রন্ধন পাচক

  • Home
  • রন্ধন পাচক

রন্ধন পাচক রন্ধন পাচকে উন্নত মানের মরিচ,হলুদ ও অন

22/01/2021

হৃদয় হরণ পিঠা রেসিপি:
শীতের এ সময়ে কমবেশি সবাই ঘরেই তৈরি করে থাকেন রকমারি পিঠা। বিভিন্ন পিঠার মধ্যে দৃষ্টিনন্দন একটি পিঠা হচ্ছে হৃদয় হরণ পিঠা। আর খেতেও বেশ সুস্বাদু।

ঘরে খুব কম সময়ে তৈরি করতে পারেন হৃদয় হরণ পিঠা। আসুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন হৃদয় হরণ পিঠা।

উপকরণ

ময়দা ১ কাপ, তরল দুধ দেড় কাপ, পোলাওয়ের চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ সামান্য ও চিনি বা গুড়ের সিরা দেড় কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন

দুধ ফুটে উঠলে সামান্য লবণ, চালের গুঁড়া ও ময়দা দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। ভালোভাবে মথে পাতলা রুটি বানান। কুচি করে ভাঁজ করুন।

এবার ভাঁজের মাঝের অংশ ভেতরে ঢুকিয়ে অপর দুই পাশ ঘুরিয়ে আটকে দিন। ডুবো তেলে ভাজুন, শিরায় দিয়ে তুলে নিন।

21/01/2021

রাতে ফেস মাস্ক লাগিয়ে ঘুমানো ত্বকের জন্য ভালো

ত্বক ভালো রাখতে, দাগ ও ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন ফেসিয়াল মাস্ক ব্যবহার করি আমরা। ফেস মাস্কের ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল করে।

তবে অনেকেই ফেস মাস্কের সঠিক ব্যবহার জানেন না। অনেকে সারারাত লাগিয়ে রেখে সকালে মুখ ধুয়ে ফেলেন। নাইট ফেস মাস্ক লাগালে মুখের ত্বক অনেক বেশি কোমল ও উজ্জ্বলও হয়। তবে এর সুবিধা-অসুবিধা দুই রয়েছে।

রাতে ফেস মাস্ক লাগিয়ে ঘুমানোর সুবিধা

১. ওভারনাইট ফেস মাস্ক ত্বককে হাইড্রেট করে। যাদের শুষ্ক ত্বক বা বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য এটি খুব উপকারী।

২. রাতে ঘুমানোর সময় ত্বকের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়, যা কোলাজেন পুনর্নির্মাণ এবং ইউভি এক্সপোজার, রিঙ্কেলস ও বয়সের দাগগুলো থেকে ত্বককে পুনরুদ্ধার করে। ফেস মাস্ক লাগিয়ে ঘুমালে, সক্রিয় উপাদানগুলো এবং এতে থাকা পানির উপাদান কোষ মেরামত ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৩. ত্বক ভালো রাখে বেশিরভাগ ওভারনাইট ফেস মাস্কগুলোতে খনিজ, ভিটামিন এবং অন্যান্য স্কিন-বুস্টিং উপাদান থাকে, যা ত্বক ভালো রাখে।

৪. দূষক থেকে ত্বককে রক্ষা করে ফেস মাস্ক। মাস্ক লাগিয়ে ঘুমানোর আর একটি সুবিধা হলো আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ময়লা, অন্যান্য দূষককে ছিদ্রের মধ্যে প্রবেশ করা থেকে আটকায়।

আর যেসব বিষয় মেনে চলবেন–

১. ক্লে বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল থাকা মাস্ক লাগিয়ে ঘুমানো এড়িয়ে চলুন। কারণ এগুলো সারারাত লাগিয়ে রাখলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

২. অ্যালকোহলযুক্ত পণ্য ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, যা আপনার ত্বককে শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

৩. আপনি যদি অ্যাসিড বা রেটিনলযুক্ত ত্বকের বিভিন্ন পণ্য ব্যবহার করেন, তবে এই একই উপাদানযুক্ত ফেস মাস্ক সারারাত লাগিয়ে রাখবেন না। কারণ এর ফলে ত্বকে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

