Rasal Power Light House

Rasal Power Light House আস্সালামলাইকুম ..আমরা সবধরনের এলিডি ল?

সব ধরনের এলিডি যেমনঃ ৫,১২,২০,৩০ এবং ৫০ ওয়াট লাইট পাইকারী বিক্রি করা হয় । সারা বাংলাদেশে ট্রান্সপোটের মাধ্যমে মাল ডেলিভার...
29/07/2022

সব ধরনের এলিডি যেমনঃ ৫,১২,২০,৩০ এবং ৫০ ওয়াট লাইট পাইকারী বিক্রি করা হয় । সারা বাংলাদেশে ট্রান্সপোটের মাধ্যমে মাল ডেলিভারী দেওয়া হয় ..আপনি চাইলে দোকানে এসে সারসরি দেখে মাল নিতে পারেন... কলঃ01912-864065

16/06/2022

Dj light nita call korun:01675659291

06/06/2022

বগুড়ায় রাস্তায় চাকা ফেটে যাত্রীবাহী বাসে আগুন,

Table lamp........
08/03/2022

Table lamp........

আমাদের কাছে যে সব মালামাল পাবেন। মালের লিস্ট  আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় ব্যবসায়ি ভাই ও বন্ধু গন আপনাদের সকল কে পাইকার বাজা...
07/03/2022

আমাদের কাছে যে সব মালামাল পাবেন।
মালের লিস্ট

আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় ব্যবসায়ি ভাই ও বন্ধু গন আপনাদের সকল কে পাইকার বাজার এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
সকল প্রকার এলইডি লাইট Warranty/ NoN Warranty [প্যাকেটসহ/ প্যাকেট ছাড়া] পাইকারি ও খুচরা (সবচাইতে কম মূল্যে সঠিক পন্য) বিক্রয় করা হয়। প্রয়োজনে আপনারা সরাসরি কারখানা থেকে মাল সংগ্রহ করতে পারবেন...
বিঃদ্রঃ কুরিয়ারে/ ট্রান্সপোর্টে/ মাধ্যমে মাল ডেলিভারি দেওয়া হয়...

আমাদের মালামাল এর লিস্ট

১। A Shape- (কলস বডি) লাইটঃ 5W, 9W, 12W, 15W, 18/20W গ্যারান্টি, নন গ্যারান্টি দুইটাই আছে।
২। T Shape- (ডিব্বা বডি) লাইটঃ 5W, 9W, 12W, 15W, 18/20W গ্যারান্টি, নন গ্যারান্টি দুইটাই আছে।
৩। AC/DC গ্যারান্টি, নন গ্যারান্টি দুইটাই আছে।
৪।ফ্যান লাইট (৩/৪/৫ পাখা)/ (সাদা/ রঙ্গিন) (বড়/ছোট)
৫। ডিম লাইট ( মাইক/ ডিব্বা/ লিচু )
৬। ব্লুটুথ মিউজিক লাইট (বড় /ছোট)
৭। ফুটবল লাইট (সাদা/ রঙ্গিন)
গ্যারান্টি, নন গ্যারান্টি দুইটাই আছে।
বাংলা বডি ডিব্বা ১২ থেকে২০ ওয়াট ic
বাংলা বডি ডিব্বা ৫ ওয়াট

# #কলস # #
গ্যারান্টি, নন গ্যারান্টি দুইটাই আছে।
চাইনা বডি কলস ২০ ওয়াট
চাইনা বডি কলস ১৫ওয়াট
চাইনা বডি কলস ১২ওয়াট
চাইনা বডি কলস ৯ওয়াট
চাইনা বডি কলস ৫ ওয়াট ic

# /DC লাইট # #
গ্যারান্টি, নন গ্যারান্টি দুইটাই আছে।
12w Ic ac/dc
15w sarkit ac/dc
15w g q ac/dc
15w g q ac/dc
12w 2 বেটারি ac/dc
15w 2 বেটারি ac/dc
15w 2 বেটারি ac/dc
30w 2 বেটারি ac/dc

