টেরারিয়াম

টেরারিয়াম এই #হাউজ #ডেকর আইটেম প্রথম দেখায় আমার ম?

মুক্তা রাতে প্রথম স্বামীর কাছে থাকতেন  সকালে স্বামী কাজে বের হলেই প্রতিদিন সকাল ৯-১০টার মধ্যে বান্ধবীর বাসা’য় যাওয়ার কথা...
29/04/2026

মুক্তা রাতে প্রথম স্বামীর কাছে থাকতেন সকালে স্বামী কাজে বের হলেই প্রতিদিন সকাল ৯-১০টার মধ্যে বান্ধবীর বাসা’য় যাওয়ার কথা বলে দ্বিতীয় স্বামী মামুনের বাসায় চলে যেতেন। সেখানে সারাদিন রান্নাবান্না ও দেখাশোনা করতেন। এভাবে দুই সংসার সামলানোর বিষয়টি দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকলেও হঠাৎ করে প্রথম স্বামী দেখতে পান টিভি,কম্বল ব্যাংক চেক বই এন আই ডি কার্ড ঘরে কোথাও নেই স্বামীর সন্দেহ হলে তিনি নজরদারি শুরু করেন এবং বরিশালে দ্বিতীয় স্বামীর বাসায় ঢোকার সময় মুক্তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।এরপর দুজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্বামী বলেন তুমি আমাকে তালাক না দিয়ে এখানে আসছো কেন। তখন স্ত্রী বলেন তোর তালাক না দিয়ে আমি আইছি কেমনে। তখন স্বামী বলেন তালাকের কাগজ কই মুক্তা তখন এড়িয়ে যান এবং নিজেকে নির্দোষ দাবি করে উল্টো প্রথম স্বামীর বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তোলেন।

ভুক্তভোগী প্রথম স্বামী বলেন মুক্তাকে বিশ্বাস করে স্ত্রীকে স-মিলের জমি, প্রায় সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার দেন। দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পান তার কম্বল দ্বিতীয় স্বামীর ঘরে,পাশাপাশি এনআইডি কার্ড, ব্যাংকের চেকবই ও টিভিও মুক্তা নিয়ে গেছেন। এমনকি সেই জমি গোপনে বিক্রির চেষ্টা করতেছেন।

ঘটনার মোড় ঘোরে দ্বিতীয় স্বামী মামুনের প্রথম স্ত্রী সামনে এলে। ভুক্তভোগী স্ত্রী বলেন তাদের দুই সন্তান রয়েছে এবং তার স্বামী আগে থেকেই নারীঘটিত বিষয়ে জড়িত এর আগেও এক নারীর সাথে পরকীয়া নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা হয়েছে। মামুনকে জেল থেকে ছাড়ানোর জন্য আমি অনেক কষ্ট ও অর্থ ব্যয় করেছি। মামুন আমার সাথে প্রতারণা করেছে আমি এর বিচার চাই। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল শহরে।
সংগৃহীত পোস্ট

এইডা কোন কথা!!!🥺🥺🥺🥺🥺৫ বছরের প্রবাস জীবন। কত স্বপ্ন, কত আশা নিয়ে একজন মানুষ দূর পরবাসে পাড়ি জমান, শুধু নিজের পরিবারের মুখ...
06/04/2026