20/01/2021

#ত্বকের যত্ন:

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, আমরা সবাই উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক চাই। কিন্তু হরমোন, দূষণ, কাজের চাপ, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনসহ নানা কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়।

ভারতের বিখ্যাত ফ্যাশন ও জীবনধারাবিষয়ক সাময়িকী ফেমিনার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জীবনযাপনে কিছুটা পরিবর্তন আনলে ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আসুন, আমরা কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জেনে নিই—

দুবার মুখমণ্ডল পরিষ্কার করুন

প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো, দিনে অন্তত দুবার ভালো করে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করতে হবে। সকালে একবার আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর আপনার প্রসাধন মাখুন। আর রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই মুখ ধুতে হবে। এতে সারা দিনের ময়লা ত্বক থেকে দূর হবে। নিয়মিত এটা করলে আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।

হালকা প্রসাধন

প্রতিদিন দুবার মুখ ধোয়া যদি প্রথম পদক্ষেপ হয়, তবে দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো, আপনি যে প্রসাধন ব্যবহার করবেন, তাতে যেন ক্ষতিকর উপাদান না থাকে। প্রসাধন কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করতে হবে। ক্লিনজার ও টোনার কেনার আগে সতর্ক হতে হবে। তাহলে ত্বকের লালচে ভাব বা অ্যালার্জির ভয় থাকবে না।

ময়েশ্চারাইজার

সিবাম অথবা প্রাকৃতিক তেলের আতিশয্য বা ঘাটতির কারণে ত্বকে ব্রণ ওঠে। অতিরিক্ত সিবামের কারণে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস ও ব্রণ হয়। ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগালে এসব সমস্যার সমাধান হতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমান

সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে ঘুমানোর বিকল্প নেই। আপনি যখন ঘুমিয়ে থাকেন, তখন শরীরের হাইড্রেশনে পুনর্ভারসাম্য আসে এবং ত্বকে ময়েশ্চার যুক্ত হয়। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চার ত্বককে মসৃণ করে এবং বলিরেখা দূর করে। ঘুমের অভাবে ত্বকে ক্লান্তভাব আসে, কালো দাগ বাড়ে, চোখের নিচে কালচে ভাব আসে; মাঝেমধ্যে ব্রণও হয়। তাই পর্যাপ্ত ঘুমাতে ভুলবেন না।

ভালো মেকআপ

ত্বক কেমন, তার ওপর নির্ভর করে মেকআপ করবেন। একেক জনের ত্বক একেক রকম। তাই হালকা মেকআপ করুন এবং প্রসাধনের গুণগত মান যেন ভালো হয়।

ঘন ঘন মুখে হাত দেবেন না

ব্রণসহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা খুবই বিরক্তিকর। অনেকে ঘন ঘন ওই স্থানে হাত লাগান, বিশেষ করে নখ লাগে। এতে ময়লা, ব্যাকটেরিয়াসহ অন্যান্য জীবাণু ত্বকের সংস্পর্শে আসে। তাই ত্বকের যে স্থান সমস্যাযুক্ত, সেখানে হাত দেবেন না।

শান্ত থাকুন

উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক পেতে হলে আপনাকে শান্ত থাকতে হবে, চাপমুক্ত হতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, চাপ ও ব্রণের মধ্যে একটি সংযোগ রয়েছে। চাপ কমানোর জন্য ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে পারেন। এ ছাড়া শ্বাসের ব্যায়াম ও ধ্যান করতে পারেন। মিউজিক থেরাপিও নিতে পারেন। যা-ই করুন, চাপমুক্ত থাকুন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

অস্বাস্থ্যকর খাবার আর বিশৃঙ্খল জীবনযাপনের প্রভাব আমাদের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যের ওপর পড়ে। অসময়ে খাওয়া, তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে শস্যজাতীয় খাবার, বাদাম, প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছ-মাংস ও সবুজ শাকসবজি খান, যা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখবে।

