Prasadam

Prasadam Bangla Rannar Pala O Parbon, Indian cuisine and traditional Bengali Recipes Bengali food and cultur A Bengali food will actually taste different.

The purpose is to distinguish the various dimensions of food culture of Bengal associated with basic task of rediscovering history considering advancement in modern acquisition. My plutolatry for traditional and cultural food forced me to make this journey through ages and to pursue expansive treasure towards the future. For Kolkata-Bangalees, there is no particular kind of BENGALI food habits now

. Through the decades, Bengali cuisine has been influenced by many foreign entities such as the Mughals, Persians, Burmese, Portuguese, British, Chinese and other different countries and so as now in this cosmopolitan society after partition and migration to India, Bengalees can easily adopt foods of others. The food practice thoroughly supplemented from other provinces “like idly dosa from south, chole batura, singara, tikia, rolls from north, from west pao bhaji, golgappa, chaat, easily available pizzas, ready to make pastas, cosmopolitan items like cakes, burgers, pastries, sandwiches etc in every lane, no doubt benefited in many ways", but now pure Bengali meals or tiffin have become fussy and fancy according to our conception, which is not suitable for fast life. The elaborate meals are truly expensive, practically it is, and no time to compare too. Traditional full course Bengali meal

Due to the economy and unavailability of ingredients it has now became impossible to stick on the basic old-fashioned way and the taste is hardly the same, profoundly different with mix and matches. It will hit the taste buds. The uniqueness of food as a cultural phenomena “sensorial food” aesthetically tastes differently. The real gourmet meal to be served to any distinguished guest would be an assortment of food that is described of many things to “eat, chew, lick and drink” as “Chobbo, chossho, lejjho, peyo" teasing the taste buds drooling throughout the meal, which will confuse taste-buds with sukto; a vegetarian curry that blurs to a savory delight.

আগে দাম তত লাফাত না এখন শুধুই লাফায়আজকাল পত্রিকার বাজার সফর এর নির্বাচিত কলামে শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন ১৯৮৫ থেকে...
16/03/2025

আগে দাম তত লাফাত না এখন শুধুই লাফায়

আজকাল পত্রিকার বাজার সফর এর নির্বাচিত কলামে
শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ সাল দক্ষিণ কলকাতায় যে-বাড়িতে ভাড়া ছিলেন, সেই বাড়িটি ছিল স্বামী বিবেকানন্দের মাসতুতো ভাইয়ের এক নাতির বাড়ি। তিনি তাঁদের পারিবারিক অনেক পুরনো ছবি, বই, চিঠিপত্র ওনাকে দেখতে দেন। ওঁরা আত্মীয়তা-সূত্রে আবার গোবিন্দ মিত্রের বংশধর, যে গোবিন্দ মিত্র প্রাচীন কলকাতার ইতিহাসে জন কোম্পানির আমলের ব্ল্যাক জমিনদার হিসেবে পরিচিত হন এবং কলকাতার প্রথম পুলিসও ছিলেন তিনিই। সে সব প্রায় আড়াইশো বছর আগের কথা।

ওইসব পুরনো বই আর চিঠিপত্রের ভেতর বাজারের হিসেব লেখা একখানি খাতা পেয়েছিলেন। ওই বাড়িরই কেউ সম্ভবত ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছিলেন। খাতায় কোনও
নাম লেখা নেই। ভদ্রলোক রিটায়ার করার পর দৈনিক বাজারের হিসেব লিখে রাখতেন।

খাতাখানিতে বাজারের যে হিসেব পেয়েছিলেন, তা হল — ১৯৩০ সালের আগস্ট থেকে ১৯৩৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তার মানে একটানা প্রায় সাড়ে আট বছরের হিসেব। ভদ্রলোক টাকা, আনা, পাইয়ে হিসেব লিখেছেন।

১২ পাইয়ে এক আনা হত। ৩ পাইয়ে ১ পয়সা। ৪ পয়সায় ১ আনা। ১৬ আনায় ৬৪ পয়সা বা ১ টাকা।

দশমিক হিসেব চালু হয়েছে ১৯৫৭ সালে। আজ থেকে ৬৮ বছর আগে রিটায়ার্ড ভদ্রলোক প্রতি মাসে পেনশন পেতেন ১০৬ টাকা ২ আনা। প্রতি মাসের হিসেবের গোড়ায় তিনি লিখেছেন— পেনশন পেলাম ১০৬ টাকা ২ আনা। সেই সময় এত টাকা পেনশন দেখে মনে হয়, তিনি সম্ভবত ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের মতো কোনও উঁচু পদে চাকরি করতেন। হিসেব লিখেছেন আগাগোড়াই ইংরেজিতে।