# #ফ্যান লাইট # #
৩ পাখা ফ্যান সাদা
৩ পাখা মসা ফ্যান সাদা
৩ পাখা ফ্যান বাংলা সাদা
৩ পাখা ফ্যান কালার
৪ পাখা ফ্যান সাদা
৪ পাখা ফ্যান কালার

# #ফুটবল লাইট # #ফুটবল সাদা #ফুটবল কালার
# #ডিম লাইট
#মাইক ডিম
#ডায়মন্ড ডিম, ইত্যাদি।
# #ইস্পিকার লাইট # #ব্লুটুথ ইস্পিকার ছোট #ব্লুটুথ ইস্পিকার বড়
# #অবসনাল লাইট # #হারিকেন লাইট #টেবিল লাইট

আমরা বাংলাদেশে মাল ডেলিভারি দিয়ে থাকি....

পাইকারী নিতে যোগাযোগ করুনঃ০১৯১২-৮৬৪০৬৫
26/01/2022

পাইকারী নিতে যোগাযোগ করুনঃ০১৯১২-৮৬৪০৬৫

যাদের জুমার নামাজ কোনো কাজে আসে নাইসলাম ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১যাদের জুমার নামাজ কোনো কাজে আসে না...
31/12/2021

যাদের জুমার নামাজ কোনো কাজে আসে না
ইসলাম ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১
যাদের জুমার নামাজ কোনো কাজে আসে না
মুসলমানের সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন জুমা। এ দিন জোহরের ওয়াক্তে নিরবে মনোযোগের সঙ্গে খুতবাহ শোনা এবং জামাতে দুই রাকাত নামাজ পড়া হচ্ছে প্রধান কাজ। অথচ জুমার খুতবায় অংশগ্রহণ করে নামাজ পড়ার পরও অনেকের নামাজ কোনো কাজে আসে না। তারা কারা? আর এর কারণই বা কী?

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আদব হলো- আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুন্দরভাবে নিঃশব্দে মসজিদে গিয়ে যেখানে জায়গা থাকবে সেখানে অবস্থান নেওয়া; সময় থাকলে সুন্নাত নামাজ পড়া এবং কাউকে কষ্ট না দিয়ে, কারো ঘাড় টপকে সামনে না গিয়ে চুপচাপ ইমামের খুতবা শোনা এবং নামাজ পড়া। কিন্তু যারা এর ব্যতিক্রম করবে; তাদের নামাজ হবে অর্থহীন। হাদিসে পাকের একাধিক বর্ণনায়ও তা ওঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

১. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জুমার নামাজে সাধারণত তিন ধরনের লোক উপস্থিত হয়। (তারা হলো)-

> এক ধরনের লোক অনর্থক কাজ সহকারে উপস্থিত হয়। (অর্থাৎ খুতবাহর সময় সে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলে ও অযথা কাজ করে) জুমা থেকে সে তা-ই পায় (অর্থাৎ তার জুমা বৃথা যায়)।

বিজ্ঞাপন

> আর এক ধরনের লোক আছে যারা দোয়া সহকারে উপস্থিত হয়। সে আল্লাহর কাছে কোনো কাঙ্খিত বস্তু প্রার্থনা করে; আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করলে তাকে তা দান করেন; আর না চাইলে বঞ্চিত রাখেন।

> আর এক ধরনের লোক আছে যারা উপস্থিত হয় সন্তর্পণে নীরবতার সঙ্গে (শুধু জুমার নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে) এবং সামনে যাওয়ার জন্য কোনো মুসলমানের ঘাড় টপকায় না; আর কাউকে কোনো ধরনের কষ্টও দেয় না। তার এ কাজ তার এ জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত সময়ের সব (সগিরাহ) গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। এবং আরো অতিরিক্ত তিনদিনের জন্য। এটা এ জন্য যে, আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি একটি ভালো কাজ করে তার জন্য তার দশগুণ বিনিময় রয়েছে।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)