এইডা কোন কথা!!!🥺🥺🥺🥺🥺

৫ বছরের প্রবাস জীবন।
কত স্বপ্ন, কত আশা নিয়ে একজন মানুষ দূর পরবাসে পাড়ি জমান, শুধু নিজের পরিবারের মুখে একটু হাসি ফোটাবেন বলে।
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত প্রতিটি পয়সা পাঠিয়ে দেন দেশে থাকা প্রিয় মানুষটির কাছে। কিন্তু সেই স্বপ্নের ঘরে যদি অবিশ্বাসের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে, তবে একজন প্রবাসীর পুরো পৃথিবীটাই যেন থমকে যায়।
ফেনীর বালিগাঁও ইউনিয়নের সিঙ্গাপুর প্রবাসী নুরুল আলমের জীবনেও হয়তো নেমে এসেছে এমনই এক ঘোর অন্ধকার।
২০১৫ সালে লিমা আক্তারের সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের তিন বছর পর তাদের কোল আলো করে আসে একটি ফুটফুটে পুত্রসন্তান। সুন্দর সাজানো গোছানো একটি সংসারের গল্পটা হয়তো এমন মধুরই হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ২০২০ সালের দিকে স্ত্রীর চলাফেরা ও আচরণে পরিবর্তন অনুভব করেন তিনি। দূর প্রবাসে বসে বুকের ভেতর জমতে থাকে সন্দেহের পাহাড়।
অবশেষে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে ফিরে তিনি এমন এক পদক্ষেপ নেন, যার ফলাফল চমকে দিয়েছে সবাইকে।
দীর্ঘদিনের সন্দেহের অবসান ঘটাতে কৌশলে স্ত্রীর শরীরের নমুনা নিয়ে ডিএনএ (DNA) টেস্ট করান তিনি। আর সেই টেস্টের যে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা যেন কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়!
খবরে বলা হচ্ছে, সিএনজি চালক, মুদি ও বিকাশ দোকানদারসহ প্রায় ৪৭ জনের আলামত মিলেছে সেই রিপোর্টে!
বিশ্বাস, ভালোবাসা আর নির্ভরতার যে বন্ধন ৫ বছর ধরে অটুট থাকার কথা, তা আজ এক নিমিষেই যেন ধুলোয় মিশে গেছে। চরম হ/তা/শা আর বিশ্বাস/ভ/ঙ্গে/র এই করুণ পরিণতিতে প্রবাসী নুরুল আলম এখনও জানেন না তার জীবনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে।
সব হারিয়ে আজ এক প্রবাসীর হৃদয় কতটা ক্ষতবিক্ষত, তা হয়তো শুধু তিনিই অনুভব করতে পারছেন।
আসুন সামাজিক নিরাপত্তা ও ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজকে ঢেলে সাজায়।
কপি

ললিতা এক্সপ্রেস কি? এপস্টিন ফাইলের সাথে এর সম্পর্ক কিন্তু আলু আর ফুলকপির মতন- 'ললিটা এক্সপ্রেস' শুধুমাত্র একটি বিলাসবহুল...
11/02/2026

ললিতা এক্সপ্রেস কি? এপস্টিন ফাইলের সাথে এর সম্পর্ক কিন্তু আলু আর ফুলকপির মতন-

'ললিটা এক্সপ্রেস' শুধুমাত্র একটি বিলাসবহুল ব্যক্তিগত জেট ছিল না—তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বর্ণনায় এটি ছিল আধুনিক ইতিহাসের ভয়াবহ মানবপাচার নেটওয়ার্কের একটি কেন্দ্রীয় মাধ্যম। ১৯৬৯ সালে নির্মিত বিমানটি পরে এমনভাবে রূপান্তর করা হয়, যাকে কেউ কেউ “উড়ন্ত খেলার মাঠ” বলে আখ্যা দিয়েছেন—নরম আবরণ দেওয়া মেঝে, বিছানা, লাল মখমলের পর্দা। এই বিমানে ভ্রমণ করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান, রাজপরিবারের সদস্য, বিলিয়নিয়ার, তারকা ব্যক্তিত্ব! আর তাদের সঙ্গে রাখতো অসহায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা। সবচেয়ে ভয়ের বিষয়, বহু বছর ধরে বিমানটি আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় চলাচল করেছে, যেখানে তদারকি ও বিচারিক কর্তৃত্ব কার্যত এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

বিভিন্ন সময় প্রকাশিত ফ্লাইট লগ ও সাক্ষ্যে যেসব নাম যাত্রী হিসেবে উঠে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, তাদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন (ডজনখানেক ভ্রমণের উল্লেখ পাওয়া যায় বলে দাবি), ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্রিটিশ ডিউক অব ইয়র্ক প্রিন্স অ্যান্ড্রু, অভিনেতা কেভিন স্পেসি (যিনি আলাদাভাবে যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আলোচনায় ছিলেন), মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, সুপারমডেল নাওমি ক্যাম্পবেল, আইনজীবী অ্যালান ডারশোভিটজ, সাবেক মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি ল্যারি সামার্স, সাবেক সিনেট নেতা জর্জ মিচেল, কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস পাস্ত্রানা, কৌতুক অভিনেতা ক্রিস টাকার, গিলেইন ম্যাক্সওয়েল—এপস্টাইনের সহযোগী ও ভিকটিম নিয়োগের অভিযোগে দণ্ডিত ব্যক্তি, এবং সারা কেলেন, যিনি মেয়েদের নিয়োগে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত। আরও অনেক ক্ষেত্রে শুধু আদ্যক্ষর—H, L, A—বা “মহিলা”, “কিশোরী”, “স্টাফ”, “সহকারী” ইত্যাদি পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে এদের মধ্যে অনেকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে মিলে গেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে আসে, আবার অনেকে রয়ে গেছে অজ্ঞাত। অর্থাৎ, মেয়েদের প্রকৃত পরিচয় ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখার প্রবণতা স্পষ্ট। অর্থাৎ বিভিন্ন কিশোরী নারীদের বিমানের স্টাফ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হত, বাস্তবে তারা ছিলো ঐ সব অসহায় ভুক্তভোগী নারী।
এখানে সবচেয়ে দৃষ্টি দেওয়ার বিষয় হল বিমানের নাম—“ললিটা”। কেন এই নাম?