একটানা সাড়ে ৮ বছরের হিসেব পড়ে একটা জিনিস লক্ষ্য করা যায় এই সাড়ে ৮ বছরে প্রায় কোনও জিনিসেরই দাম লাফ দিয়ে দিয়ে বাড়েনি। অথচ এখন বাজারে জিনিসের দাম বছরে ৪-৫ বার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। উদাহরণ দিলেই বোঝা যাবে।

আগস্ট ১৯৩০– পেনশন ১০৬ টাকা ২ আনা,
কেরোসিন- ১ গ্যালন: ১১ আনা ৬ পাই,
আধ সের চিনি- ২ আনা ৩ পাই,
দৈনিক বাজার- ৭ আনা ৬ পাই,
আধ সের সরষের তেল এবং
সওয়া সের চিনি- ৬ আনা ৬ পাই,
ছোলার ডাল- ১ সের - ২ আনা,
স্ত্রীর জন্য মিষ্টি- ২ ১৭০ আনা,
স্ত্রীর জন্য খাবার-৫ আনা ৬ পাই,
জিলিপি এবং ঘুঁটে- ৩ আনা ৩ পাই,
আটা আড়াই সের এবং সুজি- ৫ আনা ৩ পাই,
সানলাইট সাবান- ২ আনা ৯ পাই,
সরষের তেল এবং ঘি-১৩ আনা,
দৈনিক বাজার ও দাড়ি কামানো- ৭ আনা,
নারকেল তেল এবং নুন- ৩ আনা,
চশমা সারানো- ২ আনা,
চিনি ও মশল্লা- ২ আনা।
দৈনিক বাজার দেখছি ৭ আনা থেকে ১৩ আনার ভেতর। ভদ্রলোক বাজার করতে গিয়ে দাড়ি কামিয়ে আসতেন।

ট্রামে এসপ্ল্যানেড ও ওয়েলিংটনে গিয়েছিলেন তিনি। যাতায়াত ২ আনা ৩ পাই ।

ডিসেম্বর ১৯৩০—
ইলেকট্রিক বিল- ৩ আনা ৬ পাই,
গাওয়া ঘি, পাউরুটি এবং চিনি- ৫ আনা,
এক জোড়া সাদা ধুতি- ২ টাকা ৩ আনা,
১ মন কয়লা- ৯ আনা।

আগস্ট ১৯৩১–
বাজার খরচ- ৯ আনা,
কলগেট টার্কিস বাথসোপ- ৬ আনা ৬ পাই,
স্ত্রীকে ধারশোধ ২ টাকা ২ আনা,
আটা, চিনি ও সন্দেশ- ৬ আনা,
১৫ সের চাল- ২ টাকা ৬ আনা,
১ মন কয়লা- ৮ আনা (দাম আগের চেয়ে ১ আনা কমে গেছে।)

কোনও কোনও দিন দৈনিক বাজার ৪ আনা ৬ পাইয়ে নেমে এসেছে।

জানুয়ারি ১৯৩২ –
স্ত্রীর জন্য শাড়ি- ২ টাকা ১৫ আনা,
নিজের জন্য থান কাপড়- ৩ টাকা ৩ আনা,
মশারির কাপড়- ১ টাকা ২ আনা,
বাবার শ্রাদ্ধের কাপড়- ১৪ আনা,
সরষের তেল, ডাল ও আটা- ৫ আনা,
চা হাফ পাউন্ড- ৪ আনা,
গাওয়া ঘি এবং
হিন্দুস্থান আটা- ১৪ আনা।

এপ্রিল ১৯৩৪–
এক পোয়া নারকেল তেল- ১ আনা ৯ পাই,
সওয়া সের মধু- ৬ আনা,
স্ত্রীকে হাত খরচ- ৩ আনা,
৫০টি আম- ৮ আনা,
৪০০ ঘুঁটে- ৩ আনা ৩ পাই,

জানুয়ারি ১৯৩৫–
আটা আনা হত কোনও এক বসু মশায়ের দোকান থেকে। কয়লা আনা হত কোনও এক রাম মশায়ের দোকান থেকে। তাই দাম লেখা নেই।
দই এবং মিষ্টি- ১৩ আনা।

ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬–
চা ও পাউরুটি- ৩ আনা,
স্ত্রীর জন্য কাপড়- ২ টাকা ৫ আনা ৬ পাই,
মশলা- ২ আনা ৩ পাই,
অলিভ অয়েল- ১২ আনা,
২৫টি আম- ৪ আনা।