বিজ্ঞাপন

শুধু তা-ই নয়, এমন অনেক মুসল্লি আছে; যারা মসজিদে আসে, ইমামের খুতবার সময় কথাবার্তা বলে। মানুষের কাঁধ টপপে সামনে এগুতে থাকে। তারাও জুমা থেকে ফায়েদা নিতে পারে না। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি ঘোষণা করেন এভাবে-

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন মসজিদে কথাবার্তা বলে, অথচ ইমাম সে সময় খুতবাহ দিচ্ছে- এ ব্যক্তি গাধার মতো; যে শুধু বোঝা টানে (অথচ তা থেকে উপকৃত হতে পারে না)। আর যে লোক তাকে ‘চুপ করুন’ তার জন্যও জুমা নেই (অর্থাৎ তার জুমাও হয়নি অথবা জুমার উদ্দেশ্য সফল হয়নি। কারণ সে নিজেও চুপ থাকেনি)।’ (মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত)

অথচ মুসলিম উম্মাহর জন্য জুমার দিনটি সপ্তাহের সবচেয়ে খুশির দিন; আনন্দের দিন। এ দিনটি বান্দার বিশেষ ইবাদতের দিন। এ সম্পর্কে প্রিয় নবি কোনো এক জুমার দিন ঘোষণা দেন-

‘হে মুসলিম সম্প্রদায়! এটি এমন একটি দিন, একে আল্লাহ তাআলা (মুসলমানদের জন্য) খুশির দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং তোমরা এ দিনে গোসল কর, যার সুগন্ধি আছে সে তা ব্যবহার করলে তার কোনো ক্ষতি হবে না (অর্থাৎ সুগন্ধি ব্যবহার কর) এবং মেসওয়াক করাকে আবশ্যক মনে কর।’ (ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

সুতরাং মুমিন মুসলমানে উচিত, জুমার দিন নামাজ পড়তে গিয়ে যথাযথ হক আদায় করে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিশ্চুপ থাকা, ইমামের খুবা শোনা এবং জুমার নামাজ পড়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী খুতবাহ শোনার এবং নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জিকেএস

নামাজ ইসলাম হাদিস উপদেশ
আরও পড়ুন
জুমআর দিন তেলাওয়াত-দরূদসহ বিশেষ সময়ের আমল
জুমআর দিন তেলাওয়াত-দরূদসহ বিশেষ সময়ের আমল

জুমার দিন যে কারণে মুসলিম উম্মাহর সৌভাগ্যের প্রতীক
জুমার দিন যে কারণে মুসলিম উম্মাহর সৌভাগ্যের প্রতীক

জুমার দিন সবার আগে নামাজে যাওয়ার ফজিলত ও সাওয়াব
জুমার দিন সবার আগে নামাজে যাওয়ার ফজিলত ও সাওয়াব

জুমার দিন দরূদ পড়া যে কারণে বিশেষ ইবাদত
জুমার দিন দরূদ পড়া যে কারণে বিশেষ ইবাদত

যেসব কারণে জুমার দিন সবচেয়ে উত্তম
যেসব কারণে জুমার দিন সবচেয়ে উত্তম

জুমআর দিন সুরা কাহাফ পাঠকারীর মর্যাদা
জুমআর দিন সুরা কাহাফ পাঠকারীর মর্যাদা

জুমার দিনের ফজিলত
জুমার দিনের ফজিলত

জুমার দিনরাত কি শুধু মানুষের জন্য ফজিলতপূর্ণ?
জুমার দিনরাত কি শুধু মানুষের জন্য ফজিলতপূর্ণ?

