08/05/2026
#গল্প #মুস্তাকিমবিল্লাহ
মা মা ঘ্রাণ...
‘গতকাল সন্ধ্যায় বিয়ে করেছি। যাকে বিয়ে করেছি সে একজন চমৎকার মহিলা তোমার পছন্দ হবে তাকে। তার একটা আর্টের স্কুল আছে ঢাকা শহরেই।’ রেনুর হাতে তার বাবার কিনে দেওয়া পছন্দের আইসক্রিম,তবে এখন আর এই আইসক্রিম তার ভালো লাগছে না । ইচ্ছে করছে ছুড়ে ফেলে দিতে। রেনু আইসক্রিম খাওয়া থামিয়ে একবার বাবার দিকে তাকালো। তারপর গাড়ির জানালা দিয়ে হাতের আইসক্রিম ফেলে দিলো। রেজা বলল, আইসক্রিম ফেলে দেওয়ার মতো কি হয়েছে? রেনু কোনো উত্তর দিলো না।
রেনু এবার ক্লাস সেভেনে পড়ে। রেনু তখন ক্লাসে, নূরজাহান ম্যামের গনিত ক্লাল। স্কুলের দপ্তরি জাবেদ ভাই ক্লাসে এসে বলল, ম্যাম রেনুর বাবা এসেছে লাইব্রেরিতে বসে আছে, রেনুকে ছুটি দিতে বলছেন বড় স্যারে। নূরজাহান ম্যাম বলল, আচ্ছা রেনু তুমি যাও। রেনু বই খাতা গুছিয়ে ব্যাগে নিয়ে লাইব্রেরিতে এসে দেখলো বাবা বসে আছেন।
স্কুল থেকে বের হয়ে বাবার সাথে গাড়িতে বসে রেনু জিজ্ঞেস করলো, কোথাও দাওয়াতে যাবে? রেজা বলল, কোথাও দাওয়াত নেই আমার মাকে যে সময় দেওয়া হয়না তাই ভাবলাম তাকে নিয়ে আজকে একটু ঘুরবো, দুপুরে একসাথে খাবো।
বাবার কথা শুনে রেনু ভীষণ খুশি হলো। নূরজাহান ম্যামের অংক এমনিতেই রেনুর মাথায় ধরে না, ঠিক সেইসময় বাবা তাকে নিয়ে ঘুরতে বের হলেন তাই রেনু বলল, আমার ছেলেটাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। রেনু বাবার মাথার উপর হাত রেখে বলল, বেঁচে থেকো বাচ্চা। রেজা হাসলো।
রেনুর বুকের ভিতরে যে আনন্দ ছিলো সেসব এখন বাবার কথা শুনে হারিয়ে গেছে। বাবার সাথে কথা বলতেই বিরক্ত লাগছে, ইচ্ছে করছে গাড়ি থেকে নেমে যেয়ে একটা রিক্সা নিয়ে বাসায় ফিরে যেতে।
রেজা বলল, চুপ করে আছো কেন কথা বলো? রেনু বলল, বাবা তুমি আমাকে বিরক্ত করো না এখন কথা বলতে ইচ্ছে করছে না।
রেজা চুপ হয়ে গেলো। রেজা ঠিক করছে আজকে দুপুরেই সোমার সাথে রেনুর পরিচয় করিয়ে দিবে। দুপুরে সোমা এবং রেনুকে নিয়ে একসাথে খাবে। গতকাল সন্ধ্যায় সোমার সাথে তার বিয়ে হয়েছে, বেশ সাদামাটা বিয়ে, রেজার দুজন বন্ধু ছিলো সাথে সোমার ছোটো মামা।
বিয়ের পরেই সোমা চেয়েছিলো রেনুর সাথে পরিচিয় হতে। তবে রেজা বলল, আগামীকাল দুপুরে না হয় একসাথে খাবার খাবো তখনই রেনুকে দেখবে। সোমা রেনুর সাথে পরিচয় হতে বেশ উচ্ছ্বাস নিয়েই অপেক্ষা করছে।
রেজার গাড়িটা সোমার বাসার সামনে থামে। ফোন হাতে নিয়ে সোমাকে কল দিলো। সোমা বলল, এসে গেছো তুমি? রেজা বলল, হ্যাঁ তোমার বাসার নিচেই। সোমা বলল, দশ মিনিট সময় দেও আমাকে।
দশ মিনিট পরে সোমা আসে, সোমার পরনে একটা গোলাপি রঙের শাড়ি, চুল খোঁপা করা। শাড়িটায় অবশ্য তাকে মানিয়েছে। সোমা গাড়িতে উঠে বসলো রেনুর পাশে। সোমা রেনুর দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল, হাই আমি সোমা। রেনু বলল, আমার নাম রেনু। সামনে থেকে রেজা রেনুকে উদ্দেশ্য করে বলল, কেউ হাত বাড়িয়ে দিলে তার সাথে হাত মিলাতে হয়। রেনু বলল, সবাই হাত বাড়িয়ে দিলেই তার সাথে হাত মিলানো উচিত না।
সোমা বলল, আচ্ছা থাক হাত মিলাতে হবে না।
রেনু চুপচাপ বসে আছে গাড়িতে পাশেই তার বাবার গত সন্ধ্যায় বিয়ে করা স্ত্রী।
দুপুরে তারা তিনজন একটা রেস্টুরেন্টে খাবার খায়। সোমা আজকে থেকেই রেজার বাসায় একসাথে থাকবে। খাবার শেষে তারা গাড়ি নিয়ে একটা মার্কেটে যায়। সোমার জন্যে কিছু কাপড় কিনলো। রেজা বলল, রেনু তোমার কিছু পছন্দ হলে এখান থেকে নিতে পারো। তবে রেনু কিছুই কিনলো না, অন্য সময় হলে দুই একটা ড্রেস অবশ্য কিনতো তবে এখন কিছুই কিনতে ইচ্ছে করছে না।
মার্কেট থেকে বের হয়ে রেজা একটা ফুলের দোকানে যায়। কিছু ফুল কিনলো। সোমার সাথে তার নতুন জীবনের শুরু হতে যাচ্ছে, যা কিছু সুন্দর ফুল দিয়েই শুরু করতে হয়।
বাসায় ফিরে বিকাল পাঁচটা বিশে। রেনু বাসায় ফিরেই দরজা চাপিয়ে দেয়, এখনো পরনে স্কুল ড্রেস, রেনু তার আলমারি খুলে মা বাবার বিয়ের কিছু ছবি বের করে দেখে। তারপর কাঁদতে কাঁদতে বিছানার উপর ছবি নিয়েই ঘুমিয়ে যায়।
সোমা তার পরনের শাড়িটা বদলে নিয়েছে, শাড়িট বেশ ভারি, ভারি শাড়ি পরতে অস্বস্তি লাগে। বাসায় পরা যায় এমন একটা শাড়ি বের করে পরে নিলো। রেজার পাশে দাঁড়াতেই সোমাকে জড়িয়ে ধরে, কপালে বেশ কয়েকটা চুমু খায়। সোমা নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, রেজা আরো শক্ত করে আকড়ে ধরলো। রেজা বলল, তোমাকে এমন সাদামাটা সাজে বেশি সুন্দর লাগে সে কি জানো। সোমা বলল, তুমি বললে বলে মাত্রই জানলাম। এখন আদরের সময় না, ছাড়ো বলছি। রেজা বলল, তোমার রাগী চোখ আরো বেশি সুন্দর লাগে, আরেকটু রাগ করো না হয়। সোমা বলল, এবার না ছাড়লে হাতে কামড় বসিয়ে দিবো বললাম। রেজা বলল, দেও দেখি।
সোমা সত্যি সত্যি রেজার হাতে কামড় বসিয়ে দিলো। রেজা হাত সরাতেই সোমা ছুটে একপাশে যায়। রেজা সোমাকে ধরতে আসে তখনই বলে এখন শান্ত হও মহারাজা রাতে যে খাবার খেতে হবে রান্না বসাবো। কি রান্না করবো বলো? রেজা বলল, ফ্রিজে মাংস আছে বিরিয়ানি রান্না করো। সোমা বলল আচ্ছা।
সোমা রুমের বাহিরে চলে গেলো। একবার রেনুর ঘরের দরজা ঠেলে দেখলো রেনু ঘুমে। স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় মেয়েটা ঘুমিয়ে আছে। সোমার ইচ্ছে করছে মেয়েটার পাশে যেয়ে বসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে। তবে সে সাহস হলো না। সোমা বুঝতে পেরেছে রেনু তার উপরে বিরক্ত, অল্প বিরক্ত না অনেক বিরক্ত। সেই দুপুর থেকে সোমার সাথে একটবার কথা বলেনি, সোমা কতবার চেষ্টা করেছে কথা বলতে তবে রেনু কোনো কথাই বলেনি, মুখ ভার করে ছিলো। কথা অবশ্য জোর করে বলা যায় না।
সোমা রান্নাঘরে চলে গেলো, বিরিয়ানি চুলায় বসিয়ে দিয়ে রান্নাঘর থেকে বের হয়। সোমা ঠিক করছে এবার পুরো বাসাটাকে একবার ঘুরে দেখে নিবে।
সন্ধ্যা হয়ে আসছে তবু রেনু ঘুম থেকে উঠলো না। সোমা রেনুর ঘরের দরজা ঠেলে ভিতরে যায়। রেনুর পাশেই কিছু ছবি। ছবিগুলো দেখে বুঝতে পারে রেনুর মায়ের সাথে তার বাবার বিয়ের সময়ের ছবি।