জানুয়ারি ১৯৩৭–
বিস্কুট ও পাউরুটি- ৩ আনা,
দাড়ি কামানোর সাবান- ৩ আনা,
সওয়া সের ডাল- ৫ আনা,
ট্রেনে ৪টি পেয়ারা খেলাম- ১ আনা,
২০০ ঘুঁটে- ২ আনা,
সাবান ও রুটি- ৫ আনা ৬ পাই,
খোকার জন্য জুতো- ৮ আনা।
আটা ও চিনি- ৩ আনা ৩ পাই,
আটা আড়াই সের- ৬ আনা ।

মে ১৯৩৮ –
লাল আটা, সুজি ও চিনি- ৮ আনা,
লাল চিনি- ৩ আনা,
পাউরুটি, চিনি ও দুধ- ৭ আনা,
নারকেল তেল- ১ আনা ৬ পাই,
স্ত্রীকে হাত খরচ- ৮ আনা,
২৫টি আম- ৬ আনা।

ওই সাড়ে ৮ বছরে ভদ্রলোকের দৈনিক বাজার খরচ ৪ আনা থেকে ১ টাকার ভেতর ছিল।

তরিতরকারি, মাছ, মাংস, ডিমের দাম লেখেননি তিনি। কারণ, ওসবই দৈনিক বাজার খরচের ভেতর ধরা আছে। তিনি খুব পাউরুটি খেতেন। প্রায়ই পাউরুটি ও ডালপুরির কথা লেখা আছে।

কয়লা ও মাসকাবারি জিনিস মুদির কাছ থেকে আনা হত বলে বিশদে লেখা নেই।

দেখা যাচ্ছে, ১৯৩০-১৯৩৮ আটা, চিনি, ডাল, কেরোসিন, ঘুঁটে, কাপড় ইত্যাদির দাম প্রায় একইরকম ছিল।

এবার দাম এই ক বছরে কতটা বেড়েছে? আমার বাবার হিসাবে

সাল ১৯৯১ - পেনশন ৩০০০ টাকা

সরষের তেল ৩৪, ৩৬, ৩৮, ৪০, ৪২, ৪৫ টাকা। কোনও কোনও দোকানে এখন ৫০ টাকা। রাইস
অয়েল ৩৬ টাকা থেকে বেড়ে এখন ৪৬ টাকা।

আস্ত হলুদের কেজি ৩০ টাকা থেকে বেড়ে
এখন ৫০ টাকা।

সবচেয়ে বেড়েছে পোস্তর দাম। এক বছর আগে কেজি ছিল ৯০ টাকা। এখন কেজি ২০০ টাকা।

আস্ত জিরে ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা। শুকনো লঙ্কা ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা।

মুসুর ২৩ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা। মুগ ২৬ টাকা থেকে
বেড়ে ৩৭ টাকা, অড়হর ২১ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩ টাকা।

চিনি ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৭ টাকা ৫০ পয়সা। বাতাসা ১৮ টাকা থেকে বেড়ে ২৪ টাকা।

একসেল গুঁড়ো সাবান ৪৬ টাকা থেকে বেড়ে ৫৮ টাকা। ডাভ সাবান ৩৭ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪ টাকা।

ক্লোজআপ পেস্ট ২৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩২ টাকা। বাটিকা মাথার তেল এখন ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৮ টাকা।

এবার সাল ২০১৯ - পেনশন ২২০০০ টাকা
বাবার হিসাবের খাতা ছিল, শুধুই কাঁচা বাজার, দুই হাতে বাজার করতেন রোজ।

মা'র ও সমান পেনসন। সংসারের বাকি সব মা সামলাতেন । তবে কখনও হিসাব রাখতে দেখিনি। রাখলে দৈনন্দিন জিনিষ, সোনার দাম, জামাকাপড়ের খরচ, লোক লৌকিকতা, ওষুধ বিষুধ, স্কুল কলেজ ও মেয়েদের বিবাহের হিসাবটা পাওয়া যেতো, কেমন ছিল ।

বাবার মৎস্যপ্রীতি বাজার বিখ্যাত । দৈনিক তিন চার রকম মাছ বাড়িতে আসতই সে নিজে খাক বা না খাক।

দরের নমুনা টা রইলো

বাজারে -

আপেল ১২০ টাকা কেজি,
মৌসম্বী ৪০ টাকা কেজি,
আনারস ৪০ টাকা প্রতিপিস,
পেয়ারা ৪০ টাকা কেজি,
পানিফল ২৫ টাকা কেজি,
আখ প্রতিপিস ২০ টাকা,
নারকেল ৩০ টাকা পিস,
ডাব প্রতি পিস ৩০ টাকা,