মার্কিন ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জের স্থানীয়দের কাছ থেকেই “ললিটা এক্সপ্রেস” নামটির প্রচলন শুরু হয় বলে জানা যায়। কারণ বিমানটি নিয়মিত লিটল সেন্ট জেমস (এপস্টাইন) দ্বীপে আসত, সঙ্গে থাকত অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা। পরে সংবাদমাধ্যমে নামটি ছড়িয়ে পড়ে। আরও বিস্ময়কর অভিযোগ হলো, এপস্টাইন এই নাম বা এর প্রতীকী অর্থ এড়িয়ে যায়নি, নিজেই মনে ধারণ করত! বরং সচেতনভাবেই “ললিটা” রূপককে গ্রহণ করেছিলেন বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে বলা হয়। আর রহস্যটা এখানেই লুকিয়ে আছে।

ললিটা” মূলত রুশ-আমেরিকান লেখক ভ্লাদিমির নাবোকভের বহুল বিতর্কিত উপন্যাসের নাম। কাহিনিতে মধ্যবয়সী সাহিত্য শিক্ষক হামবার্ট নামের একজন ১২ বছর বয়সী মেয়ে ডলোরেস হেইসের প্রতি [যৌ]ন আসক্ত হয়ে পড়ে, মেয়েটিকে “ললিটা” নামে ডাকে! প্রথমে কৌশলে মেয়েটির মাকে বিয়ে করে তাদের কাছে ভিড়ে, পরে মায়ের রহস্যজনক মৃত্যুর পর মেয়েটিকে নিয়ে ভ্রমণে বেরিয়ে তাকে যৌনভাবে শোষণ করে, আবার সবার সামনে নিজেকে মেয়েটির অভিভাবক হিসেবে উপস্থাপন করে। উপন্যাসটি ভয়াবহ, কারণ গল্পটি বলা হয়েছে অপরাধীর নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে— সে সাহিত্যিক ভাষায় নিজের অপরাধকে যুক্তিসঙ্গত করার চেষ্টা করে, আর পাঠককে বাধ্য করে [শি]*শু যৌ**ন শোষণের নগ্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে।

কিন্তু সাহিত্য আর বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য এখানেই—গল্পের লেখক নাবোকভ এই আচরণকে গৌরব দেননি, বরং হামবার্ট চরিত্রকে এক ছদ্মবেশী দানব হিসেবে দেখিয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী বাস্তবে জেফ্রি এপস্টাইন যা করছিল, তা ছিল সেই একই ধরনের শোষণ। কিন্তু সে সংগঠিত, প্রভাবশালী যোগাযোগের ছায়ায়, এবং কথিতভাবে শক্তিশালী ব্যক্তিদের নেটওয়ার্কের সুরক্ষায় সব অপকর্ম করেছিলো। “ললিটা এক্সপ্রেস” নামটি তাই শুধু একটি ডাকনাম ছিল না; অনেকের কাছে এটি ছিল এক ভয়ংকর ইঙ্গিত, যা ধনবান ও প্রভাবশালী পুরুষদের হাতে পদ্ধতিগতভাবে অ[প্রা]প্তবয়**স্ক মেয়েদের যৌ**ন শোষণের প্রতীক।

08/02/2026

একটু টাইম পাস করেন

07/02/2026

বলেন ত দেখি সমস্যা কন কন জায়গায়???

06/02/2026

কেমনে কি??? কমেন্ট ক্রুইন যে ....

06/02/2026

চলেন একটা খেলা খেলি

বউ এর হাত থেকে পালাতে গিয়ে ...... ...... এক মজার অথচ সত্যিকারের গল্প বলি। সত্তর বছর বয়সী লরেন্স জন রিপলের গল্প। দাম্পত্য...
05/02/2026

বউ এর হাত থেকে পালাতে গিয়ে ...... ......

