MasHon

MasHon This page is all about crafts, how to make DIY art, cards, creative ideas,tips & tricks Please note all our products are 100% genuine.

Terms & Conditions of Order:

**Majority of products @ London Shopping Center are Pre-Order Only. Hence orders must be placed beforehand with at least 50% deposit at the time of confirmation. Deposits can be made in one of the following ways:
**Bank deposit
**B Kash

**Once orders are placed and confirmation of payment is received, it usually takes 3 weeks for goods to be delivered unless specifi

ed otherwise.

**Please note that majority of our products are imported from the UK Only.

**No products are refundable or exchangeable once bought.

**We request our customers to adopt caution while choosing products. London Shopping Center does not sell any counterfeit products.

26/05/2026

তাকবীরে তাশরীক পাঠ করাঃ

প্রত্যেক বালেগ পুরুষ ও নারীর উপর ফরয নামায শেষ করে ১ বার উচ্চস্বরে পড়া ওয়াজিব। নারীরা নিজে শুনতে পারবে এমন ভাবে পড়বে বেশি উচু স্বরে পড়বে না।

তাকবীর হলঃ

اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ،
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ
ﻭ ﻟِﻠّﻪ الحَمْدُ
“আল্লহু আকবার আল্লহু আকবার
লা-ইলাহা ইল্লাল্লহু
ওয়াল্লহু আকবার আল্লহু আকবার
ওয়ালিল্লাহিল হামদ”

কবে ও কখন পড়তে হবেঃ

০৯ জিলহজ্জ্ব = ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা

১০ জিলহজ্জ্ব = ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা

১১ জিলহজ্জ্ব = ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা

১২ জিলহজ্জ্ব = ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা

১৩ জিলহজ্জ্ব = ফজর, যোহর, আসর..

সকল ওয়াক্তে ফরয নামাযের সালামের পরপর ১ বার পুরুষরা উচ্চ স্বরে পড়বে আর নারীদের নিজে শোনার মত পড়তে হবে।এভাবে মোট ২৩ ওয়াক্ত।

সুন্নাত নফল ওয়াজিব নামাযে পড়া লাগবে না।

রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন🤲🏻
সওয়াবের উদ্দেশ্যে পোস্ট টা কপি/শেয়ার করে নিজের আমলনামায় সওয়াবে জারিয়াহ এর ব্যবস্থা করতে পারেন ইনশাআল্লাহ

19/05/2026

জিলহজ্জ্বের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়।

🌸৫ ওয়াক্ত সলাত যথাসময়ে মনোযোগের সাথে আদায় করা।
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত।

🌸 প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা। অল্প হলেও নিয়মিত পড়া।

🌸বেশি বেশি ইস্তিগফার পাঠ করা।সব থেকে ছোট ইস্তেগফার হলো—‘আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়াতুবু ইলাইহি’ অথবা শুধু ‘আস্তগফিরুল্লাহ’

🌸যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা——কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করা।

🌸বেশি বেশি দুরুদ পড়া (দরুদে ইব্রাহিম সর্বোত্তম দরুদ) “সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম" শুধু এতটুকু পড়লেও দুরুদ পড়া হয়।

🌸 ১০ দিনের বিশেষ যিকির——তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া।আল্লাহু আকবার;আলহামদুলিল্লাহ;লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ;সুবহান-আল্লাহ।
এভাবেও পড়া যায়——আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার,ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

🌸নফল সালাত— ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া।বিশেষ করে- তাহাজ্জুদ,সলাতুদ দুহা

🌸সদকা করা—সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা।অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া।

🌸আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দু’আ লিস্ট রেডি করা ও বেশি বেশি নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দু’আ করা।

🌸আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া—এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দেয়া।

🌸সম্ভব হলে জিলহজ্জ্বের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখা। বিশেষকরে আরাফার দিনের রোযা অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজ্জ্বে যায়নি। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের বছরের গুনাহ মাফ হয়।সুবহানআল্লাহ!

রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন——
“আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশাবাদী যে,এতে তিনি পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহসমূহ মাফ করে দিবেন”—সহিহ মুসলিম হাদিস নং-২৬৩৬

🌸আরাফার রোযা ৯ই জিলহজ্জ্ব অর্থাৎ ঈদের আগের দিন। বাংলাদেশে ঈদ সৌদির একদিন পরে হয়। তাই আলেমগণ বলেন ঈদের আগের দুই দিন রোযা রাখতে।

🌸হজ্জ্বের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা—যারা হজ্জ্বে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।আমরাও বলি—"লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক"
অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি। হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।

🌸পরিবারের মাঝে ও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা—
আমাদের মা-বাবা, সন্তান,ভাই-বোন,স্বামী-স্ত্রী সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও জিলহজ্জ্বের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।

🌸কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা—যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি জিলহজ্জ্বের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ কাটবেন না।

🌸ভালো কাজের পরিকল্পনা রাখা——সবার সাথে ভাল ব্যবহার করা,কাউকে সাহায্য করা,আত্মীয়ের খোঁজ নেয়া,কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া, ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো,আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, রাগ নিয়ন্ত্রন করা,অন্তরকে নরম করা,নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা।

🌸ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা—ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সলাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।

🌸কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।

অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করা।হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি।
আল্লাহ আমাদের জিলহজ্জ্বের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন 🤲🏻

17/05/2026

জিলহজ্জ্ব মাসের শুরু এবং হজ্জ্বের সময়টাতে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে কিছু সাধারণ মাসআলা, আমল এবং তারিখ নিয়ে বেশ কিছু কনফিউশন বা ভুল ধারণা তৈরি হয়।জিলহজ্জ্ব মাসের প্রধান কয়েকটি বিভ্রান্তি এবং তার সঠিক তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

১) জিলহজ্জ্ব মাস কবে শুরু?

আরবী মাস চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।

যদি জিলক্বদ মাস ২৯ দিনে শেষ হয় তাহলে ১৮ ই মে দিবাগত সন্ধ্যা থেকে ১লা জিলহজ্জ্ব শুরু হবে ইনশাআল্লাহ।
অর্থাৎ ১৯ মে থেকে রোজা রাখতে হবে।
আর যদি জিলক্বদ মাস ৩০ দিনে শেষ হয় তাহলে ১ দিন যোগ হবে।

২) রোযা রাখবো কবে?

যদি জিলহজ্জ্ব মাস ২৯ দিনে হয় অর্থাৎ ১৮মে সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায় ,তাহলে রাতেই সাহরি খেয়ে ১৯ মে মঙ্গলবার থেকে জিলহজ্জ্বের রোযা রাখা শুরু করতে হবে।আর যদি ৩০ দিনে হয় তাহলে পরেরদিন থেকে।

৩) কতগুলো রাখবো?

রোযা মোট ৯ টা (১~৯ জিলহজ্জ্ব)। সবগুলো রাখাই উত্তম।
সব না পারলে সাধ্যমত রাখতে হবে।
অন্তত কিছু না হলেও শেষের দুটো রোযা (৮, ৯ জিলহজ্জ্ব) বা শেষ (৯ জিলহজ্জ্ব) একটা রোযা রাখা উচিত। ২ টি রাখা উত্তম।

অনেকেই দ্বিধায় পড়েন যে তারা সৌদি আরবের হাজিদের আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের দিন (৯ই জিলহজ্জ্ব) রোজা রাখবেন, নাকি নিজ দেশের তারিখ অনুযায়ী ৯ই জিলহজ্জ্বে রোজা রাখবেন।

অধিকাংশ ইসলামিক স্কলারদের মতে, প্রত্যেক দেশ তার নিজস্ব চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ৯ই জিলহজ্জ্বে আরাফার রোজা রাখবে। চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন দেশে রোজা ভিন্ন দিনে হতে পারে, যা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

এগুলো নফল রোযা।কেউ না রাখলে গুনাহ হবে না।

৪) শুনেছি ঈদের আগের দিন রোযা রাখা হারাম?

ভুল শুনেছেন।বছরের ৫ দিন রোযা রাখা হারাম।
শাওয়ালের ১ তারিখ (রোযার ঈদের দিন), জিলহজ্জ্বের ১০, ১১, ১২, ১৩ তারিখ (কুরবানি ঈদের দিন ও পরের ৩ দিন)।মোট ৫দিন।

৫) আমি তো কুর'বানী দিবো না তাহলে?

