নিশে এসে বসল। আহমদ লক্ষ্য করল, পাখিটির ঠোঁটে কাপড়ের একটি ছোট পুটলি জড়ানো রয়েছে। পাখিটি জানালার কার্নিশে বসামাত্রই তার মুখ থেকে সেই পুটলিটি ঘরের মেঝের ওপর পড়ে গেল এবং পাখিটি ডানা ঝাপটে রাতের অন্ধকারে উড়ে চলে গেল।

আহমদ অবাক হয়ে মেঝে থেকে পুটলিটি তুলে আনল। কাপড়ের শক্ত গিঁটটি খুলতেই ঘরের অন্ধকারে যেন এক ঝলক আলো ছড়িয়ে পড়ল! পুটলির ভেতর ছিল একটি অত্যন্ত মূল্যবান হিরের আংটি, যার ছটায় চারপাশ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল।

স্ত্রী খুশিতে কেঁদে উঠে বললেন, "আল্লাহ আমাদের ডাক শুনেছেন! এটি নিশ্চয়ই কোনো ধনী ব্যক্তির আংটি, যা পাখিটি কুড়িয়ে এনেছে। এটি বিক্রি করলে আমাদের জীবনের সব অভাব দূর হয়ে যাবে।"

কিন্তু আহমদের ঈমানী চেতনা তাকে থামিয়ে দিল। সে আংটিটির দিকে তাকিয়ে দৃঢ় কণ্ঠে বলল, "না! এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা কোনো হালাল রিজিক নয়। পাখিটি নিশ্চয়ই কারো বাড়ি থেকে বা পথ থেকে এটি ছিনিয়ে এনেছে। মালিকের অনুমতি ছাড়া এটি ভোগ করা আমাদের জন্য পুরোপুরি হারাম। আল্লাহ যদি পাখির মাধ্যমে এটি আমাদের ঘরে পৌঁছাতে পারেন, তবে তিনি আমাদের হালাল উপায়েও বাঁচাতে পারেন।"
*
স্ত্রীর চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছিল, কিন্তু আহমদের বিশ্বাসের কাছে সে নতি স্বীকার করল। তারা সেই রাতটি শুধু পানি খেয়ে আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পার করে দিল।

পরদিন সকালে আহমদ আংটিটি নিয়ে কায়রোর প্রধান জুয়েলারি বাজারে গেল। সে বাজারের সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বস্ত জহুরির দোকানে গিয়ে আংটিটি দেখাল এবং গতরাতের পুরো ঘটনা সততার সাথে খুলে বলল।

সব শুনে সেই বৃদ্ধ জহুরি কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে আহমদের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর তার চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। তিনি আহমদের হাত দুটি জড়িয়ে ধরে বললেন, "ভাই! এই আংটিটি আসলে কায়রোর এক আমিরের (প্রধান ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি)। গত পরশু দিন তার প্রাসাদ থেকে এটি নিখোঁজ হয়। তিনি পুরো শহরে ঘোষণা করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি এই আংটিটি ফিরিয়ে দেবে, তাকে পুরস্কার হিসেবে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা দেওয়া হবে! আমি নিজেই তোমাকে তাঁর প্রাসাদে নিয়ে যাচ্ছি।"

আমিরের প্রাসাদে যাওয়ার পর আহমদ যখন আংটিটি ফেরত দিল এবং নিজের চরম অভাবের গল্প শোনাল, তখন আমির আহমদের সততা এবং ঈমানী দৃঢ়তা দেখে গভীরভাবে অভিভূত হলেন। তিনি বললেন, "যে মানুষ এত বড় অভাবের দিনেও আল্লাহর ভয়ে হারাম স্পর্শ করেনি, সে এই দুনিয়ার বুকে এক মহামূল্যবান রত্ন।"
*
আমির তাকে শুধু ঘোষিত এক হাজার স্বর্ণমুদ্রার পুরস্কারই দিলেন না, বরং আহমদকে তার প্রাসাদের প্রধান হিসাবরক্ষক ও লিপিকার হিসেবে একটি স্থায়ী এবং উচ্চ বেতনের রাজকীয় চাকুরিতে নিযুক্ত করলেন।

আহমদ যখন স্বর্ণমুদ্রার থলে আর রাজকীয় নিয়োগপত্র নিয়ে ঘরে ফিরল, তখন তার চোখ দিয়ে আনন্দের অশ্রু ঝরছিল। সে তার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বলল, "দেখেছ? আল্লাহ আমাদের ঈমানের পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। আমি যদি রাতে আংটিটি নিজের মনে করে রেখে দিতাম, তবে আমরা এক টুকরো হারাম সম্পদ পেতাম যা আমাদের ধ্বংস করে দিত। কিন্তু আল্লাহর ওপর অটুট বিশ্বাস রাখার কারণে তিনি সেই কষ্টের ভেতরেই আমাদের জন্য চিরস্থায়ী স্বস্তি আর সম্মানের দরজা খুলে দিলেন...।"

কপি পোষ্ট।


02/08/2026

Hand embroidery.
You can customize any design or any quote.

Inbox for order .



02/08/2026


01/08/2026

আমার "নীলাম্বরী"

তার্কিশ মোটিফের ডেকোরেটিভ সিরামিক পেইন্টিং ।



Address

Banasree, Dhaka1212
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kamrun's Crafts posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share