নকশিবাড়ির ছোঁয়া

নকশিবাড়ির ছোঁয়া It is a long established fact that a reader will be distracted by the readable content of a page when looking at its layout.

The point of using Lorem Ipsum is that it has a more-or-less normal distribution of letters, as opposed to using

'বড় ভাইরা তোকে ডাকে' এই বলে রাতে এসেছিল খুনিরা😥😥On October 6, 2019, Abrar Fahad, a second-year student in the Electrica...
06/10/2024

'বড় ভাইরা তোকে ডাকে' এই বলে রাতে এসেছিল খুনিরা😥😥

On October 6, 2019, Abrar Fahad, a second-year student in the Electrical and Electronic Engineering department at Bangladesh University of Engineering and Technology, was murdered inside BUET's Sher-e-Bangla Hall by activists of Chhatra League, student wing of then ruling party Awami League.

30/08/2024

বন্যা দুর্গত ফেনীর রাজপথে ভারতীয় পন্য বর্জনের আহবান।

আমরা হচ্ছে "ব্যাপার না" জাতি।পৃথিবীর যতো সমস্যাই আসুক না কেন আমরা বলি "আরেহ্, ব্যাপার না"। ঠিক এই ছবিটার মতো।অদ্ভুত এক ম...
23/08/2024

আমরা হচ্ছে "ব্যাপার না" জাতি।

পৃথিবীর যতো সমস্যাই আসুক না কেন আমরা বলি "আরেহ্, ব্যাপার না"। ঠিক এই ছবিটার মতো।

অদ্ভুত এক মানসিক জোড়ে আমরা বিশ্বাস করি সব ঠিক হয়ে যাবে। তা সে যতো বড় সমস্যাই হোক না কেন?

হলফ করে বলতে পারি, এতো মানসিক শক্তি নিয়ে পৃথিবীর খুব কম জাতিই জন্মেছে।

নতুন করে দেশ গড়া শুরু করতে না করতেই আবার দেশের বেশিরভাগ জায়গায় ভয়াবহ বন্যা। বিশাল এক ধাক্কা।

এতো এতো সমস্যা নিয়ে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ হলে Depressed হয়ে যেতো। কাউন্সিলিং করাতে ডাক্তারের কাছে যেতো। হাল ছেড়ে দিতো।

But look at us, আমরা সমস্যাটাকে উৎসব বানিয়ে ফেলেছি। যতো সমস্যাই হোক না কেন, সবাই একসাথে ঝাপিয়ে পড়ে ঠিক করে ফেলবো।

একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জীবন দিয়ে দিচ্ছে। Trust me, it’s rare.

কেউ নিজের বেতন অন্যকে দিচ্ছে,কেউ নিজে না খেয়ে অন্যকে খাওয়ার ব্যাবস্থা করে দিচ্ছে, কেউবা আবার সব কাজকর্ম ফেলে অজানা কাউকে উদ্ধার কাজে ব্যাস্ত।

আপনিও কিন্তু একই শক্তির অধিকারী। তাই যদি শুরু না করে থাকেন, চলুন শুরু করে দেই।

এই সমস্যাও কেটে যাবে।

এই পানিও ক'দিন পর শুকিয়ে যাবে। কিন্তু ক্ষত থেকে যাবে বাংলাদেশিদের অন্তরে। পানির স্রোতে বাংলাদেশিদের মারতে চেয়েছিলো ভারত।...
22/08/2024

এই পানিও ক'দিন পর শুকিয়ে যাবে। কিন্তু ক্ষত থেকে যাবে বাংলাদেশিদের অন্তরে। পানির স্রোতে বাংলাদেশিদের মারতে চেয়েছিলো ভারত। ভারতের শেষ কার্ড 'পানি কার্ড', এরপর তো সব খেলাই শেষ। চূড়ান্ত বিজয়ের পথেই বাংলাদেশ,, ইনশাআল্লাহ্‌

#বন্যা #পানি #বয়কট #মৃত্যু #বাচাও #রক্ষা_কর_মাবুদ

22/08/2024

From 'bloody'😥 July to 'floody'😥😥 August..........2024

Allah Save Bangladesh

#ক্লাউন‌animals

21/08/2024

ফ্যাসিস্ট হাসিনার দানব হয়ে ওঠার সহযোগী-২

পুলিশ-র‍্যাব

২০১০ সালের ২ জুনের সুবেহ সাদেকের কিছুটা আগে আমার দেশ অফিস থেকে শতাধিক পুলিশের বিশাল বাহিনী এসে আমাকে গ্রেফতার করে। শেখ হাসিনার দানবীয় শাসনকালে দেশের জনগণ মোটামুটি চেনে এমন মানুষদের মধ্যে আমিই প্রথম গ্রেফতার হয়েছিলাম। আমার গ্রেফতারের কয়েক সপ্তাহ পরে জামাতের নেতাদের গ্রেফতার পর্ব শুরু হয়েছিল। আমার প্রথম রিমান্ডের অভিজ্ঞতা হয়েছিল কোতোয়ালী থানায়। “জেল থেকে জেলে” বইটিতে আমার রিমান্ড এবং প্রথম দফার জেলজীবনের দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে। আজ সেগুলোর পুনরাবৃত্তির কোন ইচ্ছা নাই। কেবল কোতোয়ালী থানার প্রবল পরাক্রান্ত তৎকালিন ওসি’র পরিচয় দেয়া এবং অতি সংক্ষেপে আর দুই একটি ঘটনার কথা বলা জরুরী। খুবই আলোচিত কোতোয়ালীর তখনকার ওসিকে আপনারা ওসি সালাহউদ্দিন নামেই চেনেন। এক রহস্যজনক জঙ্গী নাটকে ২০১৬ সালে নিহত হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে ওসি বলতে প্রধানত: ওই একজনকেই বোঝাতো। ক্রমেই নির্মমভাবে টর্চার, থানায় নিয়ে হাঁটুতে গুলি করে হাড় (Knee Cap) উড়িয়ে দিয়ে পঙ্গু করা এবং মানুষ খুন করা তার নেশায় পরিণত হয়েছিল। শুনেছি এনকাউন্টারে ভিক্টিমের বুক গুলিতে ঝাঁঝরা না করলে তার তৃপ্তি হতো না।

যাই হোক, সন্ধ্যায় ঢাকা সি এম এম আদালত থেকে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে আমাকে গারদে রাখা হলো। ঘন্টা দুয়েক পর দেখলাম দোর্দন্ড প্রতাপশালী ওসির আগমনে পুরো থানা সচকিত হয়ে উঠেছে। কিছুক্ষণ পর থানার “জমিদারের” ঘরে আমার ডাক পড়লো। ওসি সালাহ উদ্দিন আমার দিকে তাচ্ছিল্য এবং ঘৃণামিশ্রিত দৃষ্টি ছুঁড়ে দিয়ে বলতে লাগলেন যে, বিএনপি সরকার কত খারাপ ছিল এবং “আপা” অর্থাৎ শেখ হাসিনা তার কতটা ঘনিষ্ঠ। তিনি এটাও জানাতে ভুললেন না যে, তার বাড়ি গোপালগঞ্জে “আপার” বাড়ির কাছেই। তাদের মধ্যে টেলিফোনে নাকি কথাও হয়। তার একটানা বক্তৃতা শেষ হলে আবার আমাকে পুঁতিগন্ধময় গারদে পাঠানো হলো। বুঝতে পারলাম জনগণের টাকায় প্রতিপালিত পুলিশ শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত বাহিনীতে পরিণত হয়ে যেতে আর বিশেষ বাকী নেই। কোতোয়ালী থেকে আমাকে পরবর্তী রিমান্ডে ক্যান্টনমেন্ট থানায় পাঠানো হলো। সেখানে প্রথম রাতেই একটার দিকে পুরো থানার বাতি নিভিয়ে আমার সেলে চার-পাঁচজন খুনি টর্চার করার জন্য ঢুকলো। আমি দ্রুতই জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তারা হয়ত মৃত ভেবে ফেলে রেখে গেছিল। জ্ঞান ফিরে দেখলাম ডিউটি অফিসারের ঘরে পড়ে আছি। সর্বাঙ্গ ভেজা, হয়তো জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টায় পানি ঢেলেছিল। ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে গেলাম ডিবিতে। সেখান থেকে র‍্যাব-১ এর আয়নাঘরে। টানা দিন দশেকের রিমান্ড শেষের আগের রাতে ঘরে ডেকে নিয়ে তৎকালিন ডিবি প্রধান আমাকে জানালো যে, আমাকে কতটা টর্চার করা হচ্ছে তার রিপোর্ট শেখ হাসিনা এবং সাহারা খাতুনকে নিয়মিত দিতে হয়েছে। তেজগাঁও থানার রিমান্ডের সময় আমাকে জানানো হলো, এসি বিপ্লব সরকার নাকি আমার উপর খুবই ক্ষিপ্ত। এত জুনিয়র একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আমার তখন ব্যক্তিগতভাবে চেনার কোন কারণ ছিল না। পরে বুঝতে পারলাম বি এন পি’র চীফ হুইপ জয়নাল আবেদিন ফারুকের উপর প্রকাশ্যে বিপ্লব এবং হারুনের প্রায় প্রাণঘাতী আক্রমণের খবর সেই সময় আমার দেশ পত্রিকায় বিষদভাবে ছাপা হওয়ার ফলেই এসি বিপ্লব আমার ওপর বিশেষভাবে খাপ্পা ছিল। পুলিশের ক্রমশ: দানব হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া বোঝানোর জন্যই কয়েকটি প্রাসঙ্গিক ঘটনার উল্লেখ করলাম।