প্রচুর পানি পান করুন

প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর হয়ে যাবে। প্রচুর পানি পান ত্বককে আর্দ্র রাখে এবং শরীরের অভ্যন্তরকে সুস্থ রাখে, যা প্রতিফলিত হয় বহিরাঙ্গেও। তো, পানি খেতে ভুলবেন না।

ধনে ও জিরা দুটোই মসলাজাতীয় খাবার এবং তরকারিতে ব্যবহারের জন্য অসাধারণ। এই দুটি উপাদানের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বলেছেন বারডেম ...
15/01/2021

ধনে ও জিরা দুটোই মসলাজাতীয় খাবার এবং তরকারিতে ব্যবহারের জন্য অসাধারণ। এই দুটি উপাদানের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বলেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ।
@ধনে
ছেলেবেলায় অনেকেই শুনে থাকবেন, ধনে দিলে নাকি তরকারির আসল রূপ বেরিয়ে আসে আর ঝোলও নাকি হয় ঘন। অনেকেই জানে না ধনেগুঁড়া বা আস্ত ধনে দুটোই হজমের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটা খাবার। এতে ভিটামিন সি থাকায় কারও যদি সারা বছর পাতলা পায়খানার সমস্যা থেকে থাকে, তা-ও ঠিক হয়ে যায়। ক্যালরি নেই বলে এটি ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য ভালো। এমনকি কারও যদি নিউরোলজির সমস্যা থাকে, সেটিও ধনের মাধ্যমে রোধ করা সম্ভব। এমনকি ইউরিন ইনফেকশন দূর করতেও বেশ কার্যকর।

@জিরা
জিরাতে ভালো পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি রয়েছে। যেকোনো ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও জিরার জুড়ি নেই। হজমে যেমন সাহায্য করে তেমনি ডায়রিয়া রোধ করতেও সাহায্য করে এটি। অনেক সময় আমাদের ভুলে যাওয়ার একটা সমস্যা দেখা দেয়, এ ক্ষেত্রে খাবারে জিরার উপস্থিতি বাড়িয়ে দিন। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তবে এখন জিরাপানি খাওয়ার বেশ চল হয়েছে। জিরাপানির জিরাগুলোকে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে, সেদ্ধ করে সেই সেদ্ধ পানিতে লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন।

জিরার পানিতে মিলবে ১০ উপকার!বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, জিরা পানির এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিট...
28/11/2020

জিরার পানিতে মিলবে ১০ উপকার!

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, জিরা পানির এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক প্রপাটিজ, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল এবং নানা সব উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা নানাভাবে শরীরের উপকার করে থাকে।

১) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : রোজ ডায়েটের তালিকায় এই পানীয়টি রাখলে ত্বকের ভিতরের পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ত্বকের ভেতরে উপস্থিত টক্সিক উপদানেরা বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ফলে ত্বকের বয়স তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

২) লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত জিরা পানি খেলে শরীরের ডায়াজেস্টিভ এনাজাইমের উৎপাদন বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরাও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

৩) রেসপিরেটরি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : জিরায় উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর বুকে মিউকাসের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে, সেই সঙ্গে ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। ফলে নানাবিধ রেসপিরেটরি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৪) হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : বাঙালি মানেই জন্ম খাদ্যরসিক। আর এমনটা হওয়া মানেই বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বল রোজের সঙ্গী। এমন অবস্থা যদি আপনারও হয়ে থাকে, তাহলে আজ থেকেই এক গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো জিরা ভিজিয়ে সেই পানি পান করা শুরু করুন।

৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে : জিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার এত সুন্দরভাবে হজম হতে শুরু করে যে ওজন বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফাইবার আরেকভাবেও ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়।

৬) শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় : নিয়মিত জিরা পানি পান করলে শরীরে পানির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে শরীর শুকিয়ে গিয়ে কোনও ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

৭) এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : জিরার ভিতরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এনার্জি এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ক্লান্তি দূরে পালায়।

৮) ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে পালায় : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সকাল বেলা খালি পেটে জিরে ভেজানো পানি খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। এই কারণেই তো ডায়াবেটিস রোগীদের জিরা ভেজানো পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৯) ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করে জিরা পানি খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স যেমন ঠিক হয়ে যায়, তেমনি পটাশিয়ামের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড প্রেসার কমতে শুরু করে।