সোমা ছবিগুলো গুছিয়ে টেবিলের উপর রাখলো, রেনুর স্কুল ব্যাগটা বিছানার উপর থেকে নিয়ে টেবিলে রেখে দেয়। রেনুকে দুবার ডাকলে রেনু চোখ খুলে তাকিয়ে উঠে বসে। সোমা বলল, গোসল করবে না তুমি অনেক যে ঘুমিয়ে নিলে এবার গোসলে যাও। রেনু বলল, আপনি অনুমতি ছাড়া আমার রুমে আসবেন না। সোমা রুমের বাহিরে চলে যায়, দরজার পাশে দাঁড়িয়ে বলল, আমি কি ভিতরে আসতে পারি? রেনু বলল, আসতে পারেন না। সোমা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলল, ঠিক আছে, তবে আপনি এখন গোসলে যান। রেনু বিছানা ছেড়ে উঠে তোয়ালে আর রেনুর পোষাক হাতে নিলে সোমা দরজার পাশ থেকে সরে যায়।
সোমা দরজার পাশ থেকে সরে একবার রান্নাঘরে যেয়ে চুলায় বসিয়ে রাখা বিরিয়ানি দেখে নিলো।
সোমা রুমে এসে বলল, রেনু আমার খুব বিরক্ত বুঝলা। রেজা বলল, অভিমান করে আছে তাই এমন ঠিক হয়ে যাবে দেখবে। সোমা বলল, ঠিক হলেই হলো আমি চাই না বিরক্তির হয়ে এখানে থাকতে। রেজা বলল, তুমি মন খারাপ করো না সব ঠিক হবে।
রেনুর মা পৃথিবী থেকে চলে গেছে দুবছর হয়, সেই থেকে মেয়েটা মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত। রেজা সকালবেলা অফিসে যায়, ফিরে সন্ধ্যা। পুরো বাসায় মেয়ে একা থাকে, মেয়েকে নিয়ে তার চিন্তা হয়। কখনো অফিসের কাজে দেশের বাহিরে যেতে হয় রেজাকে, তখন রেনুকে কোনো আত্মীয় স্বজনের বাসায় রেখে যেতে হয়। মেয়ের জন্যে তখন আরো বেশি দুঃশ্চিন্তা হয়।
একটা বয়সের পরে নিজের একজন সঙ্গী দরকার, যে মানসিক শান্তি দিবে, যত্ন করে সব সামাল দিতে পারবে। সোমা তেমনই মেয়ে, তাইতো রেজা সোমাকে বিয়ে করলো।
রেজা ঘরের দরজা বন্ধ করে ফুল দিয়ে বিছানা সাজিয়ে নিলো। স্বামীর সংসারে সোমার প্রথম রাত, কিছু বিশেষ চাওয়া পাওয়া অবশ্যই থাকে। মেয়েটাকে সেসব থেকে বঞ্চিত করা ঠিক হবে না। তাই রেজা তার রুমের বিছানা কিছু ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিয়েছে।
সোমার এই বাসায় একমাস হতে চলছে, রেজা মানুষটা সঙ্গী হিসেবে চমৎকার। তবে সোমার খারাপ লাগছে এই একমাস সময়েও রেনু এখনো তার সাথে ঠিকঠাক করে কথা বলে না। সোমার ইচ্ছে করে মেয়েটার সাথে কথা বলতে, গল্প করতে, চুলে বেনী করে দিতে। তবে রেনু সোমার থেকে দূরেই থাকে।
সোমা ভোরে উঠেছে, রেনুর রুমে যেয়ে দেখলো এখনো শুয়ে আছে। সোমা রেনুকে দুবার ডাক দিলো। সোমা বলল, স্কুলে যাবে না আজকে? রেনু কোনো জবাব দিলো না। সোমা রেনুর গায়ে হাত রাখতেই দেখলো রেনুর শরীরে অনেক তাপ। সোমা কপালে হাত রেখে দেখে জ্বরের তাপে হাত পুড়ে যাচ্ছে। রেজা অফিসে, সোমা কি করবে ঠিক করতে পারলো না।
রেজাকে কল দিয়ে রেনুর জ্বরের কথা জানায়। রেজা বলল, আমি এখন আসতে পারবো না তবে গাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছি তুমি রেনুকে নিয়ে একটা ক্লিনিকে যাও।
সোমা রেনুকে উঠে বসিয়ে দিলো, রেনু ঠিকঠাক করে কথা বলতে পারছে না। সোমা রেনুকে নিয়ে এক ঘন্টা পরেই ক্লিনিকে যায়। টেস্ট করে দেখা গেলো রেনুর টাইফয়েড হয়েছে।
