১. বাহ্যিক অবকাঠামো সুবিধার আধুনিকীকরণ, উন্নয়ন এবং নতুন অবকাঠামো তৈরিকরণ।
২. প্রাথামিক কৃষি পণ্যের মূল্য সংযোজনের লক্ষ্যে দেশে কৃষি ব্যবসা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে অর্থ বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার কর্মসূচি গ্রহণ।
৩. কৃষি বাজার গবেষণা এবং উন্নয়ন সুবিধা বৃদ্ধিকরণ।
৪. কৃষি বাজার সংক্রান্ত কার্যাবলিতে প্রাতিষ্ঠনিক ঋণের ব্যবস্থাকরণ এবং বিদ্যমান ঋণ সুবিধাকে আরো বর্ধিতকরণ।
৫. কৃষি পণ্য বিপণনে নিয়োজিত ব্যক্তিগণের বাজারজাতকরণের সুবিধা প্রধান.
৬. কৃষি বিপণনের ওপর ভিত্তি করে আধুনিক তথ্য এবং প্রযুক্তি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠাকরণ।
৭. কৃষকদের দরকষাকষির ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকার কৃষক সংগঠন যেমন- দলগত বিপণন, চুক্তি বিপণন, উৎপাদক সমবায়, বাজারজাতকরণ সমিতি প্রভৃতি গঠন.
১০. সংগ্রহোত্তর ক্ষতি হ্রাসের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবস্থাকরণ।
১১. পচনশীল কৃষি পণ্যের ক্ষেত্রে পরিবহন সুবিধার উন্নয়ন এবং হিমায়িত চেইন পদ্ধতির উন্নয়ন সাধন।
১২. কৃষিখাতে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেন ।
১৩. দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়াগত পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কৃষি পণ্যের জন্য সরেজমিনে আধুনিক স্টোরেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ।
১৪. কৃষকের উৎপাদন ঝুঁকি কমানোর জন্য শস্য বীমা প্রবর্তন।
১৫. কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাতকৃত কৃষি পণ্য বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ।
১৬. সংগ্রহোত্তর ও অননুমোদিত খরচ কমিয়ে বাজারজাতকরণ খরচ কমানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
১৭. আলু ছাড়াও ফলমূল, শাকসবজি সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ সুবিধার উন্নয়ন এবং স্থাপনের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান।