Lubna's Vlogs

Lubna's Vlogs ধৈর্য মানুষকে ঠকায় না, বরং উত্তম সময়ে শ্রেষ্ঠ জিনিস উপহার দেয়।

23/11/2025

ছোট তিনটা বাচ্চা নিয়ে এগোরো তালা বল্ডিং এ সাত তালায় থাকি। জানিনা কি আছে কপালো 😭😭আল্লাহ হেফাজ করার মালিক।

22/11/2025

মাএই ভুমিকম্প হলো। আল্লাহ সহায় হোন।

22/11/2025

আপন আপন করে সবাই, আপন কেহ নয়,নিজ স্বার্থ রক্ষার তরে করে অভিনয়😭😭

21/11/2025

সকালের সেই বিশ সেকেন্ডের ভুমিকম্পের আতংক এখনও কেটে উটতে পারছিনা। মনে হচ্ছে এই বুঝি আবার কেপে উঠল। চোখ বন্ধ করতে ভয় হচ্ছে যদি আল্লাহ না করুক বড় ধরনের কিছু হয়ে যায়। আল্লাহ আপনি দয়া করুন। আল্লাহ আপনি সহায় হোন আমিন।

21/11/2025

ভুমিকম্পের সময় আমার বোনরাই প্রথম আমি এবং আমার বাচ্চাদের খবর নিয়েছে। আর আপনাদের????

21/11/2025

আমার গ্রামের বাড়ির সি সি ক্যামেরা থেকে নেওয়া ভুমিকম্পের ভিডিও ফুটিজ। আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করার মালিক।

21/11/2025

আল্লাহ হেফাজত করো

21/11/2025

এখনকার দিনের পুরুষদের বউ বাচ্চাদের বেলায় সময় নেই বললেই চলে।তবে হ্যাঁ ফ্যামিলি বন্ধু বান্দব আর নিযের বেলাই ঠিকই সময় আছে।

12/10/2025

আমার ছোট মেয়েটার দুইদিন ধরে ভীষন জ্বর। সবাই দোয়া করবেন আমার মেয়ে জন্য।

10/10/2025

নিজের আত্মকাহিনী পর্ব 2...... . . ............... এক এক করে বড় ভাই মেজু ভাই মেজু আপু সবাইকে বাবা হোস্টেলে দিয়ে দেয়।আর আমার ছোট বোন নিপা দেখতে দেখতে বড় হতে থাকে। নিপার মায়ের জন্য কান্না উঠলে চার পাছ ঘন্টায়ও ওর কান্না থামানো যেতনা।আমার দাদা দাদি আমাদের অনেক ভালোবাসতেন। আমাদের উপর অত্মাচার দেখে দাদি চুপ থাকতে পারতেননা নতুন মায়ের সাথে ঝগড়া করতেন আমাদের জন্য। যার কারনে দাদা দাদিও ওনার চক্ষু শুল হয়ে গেলেন।ওনাদেরকেও ঠিক মত খাবার দিতেননা। আমার বড় আপু ছোট বোনকে তার কাছে নিয়ে যায়। বাড়িতে থেকে গেলাম আমি আমার যমজ বোন আর ছোট ভাই। আমার ছোট ভাই নিজের চেষ্টায় ডিগ্রি পাশ করেন। স্কুলের বেতন পরিক্ষার ফি কাগজ কলম সব নিযেই কিনতো কি ভাবে জানেন, সে পড়া লেখার পাশাপাশি নার্সারি করতো মুরগি পালতো গাছ মুরগী বিক্রি করে টাকার যোগান দিত। আমরা তিনজন বাড়িতে ছিলাম বিদায় আমাদের বেশি কষ্ট ছিল।আমরা বাবাকে কখনও কিছু বলতামনা ভয়ে।আমাদের বাড়িতে প্রায়ই পিঠা নাস্তা অনেক গুলো করে বানানো হতো। সেই দিনে মনে খুব আনন্দ হতো পিঠা খাবো বলে। আমি আর আমার যময বোন সব পিঠা বানাতাম বিনিময়ে যেই পিঠা গুলো কাছা বা পোড়া ছিল সেগুলো পেতাম। মনে কষ্ট নিয়ে সেই পিঠা গুলো তৃপ্তি নিয়ে খেতাম।আমাদের বাড়িতে প্রচুর নারিকেল গাছ ছিল। তখন কার দিনে নারিকেলের তরকারি অনেক খেতো। যেই দিন বাড়িতে নারিকেলের তরকারি হতো ণারিকেল কাটা কোড়ানো বাটা সব আমরাই করতাম। নারিকেল বাটতে বসলে চুপি চুপি নারিকএ একটু খেয়ে ফেলতাম। সেটা দেখার পর ামাদের নতুন মা কি করতো যানেন আমরা যাতে নারিকেল না খেতে পারি তাই নারিকেলের সাথে হলুদের গুড়া মিশিয়ে দিতেন। আমার বাবা আমাদের বাড়িতে পড়ানোর জন্য টিছার রেখেছিলেন। আমাদরে নতুন মা প্রিতিদিনই আমাদের নামে স্যারের কাছে নালিশ করে আমাদের প্রচুর মার খাওয়াতেন। একদিন স্যার মায়ের নালিশ শুন খেজুর গাছ থেকে একটা খেজুর পাতা কেটে সেটার পাতা ঝরিয়ে আমাদের মারার জন্য মারার জন্য লাঠি বানালেন। ঘরে এসে প্রথমে আমার যময বোনকে গায়ের জোর দিয়ে কয়টা বাড়ি দিলেন এতে করে লাঠি ভেংগে গেলে স্যার বিশাল বড় একটা কাঠ নিলেন মারার জন্য এমন সময় আমার ফুফু পাশের রুম থেকে এশে স্যারের হাত ধরে ফেলেন এবং বলতে থাকের আপনাকে কে এত বড় সাহস দিয়েছে আমার ভাতিজা ভাতিজিকে মারার। একক্ষনই আপনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এমন কি আমরা সকাল ভোরে মক্তবে যে হুজুরের কাছে পড়তে যেতাম সেই হুজুরের কাছে গিয়েও নালিশ করে আমাদের প্রচুর মার খাওয়াতেন। একদিন হুজুর নতুন মায়ের নালিশ শুনে যেইনা আমাদের মারতে নিয়েছিল ঠিক তখনই আমাদের বাড়ির কিছু আপু, ফুফুরা বলে উঠল হুজুর অদের মারবেননা ওদের মা অনেক খারাপ হুজুর ওনাদের কথা শুনে ঐ দিনের পর থেকে আমাদের আর মারতেননা বরং আমাদের বলে দিতেন তোরা বাসায় গিয়ে বলবি আমাদের হুজুর মেরেছে।আমার বড় আপু আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসে আমাদের কষ্ট দেখে আমাদেরকেও তার কাছে নিয়ে যায়।আপুর কাছে এক বছর ছিলাম।আমাদের আবার বাড়িতে চলে আসতে হয় কারন দাদা দাদি দুইজনই একজন অন্ধ আর একজন বিচানায় পড়ে যান। দাদা দাদিকে দেখার কেউই ছিলনা। আমার একটা মাএ ফুফু ছিল ওনার স্বামী সংসার রেখে উনিও বাবা মার যত্ন নেওয়ার জন্য বেশি দিন থাকতে পারতেননা। মাজে মধ্যে উনি আসতেন। দাদা দাদি যখন অসুস্হ হন তখন আমি আর আমার যময বোন তখন আমরা ssc দিবো। সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় অনাদের খাইয়ে পস্রাব পায়খানা পরিস্কার করে স্কুলে যেতাম আর আসতাম বিকেল সাড়ে চারটায়। আমার দাদা দাদি আমি ামার যময বোন আমরা এক রুমেই থাকতাম।সেই রুমে বড় একটা খাট আর এক পাশে ছোট একটা চকি ছিল। সেই চৌকিতে দাদা থাকতেন আর বড় খাটে আমরা দুই বোন আর দাদি ঘুমাতাম। স্কুল থেকে এসে যেইনা রুমে ঢুকতাম আমাদের দেখে দাদি কিযে একটা হাসি দিতেন। এই হাসির মানে কি ছিল যানে, আমরা আসছি এখন সারাদিনের যেই পস্রাব পায়খানায় পড়ে ছিল সেগুলো পরিস্কার করে দাদিকে খাওয়াবো তাই খুশিতে হাসতেন কিছুতো বলতে পারতেননা। আমরাও স্কুল ড্রেস না পালটিয়ে হাত৷ মুখ ধুয়ে দাদিকে খাওয়াতাম। আর দাদা চোখে না দেখলেও নিজে নিজে খেতে পারতেন। আমাদের নতুন৷ মা দাদাকে খাবার দিয়ে যেতেন কি ভাবে যানেন মুখু কাপড় বেধে খাওয়ার বল ঠাস করে টেবিলে রেখে যেতেন মুখে বলে যেতেন খাবার দিয়ে গেছি দাদা বলের শব্দ শুনে বুজতে পারতেন ওনার খাবার আসছে। আমার দাদা অন্ধ ছিল বলে আমাদের বাসার বিড়াল আর দাদা একই থালায় ভাত খেতেন। আমারা যখন দাদার খাওয়ার সময় থাকতাম তখন আমরা বসে থেকে খাওয়াতাম।আমার দাদা দাদি আমাদের প্রচুর দোয়া করতেন। দাদার চৌকির নিছে একটা পাএ ছিল সেটাতে পস্রাব করতেন আর পায়খানা করতে টয়লেটে গিয়ে। টয়লেটে কি ভাবে যেত যানেন আমরা দাদার চৌকির সাথে একটা রশি বাতরুমের দরজা পরযান্ত লাগিয়ে দিয়ে ছিলাম সেটা ধরে ধরে দাদা বাতরুম পর্যন্ত যেতেন। আমাদের রুমের বাহিরে বাতরুম ছিল। দাদা বাত রুমে যেতেন ঠিকই কিন্তু কমডে বসতে পারতেন না কারন দাদাতো চোখে দেখতেন। বাত রুমে গিয়ে দাদা কমড মনে করে যেই কোন এক জায়গায় বসে যেতেন আর বের হওয়ার সময় পুরা বাথরুম ঘুরতেন দরজা খুজে পেতেন না। তখন দাদার পায়ের সাথে পুরা বাথরুম পায়খানায় ভরে যেত...... চলবে

09/10/2025

নিজের আত্মজীবন, পাঠ-১

সবাই দেখছেন আমি খুব ভালো আছি, সুখে আছি তাইনা? কিন্তু আমার জীবনের স্টোরি শুনলে সবার চোখে পানি আসবেই আসবে আমি শিউর। তাহলে শুনুন,,,আমার যখন চার বছর তখন থেকেই আমার দুঃখের সুচনা শুরু সেদিন ছিল শুক্রবার ১৯৯৬ বাইশই নভেম্বর সকাল দশটায় আমার মা আমাদের ছেড়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। দুনিয়া সম্পর্কে কিছুই বুজতামনা আমার দাদা দাদি বেচেঁ ছিলেন আমাদের কিছু দিন বড় বোন আর দাদি মিলেই লালন পালন করতেন। আমার এক বছরের একটা বোন ছিল। বড় ভাই মাএ এস এস সি দিয়েছিল। আমরা সাবাই মোটামুটি ছোট ছিলাম। দাদা দাদি বয়সক মানুষ ছিলেন বড় বোনের সংসার ছিল তাই নিরুপায় হয়ে আমার মা মারা যাওয়ার চল্লিশ দিন না যেতেই আমার বাবার বিয়ে করতে হয়েছিল এক প্রকার নিরুপায় হয়ে। ভেবে ছিল আমরা ভালো থাকবো। আমার বাবা সরকারি কর্মকর্তা ছিল, এজিবি একাউন্টস অফিসার। তাই চাকরির সুবাদে বাবাকে বিভিন্ন জায়গার পোস্টিং হতে হতো। বাবা বিয়ে করে আমাদের নতুন মাকে বাড়িতে না এনে সরকারি কোয়াটারে রাখেন কচুয়াতে। বিয়ের কিছুদিন পরে আমাদেরকেও আমার বাবা কচুয়ায় নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তো আমরা মহা খুশি নতুন মাকে পেয়ে কিন্তু আমাদের এই খুশি বেশিদিন স্থায়ি হয়নি কিছু দিন যেতে না যেতেই নতুন মা তার আসল রুপ দেখাতে শুরু করে। চার বছর বয়স থেকেই আমরা সংসারের যবতীয় সব কাজ করতে হত। আমার বাবা সবসময় আমাদের বাসায় কাজের মানুষ রাখতেন তারপরে আমাদের সব কাজ করতে হত কারন কাজের মানুষ নতুন মায়ের সাথে বসে বসে গল্প করতো। কচুয়ায় আমরা বেশিদিন ছিলামনা আমার সঠিক মনে পড়ছে না কয় মাস না যানি একবছর ছিলাম।তার পর আমরা বাড়িতে চলে আসি। কারন আমার বাবার বিশাল বাড়ি পুকুর অনেক জায়গা জমি ছিলেন সেগুলে ফেলে বাহিরে বেশিদিন থাকা সম্ভব ছিলনা। আমার বাবা নতুন মা আর মাদের আট ভাই বোনদের বাড়িতে রেখে চাকরির শুবাদে আবার অন্য জায়গায় পোস্টিং হয়ে চলে যান। বাবা বাড়িতে না থাকার কারনে আমাদের নতুন মা আমাদের ইচ্ছে মত ব্যবহার করতেন সকল রকম কামকাজ করাতেন। আমার মনে আছে আমরা কোনদিন সকালে পড়তে বসতে পারতামনা কারন সকাল হলেই থালাবাসন দোয়া কুটাবাছা ঘর গোছানো বাড়ি ঝাড়ু দেওয়া সব করতে করতে আমাদর স্কুলের সময় হয়ে যেত। তাড়া হুড়ু করে ছোট এক কাপ রং চা আর জাস্ট এক পিচ পাউরুটি খেয়ে স্কুলে চলে যেতাম আর সেই আসতাম বিকেল সাড়ে চারটায়। মাজখানে দুপুর দুইটায় টিপিন টাইম দিত সবাই টিপিন বাসা থেকে নিয়ে আসতো বা টাকা নিয়ে যেত। আমাদের কপালে কোন খাবারই জুটত না কারন আমাদর মা ছিলনা যে আমাদের টিপিন অথবা টাকা দিত সবাই টিপিন করত আর আমরা পেটে খিদা নিয়ে এইদিক সেই দিক হাটা হাটি করতাম বা খেলতাম। বিকেলে বাড়িতে ফিরে বেশির ভাগ সময়ই শুধু ডাল ভাতই জুটতো আমাদের কপালে মাঝে মধ্যে ভাত ছাড়া কিছুই থাকতোনা পাতিলে আমাদের জন্য। তাই বেশির ভাগ সময়ই স্কুলের ড্রেস পালটিয়ে নেমে পড়তাম রাস্তার পাশে খেতে শাক লতাপাতা তোলার জন্য। শাক লতাপাতা তুলে এনে কেটে বেছে ধুয়ে রান্না করে তার পরে খেতে বসতাম। কি যে অমৃত লাগতো সেই পেয়াজ রসুন অথবা তেল ছাড়া সেই শাক ভাত খেতে। কারন নতুন মা তেল পেয়াজ রসুন সব আলমারিতে তালা মেরে রাকতেন। এভাবেই কাটতে থাকে আমাদের জীবন। আমার মনে আছে আমাদেন পরিক্ষার দুদিন আগে আমাদের নতুন মা পুরা সংসার আমাদর উপর ফেলে রেখে সবসময় বেড়াতে যেতেন যাতে আমাদরে পরিক্ষার পড়া আমরা না পড়তে পারি। বয়সক দাদা দাদি সংসার সব সামলিয়ে পরিক্ষা দিতে যেতাম আমরা। আমাদে সবসময় অনেক হাস মুরগি পুশতো বাড়িতে সাথে দুধ দেওয়ার একটা গরুও দেখতাম কিন্তু আমাদের কপালে কখনোই একটা ডিম জুটতোনা সব বিক্রি করতো আর নতুন মা খেতেন।সবসময় চোখের সামনে ডিম দেখে মাজে মধ্যে খাওয়ার অনেক ইচ্ছে হত তখন নতুন মার কাছে ডিম খেতে চাইতাম বিশ্বাশ করবেন না এক সাপ্তাহ পনেরোদিন ধরে একটা ডিম চাইতে চাইতে তার পরে আমি আর আমার যমজ বোনকে একটা ডিম খেতে দিত দুইজনে একটা ডিম ভাগ করে খুব মজা করে খেতাম। চলবে...

প্রত্যেক নতুন সকাল আমাদের জন্য আল্লাহর করুণা ও দয়া। ゚        ゚
21/09/2025

প্রত্যেক নতুন সকাল আমাদের জন্য আল্লাহর করুণা ও দয়া।
゚ ゚

Address

Suchipara

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lubna's Vlogs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share