মাছ প্রতি কেজি
রুই - ১৫০-২৫০
কাতলা - ১৮০-২২০
রুই - ১৩০-২০০
মৃগেল - ১২০-১৬০
সিলভারকার্প - ১০০-১৩০
টেংরা - ১০০-১২০
পুঁটি - ১২০-১৪০
বোয়াল - ১৩০-১৬০
পাঙ্গাস - ১২০-১৫০
বাটা - ৮০-১২০
মাগুর - ১৮০-৩০০
সিঙ্গী - ২০০-৩০০
তেলাপিয়া - ২০০
ছোট ট্যাংরা - ১৫০
ভোলা - ২০০ মাঝারি
পাবদা - ৩০০ টাকা থেকে শুরু
লোটে - ১০০
পারসে - ২০০ টাকা বড়
গলদা চিংড়ি - ৫০০
বাগদা-চিংড়ি - ২৫০

আলু (জ্যোতি) - ১৫ টাকা কেজি
আলু (চন্দ্রমুখী) - ২২ টাকা কেজি
ফুলকপি - জোড়া ১২ টাকা
বাঁধাকপি - জোড়া ১৫ টাকা
উচ্ছে - ৩০ টাকা কেজি
ওলকপি - ২০ টাকা কেজি
পেঁয়াজকলি - ৩০ টাকা কেজি
পেঁয়াজ - ৩০ টাকা কেজি
বেগুন - ৩৫ টাকা কেজি
টমেটো - ৩০ টাকা কেজি
কাঁচা টমেটো - ৪০ টাকা কেজি
মোচা - ২০ টাকা (মাঝারি আকার)
পটল - ৪০ টাকা কেজি
সিম - ২৫ টাকা কেজি
বরবটি - আঁটি ১৫ টাকা
কড়াইশুঁটি - ৩০ টাকা কেজি
পেঁপে - ৮ টাকা
লেবু - ২ টাকা পিস
পালং শাক - ১০ টাকা আঁটি

মাটন কেজি প্রতি মাংসের দাম ৫০০ টাকা থেকে শুরু ছিল। কলকাতায় মুরগি মাংসের দাম বাড়ছে এই সময় থেকে ব্রয়লার মুরগী ১২০ ও দেশি মুরগি ২৫০ টাকা কেজি

#বাঙালি
#কলকাতা
#খাদ্যরসিক
#ফেসবুক

26/10/2024

Elevate with hope, land with peace

ইলিশের শুক্তো - ইলিশ সুক্তানি আটপৌরে পুরোনো রান্নার মতনই আটপৌরে ছবি । না এই রান্নাতে, না এই ছবিতে ফোটোজেনিক হয়ে ওঠার চেষ...
11/08/2024

ইলিশের শুক্তো - ইলিশ সুক্তানি

আটপৌরে পুরোনো রান্নার মতনই আটপৌরে ছবি । না এই রান্নাতে, না এই ছবিতে ফোটোজেনিক হয়ে ওঠার চেষ্টা ছিল । আধুনিক ইনস্টাগ্রাম যোগ্য রান্না নয় । এই দেবভোগ্য রান্না আমাকে যেমন ভাবে পরিবেশন করা হয়েছিল, আমিও হুবহু সেই ভাবেই মন থেকে ছেপে দিলাম ।

মর্নিং কলেজ আর ইভনিং-এ টিচার্স ট্রেনিংয়ের ক্লাসের মধ্যের সময়টুকু আহিরীটোলায় জয়িতাদের বাড়িতে আমার বেশ যাতায়াত ছিল । একসঙ্গে বসে নোটগুলো তৈরী আর দুজনের দ্রুত কাজ শেষ করার জন্যে আমাকে দুপুর বেলাতেই যেতে হতো অনেক কুন্ঠা নিয়ে । আর দুপুরের খাবার তো বাঙালি বাড়িতে অতিথির জন্যে সব সময়ই তৈরীই থাকতো, এখন মনে হয় না জানি মাসিমার কত খাবার আমার পেটে গেছে । অল্প আয়োজনে জয়িতার মায়ের হাতের রান্নার মধ্যে কেমন যেন একটা সোঁদা গন্ধ ছিল, কলকাতার বুকেই অনেকটা দিদিমার বাড়ির মতন, মন ছুঁয়ে থাকতো সব সময় ।