১০) রোগ-প্রতিরাধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : জিরায় উপস্থিত আয়রন শরীরে প্রবেশ করার পর লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

যেভাবে বানাবেন-

একটা পাত্রে পরিমাণ মতো পানি এবং জিরা নিয়ে কম করে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পানিটা ছেঁকে নিয়ে তাতে অল্প করে মধু মুশিয়ে ঝটপট খেয়ে ফেলতে হবে

17/11/2020

কাঁচা সোনার মতো উজ্জ্বল ত্বক চাইলে ভরসা রাখতেই হবে কাঁচা হলুদে:

♦️উপটানের কথা উঠলে একদম প্রথমদিকেই থাকবে হলুদের নাম। রূপচর্চার দুনিয়াতেও চিরকাল হলুদ রাজত্ব করে এসেছে। মুখের নিষ্প্রাণ বিবর্ণভাব কাটিয়ে সতেজ উজ্জ্বলতা এনে দিতে, মুখের কালো দাগছোপ হালকা করতে, ব্রণ-ফুসকুড়ি নির্মূল করার কাজে, মুখের যে কোনও প্রদাহ কমাতে হলুদের ব্যবহার বহু প্রাচীন। সমস্যা হল, শুধু কাঁচা হলুদ মুখে মাখলে ত্বক ভীষণ হলদে দেখায়, তাই তার সঙ্গে যদি মেশাতে পারেন বেসন বা চন্দন, তা হলে ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তেলতেলেভাব কাটিয়ে আর ত্বকের আর্দ্রতা বাড়িয়ে তুলে ত্বক কোমল, উজ্জ্বল রাখতে তাই বেছে নিন হলুদ দিয়ে তৈরি কিছু দুর্দান্ত ফেসপ্যাক।

♦️ব্রণ কমান হলুদ দিয়ে:
আপনার দরকার দু’ টেবিলচামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদবাটা, এক টেবিলচামচ পরিমাণ বেসন অথবা চালের গুঁড়ো, দু’ টেবিলচামচ টক দই বা দুধ (তেলতেলে ত্বক হলে) অথবা অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল (শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে) আর এক টেবিলচামচ মধু। সমস্ত উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। মুখে সমান করে মেখে 15 থেকে 20 মিনিট রাখুন, তারপর ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোওয়ার পর প্রথমে টোনার আর সব শেষে ময়শ্চারাইজ়ার অবশ্যই লাগাবেন।

♦️ত্বকের প্রদাহ কমাতে হলুদ

যাঁদের ত্বক সেনসিটিভ, তাঁদের একটুতেই মুখে জ্বালা করে, ত্বক লালচে হয়ে যায়। হলুদের প্যাক প্রদাহ কমিয়ে ত্বক শীতল রাখতে পারে। এক চা চামচ পরিমাণ হলুদবাটার সঙ্গে আধা চা চামচ পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল আর এক চা চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটা ঘন হবে না, বরং বেশ তরলই থাকবে। মুখে আলতো করে লাগিয়ে নিন। 10 মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি লাগালে মুখে সামান্য হলদেটে ভাব আসতে পারে। তা না চাইলে মিশ্রণটিতে কয়েকফোঁটা অলিভ বা নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন।

♦️ত্বক কোমল উজ্জ্বল রাখুন হলুদ দিয়ে

মুখ খুব নিষ্প্রাণ ক্লান্ত দেখাচ্ছে? হাতের কাছে রাখুন হলুদ আর ময়দা। দু’ টেবিলচামচ ময়দা, এক চাচামচ হলুদবাটা, এক টেবিলচামচ আমন্ড অয়েল আর তিন টেবিলচামচ দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ক্রিমের মতো মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। মুখে লাগিয়ে মিনিট 15 রাখুন, তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আলহামদুলিল্লাহ। দুই দিন ব্যাপী উই সামিট এ অংশ গ্রহণ করে সার্টিফিকেট পেলাম। উই সামিট সকল উদ্যোক্তাদের মনে নতুন  নতুন আশার...
26/10/2020