প্রায় ষোল বছরের দানবীয় শাসনকালে শেখ হাসিনা পুলিশকে ব্যবহার করে যে হাজার হাজার হত্যা, নির্যাতন করেছেন সেটি পাঠকরা মোটামুটি জানেন। বিরোধী দলের সব বয়োজৈষ্ঠ নেতাদের রিমান্ডে নিয়ে যে অকথ্য দুর্ব্যবহার করা হয়েছে তার বর্ণনা করে আমি তাদের দ্বিতীয়বার সন্মানহানি করতে চাই না। প্রায় পাঁচ বছরের জেলজীবনে তাদের কাছ থেকে সেই সব ঘটনা শুনে আমার অনেক বিনিদ্র রাত্রি কেটেছে। কাশিমপুর জেল থেকে প্রিজন ভ্যানে ঢাকায় সি এম এম আদালতে যাওয়ার পথে সঙ্গের পাহারাদার পুলিশের কনস্টেবলরা প্রায়ই অহংকার করে বলতো, “শেখ হাসিনাকে তো আমরাই ক্ষমতায় রেখেছি”। একের পর এক গণহত্যা চালিয়েও বেনজির গংদের মধ্যে কোনরকম অনুশোচনা জাতি কখনও দেখে নাই। বরঞ্চ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি হয়েও তারা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে মালিকসুলভ আচরণ করেছে। গণহত্যা চালিয়ে টেলিভিশনে এসে নিয়মিত বড়াই করেছে। শাপলা চত্বরের গণহত্যার কথা স্মরণ করে বিষন্ন বোধ করি। আগস্ট বিপ্লবে নিহত শহীদদের জাতি আজ সঙ্গত কারণেই বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে। অথচ, ২০১৩ সালের সেই মাদ্রাসার ছেলেগুলোকে আমরা একেবারেই ভুলে গেছি। তাদের নাম জানারও চেষ্টা করি নাই। এর একটা কারণ হলো শ্রেণিবিদ্বেষ। সেদিনের বিপ্লবীরা গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান ছিল। শহুরে মধ্যবিত্ত আর উচ্চবিত্তদের গরীবের সন্তান নিয়ে কোন মাথাব্যথা নাই। উপরন্তু, সেদিনের শহীদদের এক বড় অংশই ছিল এতিম। কে আর তাদের কথা মনে করে চোখের পানি ফেলবে? তার ওপর তারা সবাই মাদ্রাসার পড়ুয়া ছিল। ৯০ শতাংশ মুসলমান জনগোষ্ঠীর হতভাগ্য বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা তো আবার অমার্জনীয় অপরাধ! প্রথম আলো মার্কা সুশীল সেক্যুলারদের বিবেচনায় হাটহাজারি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করা কূপমন্ডুকতা, কিন্তু ইসকনের স্কুলে কিংবা রামকৃষ্ণমিশনে পড়লে সেটা প্রগতিশীলতা।

ভারতের পরামর্শে এক দানব সরকার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার অভিলাষে পুরো পুলিশ বাহিনীটিকে আওয়ামীকরণের মাধ্যমে স্যাডিস্ট করে তুলেছিল। এমন অসুস্থ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য পুরো বাহিনীকে দোষারোপ করা সমীচিন হবে না। তবে, বাঙ্গালী মুসলমানের স্মৃতিশক্তি বড়ই দুর্বল। দেখতে পাচ্ছি নির্মম ফ্যাসিস্ট শাসক হাসিনাকে পরাভূত করার আনন্দে ইতোমধ্যে তার সহযোগী অপরাধীদের ভুলে যাওয়া শুরু হয়ে গেছে। তাই, ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ করার ইচ্ছায় পুলিশ বাহিনীর মধ্যে আমার জানা অনুসারে প্রধান খুনিদের নামগুলো লিখে গেলাম:

১। মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান (লোকটি সেনাবাহিনীর হলেও হত্যাকান্ড চালিয়েছে র‍্যাবে অন্তর্ভুক্তির পর থেকে)

২। বেনজির অহমেদ

৩। নুর মোহাম্মদ

৪। শহিদুল হক

৫। জাভেদ পাটোয়ারী

৬। আবদুল্লাহ আল মামুন

৭। মনিরুল ইসলাম

৮। আবদুল কাহার আখন্দ

৯। মো: শহিদুল্লাহ (এন এস আই)

১০। হারুন অর রশিদ

১১। বিপ্লব সরকার

১২। মেহেদি হাসান

১৩। প্রলয় কুমার জোয়ার্দার

১৪। কৃষ্ণপদ রায়

১৫। আসাদুজ্জামান মিয়া

১৬। হাবিবুর রহমান

১৭। শফিকুল ইসলাম

১৮। জয় দেব

আমি নিশ্চিত যে, উপরের ১৮ জন ছাড়াও আমার জানার বাইরে আওয়ামী পুলিশের মধ্যে আরো অনেক একই শ্রেণির দানব রয়েছে। সেই নামগুলো আমাদের পুলিশ বাহিনীর মধ্য থেকেই জানতে হবে। রাষ্ট্রের আইন আনুসারে দানব হাসিনার এই সকল খুনীদের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে আমরা যদি সক্ষম না হই তাহলে ছাত্র-জনতার মহান আগস্ট বিপ্লব ব্যর্থ হয়ে যাবে। আশা করি, বর্তমান শাসকরা ক্ষমতার মোহে কোন আপোষ করে অথবা দুর্বলতার পরিচয় দিয়ে ষোল বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের হাজার হাজার শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবেন না। বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।

সম্পাদক, আমার দেশ
১৯/০৮/২০২৪

20/08/2024

Know Your Enemies

A public registry of all the perpetrators involved with attacking the unarmed students during peaceful protests.

19/08/2024

ফ্যাসিস্ট হাসিনার দানব হয়ে ওঠার সহযোগী-১

বিচার বিভাগ

বাংলাদেশের বিচার বিভাগের অধ:পতন আরম্ভ হয়েছিল ২০০৭ সালে এক এগারোর সরকারের আমলে। তখনই বিচার বিভাগে ডিজিএফআই এর কর্তৃত্ব শুরু হয়। আদালতে সেই সময় ডিজিএফআই এর অফিসাররা উপস্হিত থেকে ম্যাজিস্ট্রেট ও জজদের পরিচালনা করতেন। বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করায় যেটুকু রাখঢাক মইন-ফখরুদ্দিনের আমলে ছিল, ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ক্ষমতাসীন হয়ে শেখ হাসিনা সেটাও রাখার আর প্রয়োজন বোধ করেন নাই। আমার দেশ পত্রিকা সর্বপ্রথম বিচার বিভাগের ভয়াবহ দলীয়করণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। আজকের তরুণ সেই ইতিহাস জানে না এবং আগস্ট বিপ্লবের সুবিধাভোগীরা গোষ্ঠীস্বার্থে সেই সব কথা ভুলেও মনে করবেন না। ২০১০ সালের ১০ মে আমার দেশে “স্বাধীন বিচারের নামে তামাশা” শিরোনামের মন্তব্য প্রতিবেদনে লিখেছিলাম, “২০০৭ সালের জানুয়ারির ১১ তারিখে জেনারেল মইনের ক্ষমতা দখলের পর থেকে এ দেশের বিচার বিভাগে যে পচনক্রিয়া শুরু হয়েছে শেখ হাসিনার আমলে তা দ্রুততর হয়ে এখন সেখান থেকে রীতিমত দুর্গন্ধ বের হচ্ছে”। সেই লেখার মাশুল আমাকে ডিবি ও র‍্যাবে রিমান্ডে নির্যাতিত এবং দীর্ঘ সময় জেলে থেকে দিতে হয়েছিল।

আমার সেই মন্তব্য প্রতিবেদনের আর একটি ক্ষুদ্র অংশ প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় উদ্ধৃত করছি, “আজকের বাংলাদেশের আদালতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে ক্ষমতাসীনরা প্রতিষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক নিপীড়ণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। দুর্ভাগ্যক্রমে বিচারকদের মধ্যকার একটি বৃহৎ গোষ্ঠী ক্ষমতাসীনদের এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোন ধরনের প্রতিরোধ সৃষ্টি না করে বরং ন্যক্কারজনকভাবে তাদের সক্রিয় সহযোগীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন”। লেখাটি ২০১০ সালের, আর আজ ২০২৪ সাল। বিপ্লবী ছাত্র-জনতার প্রবল প্রতিরোধের মুখে আপীল বিভাগের যে আওয়ামী বিচারপতিরা বিতারিত হয়েছেন তারা ২০১০ সালের বিচারপতি নামক দিল্লি ও হাসিনার ক্রীতদাসদেরই উত্তর পুরুষ। আমরা যেন বিজয়ের আতিশয্যে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্হাকে কবর দেয়ার সেই সব প্রাথমিক ও প্রধান দানবদের নাম ভুলে না যাই। জীবনের অন্তিম লগ্নে দাঁড়িয়ে বর্তমানে ইতিহাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একজন ছাত্র হিসেবে ইতিহাসের দায় মেটাতেই সেই নামগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আজকের সম্পাদকীয়তে লিখে রাখলাম:

১।খায়রুল হক (বিচার বিভাগের প্রধান খলনায়ক এবং গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার হত্যাকারী)

২।এস কে সিনহা (সকল জুডিশিয়াল মার্ডারের প্রধান কুশিলব, চরম দুর্নীতিবাজ, নরেন্দ্র মোদির হিন্দুত্ববাদের শিষ্য, পরবর্তীতে হাসিনার সঙ্গে ক্ষমতার লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে দেশান্তরী, এবং বর্তমানে ভোল পাল্টানোতে সচেষ্ট)

৩।মোজাম্মেল হোসেন (হাসিনার আজ্ঞাবহ এবং গণতন্ত্র হত্যাকারী)

৪।সৈয়দ মাহমুদ হোসেন (হাসিনার আজ্ঞাবহ এবং গণতন্ত্র হত্যাকারী)

৫।হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী (হাসিনার আজ্ঞাবহ এবং গণতন্ত্র হত্যাকারী)

৬।নিজামুল হক (হাসিনার আজ্ঞাবহ, স্কাইপ কেলেংকারির হোতা এবং জুডিশিয়াল মার্ডারের কুশিলব)

৭।ওবায়দুল হাসান (হাসিনার আজ্ঞাবহ এবং জুডিশিয়াল মার্ডারের কুশিলব)

৮।এনায়েতুর রহিম (হাসিনার আজ্ঞাবহ এবং জুডিশিয়াল মার্ডারের কুশিলব)

৯।শামসুদ্দিন চৌধুরী ওরফে মানিক (চরম দুর্নীতিবাজ, হাসিনার আজ্ঞাবহ, জুডিশিয়াল মার্ডারের কুশিলব, এবং স্যাডিস্ট)

১০।আবদুল মতিন (চরম সুবিধাবাদি এবং প্রধান বিচারপতির পদ না পাওয়ার মন:কষ্টে বর্তমানে সুশীল)