সেই দিন ছিল দারুন বৃষ্টি, পরের দিনই আমাদের গ্রুপ প্রেজেন্টেশন । খুব শরীর খারাপ ছিল, কলেজ না গিয়ে সোজা ওদের বাড়িতে উঠেছি । জয়িতার বাবা নিয়ে এলেন ইলিশ । বাড়িতে আমার জন্যে তখন শুক্ত সঙ্গে কাঁচকলা আর পেঁপে দিয়ে পাতলা মাছের ঝোল বরাদ্দ । গরম ভাতে লেবু দিয়ে সেই মাছের ঝোল, এই ছিল আমাদের সময়ের পেট খারাপের ওষুধ । বৃষ্টির দিন আর তার সাথে ইলিশ মাছ রান্না হবে শুনে আমার মনটা কি যে উদাস হয়ে গেছিলো, তা আর নাই বা বললাম ।

দুপুরে খেতে বসে দেখি থালাতে ইলিশ । মাসিমা বললেন, জয়িতার বাবা ইলিশ মাছ সব ছুতোতেই কিনবেন, বড্ডো ভালোবাসেন । কিন্তু নিজে খেতে পারেন না । উনি পেটরোগা মানুষ । তাই মাসিমা ওনার জন্যে মাঝে মাঝে এই ইলিশ সুকতানি রেঁধে দ্যান । কি যে খেলাম সেই দিন! আমাদের বাড়িতে বাবার বাজার করা আর মা'র হাতের রান্না সবার কাছে আলোচিত বিষয় ছিল । সেই রান্না খেয়ে বড়ো হওয়া আমি সেই দিন বাকরোহিত হয়ে গেছিলাম ।

শাপলা, বেগুন, কাঁচকলা, আর গাটি কচু দিয়ে রান্না করা ইলিশ করার অবকাশ আমার কম ছিল, ছিলই না বলতে গেলে । কারণ ইলিশ যখন দুর্মূল্য তখন ইলিশের অন্যান্য রান্না ছেড়ে শুকতানি কেও খেতে কেন চাইবে ভাবতাম । আজ যখন এই পেটরোগা আমি শুধু নিজের জন্যে ইলিশ শুক্ত রান্না করলাম, সেই পুরোনো বাড়ির আলো ছায়ার স্যাতস্যাতে রান্না ঘরে কাঠের উনুনে রান্নার সময়ে মাসিমার নরম চেহারাটা বড্ড মনে পড়ছিলো । রান্না দিয়ে স্মৃতিতে জুড়ে আছেন এখনো, এত বছর বাদেও ।

থালায় ছিল শাপলা ফুলের বড়া, শাপলা শুধু কালোজিরে কাঁচা লঙ্কা ফোরনে দৈনন্দিনে যে রান্না, আর নামমাত্র সর্ষের তেলে কালোজিরে, কাঁচা লঙ্কা অল্প হলুদ ফোরণে গাটি কচু, কাঁচকলা আর বেগুনের কাঁচা ইলিশের পাতলা ঝোল । সেই গন্ধ, সেই স্বাদ আর তৃপ্তি, বাঙালি রান্নার আসল জাদু তো এই রান্না গুলোতেই ।

 #বাঙালি  ‘ঘৃতে ভাজা পলা কড়ি,উন্‌টা শাকে ফুলবড়িচিংড়ি কাঁঠালবীচি দিয়াঅথবা, মসুরি মিশ্রিত মাসসুপ রাঁধে রস বাসহিঙ্গ জীর...
19/04/2024

#বাঙালি



‘ঘৃতে ভাজা পলা কড়ি,
উন্‌টা শাকে ফুলবড়ি
চিংড়ি কাঁঠালবীচি দিয়া

অথবা,

মসুরি মিশ্রিত মাস
সুপ রাঁধে রস বাস
হিঙ্গ জীরা বাসে সুবাসিত।

ভাজে চিতলের কোল
রোহিত মৎসের ঝোল
মান বড়ি মরিচে ভূষিত।'

আপনারা কখনও এমনটা রেধেছেন বা খেয়েছেন কি না জানি না, আমি কখনো কাঁঠাল বীচি মিশ্রিত চিংড়ির মালাইকারি চেখে দেখিনি। এবার একদিন সবগুলো রেঁধে খাবো । কেউ রাঁধলে কেমন হলো জানাবেন ।

কারণ আমার মত আরো অনেকেরই "পঠনে অর্ধেক ভোজনম" । ওই অনেকটা উইন্ডো শপিংয়ের মত আরকি।

এখন এই আগুন গরমে পান্তা খেতে খেতে এই পর্যন্ত।

Address

PURBACHAL N Road
Kolkata
700078

Telephone

+919433023778

Website

https://biswabangalee.com/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prasadam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Prasadam:

Share