জুমআর দিনের বিশেষ আমল
জুমআর দিনের বিশেষ আমল
বিজ্ঞাপন

পরবর্তী খবর
জুমার দিন কোরআন তেলাওয়াতের দিকনির্দেশনা ও ফজিলত
ইসলাম ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:৫৬ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১
জুমার দিন কোরআন তেলাওয়াতের দিকনির্দেশনা ও ফজিলত
কোরআন তেলাওয়াত অনেক বরকত ও ফজিলতপূর্ণ ইবাদত। কোরআন তেলাওয়াতে হৃদয়ে জমা হওয়া গুনাহের মরিচা থেকে মুক্তি পায় মানুষ। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ কারণেই বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াতের কথা বলেছেন। হাদিসে এসেছে-

‘নিশ্চয়ই হৃদয়ে মরিচা ধরে, যেভাবে পানি লাগলে লোহায় মরিচা ধরে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল! এ মরিচা দূর করার উপায় কী? তিনি বললেন, বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করা ও কোরআন তেলাওয়াত করা।’ (বায়হাকি, মিশকাত)

বিজ্ঞাপন

কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার বিশেষ দিনে কোরআনুল কারিমের বিশেষ কিছু সুরা ও আয়াত তেলাওয়াতের যেমন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তেমনি চমৎকার সব ফজিলতও বর্ণনা করেছেন। কোরআনের সেই আয়াত ও ফজিলত কী?

১. সুরা কাহফ

বিজ্ঞাপন

> হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, ‘নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা আল-কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমা থেকে আগামী জুমা পর্যন্ত চমকাতে থাকবে।’ (বায়হাকি, আত-তারগিব)

> হজরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, যে সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত করবে; সে দাজ্জালের ফিৎনা হতে নিরাপদ থাকবে। অন্য হাদিসে ভিন্ন রেওয়ায়েতে শেষ ১০ আয়াতের ব্যাপারে উল্লিখিত ফজিলতের বর্ণনা রয়েছে। (মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ ও মুসনাদে আহমদ)

বিজ্ঞাপন

সুতরাং প্রথম বা শেষ ১০ আয়াত অথবা উভয় দিক দিয়ে মোট ২০ আয়াত যে মুখস্ত করবে সেও হাদিসের ঘোষিত ফজিলত লাভের অন্তর্ভুক্ত হবেন।

> হজরত সাহাল ইবনে মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ও শেষ আয়াতগুলো পাঠ করবে; তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটি নূর হয়ে যায়। আর যে পূর্ণ সুরা তিলাওয়াত করে তার জন্য জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত নূর হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমদ)

> হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, সে আট দিন পর্যন্ত সর্বপ্রকার ফিৎনা থেকে মুক্ত থাকবে। যদি দাজ্জাল বের হয় তবে সে দাজ্জালের ফিৎনা থেকেও মুক্ত থাকবে।

২. সুরা আল-ইমরান

হজরত মাকহুল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, ‘যে লোক জুমার দিনে সুরা আল-ইমরান পড়বে মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) তার জন্য রাত পর্যন্ত সালাত বা দোয়া করতে থাকবেন।’ (দারেমি, মিশকাত)

৩. সুরা হুদ

হজরত কাব ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জুমার দিনে সুরা হুদ পড়বে।’ (দারেমি, মিশকাত)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জুমার দিন সুরা কাহফসহ অন্যান্য সুরাগুলো তেলাওয়াত করা। যে তেলাওয়াতের বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন স্বয়ং বিশ্বনবি।

মনে রাখতে হবে

কোরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে দেখে দেখে তেলাওয়াতের ফজিলত অনেক বেশি। তাই দেখে দেখে ধীরস্থিরভাবে কোরআন তেলাওয়াত করা জরুরি। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি ঘোষণা করেন- ২১৬৭-[৫৯] রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির মাসহাফ ছাড়া অর্থাৎ কোরআন দেখা ছাড়া মুখস্থ কোরআন পড়া এক হাজার গুণ মর্যাদা সম্পন্ন। আর কোরআন মাসহাফে পড়া অর্থাৎ কোরআন খুলে দেখে দেখে পড়া মুখস্থ পড়ার দ্বিগুণ থেকে দুই হাজার গুণ পর্যন্ত মর্যাদা রাখে।’ (বায়হাকি)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, প্রিয় নবির শেখানো পদ্ধতিতে সঠিক দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কোরআন তেলাওয়াত করা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে জুমার দিন সন্ধ্যার আগে উল্লেখিত সুরাগুলো তেলাওয়াত করার মাধ্যমে ঘোষিত ফজিলত পাওয়ার চেষ্টা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জিকেএস