এক মজার অথচ সত্যিকারের গল্প বলি। সত্তর বছর বয়সী লরেন্স জন রিপলের গল্প। দাম্পত্য জীবনে একদিন ঘরের সামান্য এক বিষয় নিয়ে বউয়ের সাথে তর্কের জেরে তিনি বলে বসলেন, "থাকলাম না আর এই বাসায়! তোমার সাথে থাকার চাইতে জেলে থাকাও অনেক ভাল!"

ঘটনাটি ২০১৬ সালের। যেমন কথা তেমন কাজ। এরপর তিনি কি ভেবে চলে গেলেন এক ব্যাংকে। সেখানে ক্যাশ কাউন্টারে গিয়ে সামনে থাকা
অফিসারের হাতে একখানা ছোট্ট কাগজ ধরিয়ে দিলেন।
সেখানে লেখা ছিল, "আমি এই ব্যাংকে ডা কা তি করতে এসেছি। আমার কাছে ব ন্দু ক আছে। যা কিছু আছে সব দিয়ে দাও!"
এই লেখা পড়ে সেই অফিসার তৎক্ষণাৎ তার হাতে ৩০০০ ডলার ধরিয়ে দিল। কিন্তু সেটা নিয়ে জন পালালেন না, বরং চুপচাপ সামনের চেয়ারে বসে রইলেন!

ব্যাংকের কাছেই ছিল পুলিশ স্টেশন। যথারীতি তারা এলো, এবং জনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল।

জনও এটাই চাচ্ছিলেন, জেলে যেতে হবে, বউয়ের কাছ থেকে কিছুদিন দূরে গিয়ে থাকতে হবে।
আদালতে তোলা হলে বিচারক সব কিছু মন দিয়ে শুনলেন, তারপর তিনি রায় দিলেন- আগামী ৬ মাস জনকে তার বাড়িতেই আটকে রাখতে হবে, তিনি বাড়ির বাইরে ভুলেও যেতে পারবেন না!

এবার বুঝুন বেচারার কি অবস্থা।

এইটা কেমনে কি ?
04/02/2026

এইটা কেমনে কি ?

এপ্সটিন ফাইলে আরবের সুলতান আহমেদ বিন সুলাইম এপস্টিন ফাইলে যে আরব/মুসলমানের নাম সবচেয়ে বেশিবার এসেছে, সে হচ্ছে সুলতান আহম...
04/02/2026

এপ্সটিন ফাইলে আরবের সুলতান আহমেদ বিন সুলাইম

এপস্টিন ফাইলে যে আরব/মুসলমানের নাম সবচেয়ে বেশিবার এসেছে, সে হচ্ছে সুলতান আহমেদ বিন সুলাইম।

এপস্টিনের সাথে তার সম্পর্ক কতটা গভীর ছিল, আর দুইজনের চরিত্রে কতটা মিল ছিল, সেটা ২০০৭ সালের মার্চ মাসে এপস্টিনের পাঠানো একটা ইমেইল থেকেই বোঝা যায়।

বিন সুলাইমের জন্য কিছু একটা "উপভোগ" করার ব্যবস্থা করিয়ে দেওয়ার পর ঐ ইমেইলে এপস্টিন লেখে, "আশা করি তুমি অনেক মজা পেয়েছ। তোমাকে বন্ধু হিসেবে পেয়ে আমি আনন্দিত। আমার জীবনে তুমিই একমাত্র ব্যক্তি, যে আমার মতোই ক্রেজি।"

প্রশ্ন হচ্ছে, কে এই সুলতান বিন সুলাইম?

সুলতান বিন সুলাইম হচ্ছে আরব আমিরাতের শাসকগোষ্ঠীর খুবই ঘনিষ্ঠ একজন ব্যক্তি এবং দুবাই ভিত্তিক মাল্টিন্যাশনাল কার্গো ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান।
ডিপি ওয়ার্ল্ড কোম্পানিটার নামের সাথে বাংলাদেশীদের পরিচয় থাকার কথা। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই কোম্পানিকে। চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করতে এই বিন সুলাইম গত বছর বাংলাদেশেও এসেছিল এবং প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেছিল।
এপস্টিন ফাইলস থেকে জানা যায়, অন্তত ২০০৫/২০০৬ সাল থেকেই এপস্টিনের সাথে বিন সুলাইমের অস্বাভাবিক রকমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এবং একেবারে শুরু থেকেই সেই সম্পর্কের সাথে জড়িয়ে আছে অশ্লীলতা এবং নোংরামি।

২০০৭ সালের নভেম্বর মাসের একটা ইমেইল থেকে দেখা যায়, বিন সুলাইম এপস্টিনকে এক মেয়ের কথা বলছে, যার সাথে তার নিউইয়র্কে একাধিকবার দেখা হয়েছিল। এপস্টিনকে সে জানায়, "সে আমার সাথে দেখা করছিল business এর ব্যাপারে, যদিও আমার লক্ষ্য ছিল মূলত pussyness!"