বিকালের দিকে রেনুকে নিয়ে বাসায় আসে। রেনু কিছুই মুখে তুলতে পারছে না, যা মুখে দেওয়া হয় বমি করে দেয়। সোমা একটা সবজি রান্না করেছে সেই সবজি দিয়ে রেনু অল্প কিছু ভাত খেতে পারে।
গত দুই রাত থেকে রেনু ঘুমাতে পারে না জ্বরের তাপে। সোমা জলপট্টি দিয়ে দিয়ে দেয় রাতে দুবার করে তারপরে ফজরের দিকে একটু ঘুমায়।
সোমা এখন রেনুর সাথেই ঘুমায় রাতে। চারদিন পরে রেনু কিছুটা স্বাভাবিক হয়, জ্বর অনেকটা কমে।
রেনুর জ্বরের দিনগুলোর কথা মনে উঠে, বাবা যখন এই মহিলাকে বিয়ে করে নিয়ে আসলো ভীষণ ঘৃণা জমে যায় বাবা এবং এই মহিলার উপরে। তবে এখন যখন এই মহিলা তার পাশে আসে মা মা একটা ঘ্রাণ টের পায়, মুখের দিকে তাকালে মায়া লাগে। বহুদিন পরে রেনু যেনো নিজের মাকে দেখছে।
রেনু এগারো দিন পরে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠে। ভোরে উঠে স্কুলে যায়। জ্বর কমার পরে এখন শরীরটা ভীষণ হাল্কা লাগছে। এই এগারো দিনের প্রতিবেলা সোমা রেনুকে খাবার খাইয়ে দিছে।
রেনু স্কুল থেকেই ফিরে দেখলো সোমা ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছে। রেনু নিজের থেকেই জিজ্ঞেস করলো, কোথায় যাচ্ছেন। সোমা বলল, টাঙ্গাইল বাবার বাসায়, আমার বাবা অসুস্থ তাই যেতে হবে দুদিন থেকেই চলে আসবো।
রেনু বলল, মা আমিও যাবো আপনার সাথে একা বাসায় ভালো লাগছে না। সোমা রেনুর দিকে একবার তাকালো, রেনু তাকে মা ডাকছে। মেয়েটার মুখে মা ডাক শুনে সোমার ভীষণ আনন্দ লাগছে।
সোমার একবার বিয়ে হয়, তার এক ছেলে ছিলো। ছেলেটার বয়স দুইবছর, সে রাতে ছেলেটার কি কান্না। ভোররাতের দিকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, সকাল আটটায় ছেলেটার কান্না থেমে যায়, চোখজোড়া পিটপিট করতে করতে নিভে যায়। ছেলের মৃত্যুর দোষ চাপে সোমার উপরে, তিন মাস পরেই তাই সোমার ডিভোর্স হয়ে যায়।
সোমা তাকিয়ে দেখলো, রেনুর চোখে পানি। সোমা উঠে এসে রেনুকে ধরে বলল, কাঁদছো কেন? রেনু বলল, অনেকদিন পরে মা ডাকলাম তাই চোখে পানি এসে গেছে। সোমা রেনুকে বুকে জড়িয়ে নেয়। রেনু ফুপিয়ে কাঁদছে, সোমা চোখেও এখন পানি। রেনুর মনে হলো বহুদিন পরে মায়ের বুকে মিশে আছে।
সোমা রেজাকে কল দিয়ে বলল, রেনু যেতে চাচ্ছে আমার সাথে তুমি কি বলো? রেজা বলল, নিয়ে যাও, আর আমি গাড়ি দিয়ে দিচ্ছি তোমাদের পৌছে দিবে।
সোমা আর রেনু টাঙ্গাইল পথে রহনা দেয়, দুজনের কথা জমতেই থাকে পুরো পথ। গাড়ি থামিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চা খেলো। এখন সোমার কাঁধের পাশে রেনু মাথা দিয়ে ঘুমিয়ে গেছে, সোমা মেয়েটার মুখের উপর থেকে চুল সরিয়ে গালে একটা চুমু দিলো। রেনু জেগে উঠে, রেনু বলল মা আমিও একটা চুমু খাবো। সোমা কপাল বাড়িয়ে দেয়, রেনু সোমার কপালে চুমু দেয়। সোমা বলল, চুল খুলে রাখছো কেন বসো বেনী করে দেই। রেনু, মাথা ঘুরিয়ে বসলো। সোমা রেনুর চুল বেনী করে দিচ্ছে, রেনুর অদ্ভুত ভালোলাগায় মন ভরে গেলো।
মা মা ঘ্রাণ
-মুস্তাকিম বিল্লাহ
[প্রিয় লেখক গল্পটি খুব ভালো লাগলো তাই শেয়ার করে নিলাম।]