শেখ হাসিনা যে সকল আইনজীবীদের মাধ্যমে উপরের দশ বিচারপতিদের নির্দেশ পাঠাতেন এবং রাজনৈতিক মামলার আগাম রায় সরবরাহ করতেন এবার তাদের তালিকা দিচ্ছি:

১।আনিসুল হক

২।প্রয়াত মাহবুবে আলম

৩।শফিক আহমেদ

৪।প্রয়াত জহিরুল হক ওরফে পিস্তল দুলাল (চরম দুর্নীতিবাজ, সাবেক আইন সচিব)

৫।খুরশিদ আলম (দুদকের আইনজীবী)

৬।মোশাররফ হোসেন ওরফে কাজল (আনিসুল হকের জুনিয়র, দুদকের আইনজীবী, চরম দুর্নীতিবাজ এবং সালমান এফ রহমানের শিষ্য)

৭। এম. আমিন উদ্দিন

৮। প্রয়াত জিয়াদ আল মামুন

৯। গোলাম আরিফ টিপু

১০। রাণা দাসগুপ্ত

হাইকোর্ট এবং ম্যাজিস্ট্রট কোর্ট সম্পর্কে কোন তালিকা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করছি না কারণ, বিগত ষোল বছরে ওই দুই জায়গায় যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সবাই রক্তপিপাসু দানবের সহযোগী। কম্বল থেকে লোম বাছার চেষ্টা পন্ডশ্রমই হবে। আমার লেখায় যথাসম্ভব ব্যক্তিগত বিষয় আমি এড়িয়ে চলি। আজ হাইকোর্টের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করছি কেবল ওখানে বিচারপতিদের চেয়ারে যারা বসে আছেন তাদের কুৎসিত আওয়ামী, ফ্যাসিবাদি মানসিকতা জাতিকে অবহিত করবার জন্য।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে কুষ্টিয়ার আদালতে হাসিনার নির্দেশে এবং পুলিশের সহযোগীতায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের জঙ্গী আক্রমণে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলাম। দুই দিন পরেই আমার সুনামগঞ্জের অপর এক মামলায় নির্ধারিত হাজিরা দেয়া অসম্ভব হওয়ায় মাথায় ব্যান্ডেজ ও গায়ে জ্বর নিয়ে এমবুলেন্সে চড়ে হাইকোর্টে গেলাম। হাইকোর্টের আওয়ামী বিচারপতি চরম ঘৃণা ও প্রচন্ড ক্রোধ নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনার চেহারা দেখতে আমাদের ভালো লাগে না। আপনি আজকের পর আর কখনও হাইকোর্টে আসবেন না”। আমি অবশ্যই জানি যে, আমার গায়ের রং খুবই কালো এবং চেহারাও প্রায় কুৎসিতই বলা চলে। কিন্তু, তাই বলে বিচার চাইতেও হাইকোর্টে যেতে পারব না, এ কেমন দেশ, কেমন উচ্চ আদালত? বিচারকদের নাকি ব্যক্তিগত ঘৃণা, বিদ্বেষ থাকতে নেই। সেদিন আমি কিন্তু, হেসেই হাসপাতালে ফিরেছিলাম। সেই ঘটনার একজন স্বাক্ষী ড: ইউনুসের বর্তমান সরকারে আছেন। তিনি হলেন অধিকারের আদিলুর রহমান খান এবং শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা। তিনি সেদিন আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।তারপরই আমি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেই। আমি জীবিত থেকে হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে যেতে চেয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, একুশ শতকের সবচেয়ে নির্মম শাসকের পতন দেখতে পেয়েছি। হাইকোর্টের সেই বিচারপতি নামধারী নরাধম আজও তো বহাল তবিয়তেই জজগিরি করে চলেছেন! তাহলে বিচার বিভাগের প্রকৃত পরিবর্তন আর হলো কোথায়? দেখা যাক, ড: ইউনুসের সরকার, বিশেষ করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আদালতকে আওয়ামীকরণ মুক্ত করতে সক্ষম হন কিনা।

লেখক: সম্পাদক, আমার দেশ
১৭/০৮/২০২৪

01/03/2024

Entities & Ontologies- The Future Of SEO?

Address

Mirpur 10
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নকশিবাড়ির ছোঁয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নকশিবাড়ির ছোঁয়া:

Share