এই রোযা গুলো নফল।কুরবানীর সাথে সম্পর্ক নেই। রাখলে সওয়াব পাবেন,না রাখলে পাবেন না।

৬ ) শুনেছি যারা কুরবানী করবে তারা নখ চুল ইত্যাদি কাটবে না?

জী। যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য সুন্নাত হলো জিলহজ্জ্ব শুরুর পর থেকে কুরবানী না করা পর্যন্ত চুল, নখ,গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার না করা।

এজন্য জিলহজ্জ্ব মাস শুরুর আগেই এই কাজ গুলো করে নিতে হবে।যারা কুর'বানী করবে না তারাও এই আমল গুলো করলে সওয়াব পাবে ইনশাআল্লাহ।নারী পুরুষ ছেলে মেয়ে সবাই করতে পারবে এই আমল।

৭) রোযা রাখতে গিয়ে যদি সাহরি খেতে না পারি?

সাহরি খাওয়া সুন্নাত।ইচ্ছা করে ত্যাগ করা যাবে না।
যদি ঘুমের কারনে টের না পাওয়া যায় তাহলে কিছু না খেয়ে শুধু নিয়ত করে রাখলেই রোযা হবে।

৮ ) আরাফার দুআ ও তাকবীরে তাশরীক কি?

আরাফার দুআ আরাফার দিনে পড়তে হয়। তবে সেটা অন্যান্য যে কোন সময়ও পড়া যাবে।
দুআ টি হলোঃ
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ
وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ
لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ
وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাই ইং ক্বদির।

৯) এ সময় কি যাকাত দেওয়া যাবে?

জী যাবে। যাকাত যে কোন সময় দেওয়া যায়।

১০) কুরবানী কী সবার করতে হবে?

যার উপর কুর'বানী ওয়াজিব,তাঁর কুর'বানী করতে হবে।মহিলাদের ক্ষেত্রেও কুরবানীর শর্ত পূরণ হলে তাঁকেও কুর'বানীর ওয়াজিব আদায় করতে হবে।

আল্লাহ সকলকে আমল করার তৌফিক দিন 🤲🏻

15/05/2026
27/04/2026

জিলক্বদ মাস হলো হিজরি ক্যালেন্ডারের ১১তম মাস
এবং কুরআন ঘোষিত ৪টি পবিত্র ও হারাম (সম্মানিত) মাসের অন্যতম।

এই মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ এবং হজের প্রস্তুতির মাস হিসেবে এটি পরিচিত।

জিলক্বদ মাসে নফল রোজা, বেশি বেশি আল্লাহর জিকির, তওবা-ইস্তিগফার, কোরআন তিলাওয়াত এবং দান-সদকার মতো নেক আমল করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।

জিলক্বদ মাসের ফজিলত ও তাৎপর্য:

হারাম মাস: এটি আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত সম্মানিত মাসগুলোর একটি, যেখানে পাপাচার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

হজের প্রস্তুতি: এই মাসে হজের উদ্দেশ্যে মক্কায় যাত্রা শুরু হয় এবং হজের বিধান অবতীর্ণ হয়েছিল।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব: হুদায়বিয়ার সন্ধি ও বায়য়াতে রেদওয়ান এই মাসেই সংঘটিত হয়েছিল।

ইবাদতের সময়: এই মাসটি আগের ধারাবাহিক ইবাদতের মাসগুলোর (রমজান, শাওয়াল) পর আত্মশুদ্ধি ও বিশ্রামের মাস হিসেবে গণ্য।

জিলক্বদ মাসের বিশেষ আমল:

১. নফল রোজা
২. তওবা ও ইস্তিগফার
৩. জিকির ও কোরআন তিলাওয়াত
৪. দান-সদকা
৫. পাপ থেকে বিরত থাকা

বিশেষ সতর্কবার্তা:

জিলক্বদ মাসের নির্দিষ্ট কিছু দিনে রোজা বা ইবাদতের নামে প্রচলিত ভিত্তিহীন আমল থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করতে হবে।

Address

Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MasHon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MasHon:

Shortcuts

Share