কুরআন কুরআন-তেলাওয়াত ইসলাম হাদিস বিশ্বনবি আমল ইবাদত উপদেশ
বিজ্ঞাপন

পরবর্তী খবর
জুমার নামাজের গুরুত্ব ও করণীয়
ইসলাম ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:৩৫ এএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০২১
জুমার নামাজের গুরুত্ব ও করণীয়
জুমার নামাজ প্রত্যেক বয়স্ক পুরুষ ও জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের উপর জামাতের সঙ্গে আদায় করা ফরজ। চাই সে শহরের বাসিন্দা হোক কিংবা গ্রামের। তবে গোলাম, রোগী, মুসাফির, শিশু ও নারীদের জন্য জুমার নামাজ ফরজ নয়। একবার হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বাহরায়েনবাসীর প্রতি এ মর্মে এক লিখিত ফরমান জারি করেন যে- جَمِّعُوْا حَيْثُمَا كُنْتُمْ ‘তোমরা যেখানেই থাক, জুমা আদায় কর’। এ থেকে বুঝা যায় যে জুমার নামাজের গুরুত্ব অনেক বেশি।

জুমার নামাজের গুরুত্ব

বিজ্ঞাপন

১. জুমার নামাজের গুরুত্ব এতবেশি যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমা থেকে বিরত থাকা বা অলসতাকারীদের ঘর জালিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। (মুসলিম, মিশকাত)

২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন, ‘জুমা পরিত্যাগকারীদের হৃদয়ে আল্লাহ মোহর মেরে দেন। এরপর তারা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।’ (মুসলিম, মিশকাত)

বিজ্ঞাপন

৩. তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি অবহেলা করে পরপর তিন জুমা পরিত্যাগ করলো, সে ব্যক্তি ইসলামকে পেছনে নিক্ষেপ করলো।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত)

৪. অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি বিনা করণে তিন জুমা পরিত্যাগ করলো, সে ব্যক্তি ‘মুনাফিক’।’ (ইবনু খাজায়মা)

বিজ্ঞাপন

জুমার সুন্নাত করণীয়

মুমিন মুসলমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জুমার নামাজ আদায় করা জরুরি। জুমা আদায়ের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সুন্নাত কাজ রয়েছে। হাদিসের বর্ণনাসহ তা তুলে ধরা হলো-

১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- جَعَلَهُ اللهُ عِيْدًا ‘হে মুসলমানগণ! জুমার দিনকে আল্লাহ তোমাদের জন্য (সাপ্তাহিক) ঈদের দিন হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। তোমরা এদিন মেসওয়াক কর, গোসল কর ও সুগন্ধি লাগাও’। (মুয়াত্তা, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)

২. জুমার দিন সুন্দরভাবে গোসল করে সাধ্যমত উত্তম পোষাক ও সুগন্ধি লাগিয়ে আগে-ভাগে মসজিদে যাওয়া। (বুখারি, মিশকাত)

৩. মসজিদে প্রবেশ করে সামনের কাতারের দিকে এগিয়ে যাওয়া। (নাসাঈ, মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত)

৪. আর মসজিদে গিয়ে বসার আগে প্রথমে দুই রাকাত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ আদায় করা। (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত)

৫. খতিব মিম্বরে বসার আগ পর্যন্ত (সম্ভব হলে) যত রাকাত খুশি নফল নামাজে নিয়োজিত থাকা। (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, মিশকাত)

৬. (ইমাম মিম্বারে আরোহন করলে) চুপচাপ মনোযোগ সহকারে খুতবাহ শোনা। (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)

৭. খুতবাহ চলা অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করলে (অন্যের ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে) শুধু দুই রাকাত ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ নামাজ আদায় করে বসে পড়া। (মুসলিম, মিশকাত, আবু দাউদ)

যারা জুমা আদায় নিয়ে অলসতা করেন তাদের উচিত, মহান আল্লাহর এ নির্দেশের দিকে মনোযোগ দেয়া। কোরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ ঈমানদারদের উদ্দেশ্য করে এ মর্মে নির্দেশ দেন যে-