উত্তরে এপস্টিন লেখে, "আল্লাহর কাছে শোকর করো যে এখনও তোমার মতো আরও মানুষ আছে।"
২০১৫ সালের আগস্ট মাসের এক ইমেইলে দেখা যায়, বিন সুলাইম এপস্টিনকে একটা পর্নোগ্রাফিক সাইটের ঠিকানা পাঠিয়েছে।

এরপর ২০১৬ সালের আরেক ইমেইলে দেখা যায়, এপস্টিন বিন সুলাইমকে ম্যাসেজ পাঠিয়েছে, "আজ রাতে দুবাইয়ে কোনো মেয়েই নিরাপদ না।"

শুধু টেক্সট না, বিন সুলাইমের সাথে এপস্টিনের বেশ কয়েকটা ছবিও বের হয়েছে। একটা ছবিতে দেখা যায়, বিন সুলাইম নিজে এপস্টিনের জন্য কিছু একটা রান্না করছে।
আরেকটা ছবিতে দেখা যায়, তারা মুখোমুখি কোথাও বসে আছে, আর সেখানে এপস্টিনের কোলে বসে আচ্ছে অত্যন্ত অল্পবয়সী একটা মেয়ে।

বিন সুলাইমের বিভিন্ন ইমেইলে প্রচণ্ড রকমের ইসলামবিদ্বেষেরও প্রমাণ মেলে।

যেমন ২০১৬ সালের জুলাই মাসের একটা ইমেইলে দেখা যায়, বিন সুলাইম এপস্টিনকে লিখেছে,
আমার এক বন্ধু সৌদি আরবের এক মসজিদে গিয়েছিল। সে বলেছে, এতগুলো সন্ত্রাসীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে এটা বোঝা কঠিন, পাশে দাঁড়ানো লোকটা হাত দিয়ে তার অণ্ডকোষ চুলকাচ্ছে, নাকি বোমার ডেটোনেটরের বোতাম হাতাচ্ছে।
এই অশ্লীল এবং জঘন্য পোস্টগুলো ছাড়াও, বিন সুলাইমই হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যার মাধ্যমে ইসরায়েলের সাথে আরব আমিরাতের গোপন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

২০১৪-১৫ সাল থেকে শুরু করে একাধিক ইমেইল থেকে দেখা যায়, এপস্টিন বিন সুলাইমের সাথে সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইহুদ বারাকের যোগাযোগ এবং সাক্ষাতের ব্যবস্থা করিয়ে দিচ্ছে।
বিন সুলাইমের মেয়ের চিকিৎসার জন্যও এপস্টিন ইসরায়েলের একটা হসপিটালে অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে দেয়।

এপস্টিনের মধ্যস্থতায় ইহুদ বারাকের মাধ্যমে বিন সুলাইম এবং এরপর আরও একাধিক আমিরাতি ব্যবসায়ী ইসরায়েলি সিকিউরিটি কোম্পানিগুলোর ব্যবসায় ইনভেস্ট করে।
এবং এই সম্পর্কের সূত্র ধরেই পরবর্তীতে ইসরায়েলের সাথে আরব আমিরাতের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয় এবং একপর্যায়ে তারা আব্রাহাম অ্যাকর্ডে স্বাক্ষর করে।

এছাড়াও সম্প্রতি ইসরায়েল যে সোমালিয়ার একটা বিচ্ছিন্নতাবাদী অংশ সোমালিল্যান্ডকে পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, জানা যায়, তার পেছনেও এপস্টিন এবং বিন সুলাইমের কানেকশন ছিল।
বিন সুলাইম তার ডিপি ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে পূর্ব আফ্রিকার অনেকগুলো পোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে। সোমালিল্যান্ডেও তার প্রায় ৪৪০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আছে। এবং সেই স্বার্থেই সে আরও কয়েক বছর আগে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে এপস্টিনের সাথে আলাপ করেছিল।

পরবর্তীতে এই বছর ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়।
এপস্টিন মারা গেছে। কিন্তু এপস্টিনের সহযোগীরা এখনও বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে এবং তাদের কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।

সবাই গেল কই?
03/02/2026

সবাই গেল কই?

Address

Gazipura

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when টেরারিয়াম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share