আলহামদুলিল্লাহ। দুই দিন ব্যাপী উই সামিট এ অংশ গ্রহণ করে সার্টিফিকেট পেলাম। উই সামিট সকল উদ্যোক্তাদের মনে নতুন নতুন আশার সঞ্চার করেছেন।

ঝালে ভরা শুকনা মরিচ। নানা সুস্বাদু খাবারে ব্যবহার করা হয় এই মরিচ। এমন কি অনেকের তো ভাত- ভর্তার সাথে এটি না হলে চলেই না। ...
24/10/2020

ঝালে ভরা শুকনা মরিচ। নানা সুস্বাদু খাবারে ব্যবহার করা হয় এই মরিচ। এমন কি অনেকের তো ভাত- ভর্তার সাথে এটি না হলে চলেই না। আবার কেউ কেউ ঝালের ভয়েই ধরেন না এই মরিচ। কিন্তু শুকনা মরিচে শুধু ঝালই নয়, আছে অন্য অনেক গুণ জেনে নিন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর নানা উপায়
রোগ প্রতিরোধ গড়তে জিংক, পাবেন কোন খাবারে
জিভে পানি আনা ৬ ভর্তা
শুকনা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি থাকে। তাই নিয়মিত এই মরিচ খেলে শরীরে ভিটামিন সি ও এ-র অভাব দূর হয়।
ঠাণ্ডা-সর্দি হলে শুকনা মরিচ খেয়ে দেখতে পারেন। কারণ ঠাণ্ডায় আপনার নাক বন্ধ থাকলে বেশ উপকার পাবেন।

এই মরিচে থাকে ভিটামিন এ। যা চোখের জন্যও বেশ উপকারী। চোখের যে কোনো সমস্যা থাকলে নিয়মিত খাবারে শুকনা মরিচ দিয়ে রান্না করতে শুরু করতে পারেন।

শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কম থাকলে আজ থেকেই শুকনা মরিচ খাওয়া শুরু করতে পারেন।

এমন কি হাই প্রেশারের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদের জন্যও শুকনা মরিচ অনেক উপকারী।

শরীরের বাতের ব্যথায় নানা বয়সের মানুষ কষ্ট পায়। এই ধরণের ব্যথা দূর করতে করতে শুকনা মরিচ খেয়ে দেখতে পারেন।

তবে বলে রাখা ভাল যে, যাদের গ্যাস্টিকের সমস্যা আছে বা ঝাল খেলেই পেট জ্বলে তাদের খুব বেশি পরিমাণ শুকনা মরিচ না খাওয়াটাই সঠিক সিধান্ত হবে।

শুকনো মরিচের গুড়া প্রতি কেজি মাত্র ৪৫০ টাকা ।
আধা কেজি মাত্র ২৩০ টাকা।
চট্টগ্রামে হোম ডেলিভারি মাত্র ৫০ টাকা।

24/10/2020

Assalamualikum, Thanks to all liked this page and sharing this page with your friends . Allah hafiz

আজকের দুপুরের খাবার, আমার  নিজের বানানো মাংসের মশলা দিয়ে রান্না করা মজাদার খিচুড়ি।  আর আমার গাছের পুদিনা ও থানকুনি পাত...
23/10/2020

আজকের দুপুরের খাবার, আমার নিজের বানানো মাংসের মশলা দিয়ে রান্না করা মজাদার খিচুড়ি। আর আমার গাছের পুদিনা ও থানকুনি পাতার ভর্তা ছিল।ছবি তোলার সময় দিতে মনে ছিল না।

আমার বানানো সকল মশলা দিয়ে রান্না হচ্ছে। খুব  সুন্দর রং ও ঘ্রাণ আসছে
22/10/2020

আমার বানানো সকল মশলা দিয়ে রান্না হচ্ছে। খুব সুন্দর রং ও ঘ্রাণ আসছে

Address

Omar Ali Matobbor Lane, Bahadderhut

4217

Telephone

+8801571771265

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রন্ধন পাচক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to রন্ধন পাচক:

  • Want your business to be the top-listed Interior Service?

Share