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا نُوۡدِیَ لِلصَّلٰوۃِ مِنۡ یَّوۡمِ الۡجُمُعَۃِ فَاسۡعَوۡا اِلٰی ذِکۡرِ اللّٰهِ وَ ذَرُوا الۡبَیۡعَ ؕ ذٰلِکُمۡ خَیۡرٌ لَّکُمۡ اِنۡ کُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ

হে বিশ্বাসীগণ! জুমার দিন যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের (নামাজের) জন্য ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা উপলব্ধি কর।’ (সুরা জুমআ : আয়াত ৯)

মনে রাখা জরুরি

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জুমার এই দিনটি প্রথমে ইয়াহুদি ও নাছারাদের উপর ফরজ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এ বিষয়ে মতভেদ করে। তখন আল্লাহ তাআলা আমাদের এই দিনের প্রতি (অহির মাধ্যমে) হেদায়াত দান করেন। এখন সব মানুষ আমাদের পশ্চাদানুসারী। ইয়াহুদিরা পরের দিন (শনিবার) এবং নাছারারা তার পরের দিন (রোববার) পালন করে।’

ইয়াহুদিদের দাবি, যেহেতু আল্লাহ শনিবারে কিছু সৃষ্টি করেননি এবং আরশে স্বীয় আসনে সমুন্নত হন; সেহেতু ইয়াহুদিরা এদিনকে তাদের সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন হিসাবে বেছে নেয়।

নাছারাদের দাবি, যেহেতু আল্লাহ রোববারে সৃষ্টির সূচনা করেন, সেহেতু নাছারাগণ এ দিনটিকে ইবাদতের দিন হিসেবে পছন্দ করে। এভাবে তারা (ইয়াহুদি-নাসারারা) আল্লাহর নির্দেশের উপর নিজেদের যুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়।

পক্ষান্তরে জুমার দিন সব সৃষ্টিকর্ম সম্পন্ন হয় এবং সর্বশেষ সৃষ্টি হিসাবে আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয। তাই এ দিনটি হলো সপ্তাহের সব দিনের সেরা দিন। এই দিনটি মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন হিসাবে নির্ধারিত হওয়ায় আগের সব (নবি-রাসুলের) উম্মতের উপর তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয়।

এ কারণেই হজরত কাব বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আজানের আওয়ায শুনে বিগলিত হৃদয়ে বলতেন-

‘আল্লাহ রহম করুন! আসআদ বিন যুরারাহর উপর; কারণ তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মক্কা থেকে মদিনায় আসার আগে সেই-ই প্রথম আমাদের নিয়ে জুমার নামাজ কায়েম করেন।‘

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জুমার নামাজের গুরুত্ব অনুধাবন করে এ দিনের সুন্নাতগুলো যথাযথ পালন করে আগে-ভাগে মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার নামাজ গুরুত্বসহকারে সুন্নাত নিয়ম মেনে যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/জিকএস

নামাজ ইসলাম কুরআন হাদিস আমল সুন্নাত উপদেশ
বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ - ধর্ম

জুমার নামাজ পড়লে যেসব মর্যাদা পাবে মুমিন

কাবা শরিফ-মদিনায় নামাজ পড়াবেন শায়খ ফয়সাল ও আল-শায়খ

নামাজের সময়সূচি : ৩১ ডিসেম্বর ২০২১

শীতকাল কেন মুমিন বান্দার কাছে বেশি প্রিয়?

মানুষ সৃষ্টির আগে আল্লাহ কেন ফেরেশতাদের কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন?

পাইকারী বিক্রি করা হয়। প্রয়োজনে কল করুনঃ 01912864065
30/12/2021

পাইকারী বিক্রি করা হয়।
প্রয়োজনে কল করুনঃ 01912864065

Address

Kaptanbazer B-2, F-2 , H/168
Wari

Telephone

+8801912864065

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rasal Power Light House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rasal Power Light House:

Share

Category